?> চাঁদপুরে নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ বিক্রির দায়ে তিন হোটেল মালিককে জরিমানা | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

চাঁদপুরে নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ বিক্রির দায়ে তিন হোটেল মালিককে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

চাঁদপুরে নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ বিক্রির দায়ে তিন হোটেল মালিককে জরিমানা

কৃষি ডেস্ক: চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন এলাকায় নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ বিক্রির অপরাধে তিন হোটেল মালিককে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত ৯ অক্টোবর বিকেলে পরিচালিত এই অভিযানে হোটেলগুলো থেকে প্রায় এক মণ ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। আইন অমান্য করে মাছ বিক্রির দায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

অভিযানে হিলশা কিচেন হোটেলকে ৩০ হাজার টাকা, মেজবান হোটেলকে ২০ হাজার টাকা এবং দেলোয়ার হোটেলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সব মিলিয়ে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

ওই সময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম এবং চাঁদপুর মডেল থানা-পুলিশের সদস্যরাসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম জানান, জব্দ করা প্রায় এক মণ ইলিশ শহরের বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ বিক্রি ও সংরক্ষণ রোধে এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা ঘনিয়ে আসায় চাঁদপুরের জেলে পরিবারগুলোতে বাড়ছে দুশ্চিন্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা ঘনিয়ে আসায় চাঁদপুরের জেলে পরিবারগুলোতে বাড়ছে দুশ্চিন্তা

কৃষি ডেস্ক: মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে আসন্ন ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নদীর তীরবর্তী জেলে পরিবারগুলোতে শুরু হয়েছে নানা ব্যস্ততা। নদীতে যাওয়ার পরিবর্তে জেলেরা জাল গুটিয়ে রাখা ও নৌকা মেরামতের কাজ সারছেন। আগামী ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত নদীর প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকায় সব ধরনের মৎস্য আহরণ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। সরকারি এই কঠোর সিদ্ধান্তকে সামনে রেখে স্থানীয় জেলেরা তাদের প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং একই সঙ্গে জীবিকা নিয়ে উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন।

জেলেরা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন নদীতে মাছ ধরতে না পারায় তাদের প্রধান উপার্জন বন্ধ হয়ে যায়, যা সংসার চালাতে বড় ধরনের সংকটের সৃষ্টি করে। হানারচর এলাকার জেলে মো. বাচ্চু ও মো. আলমগীর উল্লেখ করেন যে, এই সময়ে কেবল সরকারি চালের সহায়তা দিয়ে সব ধরনের পারিবারিক ও আনুষঙ্গিক খরচ মেটানো সম্ভব হয় না। সন্তানদের পড়াশোনা, চিকিৎসা এবং নৌকা বা জাল মেরামতের মতো জরুরি ব্যয় মেটাতে তাঁরা খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি নগদ আর্থিক সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন। জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে চাঁদপুরের মোট একচল্লিশ হাজার নিবন্ধিত জেলে পরিবারকে চব্বিশ কেজি করে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে।

প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় প্রতিবছরই এই নির্দিষ্ট সময়ে নদীতে মাছ শিকার নিষিদ্ধ করা হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এ সময়ে মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার সুযোগ পেলে পরবর্তী সময়ে দেশজুড়ে ইলিশের উৎপাদন ও প্রাচুর্য অনেক বেড়ে যাবে। নিষেধাজ্ঞা সফল করতে প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ এবং নৌবাহিনী যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করবে এবং নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে কড়া নজরদারি বজায় রাখা হবে। চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজমগীর হোসাইন জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ নদীতে নামলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ও জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান জানিয়েছেন, মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ করা হয়েছে। নিবন্ধিত জেলেদের জন্য খাদ্য সহায়তা প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি তাদের সচেতন করতে প্রচার চালানো হচ্ছে এবং যৌথ অভিযানের মাধ্যমে পুরো সময়জুড়ে কঠোর তদারকি বজায় থাকবে। সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের বিশ্বাস, সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় এই নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।


নিষেধাজ্ঞার ঠিক আগে কক্সবাজার উপকূলে জালে ধরা পড়ছে বিপুল পরিমাণ ইলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

