?> পিঁপড়ারা কখনো একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খায় না কেন | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

পিঁপড়ারা কখনো একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খায় না কেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

পিঁপড়ারা কখনো একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খায় না কেন

ডেস্ক রিপোর্ট: প্রকৃতির এক বিস্ময়কর জীব হলো পিঁপড়া, যারা দলবদ্ধভাবে চলাফেরা করার সময় অত্যন্ত সুশৃঙ্খল নিয়ম মেনে চলে। মাটিতে শত শত পিঁপড়া একসঙ্গে যাতায়াত করলেও তাদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা দেখা যায় না বললেই চলে। অথচ মানুষের তৈরি বড় বড় শহরে তীব্র যানজট ও দুর্ঘটনার চিত্র অত্যন্ত সাধারণ একটি বিষয়। গবেষকদের দীর্ঘদিনের কৌতূহলের বিষয় ছিল কীভাবে এই ক্ষুদ্রকায় পতঙ্গগুলো নিখুঁত ট্রাফিক ব্যবস্থা বজায় রেখে চলাচল করে।

বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক গবেষণায় পিঁপড়ার এই সুশৃঙ্খল চলাচলের পেছনে লুকিয়ে থাকা চমৎকার কিছু কৌশল উন্মোচিত হয়েছে। এরা সাধারণত ফেরোমন নামক এক ধরনের রাসায়নিক সংকেত ব্যবহার করে পথঘাট নির্ধারণ করে এবং একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে। যখন একটি পিঁপড়া খাবার বা অন্য কোনো প্রয়োজনে চলাচল করে, তখন তার গতিবিধি ও সংকেত অনুসরণ করে বাকিরাও একই পথ ধরে। এই সম্মিলিত যোগাযোগের মাধ্যমেই তারা ভিড়ের মধ্যেও সংঘর্ষ এড়াতে সক্ষম হয়।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পিঁপড়ারা কেবল রাসায়নিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে না, বরং তাদের নিজস্ব কিছু শারীরিক আচরণও এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় তারা সামনের পথচারী পিঁপড়ার গতি এবং দূরত্ব অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে পারে। কোনো কারণে সামনে বাধা সৃষ্টি হলে বা অন্য কোনো পিঁপড়া বিপরীত দিক থেকে এলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে গতি কমিয়ে দেয় বা দিক পরিবর্তন করে। এর ফলে মুহূর্তের মধ্যে একটি স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

প্রাণীজগতের এই ছোট্ট জীবের সুশৃঙ্খল চলাচলের কৌশল আধুনিক বিজ্ঞানীদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। গবেষকরা মনে করছেন, পিঁপড়ার এই ট্রাফিক ব্যবস্থার অনুকরণ করে মানুষের আধুনিক নগর জীবনে যানজট নিরসন এবং রোবটিক্স প্রযুক্তিতে চলাচলের অ্যালগরিদম উন্নত করা সম্ভব। প্রকৃতির এই চমৎকার পাঠ আমাদের বাস্তব জীবনেও অনেক বড় সমস্যার সহজ সমাধান খুঁজে পেতে সাহায্য করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন ঢাকা-৫ আসনের জামায়াত এমপি কামাল হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন ঢাকা-৫ আসনের জামায়াত এমপি কামাল হোসেন

