?> চট্টগ্রামের দেওয়ানহাট পাখির হাটে উচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে শৌখিন মুরগি | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

চট্টগ্রামের দেওয়ানহাট পাখির হাটে উচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে শৌখিন মুরগি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রামের দেওয়ানহাট পাখির হাটে উচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে শৌখিন মুরগি

চট্টগ্রাম নগরের দেওয়ানহাট মোড়ে সপ্তাহে দুই দিন বসে শৌখিন পাখি ও মোরগ-মুরগির এক অস্থায়ী হাট। সোম ও বৃহস্পতিবার বিকেলে রাস্তার পাশে ও আশপাশের এলাকায় বসা এই হাটে বিভিন্ন প্রজাতির দেশি-বিদেশি পাখি ও হাঁস-মুরগি বিক্রি করা হয়। হাটের একটি বড় অংশজুড়ে চলে নানা জাতের মোরগ-মুরগির কেনাবেচা। নির্দিষ্ট এই হাটটিতে পাখি পালনের বিভিন্ন উপকরণও পাওয়া যায়।

বিক্রির উদ্দেশ্যে বসা এই অস্থায়ী দোকানে হেজা, বাহমা, হোয়াই, জাপানিজ বেনডাম এবং মডার্ন গেমের মতো বিভিন্ন জাতের মোরগ-মুরগি তোলা হয়। শৌখিন ক্রেতারা মূলত বাসা বাড়িতে পোষার জন্য এসব পাখি ও মোরগ সংগ্রহ করেন। তবে শুধু শখ পূরণ নয়, মোরগের লড়াই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্যও অনেকে এখান থেকে মোরগ কিনে থাকেন।

বৈচিত্র্যপূর্ণ এসব জাতের মোরগের দাম নির্ভর করে মূলত এর প্রজাতির ওপর। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের লেনদেন অনুযায়ী জাতভেদে প্রতিটি মোরগ এক হাজার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ দশ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর এই হাটের বিভিন্ন কার্যক্রম ও মোরগ-মুরগির বেচাকেনার দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী করা হয়।

নগরের ব্যস্ত এলাকার এই অস্থায়ী হাটটি শৌখিন পাখি ও মোরগ পালনকারীদের জন্য একটি পরিচিত মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। কর্মদিবসের বিকেলে বসা অল্প সময়ের এই হাটটি পাখিপ্রেমী ও খামারিদের মধ্যে বেশ আগ্রহ তৈরি করেছে।

লিবিয়ায় চার বাংলাদেশিকে অপহরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ মার্চ, ২০২৪

লিবিয়ায় চার বাংলাদেশিকে অপহরণ

দালাল চক্রের সদস্যরা লিবিয়ায় উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে চার যুবককে প্রথমে দুবাই তারপর সিরিয়া মিশর হয়ে লিবিয়ায় পাঠিয়ে তুলে দেয় সংঘবদ্ধ মাফিয়াদের হাতে। এরপর তাদের নির্যাতনের ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দাবি করা হচ্ছে ১০ লাখ করে চল্লিশ লাখ টাকা। মুক্তিপণ দিতে ব্যর্থ হলে জীবন দিতে হবে চক্রের হাতে চার জিম্মিকে। জন্য সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়।

বুধবার (২৭ মার্চ) বিকেল ৩টার মধ্যে যত পারে তত টাকা দিতেও বলা হয়। টাকা না দিলে একজন করে লাশ পড়বে বলে জানান অপহরণকারীরা। বুধবার বিকেলে অপহৃতদের স্বজনরা ইউএনও ও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অপহৃত চার যুবক হলেন, চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের মধ্যম গহিরা বাচা মিয়া মাঝির ঘাট এলাকার নুরুল আলমের ছেলে মো. ওয়াসিম (২২), মৃত মোজাহের মিয়ার ছেলে বোরহান উদ্দিন (১৯), আবদুর রহিমের ছেলে জাবেদুর রহিম (১৯) ও জেবল হোসেনের ছেলে নাঈম উদ্দিন (২০)। তারা একই এলাকার বাসিন্দা।

অপহৃতদের স্বজনরা জানান, গহিরা এলাকার মো. হোসেনের ছেলে জহিরুল ইসলাম গত দুই মাস আগে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দাকে উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে লিবিয়ার হাসপাতালে চাকরি দেওয়ার আশ্বস্ত করেন। এতে মো. ওয়াসিম, বোরহান, জাবেদুর রহিম ও নাঈম উদ্দিন তার সাথে যোগাযোগ করে। প্রতিজন চার লাখ বিশ হাজার টাকা করে জহিরুল ইসলামকে মোট ১৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বাড়ি থেকে লিবিয়ার উদ্দেশ্যে বের হয় তারা।

তারা আরও জানান, জহিরুল তাদের টুরিস্ট ভিসায় প্রথমে দুবাই নিয়ে গিয়ে জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের বাসিন্দা মো. মিজান নামে এক লোকের হাতে তুলে দেন। মিজান তিন দিন পর তাদের সবার পাসপোর্ট নিয়ে নেন। সাত দিন পর দুবাই থেকে মিশর হয়ে লিবিয়া নিয়ে মিজান অন্য দালালের হাতে বিক্রি করে দেন।

স্বজনরা জানান, লিবিয়ায় তাদের মাসখানেক কিছু কাজ দেওয়ার পর গত সোমবার (২৫ মার্চ) তাদের বন্দি করে রাখে। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) পরিবার ও স্বজনদের কাছে কয়েকটি নির্যাতনের ভিডিও ফুটেজ ও অডিও পাঠায়। এতে প্রতিজনের থেকে ১০ লাখ টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করেন। টাকা প্রদানের জন্য ইসলামী ব্যাংকের চকরিয়া শাখার একটি ব্যাংক হিসাব নংও দেন। টাকা দিতে অপারগ হলে তাদেরকে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়।

