?> বেশি করে গরম পানি দিয়ে পান কাগজি লেবুরস | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

বেশি করে গরম পানি দিয়ে পান কাগজি লেবুরস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

বেশি করে গরম পানি দিয়ে পান কাগজি লেবুরস

বেশি করে গরম পানি দিয়ে পান কাগজি লেবুরস

# মেোশারফ হোসেন, সিংগাইর থেকে #

 

গাছ ছোট ও ঝোপালো, তীক্ষ  কাঁটাযুক্ত। কাঁটা অসংখ্য, আকারে ছোট। পাতা ছোট, পত্রকৃত ডিম্বাকার, সরু পাকাযুক্ত। ফুল ছোট, পত্রকক্ষে একসঙ্গে ৩ থেকে ১০টি ফুল উৎপন্ন হয়। ফল ছোট, গোলাকার থেকে ডিম্বাকার, কোসা পাতলা, রস বেশ টক। বীজ সর্বদাই বহুভ্রƒণী। এসব বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতেই লেবু জাতীয় ফলগুলো থেকে কাগজি লেবুকে আলাদা করা যায়। ফলটির ইংরেজি নাম খরসব এবং বৈজ্ঞানিক নাম ঈরঃৎবং ধঁৎধহঃরভড়ষরধ যা জঁঃধপবধব পরিবারের অন্তর্গত। কাগজি লেবুসহ সব লেবু জাহতীয় ফলের উৎপত্তি স্থল হিসেবে হিমালয় পর্বতের পাদদেশকে ধরা হয়। কোনো কোনো প্রজাতির উৎপন্নস্থল ভারত। বাংলাদেশের মৌলভীবাজার, সিলেট, কাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, রংপুর, পাবনা, রাজশাহী ও পিরোজপুরসহ প্রায় পুরো দেশেই লেবু ভালো জন্মে। আমাদের দেশে লেবু বলতে কাগজি ও এলাচি লেবুকেই বুঝানো হয়। দেশে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে ১৩ হাজার মেট্রিক টন লেবু উৎপন্ন হয়। উন্নত জাতের আধুনিক লেবুগুলোর মধ্যে বারি লেবু-১, বারি লেবু-২ ও বারি লেবু-৩ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া কাগজি লেবুর জাতের মধ্যে রয়েছে কাগজি ওভাল, কাগজি রাউন্ড, কালামুন্সি, তাহিতি, মেক্সিকান প্রভৃতি। কাগজি লেবুর জন্য উষ্ণমণ্ডলীয় জলবায়ু দরকার। উষ্ণু, মাঝারি আর্দ্র এবং প্রবল বাতাস ও তুষারমুক্ত জমি কাগজি লেবু চাষের জন্য উপযোগী। আর্দ্রতা বেশি না হলে সমুদ্র সমতল থেকে ৯০০ মিটার উঁচু জমিতেও কাগজি লেবু সাফল্যজনকভাবে জন্মানো যায়। আর্দ্র এলাকায়, যেখানে ১২৫ সেন্টিমিটারের অধিক বৃষ্টিপাত হয় সেখানে তা ক্যাঙ্কার রোগ দ্বারা আক্রান্ত হয় এবং গাছ স্বল্পায়ু বিশিষ্ট হয়। কাগজি লেবু তুষারপাতের প্রতি বেশ সংবেদনশীল। যৌন ও অযৌন পদ্ধতিতে সব লেবুজাতীয় ফলের বংশবিস্তার করা যায়। অযৌন পদ্ধতির মধ্যে কুঁজি সংযোজন হলো সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি। আমাদের দেশে শাখা কলম, গুটি কলম, কুঁড়ি সংযোজন ও বীজের মাধ্যমে বংশবিস্তার করা হয়ে থাকে। সাইট্রন ও বাতাবি লেবু ব্যতীয় সব লেবুর বীজে বহুভ্রƒণিতা বিদ্যমান। এজন্য একটি বীজ থেকে একাধিক গাছ পাওয়া যায়। এর মধ্যে একটি যৌন, বাকিগুলো অযৌন। অযৌন চারাগুলো অপেক্ষাকৃত সবল ও একই ধরনের হয়। ৮ ফুট দূরে দূরে চারা রোপণ করতে হয়। চারা রোপণের পর ও খরার সময় বা শুষ্ক  মৌসুমে নিয়মিত সেচ ও বর্ষায় ভালো নিস্কাশনের বন্দোবস্ত করতে হবে। গাছের গোড়ায় আগাছা দেখলে তা মুক্ত করতে হবে। মরা ও রোগাক্রান্ত ডাল কেটে দেওয়াসহ হালকা ছাঁটাই করা ভালো। কাগজি লেবুর রসে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে। অনেক রোগের উপশমে এটি ব্যবহৃত হয়। প্রতি গাছ থেকে ৩০০ থেকে ১ হাজারটি লেবু পাওয়া সম্ভব।

রাজশাহীতে হিমাগারে নির্ধারিত ভাড়ায় আলু সংরক্ষণের দাবি ব্যবসায়ীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজশাহীতে হিমাগারে নির্ধারিত ভাড়ায় আলু সংরক্ষণের দাবি ব্যবসায়ীদের

রাজশাহীতে প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণের জন্য জেলা প্রশাসন ৫ টাকা ৭৫ পয়সা ভাড়া নির্ধারণ করলেও অধিকাংশ হিমাগার তা মানছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি পবা উপজেলার তকিপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন আলু ব্যবসায়ীরা। রাজশাহী জেলা আলু ও কাঁচামাল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে হিমাগার মালিকদের প্রতি এই নির্ধারিত ভাড়া দ্রুত কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইফতেখারুল ইসলাম ডনি এবং এ সময় সংগঠনের সভাপতি মো. আহাদ আলীসহ স্থানীয় চাষি ও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘদিন ধরে চাষি ও ব্যবসায়ীরা হিমাগারভাড়া কমানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন এবং এর ধারাবাহিকতায় গত ২৬ জুলাই গঠিত জেলা কমিটি প্রতি কেজি ৫ টাকা ২০ পয়সা ভাড়া নির্ধারণের সুপারিশ করে। পরবর্তীতে ৩১ আগস্ট কৃষি বিপণন অধিদপ্তর সারা দেশের জন্য ভাড়া ৬ টাকা নির্ধারণ করলেও রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা স্থানীয় কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যান। ভাড়াসংক্রান্ত এই বিরোধের জেরে সম্প্রতি পবার একটি হিমাগারে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং এতে সমিতির সভাপতিসহ কয়েকজন আহত হন। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে গত জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় প্রতি কেজি আলুর সংরক্ষণ ভাড়া ৫ টাকা ৭৫ পয়সা চূড়ান্ত করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ইফতেখারুল ইসলাম জানান, জেলা প্রশাসনের চিঠি পাওয়ার পর কিছু হিমাগার নতুন ভাড়া নেওয়া শুরু করলেও জেলার প্রায় ৪০টি হিমাগারের বেশির ভাগেই তা এখনো কার্যকর হয়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ নিয়মের ব্যত্যয় ঘটানো হিমাগার মালিক বা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এদিকে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, সভার সিদ্ধান্ত ও কার্যবিবরণী সংশ্লিষ্ট সবার কাছে পাঠানো হয়েছে এবং খুব দ্রুতই এই ভাড়া কার্যকর হবে বলে তিনি আশা করছেন। তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে রাজশাহী জেলা কোল্ডস্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি।

নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর না হওয়ায় সাধারণ আলুচাষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। উৎপাদন খরচের সঙ্গে হিমাগারভাড়ার সামঞ্জস্য না থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে প্রায়ই উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে যা কৃষি অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় জেলা প্রশাসনের নির্দেশ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


সরু চালের দাম কেজিতে ২–৩ টাকা বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

সরু চালের দাম কেজিতে ২–৩ টাকা বেড়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে গত কয়েক দিনে সরু ও মাঝারি মানের চালের দাম কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে দেশি পেঁয়াজ, রসুন এবং খোলা সয়াবিন তেলের দামও বাড়তি রয়েছে। তবে চালের পাশাপাশি ব্রয়লার মুরগি এবং ডিম আগের চড়া দামেই বিক্রি হতে দেখা গেছে। সাধারণ ক্রেতারা নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ডায়মন্ড, মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের প্রতি কেজি মিনিকেট চালের দাম বেড়ে ৭৪ থেকে ৭৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এছাড়া রশিদ ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৬৫ টাকা এবং মানভেদে নাজিরশাইল চাল ৭০ থেকে ৯৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, পাইজাম ও ব্রি-২৮ এর মতো মাঝারি চালের দামও কেজিতে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