জাতীয় ডেস্ক: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের যোগাযোগ এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকায়নে বড় ধরনের আর্থিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের একটি বৈঠকে এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পটির সবুজ সংকেত মেলে। দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষে এই প্রকল্পে প্রায় আট শ কোটি টাকার কাছাকাছি অর্থ ব্যয় ধরা হয়েছে। এর মাধ্যমে রাজধানীর এই প্রান্তের দীর্ঘদিনের নাগরিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুমোদিত এই মেগা প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৮৪ কোটি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৫৪৯ কোটি ১৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা জোগান দেওয়া হবে এবং বাকি ২৩৫ কোটি ৩৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকা বহন করবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২০২৬ সালের অক্টোবর মাস থেকে শুরু হয়ে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে এই পুরো উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন এই উন্নয়ন প্রকল্পের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ঢাকা-৫ সংসদীয় আসনটি। এই এলাকার যাত্রাবাড়ী থানার চারটি এবং ডেমরা থানার পাঁচটিসহ মোট নয়টি ওয়ার্ড এই প্রকল্পের সুফল ভোগ করবে। দীর্ঘকাল ধরে এই ওয়ার্ডগুলোতে পর্যাপ্ত রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার দারুণ অভাব ছিল, যার ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই চরম ভোগান্তিতে পড়তে হতো স্থানীয় বাসিন্দাদের। নতুন এই উদ্যোগের ফলে এই অঞ্চলের রাস্তাঘাট প্রশস্ত হওয়ার পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসনে আধুনিক ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

প্রকল্পটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি এক প্রতিক্রিয়ায় আশা প্রকাশ করেন যে, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে মাঠপর্যায়ে এই নির্মাণকাজ শুরু হবে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দুঃখ-দুর্দশা সফলভাবে লাঘব করা সম্ভব হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


নানাবাড়ির জেলা ফেনীর পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬

নানাবাড়ির জেলা ফেনীর পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ তার নানাবাড়ি এলাকা পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার পথে রওনা হয়েছেন। এই সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ফেনী জেলাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার এই অঞ্চলটি প্রধানমন্ত্রীর মরহুম নানা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সম্মানিত পিতা ইস্কান্দার মজুমদারের পৈতৃক ভিটা হিসেবে পরিচিত। ফলে এই এলাকার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পারিবারিকভাবে গভীর আবেগ ও স্মৃতির সংযোগ রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও তাদের প্রিয় নেতার এই আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতে বিভিন্ন প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।

সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করবেন এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের খোঁজখবর নেবেন বলে জানা গেছে। পাশাপাশি, স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক বৈঠকে অংশ নিয়ে এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে তার। এই সফরকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে নানা প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

প্রধানমন্ত্রীর এই সংক্ষিপ্ত সফর শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে। তার এই আগমনকে ঘিরে ফেনী জেলা জুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও এক ধরনের চনমনে ভাব ফিরে এসেছে এবং সর্বস্তরের মানুষ তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত রয়েছে।


চুয়েটে আন্দোলনের পঞ্চম দিন, নতুন উপাচার্যকে ‘লাল কার্ড’ শিক্ষার্থীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চুয়েটে আন্দোলনের পঞ্চম দিন, নতুন উপাচার্যকে ‘লাল কার্ড’ শিক্ষার্থীদের

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চলমান আন্দোলন পঞ্চম দিনে গড়ায়। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে বহাল রাখার এই আন্দোলনে উত্তাল রয়েছে পুরো ক্যাম্পাস। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টির সব ধরনের ক্লাস ও পরীক্ষা বর্তমানে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে সম্প্রতি ক্যাম্পাসে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। দুপুর নাগাদ আয়োজিত এই মিছিলে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের নাম উল্লেখ করে তাঁকে ‘লাল কার্ড’ প্রদর্শন করা হয়। এর আগে সকালে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চত্বর ও একাডেমিক ভবনের দেওয়ালজুড়ে নানা ধরনের প্রতিবাদী গ্রাফিতি আঁকেন তাঁরা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাঁরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্লাসে ফিরতে চান, তবে তাদের একমাত্র দাবি অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমের পুনর্বহাল। বিগত কয়েক দিনে এই দাবিতে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন, মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে পাহারা দেওয়া, কমপ্লিট শাটডাউন এবং মশাল মিছিলের মতো কর্মসূচি পালন করেছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর সরকার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে চুয়েটের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়। তাঁর পরিবর্তে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন শিক্ষার্থীরা এবং তখন থেকেই ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।