?> হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় যেসব খাবার | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় যেসব খাবার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় যেসব খাবার

হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাক কখনোই একদিনে হঠাৎ করে সৃষ্টি হয় না। দীর্ঘমেদিন ধরে চলা অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এবং অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস মূলত এর জন্য দায়ী। এই বদভ্যাসগুলো নীরবে মানুষের রক্তনালির মারাত্মক ক্ষতিসাধন করে, যার ফলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ধূমপানের মতো ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা দ্রুত কমিয়ে দেয়। এর পাশাপাশি পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রমের অভাব রক্তে চর্বির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এই সমস্ত ক্ষতিকর উপাদানগুলো একত্রিত হয়ে রক্তনালিগুলোকে সংকুচিত ও শক্ত করে তোলে।

তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে এই মারাত্মক ঝুঁকিগুলো অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব। প্রতিদিনের পাতে পুষ্টিকর ও টাটকা খাবার রাখলে রক্তনালির নমনীয়তা বজায় থাকে। তাই হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবারের কোনো বিকল্প নেই বললেই চলে।

নিয়মিত ফলমূল, শাকসবজি এবং স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস হৃদরোগের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়। জীবনযাত্রার সামান্য পরিবর্তন এবং সচেতন খাদ্যাভ্যাসই পারে একটি সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করতে।

ডায়াবেটিস হলে ফল খাবেন, না খাবেন না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ডায়াবেটিস হলে ফল খাবেন, না খাবেন না

ডায়াবেটিস রোগীদের খাদ্যতালিকা নিয়ে জনমনে নানা ধরনের প্রশ্ন ও সংশয় কাজ করে থাকে। বিশেষ করে মিষ্টি জাতীয় ফল খাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় ভোগেন। চিকিৎসাবিজ্ঞান ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস থাকলে ফল খাওয়া বারণ নয়, তবে তা খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ না করলে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ফলের পরিবর্তে ফল গ্রহণের প্রক্রিয়া। জুস, স্মুদি বা চিনি মেশানো বিভিন্ন ধরনের শরবত এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। তরল আকারে ফল খেলে এর ভেতরের প্রাকৃতিক শর্করা খুব দ্রুত রক্তে মিশে যায়, যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই প্রক্রিয়াজাত বা রসালো পানীতির বদলে ফল খাওয়ার সময় অন্যান্য মাধ্যম বাদ দিতে হবে।

এই কারণে পুষ্টিবিদরা সব সময় প্রক্রিয়াজাত জুসের বদলে আস্ত বা গোটা ফল খাওয়ার ওপর জোর দেন। গোটা ফল চিবিয়ে খেলে তাতে থাকা ফাইবার বা আঁশ হজম প্রক্রিয়ায় ধীরগতি আনে, ফলে রক্তে শর্করা ধীরে শোষিত হয়। ফাইবার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে দারুণ কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।

তাই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে শরীরের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত তাজা ও গোটা ফল খেতে পারেন। তবে কোন ফল কী পরিমাণ খাওয়া উচিত, সে বিষয়ে অবশ্যই পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সচেতন জীবনযাপন ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখে সুস্থ জীবনযাপন করা সম্ভব।


মাথায় বলের আঘাত লেগে হাসপাতালে মোস্তাফিজ, জানা গেল শারীরিক অবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

মাথায় বলের আঘাত লেগে হাসপাতালে মোস্তাফিজ, জানা গেল শারীরিক অবস্থা

বার্তাবেলা ডেস্ক: চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুশীলনের সময় মাথায় একটি বলের আঘাত লেগে মারাত্মক আহত হয়েছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের (Comilla Victorians) পেসার মোস্তাফিজুর রহমান।  সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন কাটার মাস্টার। রক্তাক্ত অবস্থায় অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সিটি স্ক্যানের পর কুমিল্লার ফিজিও এমএস জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, মুস্তাফিজের অবস্থা অনেকটাই ভালো। বড় ধরনের ইনজুরির আশঙ্কা করা হলেও কেবল বাহ্যিকভাবেই আঘাত পেয়েছেন তিনি।