তারা আরও জানান, বর্তমানে ৪ যুবক লিবিয়ার একটি গোপন স্থানে বন্দি জীবনযাপন করছেন। টাকা পেলেই ফিরে দেবেন বলে জানান অপহরণকারীরা। দুইদিন ধরে দালালরা তাদের নির্যাতনের ভিডিও ফুটেজও পাটাচ্ছে।

অপহৃত জাবেদুর রহিমের বাবা আবদুর রহিম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, টাকা পয়সা স্বর্ণালংকার যা ছিল সব দিয়ে ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছি। সেখানে ছেলে প্রতারণার শিকার হয়েছে। এখন ১০ লাখ টাকা দিলেই ছেলেকে ফেরত দেবে বলে জানাচ্ছে অপরণকারীরা। আমি দিশেহারা হয়ে পড়েছি।

বোরহান উদ্দিনের ভাই সাহাব উদ্দিন বলেন, বুধবার ৩টার মধ্যে চারজনের জন্য চার লাখ টাকা পাঠাতে বলেছে। বিকেল থেকে আমার মুঠোফোনের ইমু ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে একাধিকবার ফোন করছে টাকার জন্য। তাদের নির্যাতনের ভিডিও ফুটেজও পাঠাচ্ছে। আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।

আনোয়ারা ইউএনও মো. ইশতিয়াক ইমন বলেন, উপজেলা রায়পুর ইউনিয়নের গহিরা এলাকার চার যুবককে লিবিয়া নিয়ে গিয়ে মুক্তিপণ দাবির বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে মালদ্বীপে জোরালো অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৫

অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে মালদ্বীপে জোরালো অভিযান

মালদ্বীপে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সরকারের অভিযান জোরদার করা হয়েছে। দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ১৫০৭টিরও বেশি অভিবাসন মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।

এর মধ্যে ৯৭৬টি মামলা ইমিগ্রেশন বিভাগ দিয়েছে। তবে এখনো ২৪৪টি মামলা যাচাই করা হয়নি এবং ১১৬টি মামলা তদন্তাধীন বলে জানা গেছে। এছাড়াও, ইমিগ্রেশন সংস্থার বাইরে থেকে ১৭১টি মামলা দায়ের হয়েছে।

শুধু অবৈধ অভিবাসীদের ধরপাকড় নয় বরং শহর, আবাসিক এলাকা, শিল্প গ্রাম ও কৃষি গ্রামে অবস্থানরত বিদেশিদের তথ্য সংগ্রহ করতে মাঠপর্যায়ে অভিযান চালাচ্ছে ইমিগ্রেশন বিভাগ। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্য প্রস্তুতকারী সাইটগুলোতে নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য আলাদা অপারেশনও চালু করা হয়েছে।

বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে মালদ্বীপে সব বিদেশি নাগরিকের তথ্য একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেসে সংরক্ষণ করা। আগামী তিন বছরের মধ্যে অভিবাসন সমস্যার পূর্ণ সমাধান হয়ে যাবে বলে স্থানীয় গণমাধ্যকে জানানো হয়েছে।


ফটিকছড়িতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে বিনা মূল্যের ছাগল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬

ফটিকছড়িতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে বিনা মূল্যের ছাগল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম

সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়নে সরকারের নেওয়া সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ফটিকছড়িতে ছাগল বিতরণে নানা অনিয়ম ও অসংগতির তথ্য পাওয়া গেছে। সম্প্রতি দীর্ঘ অনুসন্ধান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মাস্টাররোল ও নথিপত্র যাচাই এবং মাঠপর্যায়ে কথা বলে জানা যায়, বিনা মূল্যে দেওয়ার কথা থাকলেও ছাগলপ্রতি ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রকল্পের মাস্টাররোলে নাম নেই এমন ব্যক্তিকেও ছাগল দেওয়া হয়েছে এবং তালিকাভুক্তদের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দক্ষিণ ফটিকছড়ির খিরাম ইউনিয়নের জঙ্গল মগকাটা গ্রামের সুরেশ চাকমার নাম মাস্টাররোলে না থাকলেও তিনি দুটি ছাগল পেয়েছেন। শোভা চাকমা ও জীবন পুরন চাকমার মতো অনেক উপকারভোগী দাবি করেছেন যে মাস্টাররোলে তাঁদের নাম থাকলেও সেখানে থাকা স্বাক্ষর তাঁদের নয় এবং তাঁরা অনেক সামগ্রী পাননি। এমনকি একাধিক উপকারভোগীর বিপরীতে একই মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রকল্পের মাঠকর্মী দীপঙ্কর চাকমার নম্বর বলে জানা গেছে।

টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে মাঠকর্মী দীপঙ্কর চাকমা দাবি করেন, ছাগল পরিবহনের গাড়িভাড়া বাবদ উপকারভোগীদের কাছ থেকে এই অর্থ নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ছাগল গ্রহণের জন্য গঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা এই বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে মাঠকর্মী তোয়াইনিং মার্মা ও দীপঙ্কর চাকমা ছাগলগুলো গ্রহণ ও বিতরণ করেন বলে জানা যায়।

প্রকল্পের নিয়মানুযায়ী ছাগল বিতরণের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকাদান নিশ্চিত করার কথা থাকলেও ভেটেরিনারি সার্জন জাহাঙ্গীর মাহমুদ রাকিব এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন। এছাড়া কার্যাদেশে নির্দিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম থাকলেও ট্রেজারি তথ্য অনুযায়ী দুর্বার ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল নামের অন্য একটি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পের অর্থ উত্তোলন করেছে। এসব অনিয়ম ও অসংগতির বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকেও সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।