?> নিজেই বক্স ক্যামেরা বানিয়ে বদলে যাওয়া ঢাকার ছবি তুলেছেন এই আলোকচিত্রী | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

নিজেই বক্স ক্যামেরা বানিয়ে বদলে যাওয়া ঢাকার ছবি তুলেছেন এই আলোকচিত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

নিজেই বক্স ক্যামেরা বানিয়ে বদলে যাওয়া ঢাকার ছবি তুলেছেন এই আলোকচিত্রী

বিনোদন ডেস্ক: ডিজিটাল যুগে এসে প্রযুক্তির ওপর শতভাগ নির্ভর না করে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পন্থায় দ্রুত বদলে যাওয়া ঢাকাকে ক্যামেরাবন্দী করেছেন আলোকচিত্রী তূর্য্য মুশফিক। দীর্ঘদিন ধরে নগরায়ণের প্রভাবে হারিয়ে যাওয়া সবুজ, অপরিকল্পিত স্থাপনা এবং যান্ত্রিক এই শহরের নানা অসংগতি তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন নিজের হাতে তৈরি একটি বক্স ক্যামেরার মাধ্যমে। তাঁর এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ছবিগুলো নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনীতে দর্শনার্থীদের মধ্যেও বেশ কৌতূহল ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে কৃত্রিমতাহীন ও আদিম প্রযুক্তির ছোঁয়া থাকায় এই ছবিগুলো সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রামের গল্প ভিন্ন এক মাত্রায় তুলে ধরেছে।

তূর্য্য মুশফিকের এই আলোকচিত্র সিরিজের নাম দেওয়া হয়েছে 'লিভিং রুইনস' বা জীর্ণ শহর, যেখানে স্থান পেয়েছে ২২টি অনন্য ছবি। এর মধ্যে দিলু রোডের একটি উড়ালসড়কের নিচে টিকে থাকা জরাজীর্ণ আমগাছের ছবিটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে, যা যান্ত্রিক নগরে মানুষের টিকে থাকার কঠিন লড়াইয়ের প্রতীক। গত কয়েক বছর ধরে রাজধানীতে সবুজ কমে যাওয়ার পাশাপাশি কংক্রিটের জঙ্গল যেভাবে বাড়ছে, সেই নির্মম বাস্তবতাই ক্যামেরার লেন্সে ধারণ করেছেন এই শিল্পী। মূলত পনেরো বছর আগে কাজের সন্ধানে ঢাকায় এসে এই শহরের রূপান্তর খুব কাছ থেকে দেখেছেন বলেই তার ছবিতে এই না পাওয়ার বেদনা এত গভীরভাবে ফুটে উঠেছে।

আধুনিক স্মার্টফোন বা ডিএসএলআর ক্যামেরার যুগে কেন প্রাচীন বক্স ক্যামেরা বেছে নিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তূর্য্য জানান এর কারিগরি বৈচিত্র্যের কথা। এই ক্যামেরার মাধ্যমে ছবি তোলার পর নেগেটিভ থেকে পজিটিভ করা এবং ডিজিটাল রূপ দেওয়ার দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় ছবির মধ্যে একধরনের ভিন্নধর্মী শৈল্পিক রূপান্তর ঘটে। এই বিশেষ কৌশলের কারণে ছবিতে এক অদ্ভুত নান্দনিকতা ও বিকৃত দৃষ্টি তৈরি হয়, যা তাঁর দীর্ঘদিনের শিল্পচর্চার একটি পরিচিত ধরন বা সিগনেচার হয়ে উঠেছে। ছবি তোলার পাশাপাশি কোলাজ বা ভাস্কর্য নির্মাণের মাধ্যমে নিজের শিল্পকর্মকে আরও সমৃদ্ধ করার কাজটি তিনি নিয়মিত করে চলেছেন।

নিজহাতে এই বক্স ক্যামেরা তৈরির পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং ও সময়সাপেক্ষ একটি কাজ। মোহাম্মদপুরের স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি এবং পাটুয়াটুলীর চশমার কারিগরদের সহায়তায় দীর্ঘ প্রচেষ্টায় ক্যামেরার কাঠামো ও লেন্স তৈরি করেন এই আলোকচিত্রী। পরবর্তীতে ক্যামেরাটির ভেতরেই ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ফিল্ম ডেভেলপ করার ব্যবস্থা থাকায় এটি দিয়ে নিখুঁতভাবে সাদা-কালো ছবি ধারণ করা সম্ভব হয়েছে। ব্যস্ত শিক্ষকতা পেশার ফাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পাঠশালার এই শিক্ষক দিনের আলোতেই নিজের তৈরি ক্যামেরা নিয়ে ছুটে বেড়িয়েছেন রাজধানীর অলিগলিতে।

