?> বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ১ হাজার কোটি টাকার ঋণ, সর্বোচ্চ ১০ লাখ যেভাবে পাবেন | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ১ হাজার কোটি টাকার ঋণ, সর্বোচ্চ ১০ লাখ যেভাবে পাবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ১ হাজার কোটি টাকার ঋণ, সর্বোচ্চ ১০ লাখ যেভাবে পাবেন

অর্থনীতি ডেস্ক: বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে গমনকারী বাংলাদেশিদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ভাষা শিক্ষায় সহায়তার জন্য এক হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ প্রি-ফাইন্যান্স স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিচালিত এই তহবিল থেকে বিদেশগামী কর্মীরা কোনো ধরনের জামানত ছাড়াই সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। মূলত দক্ষ কর্মী তৈরির মাধ্যমে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বেগবান করার লক্ষ্যেই এই যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, সম্পূর্ণ তহবিলটি ২০০ কোটি টাকা করে মোট পাঁচটি সমান কিস্তিতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংককে প্রদান করা হবে। আগের কিস্তির অর্থ যথাযথভাবে খরচ হয়েছে কি না তা যাচাই করার পরই কেবল পরবর্তী কিস্তির অর্থ ছাড় করা হবে। এই ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ শতাংশ এবং এর প্রাথমিক মেয়াদ তিন বছর, যেখানে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ডও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে প্রয়োজন সাপেক্ষে এই ঋণের মেয়াদ বাড়িয়ে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত করা যাবে।

এই বিশেষ ঋণের আওতায় প্রার্থীরা বিদেশ যাওয়ার আগে কিংবা দেশটিতে পৌঁছানোর পর ভাষা ও কাজের দক্ষতার প্রশিক্ষণের টিউশন ফি পরিশোধ করতে পারবেন। এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে থাকা ও খাওয়ার খরচও এই ঋণের মাধ্যমেই মেটানো সম্ভব হবে, তবে যাতায়াতের জন্য বিমানের টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে এই অর্থ ব্যবহার করা যাবে না। কেবল বৈধ উপায়ে কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যেতে ইচ্ছুক নাগরিকরাই এই সুবিধার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন, তবে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে বিদেশগামী শিক্ষার্থীরা এই ঋণের আওতাভুক্ত নন।

ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়ায় কোনো জটিলতা এড়াতে প্রার্থীর বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা, যোগ্যতার সনদ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের অফার লেটার জমা দিতে হবে। সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল করা হয়েছে, ফলে ঘরে বসেই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন এবং অনলাইনে এর অগ্রগতি ট্র্যাক করতে পারবেন। ইতোমধ্যে এই কর্মসূচির আওতায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মীকে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে এবং অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে দুই স্তরের কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা বজায় রাখা হয়েছে।

একটি ডিম প্রায় ১৫ টাকা, হালি ৫৫ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

একটি ডিম প্রায় ১৫ টাকা, হালি ৫৫ টাকা

দেশের বাজারে ডিমের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। বর্তমানে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন খুচরা বাজারে প্রতিটি ডিমের জন্য ক্রেতাদের প্রায় ১৫ টাকা গুনতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে এক হালি ডিম কিনতে গেলে গুণতে হচ্ছে ৫৫ টাকা পর্যন্ত, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের জন্য বড় ধরনের আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছে।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ডিমের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পেছনে সরবরাহ সংকট এবং সিন্ডিকেটের কারসাজি কাজ করছে। অথচ দেশের বাইরে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন ও জনবান্ধব। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বিশেষ করে কলকাতায় প্রতি ডজন ডিমের দাম রাখা হচ্ছে মাত্র ১১৫ টাকা।

এই হিসাব অনুযায়ী ভারতে একটি ডিমের খুচরা মূল্য ১০ টাকার অনেক নিচে অবস্থান করছে। এমনকি পাকিস্তানের বাজারেও ডিমের দাম এই সীমার মধ্যেই রয়েছে বলে জানা গেছে। অথচ তুলনামূলকভাবে ছোট অর্থনীতির দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে আমিষের এই সহজলভ্য উৎসের দাম রেকর্ড গড়েছে।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজার থেকেই চড়া দামে ডিম কিনতে হচ্ছে তাদের। উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এবং বিভিন্ন অজুহাতে দাম বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, বাজারে কঠোর মনিটরিং বা তদারকি না থাকায় সিন্ডিকেট ইচ্ছেমতো দাম নির্ধারণ করছে।

