?> অভিশ্রুতি নাকি বৃষ্টি, অভশেষে ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল পরিচয় | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

বিনা মূল্যের পাঠ্যবই: বইয়ের মানে এবারও শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিনা মূল্যের পাঠ্যবই: বইয়ের মানে এবারও শঙ্কা

আসন্ন শিক্ষাবর্ষে দেশের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণের জন্য প্রস্তুতকৃত বিনা মূল্যের পাঠ্যবইয়ের মান নিয়ে তীব্র শঙ্কা দেখা দিয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) তদারকিতে বিভিন্ন ছাপাখানায় পরিদর্শন চালিয়ে অনিয়মের নানা চিত্র উন্মোচিত হয়েছে। দরপত্রের নিয়ম অমান্য করে বইয়ে নিম্নমানের কাগজ ও কালি ব্যবহার করা হয়েছে বলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া অনেক বইয়ের বাঁধাইয়েও গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়েছে, যা নিয়ে শিক্ষা প্রশাসনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পাঠ্যপুস্তকের গুণগত মান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই ধরনের ব্যত্যয় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বই ছাপার কাজে এই অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে তদারকি সংস্থা এনসিটিবি। ইতিমধ্যে মানহীন কাগজ ব্যবহার এবং ছাপার ত্রুটির কারণে প্রায় সাত লাখ ফর্মা বাতিল করা হয়েছে। অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অন্তত চৌদ্দটি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে বইয়ের মান যাচাইয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ইনডিপেনডেন্ট ইন্সপেকশন সার্ভিসেস বিডি নামের প্রতিষ্ঠানটিকেও শোকজ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু ছাপাখানার সঙ্গে যোগসাজশ করে মানহীন বইকে ছাড়পত্র দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এই মান যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে, যদিও তারা সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যবইয়ে আশি জিএসএম এবং মাধ্যমিক স্তরের বইয়ে সত্তর জিএসএম কাগজ ব্যবহারের কথা রয়েছে। কিন্তু বেশিরভাগ মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান সেই নির্দেশনা তোয়াক্কা না করে কম জিএসএমের নিম্নমানের কাগজ ব্যবহার করছে। এছাড়া দরপত্রে নির্দিষ্ট করা ব্র্যান্ডের কালির পরিবর্তে নকল ও নিম্নমানের কালি ব্যবহার করায় বইয়ের স্থায়িত্ব ও উজ্জ্বলতা নষ্ট হচ্ছে। এই সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিন পরিদর্শনের জন্য শিক্ষা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা বিভিন্ন ছাপাখানায় আকস্মিক পরিদর্শন চালিয়েছেন। অনিয়ম ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ফর্মা কেটে ফেলা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ব্যাখ্যা তলব করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, মুদ্রণ ব্যবসায়ীরা এই পরিস্থিতির জন্য বিদ্যুৎ সংকটকে প্রধানত দায়ী করছেন। ছাপাখানাগুলোতে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় জেনারেটর চালিয়ে বাড়তি খরচে কাজ চালাতে হচ্ছে তাদের। এই অতিরিক্ত ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে অনেক প্রতিষ্ঠান বাধ্য হয়ে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের পথ বেছে নিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা। তবে সব বাধা পেরিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে উন্নতমানের পাঠ্যবই পৌঁছে দিতে এনসিটিবি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শতাধিক ছাপাখানায় পুরোদমে বই ছাপার কাজ চলছে এবং সরকারের পক্ষ থেকে পুরো প্রক্রিয়াটি কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে।


ম্যানচেস্টার সিটি ১১৫টি অভিযোগের 'অনেকগুলোতেই দোষী সাব্যস্ত'

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ম্যানচেস্টার সিটি ১১৫টি অভিযোগের 'অনেকগুলোতেই দোষী সাব্যস্ত'

যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় ফুটবল ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে আনীত আর্থিক বিধি লঙ্ঘনের দীর্ঘমেয়াদী অভিযোগের তদন্তে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। ক্লাবটির বিরুদ্ধে আনা মোট ১১৫টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের একটি বড় অংশ প্রমাণিত হয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। বিবিসি স্পোর্টের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র।

দীর্ঘদিন ধরে প্রিমিয়ার লিগের এই ক্লাবটির আর্থিক লেনদেন এবং স্বচ্ছতা নিয়ে নানা গুঞ্জন ও তদন্ত চলছিল। অবশেষে সেই তদন্তের প্রাথমিক ফলাফলে ক্লাবটি একাধিক গুরুতর অনিয়মে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। এই রায়ের ফলে বিশ্বফুটবলের অন্যতম প্রভাবশালী এই ক্লাবের সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম অনুযায়ী ক্লাবগুলোকে কঠোর আর্থিক শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে চলতে হয়, যা এফএফপি বা ফাইন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে নামে পরিচিত। ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে এই বিধিমালা বারবার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া এবং তথ্য বিশ্লেষণের পর কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে ক্লাবটি নিয়ম ভেঙে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

এই রায়ের পর ম্যানচেস্টার সিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে ফুটবল বিশ্বে গভীর শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে। প্রমাণিত অভিযোগগুলোর কারণে ক্লাবটির বিরুদ্ধে পয়েন্ট কাটা থেকে শুরু করে বড় ধরনের আর্থিক জরিমানা কিংবা টুর্নামেন্ট থেকে নিষিদ্ধ করার মতো কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। আগামী দিনে এই পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেয় ক্লাব কর্তৃপক্ষ, সেদিকেই এখন সবার নজর রয়েছে।


মাদ্রাসাসহ পুরো শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবি বিএমজিটিএর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

মাদ্রাসাসহ পুরো শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবি বিএমজিটিএর

শিক্ষা ডেস্ক: বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় দেশের পুরো শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের জোরালো দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশন (বিএমজিটিএ)। সম্প্রতি রাজধানীর ডেমরায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতারা উপস্থিত থেকে দেশের শিক্ষক সমাজের বিভিন্ন দাবিদাওয়া ও বর্তমান শিক্ষা খাতের নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। শিক্ষকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন না হলে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা অসম্ভব বলে মন্তব্য করেন বক্তারা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস শাকুর এবং পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মেহেদী হাসান সরকার। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমজিটিএ-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোড়. হারুন অর রশিদ এবং প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহাসচিব ফিরোজ আলম। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন কেএম শামীম, মোহাম্মদ আলী, ফজলুর রহমান, আব্দুল হাই, গোলাম মোস্তফাসহ সংগঠনের অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা।

আলোচনা সভায় বক্তারা সরকারি চাকরিজীবীদের সুযোগ-সুবিধার সাথে শিক্ষকদের প্রাপ্ত সুযোগের ব্যবধান তুলে ধরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা শিক্ষকদের জন্য পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা প্রদান, সরকারি নিয়মে বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা নিশ্চিত করার দাবি জানান। সেইসঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিক্ষকদের জন্য বদলি প্রথা চালু করা এবং ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার বা ইএফটির মাধ্যমে শতভাগ বেতন-ভাতা পরিশোধের জোর দাবি উত্থাপন করা হয়।

শিক্ষা ব্যবস্থার বৈষম্য দূর করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নেতারা বলেন, মাদ্রাসার প্রশাসনিক পদগুলোতে জেনারেল শিক্ষকদের নিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করা সময়ের দাবি। সবশেষে, একটি বৈষম্যহীন ও যুগোপযোগী জাতি গঠনে মাদ্রাসাসহ দেশের সামগ্রিক শিক্ষা খাত দ্রুত জাতীয়করণের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।