?> বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে বাদ পড়লেন সালমান এফ রহমান | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে বাদ পড়লেন সালমান এফ রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে বাদ পড়লেন সালমান এফ রহমান

দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের পরিচালনা পর্ষদে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। কোম্পানিটির ভাইস চেয়ারম্যান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে পর্ষদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বা বিএসইসি সম্প্রতি কোম্পানিটির এই পুনর্গঠিত পর্ষদ অনুমোদন করেছে। বেক্সিমকো ফার্মার পক্ষ থেকে করা একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের নিয়মিত সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

এর আগে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে বিএসইসির কাছে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছিল যে, পর্ষদ থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়াতে সম্মত হয়েছেন সালমান এফ রহমান। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ব্যবসা ও শেয়ারধারীদের স্বার্থরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন। গত বছর রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তাঁর কারণে যেন দেশি-외국ী বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে, সেই চিন্তা থেকেই এই পদত্যাগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

নতুনভাবে সাজানো নয় সদস্যের এই বোর্ডে উদ্যোক্তা পরিচালক হিসেবে রাখা হয়েছে তিনজনকে এবং স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে যুক্ত করা হয়েছেন চারজন। এছাড়া আইএফআইসি ব্যাংকের একজন প্রতিনিধি এবং প্রথমবারের মতো পদাধিকারবলে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালককেও পর্ষদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে বোর্ডে স্বতন্ত্র পরিচালকদের সংখ্যা ও প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। বেক্সিমকোর বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও কোম্পানির স্বার্থ রক্ষার্থে এই পদক্ষেপে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সালমান এফ রহমানের দীর্ঘদিনের প্রভাব ও বর্তমান আইনি জটিলতার কারণে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল। পর্ষদ পুনর্গঠনের এই উদ্যোগের ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে এবং শেয়ারবাজারে কোম্পানিটির অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে। উল্লেখ্য, বেক্সিমকো ফার্মা দেশের প্রধান শেয়ারবাজারের পাশাপাশি লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের অলটারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট মার্কেটেও তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাম্প্রতিক আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোম্পানিটি তাদের ব্যবসা সফলভাবে পরিচালনা করে আসছে এবং নিয়মিত মুনাফা অর্জন করে চলেছে।

শেয়ারবাজারে ‘অবাঞ্ছিত’ সালমান বেক্সিমকোর পর্ষদ থেকেও বাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

শেয়ারবাজারে ‘অবাঞ্ছিত’ সালমান বেক্সিমকোর পর্ষদ থেকেও বাদ

অর্থনীতি ডেস্ক: বেক্সিমকো গ্রুপের আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ থেকে বাদ পড়েছেন বিতর্কিত ব্যবসায়ী ও সাবেক সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান। সম্প্রতি সরকারের তরফ থেকে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে ক্ষমতাচ্যুত কার্যক্রম নিষিদ্ধআওয়ামী লীগ সরকারের এই প্রভাবশালী নেতার আর্থিক সাম্রাজ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও সংকুচিত হয়ে এল।

এর আগে গত মাসের শেষের দিকে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের পরিচালনা পর্ষদ থেকেও তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। পর্যায়ক্রমে গ্রুপের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেও তার প্রভাব হ্রাসের এই প্রক্রিয়া চলছে। দীর্ঘ সময় ধরে পুঁজিবাজারে বেক্সিমকো গ্রুপের একচ্ছত্র আধিপত্য ও নানা অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে দৃশ্যপট পাল্টাতে শুরু করেছে।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট মহলের কড়া নজরদারির মুখে বেক্সিমকো পর্ষদে এই রদবদল আনা হয়েছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং করপোরেট সুশাসন ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এই পরিবর্তন জরুরি ছিল বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। দীর্ঘদিন ধরে শেয়ারবাজারে তার উপস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনা ছিল।

এদিকে সালমান এফ রহমানের ধারাবাহিক পর্ষদচ্যুতি দেশের সামগ্রিক পুঁজিবাজার ও করপোরেট খাতে একটি বড় বার্তা দিচ্ছে। অতীতে রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে যারা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে একাধিপত্য বিস্তার করেছিলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের অবস্থান নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে এর কী ধরনের প্রভাব পড়ে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।


এক বছরে মুনাফা বেড়ে দ্বিগুণ, মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে এপেক্স ফুডস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর, ২০২৬

এক বছরে মুনাফা বেড়ে দ্বিগুণ, মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে এপেক্স ফুডস

অর্থনীতি ডেস্ক: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এপেক্স ফুডসের ব্যবসায় বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে এবং এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির মুনাফা বেড়ে দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, চমৎকার আর্থিক প্রতিবেদনের জেরে গত সপ্তাহে দেশের প্রধান এই শেয়ারবাজারে মূল্যবৃদ্ধির দিক থেকে সবার শীর্ষে উঠে এসেছে কোম্পানিটি। মূলত ব্যবসা থেকে আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি শেয়ারবাজারে থাকা বিভিন্ন বিনিয়োগের মূল্য বাড়ায় কোম্পানির আর্থিক ভিত আরও মজবুত হয়েছে।

