?> দোহালিয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

দোহালিয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

দোহালিয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ


সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার ৬নং দোহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠে কাজ করছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের পাশাপাশি অবহেলিত এলাকার উন্নয়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং যুবসমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দোহালিয়া বাজারে নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আবুল কালাম আজাদ বলেন, ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার ও জনদুর্ভোগ কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এসব লক্ষ্য সামনে রেখেই তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের মতামতের ভিত্তিতে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করবেন। যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে জনবান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তুলতে কাজ করবেন।

যুবসমাজকে মাদকমুক্ত করার বিষয়ে তিনি বলেন, যুবসমাজ দেশের সম্পদ। কিন্তু মাদকের কারণে অনেক তরুণের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ থেকে উত্তরণে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তরুণদের সম্পৃক্ত করা এবং অভিভাবকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। এ ক্ষেত্রে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চান।

আবুল কালাম আজাদ আরও বলেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। ইউনিয়নবাসীর পাশে থেকে তাঁদের সমস্যা সমাধান এবং একটি সুন্দর, নিরাপদ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখাই তাঁর লক্ষ্য।

এদিকে, শনিবার তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভাই ভাই স্কিংস উলুড়া ইসলামপুর ক্লাবের একটি দল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাকির, মন্টু দাস, দীপ্ত দাস, অমিত দাস, হৃদয় দাস, নয়ন দাস, রাসু দাস, মাহিন, মারুফ, ইমন আহমদ, হোসাইন, জুয়েল, জনিক দাস, হাসান, মাসুম ও শাহিনসহ অন্যরা।

আসন্ন ৬নং দোহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ইউনিয়নবাসীর কাছে দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

ডিম সিন্ডিকেটে এআই (AI) বিপ্লব

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬

ডিম সিন্ডিকেটে এআই (AI) বিপ্লব

এলাকার কাঁচাবাজারের এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে নিজের খেয়ালখুশিমতো পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন। তবে সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে মান্ধাতা আমলের সিন্ডিকেট পদ্ধতি বদলে ফেলার চিন্তা করেন তিনি। ঠিক সেই সময়ে তাঁর টিকটকার ভাগনে এসে তাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের অভিনব পরামর্শ দেয়। প্রযুক্তির এই নতুন মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে বাজারের প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে রাতারাতি বড়লোক হওয়ার পরিকল্পনা শুরু করেন ওই ব্যবসায়ী।

ভাগনের সহায়তায় চ্যাটজিপিটির কাছ থেকে বাজার দখলের বিভিন্ন কৌশল জেনে নেন সেই মুটে ব্যবসায়ী। এআই-এর বুদ্ধি অনুযায়ী প্রথমে সাধারণ ফার্মের ডিমে বিশেষ গোল্ডেন স্টিকার লাগিয়ে সেগুলোকে ভিআইপি পণ্য হিসেবে উচ্চমূল্যে বিক্রি করতে শুরু করেন তিনি। প্রথম ধাপে এই অভিনব রিব্র্যান্ডিং সফল হওয়ায় লাভের মুখ দেখেন এবং সাহসহী আরও বেড়ে যায়। এরপর তিনি কৃত্রিম সংকট তৈরির উদ্দেশ্যে এক লাখ ডিম অন্য জেলায় সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেন।

চ্যাটজিপিটির নির্দেশনা মেনে রাতের আঁধারে একটি কাভার্ড ভ্যানে করে বিপুল পরিমাণ ডিম গোপনে অন্যত্র সরানোর সময় বিপত্তি ঘটে। ভাঙাচোরা মহাসড়কে অতিরিক্ত ঝাঁকুনিতে গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ভেতরের সমস্ত ডিম ভেঙে একাকার হয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে হাইওয়ের ওপর ডিমের তরল অংশ ছড়িয়ে পড়ে এক বিশাল হলুদ নদীর মতো অবস্থার সৃষ্টি করে। চালক ও তার ভাগনে এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় চরম বিপাকে পড়েন এবং কী করবেন তা বুঝতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পড়েন।

ভাঙা ডিম দিয়ে রাস্তার ধারের পথচারী বা কুকুরদের জন্য অমলেট বিক্রির অদ্ভুত পরামর্শ দিয়ে এআই পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। এর মধ্যেই ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত উপস্থিত হয়ে রাস্তায় যানজট সৃষ্টি ও অবৈধভাবে পণ্য মজুত করার অপরাধে ব্যবসায়ীকে মোটা অঙ্কের জরিমানা করেন। সমস্ত ঘটনা শেষে আধুনিক প্রযুক্তির ওপর পুরোপুরি ভরসা হারিয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত নিজের পুরনো ও সনাতন পদ্ধতিতে ব্যবসা পরিচালনার সিদ্ধান্তে ফিরে আসেন।


ছোট পর্দায় এশিয়ান গেমসের সঙ্গে থাকছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের উন্মাদনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬

ছোট পর্দায় এশিয়ান গেমসের সঙ্গে থাকছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের উন্মাদনা

ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য সময়টি বেশ রোমাঞ্চকর কাটছে কারণ টেলিভিশনের পর্দায় একসঙ্গে উপভোগ করা যাচ্ছে এশিয়ার সর্ববৃহৎ ক্রীড়াযজ্ঞ এশিয়ান গেমস এবং বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের বিভিন্ন ম্যাচ। মহাদেশীয় এই লড়াইয়ের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী ইউরোপীয় লিগগুলোর আকর্ষণীয় দ্বৈরথ দর্শকদের ঘরে বসেই ভিন্ন এক ক্রীড়াবিনোদনের খোরাক জোগাচ্ছে। একই সময়ে দুই ভিন্ন ধারার বড় টুর্নামেন্ট চলায় ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উন্মাদনা লক্ষ করা যাচ্ছে।

এশিয়ান গেমসের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে নিজ দেশের ক্রীড়াবিদদের সাফল্যের প্রত্যাশায় টিভির সামনে সময় কাটাচ্ছেন লাখো দর্শক। অন্যদিকে, ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় ক্লাবগুলোর টানটান উত্তেজনার ম্যাচগুলোও দর্শকপ্রিয়তার শীর্ষস্থান দখল করে রয়েছে। ফলে ফুটবল ভক্ত থেকে শুরু করে সাধারণ ক্রীড়ানুরাগী—সবাই এখন নিজেদের পছন্দের দল ও খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স দেখতে বুঁদ হয়ে আছেন ছোটপর্দার সামনে।

বিশ্ব ক্রীড়াসূচির এই ব্যস্ত সময়ে চ্যানেলগুলোর সম্প্রচারসূচিও সাজানো হয়েছে বেশ চমৎকারভাবে, যাতে দর্শকরা কোনো হাইভোল্টেজ ম্যাচ বা ইভেন্ট মিস না করেন। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ক্রীড়াভিত্তিক চ্যানেলগুলোতে এই দুই টুর্নামেন্ট নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ ও আলোচনা। সব মিলিয়ে, ঘরে বসেই বৈশ্বিক খেলাধুলার এই মহা-উৎসব দারুণভাবে উপভোগ করছেন ক্রীড়ামোদী দর্শকরা।


শিক্ষকসংকটে শিখনে ঘাটতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর, ২০২৬

শিক্ষকসংকটে শিখনে ঘাটতি

দেশের প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার প্রায় প্রতিটি স্তরেই বর্তমানে শিক্ষকসংকট একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার খাজনাগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো অনেক প্রতিষ্ঠানেই প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত কম শিক্ষক দিয়ে পাঠদান চালাতে হচ্ছে। এর ফলে শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পঠনপাঠন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিখন ঘাটতি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষাবিদদের মতে, শিক্ষক গড়ার এই কারিগরদের যথাযথ সুযোগ-সুবিধা এবং সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা না গেলে মেধাবী মুখগুলো এই পেশায় আসতে উৎসাহী হবে না।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে চলা মামলা-জটিলতা এবং নানা প্রশাসনিক কারণে সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান ও সহকারী শিক্ষকের হাজার হাজার পদ শূন্য পড়ে রয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক স্তরে প্রধান শিক্ষক এবং মাধ্যমিক স্তরে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের তীব্র অভাব রয়েছে। বিশেষ করে বিজ্ঞান, গণিত ও তথ্যপ্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় অন্য বিষয়ের শিক্ষকদের দিয়ে ক্লাস পরিচালনা করতে হচ্ছে। অনেক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকেরা দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকায় নিয়মিত পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

শহরের নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে মফস্বলের কলেজগুলোতেও একই ধরনের করুণ চিত্র বিরাজ করছে। নেত্রকোনা সরকারি মহিলা কলেজ কিংবা চাঁপাইনবাবগঞ্জের আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজের মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানগুলোতেও বহু পদ খালি রয়েছে, এমনকি অনেক জায়গায় আইসিটি বা রসায়নের মতো বিষয়ের স্থায়ী শিক্ষক পর্যন্ত নেই। অন্যদিকে, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও পর্যাপ্ত যোগ্য প্রার্থীর অভাবে হাজার হাজার পদ শূন্য রয়ে গেছে। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠদান সচল রাখতে নানা বিকল্প ব্যবস্থার আশ্রয় নিতে হচ্ছে।

শিক্ষক সংকট মোকাবিলা এবং এই পেশায় মেধাবীদের আকর্ষণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট মহল ও সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা বলা হচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষকদের জন্য একটি স্বতন্ত্র বেতনকাঠামো বা আলাদা পে-স্কেল গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা বারবার উঠে আসছে। এছাড়া বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সরকারি অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের আর্থিক সম্মাননা প্রদান এবং তাদের মর্যাদা বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রশাসনিক জটিলতা দূর করে দ্রুত শূন্য পদগুলোতে শিক্ষক নিয়োগ এবং তাঁদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করা না গেলে দেশের সামগ্রিক শিক্ষার মান দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।