?> গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ২৫১ জন | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ২৫১ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৩

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ২৫১ জন

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সাতজন মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৬৫০ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৫১ জন। এ নিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন দুই হাজার ৩৮৪ ডেঙ্গুরোগী।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ মো. জাহিদুল ইসলামের সই করা ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ২৫১ জনের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৬৪ জন। এছাড়া ঢাকার বাইরের ১৮৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় চারজন মারা গেছেন। এসময়ে ঢাকার বাইরে মারা গেছেন তিন ডেঙ্গুরোগী।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট তিন লাখ ১৬ হাজার ৪১১ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা এক লাখ ৮ হাজার ৮১৮ জন। ঢাকার বাইরের দুই লাখ সাত হাজার ৫৯৩ জন।

ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৩১ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ১২০ জন এবং ঢাকার বাইরের ৩১১ জন।

গত ১ জানুয়ারি থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন তিন লাখ ১২ হাজার ৩৭৭ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা এক লাখ ৭ হাজার ২৫০ জন এবং ঢাকার বাইরের দুই লাখ ৫ হাজার ১২৭ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২০২২ সালে ২৮১ জন, ২০২১ সালে ১০৫ জন, ২০২০ সালে সাতজন ও ২০১৯ সালে ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়।

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগেই বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল জব্দ ও ধ্বংস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ অক্টোবর, ২০২৬

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগেই বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল জব্দ ও ধ্বংস

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে মা ইলিশ সংরক্ষণের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগেই একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। সম্প্রতি বড় আনুলিয়া গ্রামের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২০ লাখ টাকা মূল্যের নিষিদ্ধ জাল জব্দ করা হয়। পরে প্রশাসনের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলেই এই অবৈধ জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

আসন্ন ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালে নদ-নদীতে মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে সরকার। নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগেই যাতে কেউ অবৈধ জাল মজুত বা বাজারজাত করতে না পারে, সেজন্য প্রশাসন নজরদারি জোরদার করে। এরই অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বড় আনুলিয়া গ্রামের জাল-সুতা ব্যবসায়ী হানিফ মোল্লার বাড়িতে এই অভিযান চালানো হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রানী কর্মকার ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাথী রানী নিয়োগীর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। হানিফ মোল্লার ছেলে ফরহাদ আরিচা ঘাটসহ আশপাশের এলাকায় বিক্রির জন্য এসব কারেন্ট ও চায়না দুয়ারি জাল মজুত করেছিলেন। তবে অভিযาน চলাকালে তাঁকে পাওয়া যায়নি এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর স্ত্রীকে থানায় নিয়ে পরবর্তীতে ছেড়ে দেওয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রানী কর্মকার জানান, নিষিদ্ধ জাল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ফরহাদকে আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মা ইলিশ সুরক্ষার এই নিষেধাজ্ঞা সফল করতে এবং অবৈধ জালের বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলতে থাকবে।


মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা সফল করতে বিএমইউর নাগরিক উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা সফল করতে বিএমইউর নাগরিক উদ্যোগ

কৃষি ডেস্ক: আসন্ন প্রজনন মৌসুমে সারা দেশে ইলিশ আহরণে সরকারের ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে বাস্তবায়নে নাগরিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় বা বিএমইউ। এই লক্ষে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়টির মেঘনা ভবনের কনফারেন্স রুমে প্রজননক্ষম ইলিশ সংরক্ষণ বিষয়ে একটি পরামর্শ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমইউয়ের উপাচার্য রিয়ার অ্যাডমিরাল এম নিয়ামত এলাহি। দেশের ইলিশ উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সভায় জানানো হয়, বিগত দুই বছরে দেশে ইলিশের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। অতিরিক্ত আহরণ, অবৈধ জাল ব্যবহার, মা ইলিশ ও জাটকা নিধন, নদীদূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনকে এই উৎপাদন হ্রাসের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, নিষেধাজ্ঞার সময় পদ্মার অভয়াশ্রম এলাকায় অবৈধভাবে ইলিশ আহরণ এবং অভিযানকারী দলের ওপর হামলার মতো অনভিপ্রেত ঘটনার চিত্রও তুলে ধরেন বিভিন্ন প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানে কোস্ট গার্ড ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করা হয় এবং প্রজননস্থলগুলোতে নজরদারি আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। সরকারের এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে বিএমইউতে একটি সমন্বয় সেল গঠন এবং প্রতিটি অংশীজন প্রতিষ্ঠান থেকে ফোকাল পারসন মনোনয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঘাটভিত্তিক সচেতনতা বৃদ্ধি, জনসমাবেশ আয়োজন, যৌথ গবেষণা পরিচালনা এবং জেলেদের খাদ্যসহায়তা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে। সভায় উপস্থিত বিভিন্ন এনজিও এবং জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি সরকারের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার অঙ্গীকার করেছে। এই সমন্বিত উদ্যোগ দেশের নিজস্ব ইলিশসম্পদ রক্ষা এবং জাতীয় চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


নাটোরে বড়শিতে ধরা পড়ল সাড়ে ১৩ কেজি ওজনের চিতল মাছ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নাটোরে বড়শিতে ধরা পড়ল সাড়ে ১৩ কেজি ওজনের চিতল মাছ

নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বারনই নদে এক তরুণের বড়শিতে ১৩ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের একটি বিশাল চিতল মাছ ধরা পড়েছে। সম্প্রতি বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার সোনাপাতিল বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বিশাল আকৃতির এই মাছটি ধরা পড়ার খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। নদের পাড়ে মাছটি একনজর দেখার জন্য মুহূর্তেই কৌতূহলী মানুষের উপচে পড়া ভিড় জমে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওইদিন সন্ধ্যায় এক তরুণ নদীতীরে বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করছিলেন। হঠাৎ বড়শিতে শক্ত কিছু আটকে যাওয়ার টান অনুভব করেন তিনি। অনেক চেষ্টার পর তিনি যখন মাছটি ওপরে তুলে আনেন, তখন এর বিশাল আকার দেখে তিনি নিজেও অবাক হয়ে যান। পরে স্থানীয় বাজারে নিয়ে পরিমাপ করে দেখা যায় মাছটির ওজন প্রায় চৌদ্দ কেজি হয়েছে। এত বড় চিতল মাছ সচরাচর এই নদে ধরা পড়তে দেখা যায় না বলে জানান স্থানীয় প্রবীণ মাছশিকারিরা।

নদের পাড়ে মাছটি নিয়ে আসার পর সেখানে এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উপস্থিত লোকজনের অনেকে মাছটিকে ছুঁয়ে দেখেন এবং কেউ কেউ এটিকে কোলে নিয়ে ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তবে এই আনন্দের মাঝেই কেউ কেউ ওই তরুণকে মাছটি নিয়ে নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখাতে শুরু করেন। তারা জানান, এই নদটি মৎস্য অভয়াশ্রমের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে এবং সরকারি নিয়মের কারণে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

আইনি ঝামেলার আশঙ্কায় এবং লোকজনের কথায় ঘাবড়ে গিয়ে ওই তরুণ দ্রুত মাছটি বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির কাছে প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা দরে মোট ১১ হাজার ৪৭৫ টাকায় মাছটি বিক্রি করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ক্রেতাদের একজন জামিল হোসেন জানান, বিক্রেতা তরুণকে তারা চিনতে না পারলেও পুলিশের ভয়ে তিনি তড়িঘড়ি করে মাছটি বিক্রি করে দ্রুত চলে যান। স্থানীয়দের ধারণা, মাছটি পার্শ্ববর্তী সরকারি মৎস্য অভয়াশ্রম এলাকা থেকেই নদে চলে এসেছিল।