?> শ্যামনগরে চিংড়ি হ্যাচারিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের যাত্রা | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

শ্যামনগরে চিংড়ি হ্যাচারিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের যাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

শ্যামনগরে চিংড়ি হ্যাচারিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের যাত্রা

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের মৎস্য খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে একটি নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপজেলার বাগদা চিংড়ির রেণু উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওশান হ্যাচারিতে আড়াই শ কিলোওয়াট ক্ষমতার একটি অত্যাধুনিক হাইব্রিড সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। চিংড়ি হ্যাচারি খাতে এই প্রথম ফোল্ডিং বা ভাঁজযোগ্য আধুনিক সৌর প্যানেল প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ করা হলো। পরিবেশবান্ধব এই উদ্যোগটি দেশের মৎস্য খাতে সবুজ জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সম্প্রতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীরা এই সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি পরিদর্শন করেন। সাইমার পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং এবং জেনিক্সগ্রিন বাংলাদেশ যৌথভাবে এই পরিবেশবান্ধব প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে। প্রায় এক কোটি কুড়ি থেকে পঁচিশ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে এই হাইব্রিড প্রকল্পটি নির্মাণ করা হয়েছে। এই আধুনিক উদ্যোগটি বাস্তবায়নের ফলে হ্যাচারির নিজস্ব বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রকল্পটির উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে। হ্যাচারির দৈনন্দিন কার্যক্রম চালানোর পরেও প্রতি মাসে অতিরিক্ত ৪০ থেকে ৫০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে। সাইমার পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিচালক সাইমা সাজেদুল করিম জানিয়েছেন, ফোল্ডিং প্রযুক্তির কারণে প্যানেলগুলো সহজে সরিয়ে হ্যাচারির ট্যাংক শুকানো যায়। এছাড়া শক্তিশালী ব্যাটারি ব্যাকআপ থাকায় মূল গ্রিডের বিদ্যুৎ না থাকলেও হ্যাচারিতে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার আজিজুর রহমান এই উদ্যোগের প্রশংসা করে জানান, সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে দশ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। ওশান হ্যাচারির মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে প্রতি ইউনিট দশ টাকা পঞ্চাশ পয়সা দরে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করতে পারবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চায়না জেনিক্সগ্রিনের পরিচালক ডন, প্রধান প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমান এবং সাইমার পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর গোলাম মোস্তফাসহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদপুরে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান, দুই আড়তদারকে জরিমানা ও জাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর, ২০২৬

চাঁদপুরে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান, দুই আড়তদারকে জরিমানা ও জাল জব্দ

কৃষি ডেস্ক: চাঁদপুর সদর উপজেলার পদ্মা ও মেঘনা নদীসহ বিভিন্ন মাছঘাটে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এই বিশেষ অভিযানে ত্রিশ কেজি ইলিশ মাছ এবং দশ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইলিশ মজুত করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই আড়তদারকে মোট দশ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।

সম্প্রতি ১০ অক্টোবর ভোর পাঁচটা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালিত হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হুদা এই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নেতৃত্ব দেন। সদর উপজেলার রনগোয়াল, দোকানঘর, বহরিয়া, হরিণা, আলুবাজার ফেরিঘাট খাল, আখনের ঘাট, নন্দী ঘাট, রাজরাজেশ্বর ও বড় স্টেশন মাছঘাট এলাকায় এই কার্যক্রম চালানো হয়।

অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে অংশ নেয়। এতে সদর উপজেলা মৎস্য বিভাগ, কোস্ট গার্ড এবং নৌ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তল্লাশির একপর্যায়ে বড় স্টেশন মাছঘাটে ইলিশ মজুতের সত্যতা পাওয়ায় মো. সেলিম ও মো. রফিক নামের দুই আড়তদারকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

সকাল ১০টার দিকে এই অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক। তিনি জানান যে জব্দ করা কারেন্টজাল ও ইলিশের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মা ইলিশ সুরক্ষার স্বার্থে জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্সের এমন অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।


গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণ বাড়াতে কাজ করছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণ বাড়াতে কাজ করছে সরকার

গভীর সমুদ্র থেকে মাছ আহরণের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বর্তমান প্রশাসন। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এই কথা জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি উল্লেখ করেন যে গভীর সমুদ্রে সফলভাবে মৎস্য আহরণ করা সম্ভব হলে জাতীয় অর্থনীতিতে তা দারুণ অবদান রাখবে। মৎস্যবিজ্ঞান ভবনের প্রফেসর মোহাম্মদ শফি অডিটোরিয়ামে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে এই পোনামাছ অবমুক্তকরণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের পুকুরে পোনামাছ অবমুক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।

মৎস্য উৎপাদনে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অবস্থান বেশ শক্ত এবং তা আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী। ঐতিহ্যবাহী মাছে-ভাতে বাঙালির পরিচয় টিকিয়ে রাখতে মৎস্য উৎপাদন বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন। ফিসারিজ খাতের পরিধি এবং কর্মক্ষেত্রের ব্যাপ্তি অনেক বিশাল উল্লেখ করে তিনি বলেন যে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ এই খাতের গুরুত্ব আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করছে। অতীতে এই খাতকে কম গুরুত্ব দেওয়া হলেও বর্তমানে এর সুদূরপ্রসারী ভূমিকা সবার সামনে স্পষ্ট হচ্ছে।

জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন যে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিভিন্ন উদ্যোগ এই খাতকে এগিয়ে নিয়েছিল। নদীর নাব্যতা হ্রাস ও দূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান যে নদ-নদীর দূষণ রোধ ও নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ইতোমধ্যে বিশেষ পদক্ষেপ হাতে নেওয়া হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ওয়াহিদা হকের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওয়ায়দুল ইসলাম। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে অংশ নেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক। সার্বিক এই আলোচনার মাধ্যমে দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং এর উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।


মা ইলিশ সুরক্ষায় ভোলায় মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে ২২ দিনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

মা ইলিশ সুরক্ষায় ভোলায় মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে ২২ দিনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ

কৃষি ডেস্ক: মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরার ওপর ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে। সম্প্রতি বুধবার মধ্যরাত থেকে কার্যকর হওয়া এই নিষেধাজ্ঞার সময় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি এই নির্দেশনা পাওয়ার পর থেকেই উপকূলীয় বোরহানউদ্দিনের জেলেরা নদী ছেড়ে নিরাপদে ডাঙায় ফিরতে শুরু করেছেন। হাকিমুদ্দিন, হাসান নগর, মির্জাকালু ও সাচড়াসহ বিভিন্ন মাছঘাটে শত শত ট্রলার ও নৌকা সারিবদ্ধভাবে নোঙর করা হয়েছে। শেষ মুহূর্তে যেসব জেলে নদীতে অবস্থান করছিলেন, তাঁরাও মধ্যরাতের আগেই ঘাটে ফিরে আসার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন। তবে আইন মেনে নদী ছাড়লেও দীর্ঘ এই সময়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা নিয়ে জেলেদের মনে গভীর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বোরহানউদ্দিন উপজেলায় বর্তমানে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৯ হাজার ৮৩৮ জন। নির্ধারিত এই ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার সময়ে সহায়তার অংশ হিসেবে ১৭ হাজার ২০০ জেলের জন্য মাথাপিছু ২৫ কেজি হারে মোট ৪৩০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে সাধারণ জেলেদের অভিযোগ, সরকারের পক্ষ থেকে প্রজনন মৌসুমের এই দীর্ঘ সংকট মোকাবেলার জন্য বরাদ্দকৃত চালের পরিমাণ একেবারেই অপ্রতুল। মির্জাকালু ঘাটের প্রবীণ জেলে রহিম মাঝি জানান, সরকারি আইন মানতে তাঁরা ডাঙায় ফিরে এলেও এই ২২ দিন পরিবার নিয়ে কী খেয়ে বাঁচবেন তা নিয়ে তাঁরা চিন্তিত। সরকারি সহায়তার চাল দিয়ে পুরো মাস চলে না এবং এর ওপর এনজিওর কিস্তির চাপ থাকে বলে তাঁদের ধারদেনা করে সংসার চালাতে হয়। হাকিমউদ্দিন ঘাটের জেলে সাত্তার হাওলাদার আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন যে, নদীতে না গেলে তাঁদের কোনো আয় থাকে না এবং অবরোধের চাল হাতে পেতেই অর্ধেক সময় পার হয়ে যায়। সাচড়া ঘাটের তরুণ জেলে জামাল জানান, পেটের ক্ষুধা কোনো নিয়ম মানে না এবং পরিবারের মুখের দিকে তাকিয়ে এই ২২ দিন তাঁদের কাছে দীর্ঘ সময় বলে মনে হয়।

অন্যদিকে, স্থানীয় সচেতন মহলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে বিগত বছরগুলোতে প্রশাসনের নজরদারি ও অভিযান কিছুটা শিথিল থাকার কারণে অসাধু জেলেরা সেই সুযোগে নদীর ক্ষতি করেছে। তাই মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে এবার প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। এসব বিষয়ে বোরহানউদ্দিন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনোজ কুমার শাহা জানিয়েছেন যে, মা ইলিশ রক্ষায় তাঁরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। নির্ধারিত সময় থেকেই নদীতে নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে কঠোর নজরদারি শুরু করা হয়েছে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে জেল-জরিমানা ও জাল-ট্রলার বাজেয়াপ্ত করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে, জেলেদের কষ্ট লাঘব করার জন্য নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে দ্রুত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে চাল বিতরণের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

মৎস্য খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই প্রজনন মৌসুমে যদি মা ইলিশ সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হয়, তবে আগামী দিনে ভোলা অঞ্চলে নদীর ইলিশের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। মা ইলিশ ডিম ছাড়ার সুযোগ পেলে তা দেশের সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধিতে এবং ইলিশের আমিষের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রশাসনের কড়া নজরদারি এবং জেলেদের সাময়িক ত্যাগের মাধ্যমে নদীমাতৃক এই অঞ্চলে ইলিশের বংশবিস্তার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পরিশেষে, এই নিষেধাজ্ঞার সফল বাস্তবায়নের ওপরই নির্ভর করছে উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনীতি ও সাধারণ জেলেদের ভবিষ্যৎ ইলিশ শিকারের সাফল্য।