?> মুরগির ডিমের বিভিন্ন রঙের রহস্য ও পুষ্টিগুণের সমীকরণ | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

মুরগির ডিমের বিভিন্ন রঙের রহস্য ও পুষ্টিগুণের সমীকরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

মুরগির ডিমের বিভিন্ন রঙের রহস্য ও পুষ্টিগুণের সমীকরণ

দোকানে গেলে প্রায়ই ক্রেতারা সাদা নাকি বাদামি ডিম কিনবেন তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন। সাধারণ মানুষের ধারণা, বাদামি ডিম বেশি স্বাস্থ্যকর আর সাদা ডিম সুস্বাদু। তবে বিজ্ঞান বলছে, ডিমের খোসার রঙের সঙ্গে এর পুষ্টিগুণের কোনো বড় পার্থক্য নেই।

পাখির ডিমের বিভিন্ন রঙের মূল কারিগর হলো প্রাকৃতিক পিগমেন্ট বা রঞ্জক পদার্থ। বাদামি খোসার জন্য প্রোটোপোরফাইরিন নাইন এবং নীলাভ রঙের জন্য বিলিভারডিন নামক রঞ্জক দায়ী। লেগহর্ন মুরগির খোসায় এই রঞ্জক জমা হয় না বলে ডিম সাদা হয়।

মুরগির জাতের ওপর ভিত্তি করেই মূলত ডিমের খোসার রং নির্ধারিত হয়। যেমন লেগহর্ন সাদা ডিম দেয়, প্লাইমাউথ রক বাদামি ডিম পাড়ে এবং অ্যারোকানা জাতের মুরগি নীলাভ-সবুজ ডিম দেয়। এছাড়া মুরগির বয়স, মানসিক চাপ ও খাদ্যাভ্যাসও ডিমের খোসার রঙে প্রভাব ফেলে।

একই জাত ও পরিবেশে থাকা মুরগির ডিমের রঙেও জিনগত কারণে সামান্য ভিন্নতা থাকতে পারে। তাই রঙের বিচার না করে মুরগির খাবার ও খামারের পরিবেশ জেনেই ডিম কেনা বুদ্ধিমানের কাজ। অয়লা ম্যাগাজিনের তথ্য নিয়ে তৈরি এই প্রতিবেদনটি বিজ্ঞানচিন্তার সেপ্টেম্বর সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল।

গ্রামাঞ্চলে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার করার তাগিদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গ্রামাঞ্চলে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার করার তাগিদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের

গ্রামাঞ্চলের মানুষের মধ্যে জলাতঙ্ক রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজধানী ঢাকার ফার্মগেটে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই আহ্বান জানানো হয়। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এবং এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। অনুষ্ঠানে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয় একসাথে আরও শক্তিশালী জলাতঙ্কমুক্ত বিশ্ব গড়ি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন যে শহরাঞ্চলের তুলনায় প্রান্তিক বা গ্রামপর্যায়ের মানুষের মাঝে জলাতঙ্ক রোগ নিয়ে সচেতনতা যথেষ্ট কম রয়েছে। সঠিক সময়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও সচেতনতা তৈরি করা গেলে এই মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়া এবং মৃত্যুর হার অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব। এ জন্য টিকাদান কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করা এবং রোগ দেখা দিলে দ্রুত কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। এছাড়া শহরাঞ্চলের পাশাপাশি সারা দেশে আগের মতো কার্যক্রম পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উল্লেখ করেন যে জনগণের জনস্বার্থ ও কল্যাণ নিশ্চিত করতেই সরকারের সব কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। মানুষ বর্তমানে কেবল খাদ্যনিরাপত্তা নয় বরং তারা যে প্রাণীটি খাদ্য হিসেবে খাচ্ছে সেটি রোগমুক্ত ও নিরাপদ কি না সে বিষয়েও সচেতন হচ্ছে। প্রাণীর রোগ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ের সঙ্গে মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলে তিনি মন্তব্য করেন। তাই জনস্বাস্থ্য ও প্রাণিস্বাস্থ্যকে একসাথে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মো. রেজাউল আমিন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট পরিচালকগণ এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধিদপ্তরের উপপরিচালক ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের পরিচালক। এর আগে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের সামনে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করা হয় যেখানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।


সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জে গরু চুরি রোধে রাতে চলছে পাহারা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জে গরু চুরি রোধে রাতে চলছে পাহারা

সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় সম্প্রতি গরু চুরির ঘটনা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষকদের গোয়ালঘর থেকে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রায় অর্ধশত গবাদিপশু চুরি হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতির কারণে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

চোরেরা যেন চুরি করা গরুগুলো খুব সহজে কোনো যানে করে পালিয়ে নিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসী ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা মিলে গুরুত্বপূর্ণ সব সড়ক এবং সংযোগস্থলে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা দলবদ্ধভাবে পালাক্রমে সারা রাত জেগে এসব চেকপোস্টে অবস্থান করছেন এবং চলাচলকারী সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা যানবাহনের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছেন। তাড়াশের বাসিন্দা আলী আহসান জানিয়েছেন যে গবাদিপশু রক্ষা করতেই তাঁরা সম্মিলিতভাবে এই রাত জাগার কর্মসূচি পালন করছেন।

পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এই উদ্যোগকে সফল করতে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমাম জাফর এবং রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আহসানুজ্জামান জানিয়েছেন যে পুলিশ ও জনগণের যৌথ প্রচেষ্টায় অপরাধ দমনের এই কার্যক্রম চলছে।

জেলার পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু সম্প্রতি এই পাহারা এলাকাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন এবং স্থানীয়দের উৎসাহ জোগাতে তাঁদের হাতে বাঁশি ও টর্চলাইট তুলে দিয়েছেন। পুলিশ প্রশাসনের বিশ্বাস, এই জনসচেতনতা ও চেকপোস্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে ওই দুই অঞ্চলের অপরাধপ্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।


বিজয়ের মাসে প্রথম ৮ দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ৫৯ কোটি ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩

বিজয়ের মাসে প্রথম ৮ দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ৫৯ কোটি ডলার

বার্তাবেলা: দেশের মধ্যে ডলার বাজারের অস্থিরতা কোনোভাবেই কাটছে না। উল্টো সংকট আরও বাড়ছে। বৈদেশিক এ মুদ্রার অভাবে আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সংকট নিরসনে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রিজার্ভ থেকে ডলার সরবরাহ করা হচ্ছে। তবুও কোনো উদ্যোগ কাজে আসছে না।

তবে আশার দিকও রয়েছে। বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে আইএমএফ লোনের দ্বিতীয় কিস্তি আর এডিবির লোন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আশা করা হচ্ছে এতে রিজার্ভ কিছুটা বাড়বে। বিজয়ের মাসে আরও ইতিবাচক হয়েছে বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম উৎস রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়। ডিসেম্বরের আটদিনে এসেছে ৫৩ কোটি ডলারের বেশি প্রবাসী আয়। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেমিট্যান্স আসার এ ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে দুই বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে রেমিট্যান্স।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন বলছে, ডিসেম্বরের প্রথম আটদিনে ৫৩ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার এসেছে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি এক ডলার সমান ১০৯ টাকা ৭৫ পয়সা) পাঁচ হাজার ৮৪৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। এরমধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে পাঁচ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে এক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার ডলার। আর বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৬ কোটি ১৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার।

আলোচিত আটদিনে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি এমন ব্যাংকের সংখ্যা ১০টি। এরমধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা বিডিবিএল, বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক বা রাকাব, বেসরকারি কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেনস ব্যাংক, আইসিবি ব্যাংক, বিদেশি খাতের ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং উরি ব্যাংক।

অন্যদিকে বিদায়ী নভেম্বরে মোট ১৯৩ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২১ হাজার ১৮১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এটি আগের মাস অক্টোবরের চেয়ে প্রায় ৫ কোটি ডলার কম। অক্টোবর মাসে এসেছিল প্রায় ১৯৭ কোটি ডলার। তবে গত বছরের একই মাসের চেয়ে ৩৩ কোটি ডলার বেশি এসেছে। গত বছরের নভেম্বর মাসে এসেছিল প্রায় ১৬০ কোটি ডলার।

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০২০ সালে হুন্ডি বন্ধ থাকায় ব্যাংকিং চ্যানেলে সর্বোচ্চ সংখ্যক রেমিট্যান্স এসেছিল। বিদায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন দুই হাজার ১৬১ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। এটি এ যাবৎকালের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে করোনাকালীন ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে।