?> এক দিনেই ৬১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ বাড়ল ইলন মাস্কের | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

এক দিনেই ৬১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ বাড়ল ইলন মাস্কের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

এক দিনেই ৬১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ বাড়ল ইলন মাস্কের

শেয়ারবাজারে বড় ধরনের উত্থানের সুবাদে মাত্র একদিনেই বিশ্বের শীর্ষ ধনী প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের সম্পদে রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি ঘটেছে। প্রখ্যাত বাণিজ্য ম্যাগাজিন ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার একদিনেই এই মার্কিন ধনকুবেরের নিট সম্পদ প্রায় ৬১ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বিশাল অর্জনের ফলে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৭৯ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে, যা তাকে এক ট্রিলিয়ন বা এক লাখ কোটি ডলারের ঐতিহাসিক মাইলফলকের অত্যন্ত কাছাকাছি নিয়ে গেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মাস্কের মালিকানাধীন দুই শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান টেসলা ও স্পেসএক্সের শেয়ারের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সই এই সম্পদ বৃদ্ধির পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেছে। সাম্প্রতিক লেনদেনে মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম সাত শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পায়। একই সময়ে বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার শেয়ারের মূল্যও প্রায় পাঁচ শতাংশের মতো বৃদ্ধি পেতে দেখা গেছে।

এই দুই প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে ইলন মাস্কের ব্যক্তিগত আর্থিক সূচকে। ফলে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে আবারও এক ট্রিলিয়ন ডলারের সীমানার একেবারে দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে। বৈশ্বিক পুঁজিবাজারে এমন নাটকীয় উত্থানের ফলে বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় ইলন মাস্কের আধিপত্য আরও বেশি সুসংহত হয়েছে।

বিশ্বের অন্যান্য শীর্ষ ধনকুবেরদের সঙ্গে মাস্কের সম্পদের ব্যবধান এই আকস্মিক প্রবৃদ্ধির কারণে আরও অনেকখানি বেড়ে গেছে। প্রযুক্তি খাতে তার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলোর ধারাবাহিক উদ্ভাবন ও বাজার দখলই তাকে প্রতিনিয়ত এই বিশাল অর্থনৈতিক সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

এক বছরে মুনাফা বেড়ে দ্বিগুণ, মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে এপেক্স ফুডস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর, ২০২৬

এক বছরে মুনাফা বেড়ে দ্বিগুণ, মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে এপেক্স ফুডস

অর্থনীতি ডেস্ক: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এপেক্স ফুডসের ব্যবসায় বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে এবং এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির মুনাফা বেড়ে দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, চমৎকার আর্থিক প্রতিবেদনের জেরে গত সপ্তাহে দেশের প্রধান এই শেয়ারবাজারে মূল্যবৃদ্ধির দিক থেকে সবার শীর্ষে উঠে এসেছে কোম্পানিটি। মূলত ব্যবসা থেকে আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি শেয়ারবাজারে থাকা বিভিন্ন বিনিয়োগের মূল্য বাড়ায় কোম্পানির আর্থিক ভিত আরও মজবুত হয়েছে।

সম্প্রতি সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে কোম্পানিটি জানিয়েছে যে, গত জুন পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরে তাদের নিট মুনাফা আট কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, যা এর আগের অর্থবছরে ছিল তিন কোটি ৬৫ লাখ টাকার কাছাকাছি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির মুনাফা চার কোটি টাকার বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই দুর্দান্ত সাফল্যের পাশাপাশি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা তৈরি করে।

লভ্যাংশ ও মুনাফার এই ইতিবাচক খবর প্রকাশের পর থেকেই বাজারে এপেক্স ফুডসের শেয়ার কেনার জন্য বিনিয়োগকারীদের প্রচণ্ড আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। এর প্রভাবে সপ্তাহের বিভিন্ন কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম হু হু করে বাড়তে থাকে এবং এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি শেয়ারের দাম প্রায় সাতাশ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। যদিও সপ্তাহের শেষ দিকে এসে সামান্য কিছু শেয়ারের দাম কমেছিল, তবুও সামগ্রिक মূল Maly বৃদ্ধিতে তা কোনো বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের শীর্ষ দাম বাড়া কোম্পানির তালিকায় এটি প্রথম স্থান অধিকার করে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ১৯৮১ সালে তালিকাভুক্ত এপেক্স ফুডস একটি স্বল্পমূলধনি কোম্পানি হওয়ায় বাজারে এর শেয়ারের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশ কম। এর মোট ৫৭ লাখ শেয়ারের সিংহভাগই রয়েছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে, যা সহজে বাজারে বিক্রি করা যায় না। ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত বা লেনদেনযোগ্য শেয়ারের পরিমাণ সীমিত থাকায় সামান্য চাহিদা বাড়লেই এ ধরনের কোম্পানির শেয়ারের দাম দ্রুত ও চড়া হারে বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।


