?> বাংলাদেশে ভয়ংকর সীসা দূষণ, হৃদরোগে মারা যাচ্ছে লাখো মানুষ | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

বাংলাদেশে ভয়ংকর সীসা দূষণ, হৃদরোগে মারা যাচ্ছে লাখো মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বাংলাদেশে ভয়ংকর সীসা দূষণ, হৃদরোগে মারা যাচ্ছে লাখো মানুষ

সীসা দূষণের ফলে বাংলাদেশে প্রতিবছর হৃদরোগে আক্রান্ত ১ লাখ ৩৮ হাজারেরও বেশি মানুষ অকালে মারা যাচ্ছে। একই কারণে দেশটির শিশুদের আইকিউ কমে যাচ্ছে, যার ফলে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হবার ঝুঁকি বাড়ছে। চিকিৎসা সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট প্ল্যানেটারি হেলথ জার্নালে’ প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। ‘গ্লোবাল হেলথ বার্ডেন অ্যান্ড কস্ট অব লেড এক্সপোজার ইন চিলড্রেন অ্যান্ড অ্যাডাল্টস: অ্যা হেলথ ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড ইকোনমিক মডেলিং অ্যানালাইসিস’ নামের এই গবেষণাটি করেছেন বিশ্বব্যাংকের একদল গবেষক।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে যে, সীসা দূষণের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন চতুর্থ। এর ফলে একদিকে প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে অস্বাভাবিক হারে হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তেমনি শিশুদেরও আইকিউ কমে যাচ্ছে। আর্থিক ক্ষতির হিসেবে এর পরিমাণ প্রায় ২৮ হাজার ৬৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশটির ২০১৯ সালের মোটি জিডিপি’র প্রায় ৬ থেকে ৯ শতাংশের সমান। সীসা সবচেয়ে বড় ক্ষতি করে শিশুদের। মাত্রার চেয়ে বেশি সীসা শিশুদের শরীরের বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত করে।

বাংলাদেশের ২০১৯ সালের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গবেষকরা দেখেছেন যে, সীসা দূষণের ফলে দেশটিতে শূন্য থেকে চার বছর বয়সী বাচ্চারা প্রায় দুই কোটি আইকিউ পয়েন্টস হারাচ্ছে। এতে শিশুদের বুদ্ধির যথাযথ বিকাশ হচ্ছেনা। ফলে নতুন কিছু শেখার ক্ষেত্রে তাদের যেমন সমস্যা হচ্ছে, তেমনি আচার-ব্যবহারেও নানা অসংগতি দেখা যাচ্ছে। এছাড়া, খাবারে অরুচি, ওজন কমে যাওয়া, খিটখিটে মেজাজ - এরকম নানা সমস্যাও তৈরি করছে।

ইউনিসেফ বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. প্রিসিলা ওবিল এ প্রসঙ্গে বলেন, “বাংলাদেশে শিশুদের রক্তে উচ্চমাত্রায় সীসার উপস্থিতি তাদের মেধার পূর্ণ বিকাশের ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা।এছাড়া সীসা দূষণের ফলে তাদের আইকিউ কমে যাচ্ছে, যা দেশটির সার্বিক উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই সীসা দূষণ বন্ধে জাতীয় পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণ জরুরী।” ২০২২ সালের মে মাসে প্রকাশিত ‘গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজে’র তথ্যে দেখা গিয়েছিলো যে, সীসা দূষণের ফলে বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩০ হাজার মানুষ অকালে মারা যাচ্ছে। কিন্তু নতুন এই গবেষণা প্রতিবেদনে আরও ভয়ঙ্কর তথ্য উঠে এসেছে। এখানে দেখা যাচ্ছে যে, সীসা দূষণের ফলে বাংলাদেশে প্রতিবছর ২৫ বছর বা তার চেয়ে বেশি প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) সংক্রামক রোগ বিভাগের প্রকল্প সমন্বয়ক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, “সীসা দূষণ রোধে এখনই উপযুক্ত সময়। এই সমস্যাকে সমূলে উৎপাটনের জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।”

সীসা দূষণের উৎস

ব্যাটারি ভাঙ্গা শিল্প, সীসাযুক্ত পেইন্ট, অ্যালুমিনিয়ামের হাড়ি-পাতিল, খাবার রাখার জন্য ব্যবহৃত সিরামিকের পাত্র, ই-বর্জ্য, খেলানা, সার, রান্নায় ব্যবহৃত বিভিন্ন মশলা, প্রসাধনী, খাবার-দাবার এবং চাষ করা মাছের জন্য তৈরি খাবার থেকেই মূলত: বাংলাদেশে সীসার দূষণ ঘটে।

প্রকাশিত গবেষণাটির অংশ হিসেবে খুলনা, রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ২০০টি নমুনা সংগ্রহ করে সীসার উপস্থিতি পরিমাপ করে দেখেছে নিউ-ইয়র্ক ভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘পিওর আর্থ’। এসব নমুনার মধ্যে খাবার রাখার জন্য ব্যবহৃত ধাতব ও প্লাস্টিকের পাত্র, সিরামিক পাত্র, রঙ, শুকনা খাবার, খেলনা, রান্নায় ব্যবহৃত মশলা এবং প্রসাধনী পণ্য রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ২৪% নমুনাতেই মাত্রাতিরিক্ত সীসার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

খাবার রাখার জন্য ব্যবহৃত ৫৯% ধাতব পাত্রে, ৪৪% সিরামিক পাত্রে, ৯% প্লাস্টিকের পাত্রে, ৫৪% পেইন্টে, ১৭% চাল/স্টার্চে, ১৩% খেলনায়, ৭% মশলায় এবং ৬% প্রসাধনীতে অতিমাত্রায় ক্ষতিকর সীসার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে প্রতি ডেসিলিটার রক্তে গড়ে প্রায় ৬.৮ মাইক্রোগ্রাম সীসা পাওয়া গেছে বলে গবেষণা প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে। তবে একজন মানুষের শরীরে কতটুকু সীসা থাকা নিরাপদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত তার সঠিক কোনো পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়নি।

মা ইলিশ রক্ষায় দেশজুড়ে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

মা ইলিশ রক্ষায় দেশজুড়ে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে

কৃষি ডেস্ক: সাগর ও নদনদীতে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে সরকার নির্ধারিত ২২ দিনের বিশেষ নিষেধাজ্ঞা সম্প্রতি শুরু হয়েছে। এই সময়জুড়ে ইলিশ মাছ ধরা, বিক্রি, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ফলে চাঁদপুরের মেঘনা নদীসহ দেশের বিভিন্ন উপকূলীয় অঞ্চলে জেলেরা মাছ ধরা থেকে বিরত থাকছেন। নদী থেকে জাল ও ট্রলার গুটিয়ে জেলেরা এখন তীরে ফিরতে শুরু করেছেন। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন সময়ে চাঁদপুরের মেঘনার প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নৌরুটে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে। ভোলা ও পিরোজপুরের পাড়েরহাটসহ বিভিন্ন মাছঘাটে শত শত ট্রলার ও নৌকা নিরাপদে বেঁধে রাখা হয়েছে। তবে কাঙ্ক্ষিত ডিম না আসা এবং শেষ সময়ে কম মাছ পাওয়ায় অনেক জেলের মনে জীবিকা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে কুয়াকাটাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে নিষেধাজ্ঞা সফল করতে প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। নির্দেশনা অমান্য করলে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজমগীর হোসাইন জানান, নদীতে মাছ ধরা পুরোপুরি বন্ধ রাখতে নৌ পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে এবং কেউ আইন অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, মা ইলিশের এই প্রজনন সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। বোরহানউদ্দিন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনোজ কুমার জানান, মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী জানান, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে যৌথভাবে নদী ও সাগরে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।

মাছ ধরা বন্ধ থাকার এই সময়ে জেলে পরিবারগুলোর জীবনযাত্রা সচল রাখতে সরকার মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফ চাল বিতরণ করছে। পিরোজপুরের কাউখালীতে নিবন্ধিত জেলে পরিবারগুলোর মাঝে ২৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হলেও বরাদ্দ নিয়ে মৎস্যজীবীদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। একইভাবে বরিশালের উজিরপুরেও নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বিশেষ খাদ্যসহায়তা হিসেবে চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এই উদ্যোগগুলো জেলেদের কষ্ট লাঘব করতে এবং জাতীয় সম্পদ ইলিশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


পুকুর ও জলাশয়ের পাঁচ রাক্ষুসে মাছ যা ধ্বংস করছে মাছের বংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

পুকুর ও জলাশয়ের পাঁচ রাক্ষুসে মাছ যা ধ্বংস করছে মাছের বংশ

কৃষি ডেস্ক: পুকুর বা জলাশয়ে মাছের পোনা ছাড়ার পরও অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত বৃদ্ধি দেখা যায় না, যার পেছনে কাজ করে পানিতে থাকা কিছু রাক্ষুসে ও মাংসাশী মাছ। এই ধরনের মাছগুলোর মুখ সাধারণত বেশ বড় হয়ে থাকে এবং এরা নিয়মিত ছোট মাছ, পোনা ও ডিম খেয়ে ফেলে। এর ফলে চাষের রুই, কাতলার মতো উপকারী মাছগুলো সঠিকভাবে ডিম ফোটানোর সুযোগ পায় না।