সম্প্রতি সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে কোম্পানিটি জানিয়েছে যে, গত জুন পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরে তাদের নিট মুনাফা আট কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, যা এর আগের অর্থবছরে ছিল তিন কোটি ৬৫ লাখ টাকার কাছাকাছি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির মুনাফা চার কোটি টাকার বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই দুর্দান্ত সাফল্যের পাশাপাশি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা তৈরি করে।

লভ্যাংশ ও মুনাফার এই ইতিবাচক খবর প্রকাশের পর থেকেই বাজারে এপেক্স ফুডসের শেয়ার কেনার জন্য বিনিয়োগকারীদের প্রচণ্ড আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। এর প্রভাবে সপ্তাহের বিভিন্ন কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম হু হু করে বাড়তে থাকে এবং এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি শেয়ারের দাম প্রায় সাতাশ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। যদিও সপ্তাহের শেষ দিকে এসে সামান্য কিছু শেয়ারের দাম কমেছিল, তবুও সামগ্রिक মূল Maly বৃদ্ধিতে তা কোনো বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের শীর্ষ দাম বাড়া কোম্পানির তালিকায় এটি প্রথম স্থান অধিকার করে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ১৯৮১ সালে তালিকাভুক্ত এপেক্স ফুডস একটি স্বল্পমূলধনি কোম্পানি হওয়ায় বাজারে এর শেয়ারের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশ কম। এর মোট ৫৭ লাখ শেয়ারের সিংহভাগই রয়েছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে, যা সহজে বাজারে বিক্রি করা যায় না। ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত বা লেনদেনযোগ্য শেয়ারের পরিমাণ সীমিত থাকায় সামান্য চাহিদা বাড়লেই এ ধরনের কোম্পানির শেয়ারের দাম দ্রুত ও চড়া হারে বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।


এক বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারের চেহারা বদলাবে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর, ২০২৬

এক বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারের চেহারা বদলাবে: অর্থমন্ত্রী

দেশের পুঁজিবাজারের সার্বিক পরিস্থিতি ও অবয়ব আগামী এক বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ বদলে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সম্প্রতি রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বা বিএসইসি আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের আর্থিক খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে দেশের বাজারে বিনিয়োগের বিষয়ে দেশ ও বিদেশ থেকে বর্তমানে বেশ ভালো ধরনের সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। কোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত বা অনভিপ্রেত পরিস্থিতি তৈরি না হলে নির্দিষ্ট এই সময়ের মধ্যে বাজারে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে বলে তিনি দৃঢ় বিশ্বাস করেন।

অনুষ্ঠানে পুঁজিবাজারের বর্তমান আকার ছোট উল্লেখ করে এর পরিসর বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী। তিনি বলেন যে বাজারে ভালো কোম্পানিগুলোকে নিয়ে আসতে হলে সুশাসন ও স্বনিয়ন্ত্রণের পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। স্বচ্ছতা এবং আস্থার ঘাটতি থাকলে ভালো এবং সুশাসনে বিশ্বাসী কোনো প্রতিষ্ঠানই জুয়ার বাজারের মতো এই বাজারে প্রবেশ করতে চাইবে না। তাই বাজারের দীর্ঘমেয়াদি বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার গনি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী জানান যে সেখানকার ওয়াল স্ট্রিটে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ওয়াল স্ট্রিটের একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ষোলটি কোম্পানির সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ ছিল ছত্রিশ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি এবং সেখানে তিনি প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি ইতিবাচক সাড়া পেয়েছেন। বাংলাদেশের বর্তমান নেতৃত্ব, সরকারের প্রবর্তিত নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, বাজারে স্বচ্ছতা এবং পেশাদারত্বের ওপর বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থার ভিত মজবুত হয়েছে। অনেক বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এখন বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ বা নতুন বিনিয়োগের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাগুলোর ওপর দেশের আর্থিক নির্ভরতা কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন যে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ বা এডিপির তহবিলের ওপর নির্ভর করে দেশ চালানোর দিন এখন শেষ হয়ে গেছে। ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে হলে আন্তর্জাতিক সহায়তার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব ও আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজার থেকে পুঁজি সংগ্রহ করতে হবে। এজন্য ডলার বন্ড, হংকংয়ে বাংলাদেশভিত্তিক বিনিয়োগ তহবিল এবং স্থানীয় মুদ্রার বন্ড চালুর নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান। সভাপতির বক্তব্যে বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খান জানান যে পেনশন ও গ্র্যাচুইটি ফান্ডের অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের বিষয়ে ভবিষ্যতে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন যে বাজারের অতীতের অনিয়ম কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রধান শর্ত হলো ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং তাঁদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করা।