?> বিশ্বাসের বাজারে সব মাল ভেজাল | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

বিশ্বাসের বাজারে সব মাল ভেজাল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্বাসের বাজারে সব মাল ভেজাল

ফিচার ডেস্ক: জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে মানুষ যখন নানা জটিলতায় জর্জরিত থাকে, তখন চারপাশের মানুষের সততা নিয়ে প্রশ্ন জাগা অস্বাভাবিক নয়। সম্প্রতি এমন এক সংকটময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে এক ব্যক্তিকে, যার স্ত্রী চিকিৎসাধীন থাকায় পুরো পরিবার এক চরম মানসিক চাপের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে গাড়ি বিকল হয়ে যাওয়ার খবর আসে এবং মেরামতের নামে বড় অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে জানা যায় গাড়িটির আসলে কোনো বড় সমস্যাই ছিল না, বরং চালকের কমিশন বা প্রতারণার শিকার হতে হয়েছে তাকে।

হাসপাতালের দুশ্চিন্তা কাটিয়ে বাসায় ফেরার পর জীবনের অন্য ক্ষেত্রেও একই ধরনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয় ওই ব্যক্তিকে। বাজারের কেনাকাটায় বিশ্বস্ততার পরিচয় পেতে পদ্মার ইলিশ বলে যে মাছটি তিনি কিনেছিলেন, বাসায় ফেরার পর জানা যায় সেটি আসলে ইলিশই নয় বরং দেখতে তার মতো অন্য একটি মাছ। একের পর এক এমন ঘটনায় সত্য ও মিথ্যার সীমারেখা তার কাছে অত্যন্ত ঝাপসা হয়ে ওঠে এবং নিত্যদিনের এই প্রতারণা তাকে মানসিকভাবে আরও ক্লান্ত করে তোলে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণার মাত্রা এতটাই বেড়ে যায় যে তাকে ওষুধের শরণাপন্ন হতে হয়। কিন্তু সেখানেও হতাশা ছাড়া আর কিছু জোটে না, কারণ বাজার থেকে কেনা ব্যথানাশক মলম বা বামও নকল বা ভেজাল হিসেবে প্রমাণিত হয়। কপালে লাগানোর পর সেই জেলিজাতীয় পদার্থ উপকারের বদলে উল্টো শারীরিক অস্বস্তি ও জ্বালাপোড়া তৈরি করে, যা তার আস্থার সংকটকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

চারপাশের সবকিছুতে এমন প্রতারণা ও ভণ্ডামি দেখার পর মানুষের বিশ্বাসের ভিত্তি একেবারেই নড়ে যায় এবং কোনো কিছুর ওপর ভরসা রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ে। জীবনের এই নির্মম অভিজ্ঞতা থেকে শেষ পর্যন্ত ওই ব্যক্তি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, বিশ্বাসের চাদর ছিঁড়ে যাওয়ার পর একমাত্র 'সন্দেহ' বা সতর্কতাকেই পরম সত্য হিসেবে বেছে নেওয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা থাকে না।

ইসরায়েলগামী বিমানে পাইলটদের মারামারি-ছুরিকাঘাত ও সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ, কী জানা যাচ্ছে?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইসরায়েলগামী বিমানে পাইলটদের মারামারি-ছুরিকাঘাত ও সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ, কী জানা যাচ্ছে?

দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিব অভিমুখে যাত্রা করা একটি বাণিজ্যিক বিমান আকস্মিক পরিস্থিতির মুখে পড়ে সৌদি আরবে অবতরণ করতে বাধ্য হয়। মাঝ আকাশে ককপিটের ভেতরে দুই পাইলটের মধ্যকার চরম বিরোধ ও সহিংস সংঘর্ষের ফলে এই বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মূলত বিমানের নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিয়ে ককপিটের ভেতরেই দুই চালকের মধ্যে মারাত্মক হাতাহাতি শুরু হয়েছিল।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, ফ্লাইটের একপর্যায়ে দুই পাইলটের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং তা শারীরিক সংঘাতে রূপ নেয়। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় যে, একজন পাইলট অন্যজনকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পরে এক প্রতিক্রিয়ায় জানান যে এই সহিংসতার পেছনে বিমানটি ইচ্ছাকৃতভাবে বিধ্বস্ত করার কোনো অভিসন্ধি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মাঝ আকাশে এমন নজিরবিহীন নিরাপত্তা সংকটের কারণে পাইলটরা বাধ্য হয়ে নির্ধারিত রুট পরিবর্তন করেন এবং জরুরি ভিত্তিতে সৌদি আরবের মাটিতে বিমানটি অবতরণ করান। সৌদির বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপে বিমানটি নিরাপদে নামানো সম্ভব হয় এবং বড় ধরনের একটি সম্ভাব্য বিমান দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। তবে এই আকস্মিক ঘটনার পর যাত্রীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

জরুরি অবতরণের পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিমানটি ঘিরে ফেলে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই পাইলটকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করে। ককপিটের মতো একটি অতি সংবেদনশীল স্থানে কীভাবে এই ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে গভীর তদন্ত শুরু হয়েছে। এই অপ্রত্যাশিত ঘটনাটি আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর নতুন করে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।


মেসির বিদায়ী ম্যাচ ঘিরে একের পর এক চমক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

মেসির বিদায়ী ম্যাচ ঘিরে একের পর এক চমক

খেলা ডেস্ক: বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের মাধ্যমে দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানতে চলেছেন সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া এই ম্যাচটি নীল-সাদা জার্সিতে তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ হিসেবে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাতে যাচ্ছে। বিশ্ব ফুটবলের এই মহাতারকার বিদায় লগ্নকে স্মরণীয় এবং উৎসবমুখর করে তুলতে দেশের ফুটবল কর্তৃপক্ষ নানা আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছে। সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের হৃদয়ে দীর্ঘস্থায়ী দাগ কাটতে এই ম্যাচটিকে ঘিরে রাজধানীজুড়ে সাজসাজ রব পড়ে গেছে।

ম্যাচ শুরুর আগে বুয়েনস এইরেসের ঐতিহ্যবাহী মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামের দর্শকদের বিনোদিত করতে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনার আয়োজন রাখা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে থেকেই ইউপিডিআরের বিশেষ অ্যানিমেশন ও লাইভ ব্যান্ডের পরিবেশনা দিয়ে অনুষ্ঠানমালা শুরু হবে। এরপর একে একে মঞ্চ মাতাবেন সেবা মেন্দোজা, রোমান এল অরিজিনাল, আমার আজুল, সান্তি কাইরো ও কিউ’ লোকুরার মতো জনপ্রিয় শিল্পীরা। এছাড়া খেলা শুরুর ঠিক এক ঘণ্টা পূর্বে দামাস গ্রাতিস তাদের আকর্ষণীয় পরিবেশনা নিয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হবেন এবং ম্যাচের শুরুতে জাতীয় সংগীত গাইবেন ফাবিও সান্তানা।

বেনিনের বিপক্ষে মাঠে নামার মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনার জার্সিতে ২০৮তম ম্যাচ খেলতে নামবেন এই কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা বর্ণিল আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তিনি দেশের হয়ে ১২৫টি গোল করার পাশাপাশি ৬৮টি গোলেও সহায়তা করেছেন। ২১ বছরের এই দীর্ঘ পথচলায় তিনি দেশকে উপহার দিয়েছেন বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা ও ফাইনালিসিমার মতো মর্যাদাপূর্ণ সব শিরোপা। বিশ্ব ফুটবলের আঙিনায় তাঁর এই অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে ম্যাচের প্রথমার্ধের আগে ও পরে থাকছে বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণের আয়োজন।

ম্যাচের চূড়ান্ত বাঁশি বাজার পর মূল চমক হিসেবে থাকছে চোখধাঁধানো ড্রোন শো, বর্ণিল আতশবাজি ও মনোমুগ্ধকর আলোকসজ্জা। নির্ধারিত সময়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল কনফেডারেশনের সভাপতি আলেহান্দ্রো দোমিঙ্গেস যৌথভাবে মেসির হাতে বিশেষ উপহার তুলে দেবেন। এরপর মঞ্চে উঠবেন প্রখ্যাত শিল্পী লা সোলে এবং জনপ্রিয় পরিবেশনা নিয়ে উপস্থিত হবেন উলিসেস বুয়েনো। সবশেষে একটি বিশেষ সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে বিশ্ব ফুটবলের এই বরপুত্রকে বর্ণাঢ্য এক বিদায়ী সংবর্ধনা জানানো হবে।


তরুণ প্রজন্মের কেন দ্রুত ডিভোর্স হচ্ছে? একসঙ্গে থাকার উপায় জেনে নিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

তরুণ প্রজন্মের কেন দ্রুত ডিভোর্স হচ্ছে? একসঙ্গে থাকার উপায় জেনে নিন

লাইফস্টাইল ডেস্ক: সম্প্রতি দেশের একটি জনপ্রিয় তারকা জুটির বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে। অনেকেই এর জন্য তরুণ প্রজন্মের ধৈর্যহীনতা বা মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতার অভাবকে দায়ী করছেন। তবে মনোবিজ্ঞানীদের মতে, কোনো সম্পর্ক হুট করে বা বড় কোনো আঘাতের কারণে ভেঙে যায় না। বরং দীর্ঘদিনের জমে থাকা ছোট ছোট অবহেলা এবং না বলা কথার কারণেই মূলত বিবাহবিচ্ছেদের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন দম্পতিরা।

পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, শহুরে জীবনে দাম্পত্য কলহ ও বিচ্ছেদের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বিগত বছরগুলোতে বিবাহবিচ্ছেদের হার উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছিল। বিশেষ করে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে প্রতি বছর হাজার হাজার তালাকের আবেদন জমা পড়ার ঘটনা প্রমাণ করে যে সম্পর্কের টানাপোড়েন এখন একটি গুরুতর সামাজিক বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে। তবে এই প্রবণতার পেছনে কেবল নৈতিক অবক্ষয় খোঁজা ভুল হবে, কারণ বর্তমানের নারীরা অনেক বেশি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ায় অসুখী ও নিপীড়নমূলক সম্পর্ক আজীবন সহ্য করতে নারাজ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিয়ের আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধুর্য আর বাস্তব সংসারের দৈনন্দিন ক্লান্তিকর রুটিন সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। অফিসের কাজের চাপ, আর্থিক হিসাব-নিকাশ এবং দুই পরিবারের প্রত্যাশার চক্করে পড়ে অনেক দম্পতিই হাঁপিয়ে ওঠেন। এছাড়া সামাজিক মাধ্যমে অন্যদের সাজানো সংসার দেখে নিজেদের সাদামাটা জীবনকে ব্যর্থ মনে করা এবং সঙ্গীর কাছে অতিরিক্ত প্রত্যাশা রাখার মানসিকতা বর্তমান প্রজন্মের দাম্পত্য সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ছোটখাটো বিষয়ে পারস্পরিক যোগাযোগের অভাব এবং মতপার্থক্য দূর করার সঠিক কৌশলের ঘাটতি।

সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের দীর্ঘমেয়াদী গবেষণায় দেখা গেছে, বড় কোনো ঝগড়ার চেয়ে দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট মুহূর্তের অবহেলাই একটি সম্পর্ককে ভেতর থেকে ফাঁকা করে দেয়। সঙ্গীর কোনো সাধারণ কথায় সাড়া না দেওয়া, মনঃসংযোগহীন থাকা কিংবা ঝগড়ার পর দীর্ঘ সময় কথা বন্ধ রাখার মতো ছোট অভ্যাসগুলোই দূরত্ব তৈরি করে। তাই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে বড় কোনো বিপ্লবের প্রয়োজন হয় না, বরং নিয়মিত মনোযোগ, পারস্পরিক সম্মান এবং প্রয়োজনে পেশাদার কাউন্সেলিংয়ের সাহায্য নেওয়ার মানসিকতা তৈরি করা জরুরি।