?> পড়ার পাশাপাশি মাত্র চল্লিশ টাকার মাছ দিয়ে সফল হ্যাচারি উদ্যোক্তা তরুণ | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

পড়ার পাশাপাশি মাত্র চল্লিশ টাকার মাছ দিয়ে সফল হ্যাচারি উদ্যোক্তা তরুণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

পড়ার পাশাপাশি মাত্র চল্লিশ টাকার মাছ দিয়ে সফল হ্যাচারি উদ্যোক্তা তরুণ

কৃষি ডেস্ক: বন্ধুর বাড়িতে দেখা একটি ছোট অ্যাকুয়ারিয়ামের রঙিন মাছের প্রতি মুগ্ধ হয়ে অভিনব উদ্যোগ শুরু করেছিলেন যশোরের এক মাদ্রাসার ছাত্র। মাত্র চল্লিশ টাকায় দুটি শৌখিন মাছ কিনে বাড়িতে এনে পরিচর্যা শুরু করার পর থেকেই তার উদ্যোক্তা হওয়ার পথচলা শুরু হয়। দীর্ঘ আট বছরের চেষ্টায় তিনি এখন প্রায় ত্রিশ লাখ টাকার পুঁজির একটি বড় হ্যাচারির মালিক। বর্তমানে বাড়ির উঠানে ৬০টি চৌবাচ্চা ও একটি পুকুরে ৩০ প্রজাতির শৌখিন মাছ বাণিজ্যিকভাবে চাষ করছেন তিনি।

যশোরের কেশবপুর উপজেলার মাগুরখালী গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে আবদুল্লাহ কেশবপুর বাহারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার ফাজিল প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। পড়ালেখার পাশাপাশি গত চার বছর ধরে তিনি বাণিজ্যিকভাবে এই মাছের ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তার হ্যাচারিতে ফাইটার ফিশ, গোল্ডফিশ, কমেট, কই কাপ, গাপ্পি, মলি শর্ট টেল, এঞ্জেল ফিশসহ প্রায় ৩০ ধরনের আকর্ষণীয় মাছ রয়েছে। চৌবাচ্চাগুলোতে মাছের উপযোগী শেওলার পাশাপাশি সার্বক্ষণিক অক্সিজেন ও বিশেষ খাবার সরবরাহ করা হয়।

শুরুতে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা এই মাছ চাষের উদ্যোগকে অবহেলা করলেও তিনি জেদের বশে কাজটি চালিয়ে যান। দাদার নেতিবাচক মন্তব্য ও পরিবারের বাধা উপেক্ষা করে এগিয়ে যাওয়ার পর এখন তার বাবা–মা ও ভাই সবাই এই ব্যবসায় সহযোগিতা করছেন। রাজধানীর কাঁটাবন ও খুলনার ফরাজীপাড়ার ব্যবসায়ীরা জানান, আবদুল্লাহর উৎপাদিত মাছের গুণগত মান বেশ ভালো এবং উৎপাদনব্যবস্থায় অভিনবত্ব রয়েছে।

বর্তমানে তার হ্যাচারি থেকে সরবরাহ করা রঙিন মাছ ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, যশোর ও সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ক্রেতাদের কাছে যাচ্ছে। মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, শুরু থেকেই তারা আবদুল্লাহর হ্যাচারিটি তত্ত্বাবধান করে আসছে এবং তিনি নিয়মিত তাদের কাছ থেকে পরামর্শ নেন। এই তরুণ উদ্যোক্তার সাফল্যকে এখন এলাকার অন্যান্যদের মাছ চাষে উৎসাহিত করার একটি বড় উদাহরণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।

চাকরি ছেড়ে গ্রামে ফিরে সমন্বিত খামারে সফল আরিফুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