সরাসরি তালিকাভুক্তিতে ফিরল বেসরকারি কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ অক্টোবর, ২০২৬

সরাসরি তালিকাভুক্তিতে ফিরল বেসরকারি কোম্পানি

দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘ সাড়ে ১৬ বছর পর বেসরকারি কোম্পানির জন্য সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ উন্মুক্ত করেছে সরকার। পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়ন ও পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এই সংক্রান্ত আগের নিষেধাজ্ঞা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে না গিয়েই বড় বড় বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হতে পারবে। এতদিন এই বিশেষ সুবিধা কেবল সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য সংরক্ষিত ছিল, যা এখন থেকে দেশের পুরো করপোরেট খাতের জন্যই প্রযোজ্য হলো।

সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জারি করা পুরোনো নিষেধাজ্ঞাটি বাতিল করা হয়। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের করা সুনির্দিষ্ট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে দেশের দুই প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি নামী বেসরকারি ও বহুজাতিক কোম্পানির অংশগ্রহণের পথ সুগম হলো।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের পর পরই নড়েচড়ে বসেছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। সরাসরি তালিকাভুক্তি প্রক্রিয়া মসৃণ ও নিয়মতান্ত্রিক করতে সংস্থাটি একটি জরুরি কমিশন সভার আয়োজন করেছে। যেখানে নতুন বিধিমালা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছে এবং পরবর্তীতে তা জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রকাশ করা হবে। নতুন খসড়া বিধিমালায় নির্দিষ্ট মাপকাঠির বড় দেশীয় কোম্পানি, বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এবং বৃহৎ প্রযুক্তি ও টেলিকম অবকাঠামো প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এই সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও এর কিছু অন্তর্নিহিত ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। অর্থনীতিবিদ ও বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে ভালো মানের কোম্পানি বাজারে এলে বিনিয়োগের বিকল্প বাড়বে এবং বাজারে স্বচ্ছতা ও সুশাসন আসবে। তবে অতীতে ২০১০ সালের মন্দার পর অনিয়ম ও কারসাজির ইতিহাস থাকায় নতুন ব্যবস্থায় যাতে কোনো অযোগ্য প্রতিষ্ঠান সুযোগ না পায়, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে এবং শেয়ারের সঠিক মূল্য নির্ধারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে কঠোর শর্ত ও নজরদারির মধ্যে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।


শেয়ারবাজারে ‘অবাঞ্ছিত’ সালমান বেক্সিমকোর পর্ষদ থেকেও বাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

শেয়ারবাজারে ‘অবাঞ্ছিত’ সালমান বেক্সিমকোর পর্ষদ থেকেও বাদ

অর্থনীতি ডেস্ক: বেক্সিমকো গ্রুপের আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ থেকে বাদ পড়েছেন বিতর্কিত ব্যবসায়ী ও সাবেক সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান। সম্প্রতি সরকারের তরফ থেকে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে ক্ষমতাচ্যুত কার্যক্রম নিষিদ্ধআওয়ামী লীগ সরকারের এই প্রভাবশালী নেতার আর্থিক সাম্রাজ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও সংকুচিত হয়ে এল।

এর আগে গত মাসের শেষের দিকে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের পরিচালনা পর্ষদ থেকেও তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। পর্যায়ক্রমে গ্রুপের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেও তার প্রভাব হ্রাসের এই প্রক্রিয়া চলছে। দীর্ঘ সময় ধরে পুঁজিবাজারে বেক্সিমকো গ্রুপের একচ্ছত্র আধিপত্য ও নানা অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে দৃশ্যপট পাল্টাতে শুরু করেছে।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট মহলের কড়া নজরদারির মুখে বেক্সিমকো পর্ষদে এই রদবদল আনা হয়েছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং করপোরেট সুশাসন ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এই পরিবর্তন জরুরি ছিল বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। দীর্ঘদিন ধরে শেয়ারবাজারে তার উপস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনা ছিল।

এদিকে সালমান এফ রহমানের ধারাবাহিক পর্ষদচ্যুতি দেশের সামগ্রিক পুঁজিবাজার ও করপোরেট খাতে একটি বড় বার্তা দিচ্ছে। অতীতে রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে যারা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে একাধিপত্য বিস্তার করেছিলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের অবস্থান নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে এর কী ধরনের প্রভাব পড়ে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।