জাহিদুল এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ‘অনুশীলনের সময় একটি বল মুস্তাফিজের মাথার পেছনের অংশে এসে লাগে। ফলে সেখানে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। রক্তপাত বন্ধ করতে দ্রুত ব্যান্ডেজ করা হয়। এরপর নেয়া হয় ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে। সিটি স্ক্যান করার পর আমরা সন্তুষ্ট। তার অভ্যন্তরীণ কোনো ক্ষতি হয়নি, অভ্যন্তরীণ রক্তপাতও হচ্ছে না। তাকে এখন পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।’

এবারের আসরে কুমিল্লার হয়ে ৯ ম্যাচ খেলেছেন মুস্তাফিজ। ২৩.৯১ গড়ে তিনি শিকার করেছেন ১১ উইকেট। ৯ ম্যাচে কুমিল্লার পয়েন্ট ১৪। ৭ ম্যাচে জয়ের বিপরীতে ২ ম্যাচে হেরেছে তারা।

বিপিএলে আজ কোনো খেলা নেই। তবে সিলেট স্ট্রাইকার্সের মুখোমুখি হওয়ার আগে আজ (রোববার) সকালে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুশীলন করতে আসে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ক্রিকেটাররা। সেখানেই নেটে বল করছিলেন মোস্তাফিজ।

একটি ডেলিভারি দিয়ে মোস্তাফিজ ফিরে যাচ্ছিলেন নিজের বোলিং মার্কে, আরেকটি ডেভিলারি দেয়ার জন্য। এ সময় কুমিল্লার প্রধান কোচ সালাউদ্দিন ডাক দেন তাকে। কোচের ডাকে সাড়া দিতে মাথা ঘুরিয়ে হাঁটতে শুরু করলেই অন্য নেট থেকে আশা একটি শট পেছনে থেকে মোস্তাফিজের মাথায় আঘাত করে।

সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে লুটিয়ে পড়েন জাতীয় দলের এই বাঁ-হাতি কাটার মাস্টার। মাথা ফেটে রক্তও বের হতে দেখা যায়। দ্রুত দলের চিকিৎসকরা এসে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা করেন।


গবেষণা বলছে হাড়ের যত্নে বড় ভূমিকা রাখতে পারে তিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

গবেষণা বলছে হাড়ের যত্নে বড় ভূমিকা রাখতে পারে তিল

স্বাস্থ্য ডেস্ক: হাড়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বললেই সাধারণত দুধ, দই বা নানা ধরনের ক্যালসিয়াম ট্যাবলেটের কথা মাথায় আসে। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে, আমাদের অতি পরিচিত প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকা তিলও হাড়ের গঠন মজবুত রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এই ক্ষুদ্র দানার মধ্যে রয়েছে পুষ্টির এক বিশাল সমাহার যা শরীরকে সুস্থ রাখতে বিশেষভাবে কাজ করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তিলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস এবং জিংকের মতো পুষ্টিকর খনিজ উপাদান বিদ্যমান রয়েছে। এসব খনিজ হাড়ের স্বাভাবিক গঠন বজায় রাখার পাশাপাশি এর অভ্যন্তরীণ কার্যকারিতা উন্নত করতেও দারুণভাবে সহায়তা করে। ফলে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় তিল রাখা হলে তা হাড়ের বিভিন্ন ক্ষয়জনিত সমস্যা প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।

পুষ্টিবিদরা দীর্ঘদিন ধরেই সুষম খাদ্য তালিকার ওপর জোর দিয়ে আসছেন যেখানে প্রাকৃতিক উৎস থেকে প্রয়োজনীয় খনিজ গ্রহণ করার কথা বলা হয়। কৃত্রিম উপাদানের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে তিলের মতো প্রাকৃতিক বীজ খাবারের তালিকায় যুক্ত করলে শরীরের পুষ্টির চাহিদা সহজেই পূরণ করা সম্ভব। এটি বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তিদের হাড়ের সুরক্ষায় বাড়তি সুবিধা দিতে পারে।

সব মিলিয়ে, সুস্থ জীবনযাপন এবং শক্ত হাড়ের অধিকারী হতে তিলকে একটি চমৎকার বিকল্প খাদ্য উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক পরিমাণে এটি গ্রহণ করলে তা সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই দৈনন্দিন রান্নায় বা সালাদের সঙ্গে অল্প পরিমাণ তিল যোগ করার অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে।