?> হাতিরা নিজের চিকিৎসায় ব্যবহার করে নানা ঔষধি গাছ, জানতে পেরেছেন গবেষকরা | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

হাতিরা নিজের চিকিৎসায় ব্যবহার করে নানা ঔষধি গাছ, জানতে পেরেছেন গবেষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হাতিরা নিজের চিকিৎসায় ব্যবহার করে নানা ঔষধি গাছ, জানতে পেরেছেন গবেষকরা

আফ্রিকান হাতিরা নিজেদের এবং পরিবারের অসুস্থ সদস্যদের সুস্থ করতে প্রাকৃতিকভাবেই বিভিন্ন ঔষধি গাছের ব্যবহার করে থাকে। সম্প্রতি এক গবেষণায় বন্য হাতিদের এই বুদ্ধিমত্তা ও চিকিৎসাবিদ্যার দারুণ তথ্য উঠে এসেছে, যা গবেষকদের রীতিমতো অবাক করে দিয়েছে। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে বন্য প্রাণীদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে তাদের এই বিশেষ গুণ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, বিভিন্ন ধরনের শারীরিক অসুস্থতা বা আঘাত দূর করতে এই বিশালকায় প্রাণীরা ডজনখানেক ঔষধি উদ্ভিদ বেছে নেয়। তারা শুধু নিজেদের জন্যই নয়, বরং দলের অন্য কোনো হাতি অসুস্থ হলে তার জন্যও নির্দিষ্ট গাছপালা সংগ্রহ করে নিয়ে আসে। বুনো পরিবেশে টিকে থাকার জন্য তাদের এই সহজাত প্রবৃত্তি ও ভেষজ জ্ঞান এক অনন্য বেঁচে থাকার কৌশল হিসেবে কাজ করে।

বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘ সময় ধরে আফ্রিকান বনাঞ্চলে হাতিদের বিচরণ ও তাদের গাছের ছাল, পাতা বা শেকড় খাওয়ার ধরণ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। তারা লক্ষ্য করেছেন যে, হাতিরা সাধারণ খাবার খাওয়ার সময় যে গাছগুলো এড়িয়ে চলে, অসুস্থতার সময় ঠিক সেই নির্দিষ্ট গাছগুলোর কাছেই গিয়ে হাজির হয়। উদ্ভিদগুলোর মধ্যে এমন কিছু রাসায়নিক উপাদান থাকে যা তাদের রোগ নিরাময়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

বিজ্ঞানীদের মতে, হাতিদের এই ঔষধি জ্ঞান প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে তাদের দলের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়ে থাকে। বন্য প্রাণীদের এই জটিল ও উন্নত আচরণ প্রকৃতির রহস্যময় এবং আকর্ষণীয় দিকগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই গবেষণা হাতিদের বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে মানুষের ধারণাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা নতুন করে ফুটিয়ে তুলেছে।

রুটি দিয়ে ত্বকের যত্ন! জেনে নিন ত্বকযত্নে বাসি রুটির জাদুকরি ভূমিকার কথা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রুটি দিয়ে ত্বকের যত্ন! জেনে নিন ত্বকযত্নে বাসি রুটির জাদুকরি ভূমিকার কথা

দৈনন্দিন ব্যস্ততার যুগে ত্বকের যত্নে মানুষ নানা ধরনের রাসায়নিক প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু বহুমূল্য এসব প্রসাধনীর পেছনে প্রচুর অর্থ ব্যয় না করে প্রাকৃতিক উপায়েও ত্বকের যত্ন নেওয়া সম্ভব। সম্প্রতি সৌন্দর্যচর্চায় এক অদ্ভুত উপাদানের কথা সামনে এসেছে, যা অনেকের কাছেই অপ্রত্যাশিত। বেঁচে যাওয়া বাসি রুটি দিয়ে এখন ঘরে বসেই খুব সহজে ত্বকের নানা সমস্যার সমাধান করা যায়।

সাধারণত সকালের তৈরি রুটি বেঁচে গেলে অনেকেই তা ফেলে দেন অথবা পশুকে খেতে দেন। অথচ এই বাসি রুটিতেই এমন কিছু প্রাকৃতিক পরিবর্তন আসে যা ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। দীর্ঘ সময় রাখা রুটিতে মৃদু গাঁজনপ্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় ল্যাকটিক অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা ত্বকের মৃতকোষ দূর করতে দারুণভাবে সাহায্য করে।

গমের তৈরি রুটিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, জিংক, সিলিকা এবং ভিটামিন ই থাকে। বাসি হওয়ার পর এই পুষ্টি উপাদানগুলো ত্বকে আরও সহজে শোষিত হতে পারে এবং কোষ গঠনে সহায়তা করে। এছাড়া রুটি কিছুটা শক্ত হয়ে যাওয়ায় এটি প্রাকৃতিকভাবে ত্বক পরিষ্কার করার কাজ করে থাকে।