চাকরি ছেড়ে গ্রামে ফিরে সমন্বিত খামারে সফল আরিফুল

কৃষি ডেস্ক: বেসরকারি চাকরির চাপ ও বাঁধাধরা জীবন ছেড়ে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে নিজের গ্রামে ফিরে আসেন আরিফুল ইসলাম। কারমাইকেল কলেজ থেকে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে পড়াশোনা শেষ করে তিনি ৩০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে খামার শুরু করেন। বাবার পরিত্যক্ত জমিতে ব্রয়লার মুরগি পালনের মাধ্যমে তাঁর এই উদ্যোক্তা জীবনের সূচনা হয়।

ধীরে ধীরে নিজের উদ্যোগকে বড় করে একটি সমন্বিত খামারে রূপ দেন এই তরুণ। বর্তমানে তাঁর আফরা ক্যাটল ফার্মে ১৫টি গাভি, ২ হাজার লেয়ার মুরগি এবং দুটি পুকুরে পাঙাশ মাছ চাষ করা হচ্ছে। খামার থেকে প্রতিদিন প্রায় ৮০ লিটার দুধ ও ১ হাজার ৮০০টি ডিম পাওয়া যায়।

পরিবারের প্রাথমিক আপত্তি ও স্ত্রীর দ্বিধা কাটিয়ে আরিফুল পরিশ্রমের মাধ্যমে আজ সফলতা অর্জন করেছেন। তাঁর খামারে বর্তমানে প্রায় এক কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে এবং সব মিলিয়ে তাঁর মাসিক আয় প্রায় দুই লাখ টাকা।

এই খামার গড়ে ওঠার ফলে এলাকার চারজন বেকারের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে, যাদের প্রত্যেকে মাসে ১৫ হাজার টাকা বেতন পান। নিজের পাশাপাশি অন্যের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পেরে গর্বিত এই উদ্যোক্তা চাকরি না করে খামার করার মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছেন।


পাকা চুলে তেল ব্যবহার করলে কি কালো হয়, কি বলছেন চিকিৎসক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মার্চ, ২০২৪

পাকা চুলে তেল ব্যবহার করলে কি কালো হয়, কি বলছেন চিকিৎসক

আজকাল অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়া অনেক মানুষ দেখতে পাওয়া যায়। তারা বিভিন্নভাবে পাকা চুল কালো ও ঘন করার চেষ্টা করে থাকেন। কিন্তু প্রাকৃতিক নিয়মে চুল যদি পেকে যায়, তাহলে কি শত চেষ্টায় আবার চুল কালো করা সম্ভব? হোক আর না হোক, চেষ্টা করতে সমস্যা নেই। এ জন্য সবাই চেষ্টা চালিয়ে যান।

চুল পেকে যাওয়াকে যারা মেনে নিতে পারেন না, তারাই মূলত চুল কালো করার চেষ্টা করেন। এ জন্য মাথায় বিভিন্ন ধরনের তেল ও উপকরণ ব্যবহার করেন। অনেকের ধারণা, মাথায় নিয়মিত তেল ব্যবহার করলে চুল কালো হবে। কিন্তু আসলেই কি তাই? সম্প্রতি এ ব্যাপারে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। যেখানে ত্বকরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আঁচল পন্থ এ ব্যাপারে আলোকপাত করেছেন। এবার তাহলে এ ব্যাপারে জেনে নেয়া যাক।

চুল পাকে কেন: বয়সের সঙ্গে নানা কারণেই চুলের ফলিকলের পিগমেন্ট কোষ নষ্ট হতে থাকে। এতে চুলের প্রাকৃতিক রংও হারিয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে চুল সাদা বা পাকতে শুরু করে। আর এই পদ্ধতিকে স্বাভাবিক বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তবে কারো যদি বয়স ২০ হওয়ার আগেই চুলে পাক ধরে, তাহলে সতর্ক হতে হবে।

তেল ব্যবহারে কি পাকা চুল কালো হয়: পাকা চুলের সমস্যা কমাতে মাথায় বিভিন্ন ধরনের তেল ব্যবহার করেন অনেকে। কেউ আবার পাকা চুলের জন্য বিশেষভাবে তৈরি তেলও ব্যবহার করেন। এ ব্যাপারে ডা. আঁচল জানান, মাথায় নিয়মিত তেল ব্যবহারে চুলের স্বাস্থ্য উন্নত হতে পারে। তবে পাকা চুল যে কালো হবে, সেটি নয়।

প্রসঙ্গত, চুল ভালো রাখতে সাধারণ কিছু নিয়ম মানা উচিত। নিয়মিত স্ক্যাল্প ক্লিনজিং, কন্ডিশনিং হেয়ার মাস্ক ব্যবহার এবং হেয়ার অয়েলিং করা যেতে পারে। পাশাপাশি হেয়ার স্প্যাও করাতে পারেন মাঝে মাঝে। তবে বেশি সমস্যা মনে করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।


ইফতারে অ্যাসিডিটি থেকে বাঁচতে কি খাবেন, কি খাবেন না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মার্চ, ২০২৪

ইফতারে অ্যাসিডিটি থেকে বাঁচতে কি খাবেন, কি খাবেন না

অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন। একটু সচেতন হলেই এ সমস্যা থেকে কিছুটা রক্ষা পাওয়া সম্ভব। রমজান চলছে। এসময় অনেকেই ইফতারে একসঙ্গে ভাজাপোড়াসহ আরও অনেক খাবার খেয়ে পেটে গণ্ডগোল বাধিয়ে ফেলেন। এসময় বদহজম, অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা এড়াতে ইফতারের খাবার খেতে হবে কিছু নিয়ম মেনে। 

ইফতারিতে দই বা দই চিড়া খেতে পারেন। এতে সারাদিন অভুক্ত পেটে ঠান্ডা কিছু হজমক্রিয়া সচল রাখবে। এ ছাড়া অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করবে। প্রতি ১০০ গ্রাম দইয়ে শক্তি থাকে ২৫৭ ক্যালরি।

তিনি বলেন, চিনি ছাড়া লাচ্ছি, কম লেবু দিয়ে পুদিনা পাতার জুস, টক দইয়ের সঙ্গে পুদিনা পাতা ও সামান্য লবণ দিয়েও স্মুদি করেও পান করা যেতে পারে। এ ধরনের পানীয় গ্যাস কমাতে কার্যকরী। 

অ্যাসিডিটি কমাতে ইফতারে যা খাবেন, যা খাবেন না :   

  • ইফতারের মেন্যুতে তরল জাতীয় খাবার, সহজে হজম হয় এমন খাবার, ফাইবার জাতীয় খাবার খেতে হবে। পাতলা খিচুড়ি, স্যুপ, সাবুদানার আইটেম, সেদ্ধ ভেজিটেবল, চাইনিজ ভেজিটেবল ও মোমো খাওয়া যেতে পারে। 
  • ইফতারের মেন্যুতে চর্বি ও ট্র্যান্সফ্যাট জাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে। রাখতে হবে প্রোটিন জাতীয় খাবারও।  
  • ভাজাপোড়া, তৈলাক্ত ও মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।  
  • একসঙ্গে অনেক ধরনের খাবার খাওয়া যাবে না। কারণ একসঙ্গে সব ধরনের খাবার হজম হতে পারে না। 
  • যাদের টক জাতীয় খাবারে অ্যাসিডিটি হয়, তারা এ ধরনের খাবার এড়িয়ে চলবেন। 

অ্যাসিডিটি কমাতে যা করা যেতে পারে :

  • ইফতার করার পর অ্যাসিডিটি হলে দুই তিনটি পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেয়ে নেয়া যেতে পারে। চাইলে এক কাপ পানিতে কয়েকটি পুদিনা পাতা দিয়ে সেদ্ধ করে সেই পানি পান করাও যেতে পারে। 
  • অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পেতে আদা কুচি করে কেটে লবণ দিয়ে খেতে পারেন। 
  • এ ছাড়া অ্যাসিডিটি কমাতে মৌরি চিবিয়ে খেতে পারেন। এটি পাকস্থলী ও অন্ত্রের পেশিতে প্রভাব ফেলে যা কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাসের সমস্যা কমাতে সহায়তা করে।