?> পাকা কলা কি সত্যিই ক্যানসারের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে? গবেষণা কী বলছে | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

পাকা কলা কি সত্যিই ক্যানসারের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে? গবেষণা কী বলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাকা কলা কি সত্যিই ক্যানসারের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে? গবেষণা কী বলছে

দৈনন্দিন ডায়েটে কলা একটি অত্যন্ত পরিচিত ও পুষ্টিকর ফল। এটি কেবল শক্তির উৎসই নয়, বরং এর মধ্যে থাকা বিভিন্ন জৈবসক্রিয় উপাদান নানা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। সম্প্রতি চিকিৎসাবিজ্ঞান ও পুষ্টিবিজ্ঞানের গবেষকেরা পাকা কলার ভেতরে থাকা এসব বিশেষ উপাদানের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে গবেষণা শুরু করেছেন। বিশেষ করে, কলার পুষ্টিগুণ মানবদেহে ক্যানসার কোষের বিস্তার রোধ করতে কতটা কার্যকর হতে পারে, তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ।

বিজ্ঞানীদের প্রাথমিক পরীক্ষাগারভিত্তিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, কলার মধ্যে এমন কিছু নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক যৌগ রয়েছে যা ক্যানসারের কোষের বৃদ্ধি মন্থর করতে সক্ষম। গবেষকদের মতে, এই যৌগগুলো কেবল ক্যানসার কোষের বিস্তারকেই থামায় না, বরং কোষের স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রিত মৃত্যুর প্রক্রিয়া বা অ্যাপোপটোসিস সক্রিয় করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। মানবদেহে অস্বাভাবিক কোষ বিভাজন রোধ করার ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়।

তবে পরীক্ষাগারে কোষের ওপর এই ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেলেও গবেষকেরা এখনই পাকা কলাকে সরাসরি ক্যানসারের মহৌষধ হিসেবে ঘোষণা করতে নারাজ। তাঁদের মতে, ল্যাবরেটরির কৃত্রিম পরিবেশ এবং মানবদেহের জটিল জৈবিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাই মানুষের শরীরে কলার এই উপাদানগুলো ঠিক কীভাবে কাজ করে এবং থেরাপিউটিক হিসেবে এর কার্যকারিতা কেমন, তা নিশ্চিত করতে আরও দীর্ঘমেয়াদী ও ব্যাপক臨床 গবেষণা প্রয়োজন।

পুষ্টিবিদদের মতে, চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই ধরনের গবেষণা ক্যানসার চিকিৎসার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। যদিও কেবল কলা খেয়ে ক্যানসার নিরাময় সম্ভব নয়, তবুও সুষম খাদ্যতালিকায় পাকা কলা রাখা সামগ্রিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কার্যকরী। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখার মাধ্যমে যেকোনো মারাত্মক রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ইনজুরি থেকে সেরে উঠলেন নাসিম শাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ ডিসেম্বর, ২০২৩

ইনজুরি থেকে সেরে উঠলেন নাসিম শাহ

ইনজুরির কারণে ভারত বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন পাকিস্তানের পেসার নাসিম শাহ। টুর্নামেন্ট শুরুর আগমুহূর্তে কাঁধের চোটে পড়ে জমজমাট এই আসরে খেলতে পারেননি এই ডানহাতি পেসার।

নাসিমের ইনজু্রি এতটাই জটিল ছিল যে, শেষ পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল তাকে। অবশেষে সফল অস্ত্রোপচারের পর পুরোপুরিভাবে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন তিনি।

নিজের ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টের মাধ্যমে সুসংবাদটি দিয়েছেন নাসিম শাহ নিজেই। পোস্টে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও মেডিক্যাল টিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই ২০ বছর বয়সী পেসার।

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে নাসিম লিখেছেন, ‘আজ আমি ইংল্যান্ডে আমার পুনর্বাসন সম্পন্ন করেছি। এই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আমি পিসিবির প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ। আমার মেডিকেল টিমের ডাঃ ইমতিয়াজ আহমেদ, ফিজিও জর্জ আর্ল এবং ইংল্যান্ডে অ্যাডাম রাইটকে সার্বক্ষণিক দেখাশোনার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ।’

চলতি বছরের এশিয়া কাপের আসর চলাকালীন সময়ে কাঁধের ইনজুরিতে পড়েছিলেন নাসিম শাহ। চোট থেকে সেরে উঠতে ইংল্যান্ডে অস্ত্রোপচার করানো হয় তার। নাসিম শাহ বিশ্বকাপে খেলতে না পারার কারণে তার অভাব হাড়েহাড়ে টের পায় পাকিস্তান। বিশ্বকাপে ৯ ম্যাচ খেলে মাত্র ৪টিতে জিতেছিল পাকিস্তান। অথচ এই পাকিস্তান বিশ্বকাপের আসর শুরু হওয়ার আগে আইসিসির র্যাংকিংয়ের শীর্ষে ছিল।


পরিচালক নাজমুলকে শোকজ করেছে বিসিবি

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

পরিচালক নাজমুলকে শোকজ করেছে বিসিবি

একের পর এক মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়ে যাচ্ছেন বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। প্রথমে তামিম ইকবালকে ‘ভারতীয় দালাল’ বলার পর গতকাল ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স অনুযায়ী বেতন দেওয়া উচিত- এমন মন্তব্য করে আবারও দিয়েছেন সমালোচনার জন্ম।