ত্বকের ধরন অনুযায়ী এই বাসি রুটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের কার্যকরী ফেসপ্যাক তৈরি করা যায়। শুষ্ক ত্বকের জন্য দুধের সঙ্গে বাসি রুটি মিশিয়ে প্যাক তৈরি করা যেতে পারে, যা ত্বককে নরম ও উজ্জ্বল করে তোলে। অন্যদিকে, তৈলাক্ত ত্বকের জন্য মধু ও লেবুর রসের সঙ্গে রুটির গুঁড়া মিশিয়ে ব্যবহার করলে চমৎকার ফল পাওয়া যায়।

মুখের বিভিন্ন দাগ দূর করতে টক দই ও হলুদের সঙ্গে রুটি মিশিয়ে ব্যবহার করার প্রচলন রয়েছে। এছাড়া নাকের ব্ল্যাকহেডস দূর করতে বাসি রুটির গুঁড়া এবং চালের গুঁড়ার মিশ্রণ স্ক্রাব হিসেবে চমৎকার কাজ করে। নিয়মিত এসব ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করলে প্রাকৃতিকভাবেই সুস্থ ও সুন্দর ত্বক পাওয়া সম্ভব।


বিশ্বকাপ ট্রফি এখন বাংলাদেশে

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

বিশ্বকাপ ট্রফি এখন বাংলাদেশে

বাংলাদেশে চলে এলো ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের মূল ট্রফি। আজ (বুধবার) সকাল দশটার দিকে বাংলাদেশের মাটিতে এসে পৌঁছায় সোনালি ট্রফিটি। সেখানে কিছু আনুষ্ঠানিকতার পর হোটেল রেডিসনে আসবে এই ট্রফি।

আজ দুপুর দুইটার পর নির্বাচিত দর্শকদের জন্য ট্রফি নিয়ে সেশনের ব্যবস্থা আছে। তবে সাধারণ দর্শকদের দেখার তেমন সুযোগ থাকছে না।

ট্রফির সঙ্গে এসেছেন ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলের সাবেক মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা।

কোকা-কোলা কোম্পানি ও আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফার যৌথ উদ্যোগে গত ৩ জানুয়ারি শুরু হয় ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলা এর ষষ্ঠ আসর। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বিশ্বকাপ ট্রফির বিশ্বভ্রমণের সূচনা করা হয়।

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। এই প্রথম তিনটি দেশ- কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে। আগের যে কোনো আসরের তুলনায় এবারের বিশ্বকাপে থাকবে আরও বেশি দল (৪৮টি), আরও বেশি ম্যাচ (১০৪) এবং ব্যাপক উৎসব আয়োজন।

ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি ভ্রমণ করবে ৩০টি ফিফা সদস্য দেশের ৭৫টি গন্তব্যে। পুরো সফর চলবে ১৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে, যা ফুটবলপ্রেমীদের জন্য জীবনে একবার দেখার মতো এক অনন্য সুযোগ তৈরি করবে।


কুমিল্লা-ঢাকা ম্যাচ দিয়ে বিপিএল পর্দা উঠছে ১৯ জানুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩

কুমিল্লা-ঢাকা ম্যাচ দিয়ে বিপিএল পর্দা উঠছে ১৯ জানুয়ারি

বার্তাবেলা: সবকিছু নির্ভর করবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর। জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলে আগামী ১৯ জানুয়ারি এবারের বিপিএল শুরুর কথা ভাবা হচ্ছে।

১৯ জানুয়ারি ধরে সেভাবে সূচিও দেওয়া হয়েছে প্রতিযোগী দলগুলোকে। কোনোরকম ঝামেলা না হলে সেই সূচি অনুযায়ীই মাঠে গড়াবে বিপিএল।

সূচি অনুযায়ী, আগামী বছরের ১৯ জানুয়ারি উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স আর দুর্দান্ত ঢাকা। দুপুরে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শুরু হবে ম্যাচটি।

একই ভেন্যুতে ওইদিন সন্ধ্যায় দ্বিতীয় ম্যাচ। এই ম্যাচে রংপুর রাইডার্স মোকাবিলা করবে ফরচুন বরিশালের। আজ (সোমবার) সন্ধ্যায় বিপিএলের এই সূচি দেওয়া হয়েছে।

১৯ জানুয়ারি শুরু হওয়া ঢাকা পর্ব চলবে ৪ দিনের। ২৩ জানুয়ারি শেষ হবে প্রথমপর্ব। দ্বিতীয় পর্বের খেলা হবে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। তার আগে ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি ২ দিন বিশ্রাম ও ভ্রমণ বিরতি।

এরপর ২৬ জানুয়ারি থেকে সিলেট পর্ব মাঠে গড়াবে। চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এরপর বিপিএল আবার ফিরে আসবে ঢাকায়। আগের মতই ২ দিন বিরতির পর আবার ৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে ঢাকা পর্ব। শেষ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি।

এই পর্ব শেষে ২ দিন বিরতি দিয়ে বিপিএল আবার চলে যাবে চট্টগ্রাম। সেখনে খেলা শুরু ১৩ ফেব্রুয়ারি। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে খেলা চলবে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি ভ্রমণ ও বিশ্রামের কারণে দুদিন বিরতি।

এরপর শেষ অংশ আবার ঢাকায়। ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকায় শেষ পর্ব। আর ১ মার্চ শুক্রবার টুর্নামেন্টের ফাইনাল।