?> ফের শুরু হয়েছে ঢাকার ৯ কেন্দ্রে করোনার টিকা কার্যক্রম | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

৯ কেন্দ্রে করোনার টিকা কার্যক্রম
ফের শুরু হয়েছে ঢাকার ৯ কেন্দ্রে করোনার টিকা কার্যক্রম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৪

ফের শুরু হয়েছে ঢাকার ৯ কেন্দ্রে করোনার টিকা কার্যক্রম

335.684x188.809 (Original: 1280x720)


335.684x188.809 (Original: 1280x720)

বার্তাবেলা ডেস্ক: দেশে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। তাই দ্রুত টিকা দিতে নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় গত ২১ জানুয়ারি থেকে ঢাকার ৯টি কেন্দ্রে শুরু হয়েছে টিকা কার্যক্রম। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) টিকা দেওয়ার নির্দেশনা দেয় অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স বিভাগের সদস্য সচিব ডা. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, আমরা প্রয়োজনীয় টিকা কেন্দ্রে পাঠিয়ে দিয়েছি। টিকা কার্যক্রম চলছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্মুখসারির স্বাস্থ্যকর্মী, ৬০ বছর এবং তদূর্ধ্ব বয়সী জনগোষ্ঠী, দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ১৮ বছর এবং তদূর্ধ্ব বয়সী জনগোষ্ঠী, স্বল্প রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছর এবং তদূর্ধ্ব) জনগোষ্ঠী ও অন্তঃসত্ত্বা নারীদের প্রাধান্য দিয়ে টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সবাইকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কেন্দ্রগুলো হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিডফোর্ড হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ফুলবাড়িয়া সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল, জাতীয় নাক কান গলা ইনস্টিটিউট সহ ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার কিছু জায়গায় টিকা দেওয়া হচ্ছে।


তিনি জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকা শহরের ৯টি কেন্দ্রে বুস্টার ডোজ অর্থাৎ ৩য় এবং চতুর্থ ডোজ ফাইজার ভিসিভি ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে।

এর আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়, দেশব্যাপী করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে ফাইজার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কার্যক্রমের ১ম, ২য় এবং বুস্টার ডোজ (৩য়, ৪র্থ ডোজ) বিতরণ এবং প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। শিগগির কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম শুরু করতে হবে।


আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ভয়ংকর সীসা দূষণ, হৃদরোগে মারা যাচ্ছে লাখো মানুষ


পরে ধাপে ধাপে ঢাকার বিভিন্ন বিশেষায়িত ইন্সটিটিউট ও সরকারি হাসপাতাল, ঢাকার বাইরের সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং জেলা পর্যায়ের হাসপাতালসমূহে ভ্যাকসিন বিতরণের মাধ্যমে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ১ম এবং ২য় ডোজের ক্ষেত্রে ফাইজার আরটিইউ ভ্যাকসিন ব্যবহার করতে হবে। প্রাথমিকভাবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল, মহাখালী এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নয়াবাজার ঢাকা মহানগর জেনারেল হাসপাতালে এই টিকা প্রদান করা হবে।






নির্দেশনায় বলা হয়, ১ম এবং ২য় ডোজ টিকা প্রাপ্তির প্রমাণস্বরূপ ভ্যাকসিনের নাম এবং তারিখ উল্লেখপূর্বক কোভিড-১৯ টিকাদান কার্ড সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে প্রদান করা হবে। ৩য় এবং ৪র্থ ডোজ টিকার ক্ষেত্রে সুরক্ষা ওয়েবসাইট অথবা অ্যাপ থেকে টিকাকার্ড ডাউনলোড করে সঙ্গে আনতে হবে; এমআইএস, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পূর্ব নির্ধারিত উপায়ে কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিনেশনের রিপোর্ট প্রদান করতে হবে।

চাঁদপুরের মেঘনায় মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে তিন জেলে আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

চাঁদপুরের মেঘনায় মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে তিন জেলে আটক

কৃষি ডেস্ক: চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় মা ইলিশ সংরক্ষণের সরকারি নির্দেশ বাস্তবায়নে মেঘনা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে নৌ পুলিশ। সম্প্রতি রাতে উপজেলার আমিরাবাদ লঞ্চঘাটসংলগ্ন মেঘনা নদীর তীরবর্তী ও জহিরাবাদ লঞ্চঘাট এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করে মাছ শিকারের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় তিনজনকে আটক করে।

অভিযান চলাকালে আটক জেলেদের কাছ থেকে অবৈধভাবে নদীর পানিতে পাতার জন্য প্রস্তুত রাখা নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না চাঁই জব্দ করা হয়। আইন অমান্য করে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত এই উপকরণের মধ্যে প্রায় দুইশ মিটার কারেন্ট জাল এবং আশি মিটার চায়না চাঁই ছিল। আটক ব্যক্তিরা হলেন বাবু মোল্লা, জয়নাল আবেদীন এবং আক্কাস সর্দার, যাদের সবার বাড়ি মতলব উত্তর উপজেলায়।

মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও পুলিশ পরিদর্শক মো. রহুল আমিন এই অভিযಾನ ও আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান যে নিষিদ্ধ জালের সাহায্যে অবৈধভাবে মাছ শিকারের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় হাতেনাতে তাদের আটক করা হয়েছে। পরে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের জন্য তাদের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত সমস্ত জাল ও ফাঁদ জব্দ করা হয়।