বিসিবির এই পরিচালকের এমন মন্তব্যে তার পদত্যাগের দাবি তুলেছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফায়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)। সেটি না হলে সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন কোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন।

এরমধ্যে  বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, এমন মন্তব্যের কারণে শোকজ করা হয়েছে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চাওয়া হয়েছে লিখিত জবাবও।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সম্প্রতি বোর্ডের এক সদস্যের করা আপত্তিকর মন্তব্যে গভীর অনুতাপ প্রকাশ করছে। এই মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া উদ্বেগকে স্বীকার করে পেশাদারত্ব, ক্রিকেটারদের প্রতি সম্মান ও ক্রিকেট খেলার মান ও মূল্যবোধ রক্ষার ক্ষেত্রে তার অটুট প্রতিশ্রুতি পুনরায় নিশ্চিত করতে চায়।

এম নাজমুলের ইসলামকে শোকজ করার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়েছে এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই শোকজের লিখিত জবাব দিতে হবে সেই পরিচালককে, ‘একটি সাংবিধানিক সংস্থা হিসেবে বিসিবি তাদের নিজস্ব নিয়ম ও নীতিমালা অনুযায়ী বিষয়টি দেখছে। এই দায়িত্বের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট বোর্ড সদস্যের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ওই সদস্যকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে। প্রক্রিয়ার ফল অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নাজমুল পদত্যাগ না করলে সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের হুমকি দিয়ে রেখেছে কোয়াব। আজ (১৫ জানুয়ারি) মাঠে ফিরছে বিপিএল। সেটিকে আমলে নিয়েছে বিসিবি। বিজ্ঞপ্তির শেষ অংশে বলা হয়েছে, ‘বিসিবি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, খেলোয়াড়রা বিপিএল এবং বোর্ডের আওতায় সকল ক্রিকেট কার্যক্রমের মূল অংশীদার এবং প্রাণ। বোর্ড আন্তরিকভাবে আশা করছে যে, ক্রিকেটাররা তাদের পেশাদারিত্ব ও দায়বদ্ধতা প্রদর্শন চালিয়ে যাবেন, টুর্নামেন্টের সফল সমাপ্তি নিশ্চিত করবেন এবং বিপিএলের সুষ্ঠু ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন।’


হাতিরা নিজের চিকিৎসায় ব্যবহার করে নানা ঔষধি গাছ, জানতে পেরেছেন গবেষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হাতিরা নিজের চিকিৎসায় ব্যবহার করে নানা ঔষধি গাছ, জানতে পেরেছেন গবেষকরা

আফ্রিকান হাতিরা নিজেদের এবং পরিবারের অসুস্থ সদস্যদের সুস্থ করতে প্রাকৃতিকভাবেই বিভিন্ন ঔষধি গাছের ব্যবহার করে থাকে। সম্প্রতি এক গবেষণায় বন্য হাতিদের এই বুদ্ধিমত্তা ও চিকিৎসাবিদ্যার দারুণ তথ্য উঠে এসেছে, যা গবেষকদের রীতিমতো অবাক করে দিয়েছে। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে বন্য প্রাণীদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে তাদের এই বিশেষ গুণ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, বিভিন্ন ধরনের শারীরিক অসুস্থতা বা আঘাত দূর করতে এই বিশালকায় প্রাণীরা ডজনখানেক ঔষধি উদ্ভিদ বেছে নেয়। তারা শুধু নিজেদের জন্যই নয়, বরং দলের অন্য কোনো হাতি অসুস্থ হলে তার জন্যও নির্দিষ্ট গাছপালা সংগ্রহ করে নিয়ে আসে। বুনো পরিবেশে টিকে থাকার জন্য তাদের এই সহজাত প্রবৃত্তি ও ভেষজ জ্ঞান এক অনন্য বেঁচে থাকার কৌশল হিসেবে কাজ করে।

বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘ সময় ধরে আফ্রিকান বনাঞ্চলে হাতিদের বিচরণ ও তাদের গাছের ছাল, পাতা বা শেকড় খাওয়ার ধরণ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। তারা লক্ষ্য করেছেন যে, হাতিরা সাধারণ খাবার খাওয়ার সময় যে গাছগুলো এড়িয়ে চলে, অসুস্থতার সময় ঠিক সেই নির্দিষ্ট গাছগুলোর কাছেই গিয়ে হাজির হয়। উদ্ভিদগুলোর মধ্যে এমন কিছু রাসায়নিক উপাদান থাকে যা তাদের রোগ নিরাময়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

বিজ্ঞানীদের মতে, হাতিদের এই ঔষধি জ্ঞান প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে তাদের দলের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়ে থাকে। বন্য প্রাণীদের এই জটিল ও উন্নত আচরণ প্রকৃতির রহস্যময় এবং আকর্ষণীয় দিকগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই গবেষণা হাতিদের বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে মানুষের ধারণাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা নতুন করে ফুটিয়ে তুলেছে।