প্রদর্শনীতে এই বক্স ক্যামেরাটি প্রদর্শিত হওয়ার পর তরুণ আলোকচিত্রী ও শিক্ষার্থীরা এটি তৈরির বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। নিজের এই কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি বইও প্রকাশ করেছেন তিনি, যেখানে ক্যামেরা তৈরির পুরো দিনলিপি ও গবেষণার নানান দিক তুলে ধরা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই ক্যামেরাটিকে আরও উন্নত করে রঙিন ছবি তোলার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে তূর্য্য মুশফিকের মূল স্বপ্ন হলো—একদিন এমন এক সবুজ ও মানবিক ঢাকার ছবি তিনি ক্যামেরাবন্দী করবেন, যেখানে সব মানুষ ও প্রকৃতি মুক্তভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারবে।

সৈকতে ডিম পেড়ে সামুদ্রিক কচ্ছপের বাসা বানানোর বিরল দৃশ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সৈকতে ডিম পেড়ে সামুদ্রিক কচ্ছপের বাসা বানানোর বিরল দৃশ্য

প্রকৃতির এক বিস্ময়কর ও বিরল ঘটনার সাক্ষী হয়েছে একটি সামুদ্রিক সৈকত। সেখানে গভীর রাতে বালু খুঁড়ে একটি কচ্ছপ ডিম পাড়ার পর নিখুঁতভাবে বাসা তৈরি করেছে, যা ওই অঞ্চলের জন্য সম্পূর্ণ নতুন একটি অভিজ্ঞতা। স্থানীয় পরিবেশকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা এই দুর্লভ দৃশ্য দেখে দারুণভাবে বিমোহিত হয়েছেন।

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য গবেষকদের মতে, এই ধরনের সামুদ্রিক কচ্ছপ সাধারণত নিরাপদ ও উপযুক্ত পরিবেশ পেলে নির্দিষ্ট কিছু সৈকতেই ডিম পাড়ার জন্য আসে। তবে বর্তমান সৈকতটিতে এর আগে কচ্ছপের বাসা বাঁধার কোনো রেকর্ড ছিল না। এটি প্রমাণ করে যে ওই এলাকার উপকূলীয় পরিবেশ সামুদ্রিক প্রাণীদের প্রজননের জন্য ধীরে ধীরে উপযোগী হয়ে উঠছে।

সামুদ্রিক কচ্ছপের এই সফল প্রজনন প্রচেষ্টাকে স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। কচ্ছপটি যাতে নিরাপদে ডিমগুলো ফুটিয়ে সাগরে ফিরে যেতে পারে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী দলগুলো এরই মধ্যে বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে। ডিমগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বালুর চারপাশে সতর্কতামূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

পরিবেশবিদদের ধারণা, এই ঘটনা উপকূলীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক প্রাণীর বিচরণ ও প্রজনন সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াবে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে সামুদ্রিক কচ্ছপ রক্ষায় আরও বড় পরিসরে গবেষণা ও সংরক্ষণমূলক উদ্যোগ গ্রহণের পথ উন্মুক্ত করবে এই বিরল ঘটনা।


‘হুমকি দিয়ে আন্দোলন দমানো যাবে না’, মধ্যরাতে উত্তাল চুয়েট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘হুমকি দিয়ে আন্দোলন দমানো যাবে না’, মধ্যরাতে উত্তাল চুয়েট

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর নানা ধরনের চাপ প্রয়োগ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের প্রতিবাদে তীব্র আন্দোলন গড়ে উঠেছে। এসব হুমকির তীব্র নিন্দা জানিয়ে সম্প্রতি মধ্যরাতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি হলো, অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনরায় চুয়েটের উপাচার্য পদে বহাল করা। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী রাতের নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো থেকে নানা স্লোগান দিয়ে স্বাধীনতা চত্বরে সমবেত হতে শুরু করেন।

শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে রাত সাড়ে এগারোটার দিকে স্বাধীনতা চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও আবাসিক এলাকার গোলচত্বর প্রদক্ষিণ করে পুনরায় স্বাধীনতা চত্বরে এসে শেষ হয়। এ সময় পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি আদায়ে বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন। অনলাইন ভিসি নিয়োগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে তারা অবিলম্বে পূর্বের উপাচার্যকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব হাসান বলেন, তাদের আন্দোলনকে দুর্বল করার অপচেষ্টা চালানো হলেও রাতের এই জনস্রোতই তার উপযুক্ত জবাব দিয়েছে। এছাড়া পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আসাদুল্লাহ হিল গালিব অভিযোগ করেন যে, একটি কুচক্রী মহল আন্দোলন দমাতে শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে এবং পরিবারের ক্ষতি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে কোনো ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়েই তাদের এই গণতান্ত্রিক আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না বলে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারীকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে চুয়েটের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই প্রজ্ঞাপনে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই রদবদলের পর থেকেই শিক্ষার্থীরা তা প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন শুরু করেন। পরবর্তীতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতিও কর্মবিরতি পালন করায় পুরো বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থা বিরাজ করছে।


রাজউকের প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য খতিয়ে দেখার সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

রাজউকের প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য খতিয়ে দেখার সুপারিশ

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে অতীতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অনিয়ম এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য গভীরভাবে খতিয়ে দেখে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। সম্প্রতি জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই জোরালো সুপারিশ করা হয়, যা পরবর্তীতে সংসদ সচিবালয়ের পাঠানো একটি আনুষ্ঠানিক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমে জানানো হয়। বৈঠকে রাজউকের সামগ্রিক কার্যক্রম, চলমান আবাসন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন নিরীক্ষা প্রতিবেদন নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। কমিটির সভাপতি ও প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে কমিটির একাধিক সদস্য ও হুইপরা উপস্থিত থেকে নানা দিকনির্দেশনা দেন।

আলোচনায় ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া প্লট বাতিলের বিষয়টি বিশেষভাবে স্থান পায় এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার উপায় সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। রাজউক কর্তৃপক্ষ কমিটিকে জানিয়েছে যে, বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী রাজধানী ঢাকায় ভবিষ্যতে আর নতুন করে কোনো প্লট বরাদ্দ দেওয়া হবে না। এর পরিবর্তে সাধারণ মানুষের আবাসন সংকট নিরসনে বহুতল অ্যাপার্টমেন্ট ভবন নির্মাণ করে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া, পূর্বাচল প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণের কারণে অতীতে যেসব মালিক তাদের জমি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের পাওনা প্লটগুলো দ্রুত বুঝিয়ে দেওয়ার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

ঢাকার সুপরিকল্পিত ও টেকসই নগরায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন কোনো ভূমিনির্ভর আবাসন প্রকল্পের পরিবর্তে বহুতল ভবন নির্মাণের মাধ্যমে সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অনুমোদিত নকশা লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ এবং আবাসিক এলাকায় বেআইনিভাবে পরিচালিত বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। আবাসন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সাধারণ গ্রাহকদের যেকোনো ধরনের হয়রানি রোধ করতে নিয়মিত নজরদারি বৃদ্ধি, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে রাজউককে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক শহর গড়তে সমন্বিত সেবাব্যবস্থা চালু, মাটির নিচে তার স্থাপন, নতুন বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ঢাকার সব লেক সংরক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হয়।

বৈঠকে নিরীক্ষা কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রতা ও নানা জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং আধুনিক ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে খুব দ্রুত নিরীক্ষা কার্যক্রম শেষ করার তাগিদ দেওয়া হয়। এছাড়া, ঝুলে থাকা সকল নিরীক্ষা আপত্তি দ্রুত নিষ্পত্তির মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এই বৈঠকে কমিটির সভাপতি ছাড়াও সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া এবং মোহাম্মদ কামাল হোসেন। রাজউকের সেবার মান বৃদ্ধি এবং রাজধানীজুড়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই করার সুনির্দিষ্ট সুপারিশের মাধ্যমেই মূলত বৈঠকটির কার্যক্রম সমাপ্ত হয়।