?> কুমিল্লার হোমনায় পুকুরে মাছ ও পাড়ে সবজি চাষে ওয়ালি উল্লাহর সাফল্য | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

কুমিল্লার হোমনায় পুকুরে মাছ ও পাড়ে সবজি চাষে ওয়ালি উল্লাহর সাফল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লার হোমনায় পুকুরে মাছ ও পাড়ে সবজি চাষে ওয়ালি উল্লাহর সাফল্য

কুমিল্লার হোমনা পৌরসভার শ্রীমদ্দি গ্রামে পুকুরে মাছ চাষের পাশাপাশি পাড়ে সবজি চাষ করে অনন্য সাফল্য অর্জন করেছেন ওয়ালি উল্লাহ। সম্প্রতি তৈরি হওয়া একটি নতুন গ্রামীণ সড়কের পাশে অবস্থিত তার এই ছিমছাম খামারটি স্থানীয়দের দৃষ্টি কেড়েছে। শখের বশে করা এই সমন্বিত উদ্যোগে একদিকে যেমন পুকুরে মাছের চাষ চলছে, অন্যদিকে পাড়জুড়ে দেখা মিলছে সবুজের সমারোহ। ছোট এই খামারটি পরিচালনার মাধ্যমে তিনি এখন আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার পথ দেখিয়েছেন।

বা বাড়ির দক্ষিণের ১৬ শতাংশ জমি কেটে পুকুর তৈরি করে সেখানে কার্প, সরপুঁটি, তেলাপিয়া ও বাটা প্রজাতির প্রায় চার হাজার পোনা অবমুক্ত করেন ওয়ালি উল্লাহ। নিয়মিত পরিচর্যা ও সঠিক খাদ্য সরবরাহের কারণে মাছগুলো সুন্দরভাবে বেড়ে উঠছে এবং খামারিও সুফল পাচ্ছেন। শুধু মাছ চাষেই সীমাবদ্ধ না থেকে তিনি পুকুরপাড়ের খালি জায়গা এবং পাড়সংলগ্ন প্রায় এক বিঘা জমিতে বিষমুক্ত সবজির বাগান গড়ে তুলেছেন। মাচায় ঝুলছে লাউ ও চিচিঙা, আর চারপাশে শোভা পাচ্ছে বেগুন, পুঁইশাক, মিষ্টিকুমড়া, পেঁপে ও কলার চারা।

নিজের এই সফলতার বিষয়ে ওয়ালি উল্লাহ জানান যে তিনি গত কয়েক বছর ধরে এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে আসছেন এবং ভালো সাফল্য পেয়েছেন। এর মাধ্যমে তার পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটার পাশাপাশি দৈনন্দিন বাজারের খরচও উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। অল্প জমিকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে কীভাবে লাভবান হওয়া যায়, তিনি তার একটি চমৎকার উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। তার এই উদ্যোগটি নতুন সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী পথচারী ও স্থানীয় কৃষকদেরও দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন যে ওয়ালি উল্লাহর এই সমন্বিত চাষের উদ্যোগ নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অন্য চাষিদের উৎসাহিত করবে। কৃষি বিভাগ থেকে তাকে সব ধরনের কারিগরি সহায়তা ও হাইব্রিড জাতের সবজি চাষে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে। এছাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাজমা আক্তার জানান, ১৬ শতকের পুকুরে তার মাছ চাষের উদ্যোগটি বেশ প্রশংসনীয় এবং মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে সঠিক অনুপাতে পোনা মজুতের পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করুন : টিআইবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ জুন, ২০২৩

প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করুন : টিআইবি

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০০২ সালে বাংলাদেশে পলিথিন শপিং ব্যাগ নিষিদ্ধ হলেও ‘‘পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫’’- এ সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক ও লেমিনেটেড প্লাস্টিকের ব্যবহার নিষিদ্ধ না হওয়ায় ফলে ‘‘প্লাস্টিক দূষণ’’ অব্যাহত থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে অনতিবিলম্বে প্লাস্টিকের বেআইনি উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও ব্যবহার রোধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর ৬(ক) ধারা সংশোধন, দূষণ-কর আরোপ এবং প্লাস্টিক দূষণের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্পের জবাবদিহির লক্ষ্যে পরিবেশ আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানাচ্ছে সংস্থাটি।