ব্যবসায়ীদের মতে, সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে পরিবহন খরচ বা ট্রাকভাড়া উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেছে। মিল মালিকরা ধান সংগ্রহের খরচ ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির অজুহাত দিয়ে পাইকারি পর্যায়ে চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন পাইকারি আড়তদার জানান, এক ট্রাক চাল আনতে আগের তুলনায় কয়েক হাজার টাকা বেশি খরচ হওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।

এদিকে চালের পাশাপাশি বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় ঠেকেছে এবং রসুনের দামও বেশ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে বোতলজাত সয়াবিনের সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় খোলা তেলের দাম লিটারে পাঁচ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি দুইশ টাকা এবং ফার্মের ডিম প্রতি ডজন দেড়শ টাকায় বিক্রি হয়ে আসছে।


নিষেধাজ্ঞার আগে চাঁদপুরে চড়া ইলিশের বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ অক্টোবর, ২০২৬

নিষেধাজ্ঞার আগে চাঁদপুরে চড়া ইলিশের বাজার

মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞার সময় ঘনিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে চাঁদপুরের বাজারে রুপালি ইলিশের দাম আকস্মিক বেড়ে গেছে। সম্প্রতি সদর উপজেলার বিভিন্ন মাছঘাটে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত সপ্তাহে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া এক কেজি ওজনের ইলিশের দাম বেড়ে এখন তিন হাজারে ঠেকেছে। স্থানীয় বাজারে আসা মাত্রই ক্রেতাদের ভিড়ে এসব মাছ দ্রুত বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। পাইকারি ও খুচরা বাজারে চাহিদা ব্যাপক থাকলেও সেই তুলনায় পর্যাপ্ত জোগান মিলছে না।

চাঁদপুরের বহরিয়া ও হরিণা মাছঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, বাজারে মূলত সর্বোচ্চ ৫০০ গ্রাম ওজনের ছোট ইলিশের আধিক্য রয়েছে। এসব ছোট আকারের ইলিশ হালিপ্রতি তিনশ থেকে পাঁচশ টাকা এবং একটু বড়গুলো দুই হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, নদী থেকে বরফ লাগানোর আগেই তা সরাসরি ক্রেতাদের হাতে চলে যাচ্ছে এবং সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কেনাবেচা চলছে।

স্থানীয় জেলে ও ব্যবসায়ীদের ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে ঘাটে মাছের আমদানি কিছুটা কমলেও দূরদূরান্ত থেকে আসা ক্রেতাদের ভিড় সামলানো যাচ্ছে না। জেলে হান্নান গাজী ও নজরুল ইসলাম জানান, জালে ময়লা আটকে যাওয়া এবং আগস্ট মাসে পর্যাপ্ত মাছ না পাওয়ায় এ পর্যন্ত কেবল তাদের ব্যবসার খরচটুকুই উঠে এসেছে। আড়তদার মো. ইদ্রিস আলী ও বিক্রেতা জাহাঙ্গীর সৈয়াল উল্লেখ করেন, চাঁদপুরের ইলিশের দেশজোড়া সুনাম থাকায় চাহিদার তুলনায় সরবরাহ সবসময়ই কম থাকে।

আসন্ন নিষেধাজ্ঞা ও ইলিশের বংশবৃদ্ধি প্রসঙ্গে সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক জানান, আগামী আট থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট বাইশ দিন অভয়াশ্রম এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। তিনি আরও বলেন, জেলেরা এবার কম-বেশি ভালো ইলিশ পেয়েছেন এবং মা ইলিশকে নিরাপদে ডিম ছাড়ার সুযোগ দিলে শেষ পর্যন্ত জেলেরাই এর সুফল ভোগ করবেন। তবে এই আইন অমান্যকারীদের জন্য কঠোর জেল ও জরিমানার বিধান রয়েছে।