?> সৌরবিদ্যুতে চলবে এসি, ফ্রিজ ও ওয়াশিং মেশিন, নতুন ব্যবস্থা চালু করল ওয়ালটন | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

সৌরবিদ্যুতে চলবে এসি, ফ্রিজ ও ওয়াশিং মেশিন, নতুন ব্যবস্থা চালু করল ওয়ালটন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

সৌরবিদ্যুতে চলবে এসি, ফ্রিজ ও ওয়াশিং মেশিন, নতুন ব্যবস্থা চালু করল ওয়ালটন

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন সম্প্রতি একটি নতুন ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি এমন একটি সমন্বিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা বাজারে নিয়ে এসেছে, যার মাধ্যমে সৌরশক্তির সাহায্যে খুব সহজেই এয়ার কন্ডিশনার বা এসি, রেফ্রিজারেটর এবং ওয়াশিং মেশিনের মতো ভারী বৈদ্যুতিক সরঞ্জামগুলো পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এর ফলে জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বিদ্যুৎ বিলের চাপ অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে এই আধুনিক সৌরব্যবস্থার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তির শুভসূচনা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওয়ালটনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন, যারা এই প্রযুক্তির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে সংশ্লিষ্ট অতিথিরা জানান যে বর্তমান সময়ে বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলা এবং টেকসই জ্বালানি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রচলিত বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে কীভাবে সৌরশক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে অনুষ্ঠানে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আধুনিক এই প্রযুক্তির ফলে গৃহস্থালি কাজে ব্যবহৃত নিত্যপ্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতিগুলো এখন পরিবেশবান্ধব উপায়ে চালানো যাবে।

পরিবেশ রক্ষা ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কথা মাথায় রেখে ওয়ালটনের এই অভিনব উদ্যোগ সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে দারুণ সাড়া ফেলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। আধুনিক প্রযুক্তির সুফল দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে দিতে এবং সবুজ শক্তির প্রসারে প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে জানানো হয়েছে।

সিএসআর ব্যয়: সব প্রধান খাতেই বড় পতন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

সিএসআর ব্যয়: সব প্রধান খাতেই বড় পতন

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের ব্যাংকিং খাতে করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর কার্যক্রমে বড় ধরনের ভাটা লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স বিভাগের প্রকাশিত সাম্প্রতিক ষাণ্মাসিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, চলতি বছরের প্রথমার্ধে এই খাতের ব্যয় আগের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ কমে গেছে। মূলত পরিবেশ, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য—এই তিনটি প্রধান খাতেই বিনিয়োগের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি হ্রাস পেয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তাদের মুনাফা ও কার্যক্রমের একটি নির্দিষ্ট অংশ সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করার কথা থাকলেও বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এর চিত্র কিছুটা পাল্টে গেছে। সার্বিক এই পতনের ফলে সামগ্রিক সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকগুলোর মোট সিএসআর ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১৯ কোটি চার লাখ টাকা। অথচ এর আগের ছয় মাসে এই খাতের ব্যয় ছিল ১৯৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা, যার অর্থ দাঁড়ায় এক বছরের ব্যবধানে এই খাতে প্রায় ৭৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা বা প্রায় ৩৯ দশমিক ৮ শতাংশ ব্যয় কমেছে। বিশেষ করে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রশমন এবং অভিযোজন কার্যক্রমে সবচেয়ে বেশি সংকোচন ঘটেছে, যা আগের তুলনায় প্রায় ৬০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাতেও যথাক্রমে প্রায় ৪৫ ও ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বরাদ্দ কমিয়েছে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে এসব প্রধান খাতের বাইরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য উপখাতে ব্যয় সামান্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংক খাতের এই সংকোচনমূলক প্রবণতার পেছনে অন্যতম প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে খেলাপি ঋণের লাগামহীন বৃদ্ধি। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ রেকর্ড পরিমাণে বেড়ে যাওয়ার কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোর মুনাফা অর্জনে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়মানুযায়ী কোনো ব্যাংক নিট লোকসানে থাকলে তারা সিএসআর খাতে অর্থ ব্যয় করতে পারে না এবং সার্বিক মুনাফা কমে যাওয়ায় অনেক ব্যাংকই তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার বাজেট কমাতে বাধ্য হয়েছে। ব্যাংকগুলোর ধরন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোই সিএসআর ব্যয়ের সিংহভাগ বহন করেছে, যেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর অবদান তুলনামূলকভাবে বেশ কম ছিল।

এদিকে সামগ্রিক পতন সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা বজায় রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সিএসআর ব্যয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ঢাকা ব্যাংক, যারা প্রায় সাড়ে ১২ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকসহ শীর্ষ দশটি ব্যাংকের তালিকায় আরও রয়েছে শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এবং মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক। তবে সামগ্রিক খাতের এই মন্দাবস্থা কাটিয়ে উঠতে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যাংকিং খাতের আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা।


এসিআইয়ের ওয়েলনেস ও হাইজিন বিজনেসের সিওও খন্দকার ইশতিয়াক আহম্মদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর, ২০২৬

এসিআইয়ের ওয়েলনেস ও হাইজিন বিজনেসের সিওও খন্দকার ইশতিয়াক আহম্মদ

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ এসিআই পিএলসিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন করপোরেট পদায়ন সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েলনেস ও হাইজিন বিজনেসের চিফ অপারেটিং অফিসার বা সিওও হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অভিজ্ঞ করপোরেট পেশাজীবী খন্দকার ইশতিয়াক আহম্মদ। সাম্প্রতিক সময়ে এসিআই কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই নিয়োগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির এই বিশেষ ব্যবসায়িক খাতটি পরিচালনায় নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

খন্দকার ইশতিয়াক আহম্মদ দীর্ঘদিন ধরে দেশের করপোরেট অঙ্গনে সফলতার সঙ্গে কাজ করে আসছেন। বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানিতে কাজ করার সুবাদে ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, বিপণন এবং কৌশলগত ব্যবসায়িক পরিকল্পনা প্রণয়নে তার রয়েছে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। এসিআইয়ের হাইজিন এবং ওয়েলনেস পোর্টফোলিওকে আরও শক্তিশালী ও জনমুখী করতে তার এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং পরিচ্ছন্নতা সামগ্রীর বাজার দেশজুড়ে উল্লেখযোগ্য হারে প্রসারিত হয়েছে। সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এসিআইয়ের এই ওয়েলনেস ও হাইজিন খাতের পণ্যের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। নতুন সিওও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর ইশতিয়াক আহম্মদ এই বর্ধিত চাহিদা পূরণে নতুন ও যুগোপযোগী বিপণন কৌশল প্রণয়ন করবেন। পাশাপাশি বাজারে কোম্পানির অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে তিনি বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করবেন।

এসিআই পিএলসি সবসময় তাদের ব্যবস্থাপনা বিভাগে দক্ষ ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। খন্দকার ইশতিয়াক আহম্মদকে এই দায়িত্ব প্রদানের ফলে প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে আরও বেশি পেশাদারিত্ব ও গতিশীলতা আসবে। দেশের বাজারে এসিআইয়ের ওয়েলনেস ও হাইজিন পণ্যগুলোর প্রসার এবং ব্যবসার সার্বিক সাফল্যে এই নতুন নেতৃত্ব ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা প্রত্যাশা করছেন।


১০–২০ টাকা করে যাঁরা সঞ্চয় করেন, তাঁদের থেকেও কর নিতে চায় সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

১০–২০ টাকা করে যাঁরা সঞ্চয় করেন, তাঁদের থেকেও কর নিতে চায় সরকার

দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ছোট অঙ্কের সঞ্চয়ের ওপর কর বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। সাধারণত সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে দিনে বা সপ্তাহে দশ থেকে বিশ টাকা করে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের কাছে সঞ্চয় জমা রাখেন। কিন্তু এখন এই নামমাত্র সঞ্চয়ের ওপরও কর আদায় করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে বড় ধরনের উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপ-কর কমিশনারদের কার্যালয় থেকে এই কর আদায়ের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। এই নির্দেশনার ফলে মাঠপর্যায়ে কর্মরত ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীরা এখন রাজস্ব প্রশাসনের আওতায় চলে আসার উপক্রম হয়েছে। অথচ এই অর্থ মূলত তাদের দৈনিক বা সাপ্তাহিক আয়ের অত্যন্ত সামান্য একটি অংশ থেকে বাঁচিয়ে রাখা হয়।

অর্থনীতিবিদ ও সমাজবিশ্লেষকরা এই উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করে বলছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ নিম্নবিত্ত ও দরিদ্র মানুষের সঞ্চয় প্রবণতাকে মারাত্মকভাবে নিরুৎসাহিত করবে। যেখানে মূল্যস্ফীতির চাপে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে, সেখানে ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের ওপর করের বোঝা চাপানো কোনোভাবেই জনবান্ধব নীতি হতে পারে না।

সাধারণত করের আওতা বাড়ানোর জন্য বড় করদাতাদের দিকে নজর দেওয়ার কথা থাকলেও, প্রান্তিক মানুষের ক্ষুদ্র সঞ্চয়কে লক্ষ্যবস্তু করায় বিভিন্ন মহོল থেকে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এমন পদক্ষেপের ফলে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত সঞ্চয় কার্যক্রমে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।