পুষ্টির অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে পরিচিত ডিমের দাম এভাবে নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণ ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে বাজার নিয়ন্ত্রণ না করলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।


রাজধানীর বাজারে আটা ময়দা ও ডিমসহ নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজধানীর বাজারে আটা ময়দা ও ডিমসহ নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী

রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের চাপে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচ অব্যাহতভাবে বাড়ছে। সম্প্রতি নয়াবাজার, কারওয়ান বাজার ও কেরাণীগঞ্জের বউবাজার ঘুরে দেখা গেছে যে আটা, ময়দা, ডিম ও মাছের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। ছুটির দিনে চাহিদা বেশি থাকায় প্রায় সব ধরনের সবজির দামও কেজিতে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সীমিত আয়ের মানুষের জন্য বাজার খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

বাজারে প্রতি কেজি খোলা আটা ৫০ টাকা এবং ময়দা ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে যা এক মাস আগে কম ছিল। পাইকারিতে ৫০ কেজির ময়দার বস্তার দাম বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব বনরুটি ও বেকারি পণ্যে পড়ার উপক্রম হয়েছিল। এছাড়া প্রতি ডজন ডিম ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে যা ছয় মাস আগের তুলনায় বেশ খানিকটা বেশি। ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দামও গত দেড় মাসের তুলনায় কেজিতে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সবজি বাজারে কাঁচামরিচ, পটোল, বেগুন, করলা এবং শিম চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে কারওয়ান বাজারের বিক্রেতা শাহানাজ বেগম জানান যে বৃষ্টির কারণে সবজি সরবরাহে ঘাটতি থাকায় দাম বাড়তির দিকে রয়েছে। অন্যদিকে মাছের বাজারে রুই, কাতলা, পাবদা ও চিংড়ির দাম বেশি থাকলেও সরবরাহ বাড়ার কারণে ইলিশের দাম কিছুটা কমেছে। গরুর মাংস এবং খাসির মাংসের দাম অবশ্য অপরিবর্তিত রয়েছে।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে বহু নিত্যপণ্যে কর কমানো হলেও খুচরা বাজারে তার সুফল পুরোপুরি পৌঁছাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধি নাজের হোসাইন জানান যে কর কমানোর পরও দাম না কমায় বিষয়টি সরকারের গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। বাজারে পণ্যের দাম না কমায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসছে না।


স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হলেন জাহেদুল হক 

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল, ২০২৪

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হলেন জাহেদুল হক 

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ৩৮৯তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রবিবার এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হলেন শরিয়াহ্ ভিত্তিক স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি.-এর পরিচালক, চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মো. জাহেদুল হক।

জাহেদুল হক চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানাধীন পশ্চিম শাকপুরা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট হাই স্কুল থেকে ১৯৮৫ সালে এসএসসি এবং চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ থেকে ১৯৮৭ সালে এইচএসসি পাশ করেন। ১৯৯২ সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থইস্ট লুইসিয়ানা ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ সম্পন্ন করেন।

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের প্রাক্তন পরিচালক, বাংলাদেশ গার্মেন্টস্ ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) এর প্রাক্তন সদস্য, চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড কমার্স ও খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ফাইন্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ এর সহ সভাপতি জনাব মো. জাহেদুল হক সততা, যোগ্যতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে দ্রুত সফলতার শীর্ষে আরোহণ করেন। পেশাগত জীবনে তিনি মেসার্স জাহেদ ব্রাদার্স এর প্রোপ্রাইটর এবং মেসার্স নূর অয়েল অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস্ ও মেসার্স আরাফাত লিমিটেডের পরিচালক।

মানবহিতৈষী, সকলের প্রিয় ব্যক্তিত্ব জাহেদুল হক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত। তিনি বোয়ালখালী হাজী মো. নুরুল হক ডিগ্রী কলেজ, শাকপুরা, চট্টগ্রাম- এর গভর্নিং বডির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য; চট্টগ্রাম রাইজিং স্টার ক্লাবের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান, আর্মি গল্ফ ক্লাব ঢাকা, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল এবং চট্টগ্রাম হার্ট ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য; চট্টগ্রাম বোট ক্লাব, চট্টগ্রাম ক্লাব লিমিটেড, চট্টগ্রাম কলেজিয়েট ক্লাব এবং চট্টগ্রাম সিনিয়রস্' ক্লাব লিমিটেডের স্থায়ী সদস্য। এছাড়াও তিনি আমেনিয়া ফোরকানিয়া নূরীয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা এবং চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর।