?> বিনা খরচে তাৎক্ষণিক দেশে টাকা পাঠাতে পারবেন প্রবাসীরা | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

বিনা খরচে তাৎক্ষণিক দেশে টাকা পাঠাতে পারবেন প্রবাসীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৩

বিনা খরচে তাৎক্ষণিক দেশে টাকা পাঠাতে পারবেন প্রবাসীরা

বার্তাবেলা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিদের বিনা খরচে, তাৎক্ষণিক ও নিরাপদভাবে রেমিট্যান্স পাঠাতে ‘সোনালী এক্সচেঞ্জ মোবাইল অ্যাপ’ চালু করেছে সোনালী ব্যাংক পিএলসি। রাজধানীর একটি হোটেলে প্রধান অতিথি হিসেবে এ অ্যাপের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।

সোনালী ব্যাংক পিএলসির সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আফজাল করিমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ, অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী।

সোনালী এক্সচেঞ্জ মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি, মিশিগান, মেরিল্যান্ড, জর্জিয়া ও ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের প্রবাসীরা বিনা খরচে দ্রুততম সময়ে নিরাপদভাবে দেশে টাকা পাঠাতে পারবেন। এ অ্যাপ ব্যবহার করে রেমিট্যান্স পাঠালে সরকার ঘোষিত ২.৫% প্রণোদনা ছাড়াও সোনালী ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ২.৫% আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হবে।

এ অ্যাপ চালুর মাধ্যমে ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবায় আরও একধাপ এগিয়ে গেলো দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকটি। যা ক্যাশবিহীন ও ঝুঁকিহীন রেমিট্যান্স পাঠাতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

নতুন এ অ্যাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টরসহ অন্যান্য নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন।


ফিডের কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধিতে দিশেহারা দেশের পোলট্রি খামারিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর, ২০২৬

ফিডের কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধিতে দিশেহারা দেশের পোলট্রি খামারিরা

পোলট্রি ফিডের প্রয়োজনীয় কাঁচামালের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় তীব্র অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছেন দেশের খামারিরা। ভুট্টা, রাইস ব্রান, সরিষার খৈল ও সয়াবিন মিলসহ প্রায় প্রতিটি উপাদানের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ বহুগুণ বেড়ে গেছে। স্থানীয় বাজারের অস্থিরতা, আমদানিনির্ভরতা এবং ডলারের বিনিময় হারের প্রভাবে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ফিড তৈরির প্রধান উপাদান ভুট্টার দাম কেজিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। একই সঙ্গে ডিওআরবি, চালের কুঁড়া ও সয়াবিন মিলের দামও চড়া থাকায় ফিড উৎপাদনের সামগ্রিক ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। খামারিরা জানাচ্ছেন, এক বস্তা খাবারের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খরচও বেড়েছে, অথচ সে তুলনায় বাজারে মুরগির পাইকারি দাম উল্টো কমে গেছে।

উৎপাদন খরচ সামলাতে না পেরে অনেক খামারি মুরগির খাদ্য কমিয়ে দিয়েছেন, যার ফলে পোলট্রির কাঙ্ক্ষিত ওজন না পেয়ে উল্টো লোকসান গুনতে হচ্ছে। এই অবস্থায় বাধ্য হয়ে অনেক ক্ষুদ্র খামারি তাদের খামার বন্ধ করে দেওয়ার উপক্রম হয়েছেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ফিডের বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পোলট্রি খাত দীর্ঘমেয়াদী বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কাঁচামালের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্ক কমানোর দাবি জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। পাশাপাশি, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানিয়েছে যে পুষ্টির মান বজায় রেখে কম খরচে বিকল্প খাদ্যের ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কৌশল নির্ধারণের কাজ চলছে।


চট্টগ্রামের দেওয়ানহাট পাখির হাটে উচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে শৌখিন মুরগি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চট্টগ্রামের দেওয়ানহাট পাখির হাটে উচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে শৌখিন মুরগি

চট্টগ্রাম নগরের দেওয়ানহাট মোড়ে সপ্তাহে দুই দিন বসে শৌখিন পাখি ও মোরগ-মুরগির এক অস্থায়ী হাট। সোম ও বৃহস্পতিবার বিকেলে রাস্তার পাশে ও আশপাশের এলাকায় বসা এই হাটে বিভিন্ন প্রজাতির দেশি-বিদেশি পাখি ও হাঁস-মুরগি বিক্রি করা হয়। হাটের একটি বড় অংশজুড়ে চলে নানা জাতের মোরগ-মুরগির কেনাবেচা। নির্দিষ্ট এই হাটটিতে পাখি পালনের বিভিন্ন উপকরণও পাওয়া যায়।

বিক্রির উদ্দেশ্যে বসা এই অস্থায়ী দোকানে হেজা, বাহমা, হোয়াই, জাপানিজ বেনডাম এবং মডার্ন গেমের মতো বিভিন্ন জাতের মোরগ-মুরগি তোলা হয়। শৌখিন ক্রেতারা মূলত বাসা বাড়িতে পোষার জন্য এসব পাখি ও মোরগ সংগ্রহ করেন। তবে শুধু শখ পূরণ নয়, মোরগের লড়াই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্যও অনেকে এখান থেকে মোরগ কিনে থাকেন।

বৈচিত্র্যপূর্ণ এসব জাতের মোরগের দাম নির্ভর করে মূলত এর প্রজাতির ওপর। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের লেনদেন অনুযায়ী জাতভেদে প্রতিটি মোরগ এক হাজার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ দশ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর এই হাটের বিভিন্ন কার্যক্রম ও মোরগ-মুরগির বেচাকেনার দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী করা হয়।

নগরের ব্যস্ত এলাকার এই অস্থায়ী হাটটি শৌখিন পাখি ও মোরগ পালনকারীদের জন্য একটি পরিচিত মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। কর্মদিবসের বিকেলে বসা অল্প সময়ের এই হাটটি পাখিপ্রেমী ও খামারিদের মধ্যে বেশ আগ্রহ তৈরি করেছে।


সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জে গরু চুরি রোধে রাতে চলছে পাহারা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জে গরু চুরি রোধে রাতে চলছে পাহারা

সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় সম্প্রতি গরু চুরির ঘটনা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষকদের গোয়ালঘর থেকে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রায় অর্ধশত গবাদিপশু চুরি হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতির কারণে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

চোরেরা যেন চুরি করা গরুগুলো খুব সহজে কোনো যানে করে পালিয়ে নিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসী ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা মিলে গুরুত্বপূর্ণ সব সড়ক এবং সংযোগস্থলে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা দলবদ্ধভাবে পালাক্রমে সারা রাত জেগে এসব চেকপোস্টে অবস্থান করছেন এবং চলাচলকারী সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা যানবাহনের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছেন। তাড়াশের বাসিন্দা আলী আহসান জানিয়েছেন যে গবাদিপশু রক্ষা করতেই তাঁরা সম্মিলিতভাবে এই রাত জাগার কর্মসূচি পালন করছেন।

পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এই উদ্যোগকে সফল করতে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমাম জাফর এবং রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আহসানুজ্জামান জানিয়েছেন যে পুলিশ ও জনগণের যৌথ প্রচেষ্টায় অপরাধ দমনের এই কার্যক্রম চলছে।

জেলার পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু সম্প্রতি এই পাহারা এলাকাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন এবং স্থানীয়দের উৎসাহ জোগাতে তাঁদের হাতে বাঁশি ও টর্চলাইট তুলে দিয়েছেন। পুলিশ প্রশাসনের বিশ্বাস, এই জনসচেতনতা ও চেকপোস্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে ওই দুই অঞ্চলের অপরাধপ্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।