মতলব উত্তর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে জানান যে আটক জেলেদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের চাঁদপুর আদালতে সোপর্দ করা হবে। প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের নিরাপদ চলাচল ও প্রজনন নিশ্চিত করতে নদীতে নৌ পুলিশের এমন কঠোর অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।


লক্ষ্মীপুরে মৌসুমের শেষ সময়ে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় কমেছে দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর, ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে মৌসুমের শেষ সময়ে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় কমেছে দাম

লক্ষ্মীপুরে সম্প্রতি জেলেদের জালে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ ধরা পড়ায় স্থানীয় মাছঘাটগুলোতে সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মৌসুমের শেষ সময়ে এই ইলিশের দেখা মেলায় ঘাটগুলোতে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ সময় ধরে কাঙ্ক্ষিত মাছ না পেয়ে হতাশ থাকলেও এখন জেলেদের মুখে হাসির রেখা ফুটে উঠেছে।

জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত একশ কিলোমিটার এলাকা ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে পরিচিত এবং এই অঞ্চলে হাজার হাজার জেলে মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করেন। বিগত বেশ কিছুদিন ধরে নদীতে মাছের আকাল থাকায় জেলেরা অলস সময় কাটালেও বর্তমানে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে। তবে জালে ধরা পড়া এসব ইলিশের আকার তুলনামূলকভাবে কিছুটা ছোট বলে জানা গেছে।

সরবরাহ বাড়ার ফলে গত সপ্তাহের তুলনায় প্রকারভেদে প্রতি কেজি ও হালি ইলিশের দাম কিছুটা কমে এসেছে। বর্তমানে এক কেজি ওজনের ইলিশ দুই হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত ছিল। এছাড়া অন্যান্য ছোট আকারের ইলিশও কিছুটা কম দামে বাজারে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে।

মতিরহাটের জেলে লিটন মাঝি জানান, দীর্ঘদিন নদীতে মাছ না পাওয়ায় তাঁর পরিবারকে অনেক কষ্ট করতে হলেও এখন জালে পর্যাপ্ত মাছ ধরা পড়ায় তিনি খুশি। অন্যদিকে ক্রেতা মো. তুষার ইসলাম ও সালামত উল্যাহ জানান, সরবরাহ বাড়ায় দাম কমলেও সিন্ডিকেট ও বাজার মনিটরিংয়ের অভাবে দাম এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

জেলা মৎস্য অফিসের সিনিয়র পরিচালক মো. লুৎফুর রহমান আশা প্রকাশ করেছেন যে মেঘনা ও সাগরে মাছের সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কমে আসবে। এছাড়া আসন্ন ছয় অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সফল করতে প্রশাসন কাজ করছে বলেও তিনি জানান।


পটুয়াখালীর মহিপুর মৎস্যবন্দরে প্রায় দুই কেজি ওজনের একটি ইলিশ বিক্রি হলো সাড়ে ছয় হাজার টাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পটুয়াখালীর মহিপুর মৎস্যবন্দরে প্রায় দুই কেজি ওজনের একটি ইলিশ বিক্রি হলো সাড়ে ছয় হাজার টাকায়

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর মৎস্যবন্দরে প্রায় দুই কেজি ওজনের একটি বিশাল আকারের ইলিশ মাছ চড়া দামে বিক্রি হয়েছে। সম্প্রতি পায়রা বন্দরের শেষ বয়ায় একটি মাছ ধরার ট্রলারে মাছটি ধরা পড়ে। আসাদুল ইসলাম নামের এক মাঝি বিক্রির জন্য মাছটি মহিপুর বাজারে নিয়ে আসেন।

জেলেরা জানিয়েছেন, এফবি জুনাইদ নামের ট্রলারটিতে মাছটি ধরা পড়ার পর মহিপুরের মায়ের দোয়া মৎস্য আড়তে আনা হয়। প্রায় ১ কেজি ৯০০ গ্রাম ওজনের এই ইলিশটি সাড়ে তিন হাজার টাকা কেজি দরে ক্রয় করেন সৌরভ নামের এক ক্রেতা। সব মিলিয়ে মাছটির দাম পড়েছে ৬ হাজার ৬৫০ টাকা।

স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী কাওসার হোসেন জানান, দুই কেজির কাছাকাছি ওজনের ইলিশ বাজারে সচরাচর দেখা যায় না। এমন বড় আকৃতির মাছ বাজারে আসায় ক্রেতাদের মধ্যে বেশ কৌতূহল ও আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন নবী উল্লেখ করেন, সমুদ্রে পর্যাপ্ত খাবার ও অনুকূল পরিবেশ থাকলে ইলিশের বৃদ্ধি দ্রুত ঘটে। এছাড়া বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়ার ঘটনা সামুদ্রিক ইলিশের প্রজনন ও বৃদ্ধির ধারাবাহিকতার ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে।

গবেষকরা মনে করেন, বড় আকারের ইলিশের উপস্থিতি মৎস্যসম্পদের ভালো অবস্থার ইঙ্গিত দিলেও সামগ্রিক পরিস্থিতি মূল্যায়নে নিয়মিত বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ প্রয়োজন। পাশাপাশি ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও মৎস্য ব্যবস্থাপনার নিয়মগুলো কঠোরভাবে মেনে চলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।