বৈশ্বিক মোট প্লাস্টিক দূষণের ২.৪৭ শতাংশ বাংলাদেশে হয়ে থাকে উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে আইন করা হলেও, কার্যকর প্রয়োগের অভাবে প্লাস্টিক থেকে পরিবেশ দূষণ শুধু অব্যাহতই নয় বরং উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি-ই পেয়েছে। প্লাস্টিক বর্জ্যসহ ব্যাপকভাবে বর্জ্য ফেলার কারণে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা ও কর্ণফুলী নদী বাংলাদেশের অন্যতম দূষিত নদীতে পরিণত হয়েছে। প্লাস্টিক দূষণের কারণে আমাদের বাস্তুতন্ত্র ও ভূমির ব্যাপক দূষণ ঘটায় গাছপালা ও অন্যান্য প্রাণীর অস্তিত্ব আজ হুমকির সম্মুখীন। এ ছাড়া জৈব রাসায়নিক সারে প্রচুর পরিমাণে মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকায়, তা কৃষিকাজে ব্যবহারের ফলে স্থায়ীভাবে মাটি দূষিত হচ্ছে।’

পরিবেশ দূষণ রোধে পিছিয়ে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ, এনভায়রনমেন্টাল পারফরমেন্স ইনডেক্স (ইপিআই)-২০২২ এর এই তথ্য উল্লেখ করে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলছেন, ‘প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদন ও ব্যবহার হ্রাস এবং প্লাস্টিক বর্জ্যরে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য প্লাস্টিক দূষণসংক্রান্ত বিধিমালা অবিলম্বে প্রণয়ন করতে হবে। পাশাপাশি সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহে প্লাস্টিকের ব্যবহার নিষিদ্ধ ও সীমিত করাসহ প্লাস্টিকের পরিবেশবান্ধব প্রাকৃতিক বিকল্প এবং বায়েডিগ্রেডেবল প্লাস্টিক উৎপাদনে প্রণোদনা ও উৎসাহ প্রদানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। একইসঙ্গে প্লাস্টিকের বেআইনি উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও ব্যবহার রোধে দূষণ-কর প্রয়োগসহ আইনের কঠোর প্রয়োগ, প্রয়োজনে বিদ্যমান আইন সংস্কার করে শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি ও তার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’

সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার প্লাস্টিক দূষণ মোকাবেলায় বিশ্ব ব্যাংক প্রণীত একটি অ্যাকশন প্ল্যান নীতিগতভাবে গ্রহণের পাশাপাশি জেলা কার্যালয় ও প্রতিষ্ঠানসমূহে ‘‘সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক’’ ব্যবহার বর্জনের যে নির্দেশনা প্রদান করেছে, তা যেন শুধু ‘‘কাগজে-কলমে’’ সীমাবদ্ধ না থাকে, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে টিআইবি। একইসঙ্গে প্লাস্টিক দূষণ মোকাবেলায় গৃহীত সকল কর্মকাণ্ডে সাধারণ জনগণসহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের অর্থবহ সচেতনতা ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি প্লাস্টিক দূষণ রোধে ব্যবহৃত তহবিলসহ সার্বিকভাবে পরিবেশ সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। সর্বোপরি, আইন ভঙ্গকারী এবং প্লাস্টিক দূষণের সঙ্গে জড়িত ব্যাক্তি, প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্পের কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য টিআইবি জোর দাবি জানাচ্ছে।


ইউটিউব দেখে বিদেশি ফল চাষের শুরু, প্রথম বছরেই লাভ ১০ লাখ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইউটিউব দেখে বিদেশি ফল চাষের শুরু, প্রথম বছরেই লাভ ১০ লাখ টাকা

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় ইন্টারনেট থেকে ধারণা নিয়ে সম্পূর্ণ নতুন এক বিদেশি জাতের ফল চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন আবুল বাশার নামের এক উদ্যোক্তা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি নিজ জমিতে এই ব্যতিক্রমী ফলের বাগান গড়ে তোলেন। স্থানীয়ভাবে আনারকলি বা ট্যাং ফল নামে পরিচিত এই বিদেশি ফল চাষের প্রথম বছরই দারুণ সাফল্য পেয়েছেন তিনি। বাগান থেকে উৎপাদিত ফল বিক্রি করে তাঁর খরচ বাদে প্রায় ১০ লাখ টাকা লাভ হয়েছে।

উদ্যোক্তা আবুল বাশার জানান, শখের বশে অনলাইন মাধ্যম ঘেঁটে এই ফল চাষের নানা কৌশল আয়ত্ত করেন তিনি। প্রথমে অল্প পরিসরে চারা সংগ্রহ করে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ শুরু করলেও পরবর্তীতে পরিচর্যা ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তা সফল বাণিজ্যিক রূপ নেয়। ফলটির অনন্য স্বাদ ও পুষ্টিগুণের কারণে স্থানীয় বাজারে এর বেশ ভালো চাহিদা রয়েছে। প্রথমবার ফলন এসেই পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা বাগান থেকেই ফল কিনে নিয়ে গেছেন।

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবুল বাশারের এই সাফল্য দেশের কৃষিখাতে এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করেছে। প্রথাগত ফসলের বাইরে এসে এ ধরনের লাভজনক ও পুষ্টিসমৃদ্ধ বিদেশি ফল চাষে অনেকেই এখন আগ্রহ দেখাচ্ছেন। বিশেষ করে বেকার যুবকরা যখন এ ধরনের উদ্যোগে সফল হচ্ছেন, তখন তা স্থানীয় অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে। জীবননগর উপজেলার কৃষি বিভাগ থেকে এ ধরনের উদ্যোগে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

প্রথম বছরের এই অভাবনীয় সাফল্যের পর আবুল বাশার এখন তার বাগানের পরিসর আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন। তিনি মনে করেন, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার থাকলে দেশের মাটিতেই অনেক বিদেশি ফল সফলভাবে উৎপাদন করা সম্ভব। তাঁর এই অনুকরণীয় সাফল্য দেখে এলাকার অন্য কৃষকরাও এখন প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি এই লাভজনক ফল চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।


স্বামীর স্বপ্ন পূরণে বিদেশি ফল চাষে সফল হলেন নীলফামারীর খাদিজা আক্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ অক্টোবর, ২০২৬

স্বামীর স্বপ্ন পূরণে বিদেশি ফল চাষে সফল হলেন নীলফামারীর খাদিজা আক্তার

স্বামীর মৃত্যুর পর চরম প্রতিকূলতা পেরিয়ে নীলফামারীর জলঢাকার খাদিজা আক্তার বিদেশি ফল ও কফি চাষ করে অনন্য সফলতা অর্জন করেছেন। ২০১৩ সালের শেষ দিকে তাঁর স্বামী ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে পরিবারটি বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়ে। স্বামীর অবর্তমানে দুই ছেলেকে রংপুরে রেখে পড়াশোনার খরচ চালানো এবং বাজারের স্টেশনারি দোকান সামলানো কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। নানা কটু কথা শুনেও তিনি দমে যাননি এবং স্বামীর স্বপ্ন পূরণে একা হাতে সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন।

পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা আনতে এবং বড় ছেলের পরামর্শে খাদিজা ও তাঁর ছেলে ২০১৮ সালে বাড়ির পাশের পতিত জমিতে অ্যারাবিকা জাতের কফি চাষ শুরু করেন। এরপর একে একে তারা আঙিনায় ও বাগানে রামবুটান, কোকো, ড্রাগন ও প্যাশন ফলের চারা রোপণ করেন। বর্তমানে তাঁর পাঁচ বিঘা জমির বাগানে কফি, রামবুটান ও ড্রাগনের পাশাপাশি পুকুরে রঙিন মাছের পোনা চাষ করা হচ্ছে। কঠোর পরিশ্রমে গড়ে ওঠা এই বাগান থেকে ফল ও চারা বিক্রি করে বর্তমানে তাঁর মাসিক আয় প্রায় ৩০ হাজার টাকা।

নারী উদ্যোক্তা খাদিজা আক্তার কফি ও ফল চাষের শুরু নিয়ে জানান, তিনি নিজে কফি পছন্দ করতেন এবং বড় ছেলের উৎসাহে পতিত জমিতে প্রথম কফির চারা লাগান। তাঁর বড় ছেলে এমবিএ শেষ করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন এবং ছোট ছেলে কৃষি বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে বাগানের পরিচর্যা ও অনলাইন বিপণনে সহায়তা করছেন। স্বামীর শেষ ইচ্ছামতো সন্তানদের সুশিক্ষিত করে মানুষ করতে পেরেছেন বলে তিনি এটিকে নিজের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি মনে করেন।

কৃষি খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি সম্প্রতি জেলার সেরা নারী কৃষি উদ্যোক্তার পুরস্কার এবং এর আগে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে সম্মাননা লাভ করেছেন। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক তাঁর এই সংগ্রামী ভূমিকার প্রশংসা করে জানান, খাদিজার সাফল্য দেখে এলাকার অন্য নারীরাও এখন দেশি-বিদেশি ফল চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।