নিষেধাজ্ঞার ঠিক আগে কক্সবাজার উপকূলে জালে ধরা পড়ছে বিপুল পরিমাণ ইলিশ

কৃষি ডেস্ক: সম্প্রতি অক্টোবরের শুরু থেকে কক্সবাজার উপকূলে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন মাছ না পাওয়ার পর সাগরে ইলিশ মিললেও বাজারে এর তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। মাঝারি ও বড় আকারের ইলিশ এখনো সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে রয়েছে। সাধারণ মানুষের ভরসা যে ছোট আকারের ইলিশ, তাও কেজিতে আট শ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

কক্সবাজার জেলার প্রায় ছয় হাজার ট্রলার ও এক লাখ ২৭ হাজার জেলে এই মৎস্য আহরণের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। শহরের নুনিয়াছটা ফিশারিঘাটে সম্প্রতি গভীর সাগর থেকে মাছভর্তি ট্রলারগুলো এসে ভিড়তে দেখা গেছে। তবে আসন্ন ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এই প্রাচুর্য দেখা দেওয়ায় জেলেরা মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় আছেন। মাত্র আর কিছুদিন পরেই মাছ ধরা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা কাঙ্ক্ষিত সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের নির্দিষ্ট দূরত্বে জাল ফেলে মাঝেমধ্যে হাজার হাজার ইলিশ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন জেলেরা। ফিশারিঘাটে পাইকারি বাজারে বিভিন্ন ওজনের ইলিশ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে এবং বড় একটি অংশ ঢাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের মতে, দেশের অন্যান্য স্থানে ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় চাহিদার তুলনায় দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না। অধিকাংশ মাঝারি আকারের ইলিশের পেটে ডিম থাকার বিষয়টিও জেলেরা উল্লেখ করেছেন।

সাগরে নানা প্রতিকূলতা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গত কিছুদিন জেলেরা ঠিকমতো মাছ শিকার করতে পারেননি। ট্রলারের পেছনে বিপুল পরিমাণ খরচ হলেও অনেক সময় আয় কম হওয়ায় মালিকদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। এর ওপর আসন্ন নিষেধাজ্ঞার কারণে জেলেদের পরিবার নিয়ে জীবিকা নির্বাহের দুশ্চিন্তা আরও বেড়ে গেছে।


নেত্রকোনার মদনে বিলে বিষ প্রয়োগ করে ২৫ লাখ টাকার মাছ নিধন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নেত্রকোনার মদনে বিলে বিষ প্রয়োগ করে ২৫ লাখ টাকার মাছ নিধন

নেত্রকোনার মদন উপজেলার কদমশ্রী বালই নদীসংলগ্ন মসুয়া হাওরের বিলে বিষ প্রয়োগ করে প্রচুর মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি রাতের আঁধারে এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটানো হয়, যার ফলে ইজারাদারদের প্রায় পঁচিশ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনটি মসজিদ ও একটি কবরস্থানের নামে বিলটি ইজারা নিয়েছিলেন জেলেরা। ক্ষতিগ্রস্ত জেলে রোমান মিয়া ও তার অংশীদাররা এই ঘটনার পর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মসুয়া হাওরের বিলটি প্রায় তেরো লাখ টাকায় ইজারা নেওয়া হয়েছিল মাছ চাষের জন্য। সম্প্রতি রাতের বেলা বিলের মাঝে প্রতিবেশী ফরসুদ মিয়াকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখেন মৎস্যজীবীরা। তাকে ডাকাডাকি করা হলেও তিনি নিজের পরিচয় গোপন করে দ্রুত অন্য দিক দিয়ে পালিয়ে যান। এর পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বিলের পানিতে সব মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখেন ইজারাদাররা।

ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত জেলে রোমান মিয়া বাদী হয়ে মদন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ওই অভিযোগে ফরসুদ মিয়ার নাম সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করার পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত ফরসুদ মিয়া নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন যে তাকে মিথ্যাভাবে এই ঘটনায় ফাঁসানো হচ্ছে।

এদিকে মদন থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা অসীম কুমার জানিয়েছেন যে মাছ নিধনের এই ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ পাওয়ার পর পরই ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে ঘটনাস্থলে। স্থানীয়ভাবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে ইজারা নেওয়া বিলে এমন নাশকতার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।