জলাশয়ের এই ক্ষতিকর প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম হলো আফ্রিকান মাগুর, যা দ্রুত বড় হয়ে দেশি প্রজাতির মাছের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া আশির দশকে অ্যাকোয়ারিয়ামের মাছ হিসেবে আসা সাকার মাছ এখন নদী ও পুকুরে ছড়িয়ে পড়ে জলজ পরিবেশ নষ্ট করছে। পরিবেশ ও দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষার্থে সরকার ইতোমধ্যে আফ্রিকান মাগুর ও সাকার মাছের চাষ এবং আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

তালিকায় থাকা অন্য রাক্ষুসে মাছগুলোর মধ্যে পিরানহা অত্যন্ত হিংস্র ও ধারালো দাঁতের অধিকারী হওয়ায় যেকোনো জলজ প্রাণী মুহূর্তে খেয়ে ফেলতে পারে। দেশীয় প্রজাতির মধ্যে বোয়াল ও শোল মাছও জলাশয়ে বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করে থাকে। বোয়ালের বড় মুখ ও ধারালো দাঁত এবং শোল মাছের শিকারি স্বভাবের কারণে এরা সুযোগ পেলেই ছোট মাছ ও ডিম ধ্বংস করে দেয়।

এই রাক্ষুসে মাছগুলোর উপস্থিতির কারণে চাষের পুকুরে কার্পজাতীয় মাছের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। মৎস্যসম্পদ ও দেশীয় প্রজাতির মাছ টিকিয়ে রাখতে এসব ক্ষতিকর মাছের বিস্তার রোধ করা অত্যন্ত জরুরি। কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে প্রাপ্ত এই তথ্যের ভিত্তিতে জলাশয় সুরক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।


ভোলার মেঘনা নদীতে ধরা পড়ল ২৪ কেজি ওজনের ব্ল্যাক কার্প

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভোলার মেঘনা নদীতে ধরা পড়ল ২৪ কেজি ওজনের ব্ল্যাক কার্প

সম্প্রতি ভোলার সদর উপজেলার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ২৪ কেজি ওজনের একটি বিশাল আকৃতির ব্ল্যাক কার্প ধরা পড়েছে। সন্ধ্যার দিকে মাছটি তালতলী ইলিশা মাছঘাটে নিয়ে আসা হলে তা এক নজর দেখার জন্য উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। পরবর্তীতে নিলামের মাধ্যমে এই মাছটি ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করা হয়।

স্থানীয় আড়ত ও জেলে সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার জেলে মো সুলতান সরদার দুপুরের জোয়ারের সময় মেঘনা নদীতে জাল ফেলেন এবং জাল তোলার সময়ই এই বিশাল মাছটি আটকে যায়। পরে মাছটি তালতলীর ফকির দালালের আড়তে তোলা হলে সেখানে উপস্থিত ক্রেতা ও আড়তদারেরা দর কষাকষি শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় মাছটি বিক্রি হওয়ার পর আঠারো জন মিলে সেটি ভাগ করে নেন।

আড়তদার লোকমান জানান, নদীতে সম্প্রতি ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইলিশের দাম কিছুটা কমেছে এবং ইলিশ কম থাকলে এই কার্পটির দাম আরও বেশি হতে পারত। জেলে সুলতান সরদারের সঙ্গে কথা বলা না গেলেও নৌকার অন্য জেলেরা জানান, এত বড় ব্ল্যাক কার্প তারা আগে খুব একটা দেখেননি এবং জালে উঠতেই তারা আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন।

ভোলা সদর উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ভূঁইয়া জানান, এটি বাংলাদেশের দেশীয় কোনো প্রজাতি নয় বরং পূর্ব এশিয়ার চীন অঞ্চলের স্বাদুপানির কার্পজাতীয় মাছ যা আমাদের দেশে সীমিত পরিসরে পুকুরে চাষ করা হয়। তিনি আরও বলেন, নদীতে প্রাকৃতিক খাদ্য ও অনুকূল পরিবেশ পেলে এই মাছ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে ৩০ কেজি বা তারও বেশি ওজনের হতে পারে। পুকুর থেকে বর্ষা বা বন্যার পানিতে বেরিয়ে গিয়ে নদীতে টিকে থাকার ফলেই ভোলার মেঘনায় এই বিরল বড় আকারের ব্ল্যাক কার্প পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।