?> ডিমের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

ডিমের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডিমের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

ডিমের বাজারে কৃত্রিম সংকট, অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ও অতিরিক্ত মুনাফা পরিহার করার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সম্প্রতি সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ডিমের উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই আহ্বান জানান। সাধারণ মানুষের কাছে ডিম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য হওয়ায় এর দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়লে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর সরাসরি চাপ সৃষ্টি হয়। উৎপাদক থেকে খুচরা পর্যায় পর্যন্ত সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে যৌক্তিক মুনাফা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের তাগিদ দেন তিনি।

সভায় ব্যবসায়ীরা জানান যে সাম্প্রতিক সময়ে ভুট্টা ও সয়াবিনসহ পোলট্রি খাদ্যের বিভিন্ন উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রতি ডিমের উৎপাদন ব্যয় প্রায় ১১ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে উৎপাদক পর্যায়ে প্রতি ডিমের গড় বিক্রয়মূল্য ৭ টাকা ৯১ পয়সা থাকলেও সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে প্রায় ১১ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়ায়। বছরের একটি বড় সময় উৎপাদন খরচের নিচে ডিম বিক্রি করতে হলেও দাম বাড়ার সময়টিই সাধারণত বেশি আলোচনায় আসে। উৎপাদক থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে সাধারণত দেড় থেকে দুই টাকা পর্যন্ত মূল্য সংযোজন হয়ে থাকে বলে তারা উল্লেখ করেন।

মৌসুমি দামের ওঠানামা কমাতে অতিরিক্ত উৎপাদনের সময় এক থেকে দেড় মাস ডিম সংরক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি পোলট্রি খাদ্যের উপকরণের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, করের চাপ কমানো, পরিবহন ও বাজারজাতকরণের প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং তথ্য প্রকাশের সুপারিশ করেন তারা। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ডিমের দাম কমে আসবে বলে ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মন্ত্রীর মতে, ব্যবসার নামে অস্বাভাবিক মুনাফা করা কিংবা সরবরাহ ব্যবস্থায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজার অস্থিতিশীল করার কোনো সুযোগ নেই।

ব্যবসায়ীদের উত্থাপিত যৌক্তিক সমস্যা ও সুপারিশগুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তবে বাজারে কোনো পক্ষ যেন সুযোগ নিয়ে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো উৎপাদকদের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি, ব্যবসায়ীদের যৌক্তিক মুনাফা এবং ভোক্তাদের সহনীয় দামে ডিম কেনা নিশ্চিত করা। বাজারে কৃত্রিম সংকট বা অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো তা পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

চা খাতকে কেবল কৃষিপণ্য হিসেবে গণ্য করার সুপারিশ আত্মঘাতী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

চা খাতকে কেবল কৃষিপণ্য হিসেবে গণ্য করার সুপারিশ আত্মঘাতী

কৃষি ডেস্ক: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের টাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে চা-কে কেবল কৃষিপণ্য হিসেবে ঘোষণার সুপারিশকে আত্মঘাতী ও সরকারের নীতির সঙ্গে স্ববিরোধিতা বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান। সম্প্রতি জাতীয় প্রেসকাবে আয়োজিত এক পরামর্শ সভায় তিনি এই সুপারিশ পুনর্বিবেচনার জোরালো আহ্বান জানান। পিপিআরসি, সেড এবং বিআরসি যৌথভাবে চা-শিল্পের পুনর্গঠন ও চা-শ্রমিকদের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব শীর্ষক এই সভার আয়োজন করে।

আলোচনা সভায় বক্তারা জানান, চলতি বছরের জুলাই মাসে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের টাস্কফোর্স চা-বাগানগুলোর ঋণ সুবিধা ও ভ্যাট কমানোর পাশাপাশি চা-কে কৃষিপণ্য হিসেবে গণ্য করার ১০টি সুপারিশ প্রদান করে। হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, চা মূলত কৃষি ও শিল্পের এক মিলিত রূপ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী এর একটি নির্দিষ্ট অংশ কৃষি ও শিল্প উভয় খাতের সঙ্গেই যুক্ত। সব কোম্পানিকে এক পাল্লায় না মেপে পুরো খাতের টেকসই বিকাশ ও উৎপাদনশীলতার ঘাটতি দূর করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে সেডের পরিচালক ফিলিপ গাইন জানান, চা-শিল্প পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় শ্রমিক বা ট্রেড ইউনিয়নের কোনো প্রতিনিধিত্ব রাখা হয়নি এবং কেবল মালিকপক্ষের সংগঠনকে যুক্ত করা হয়েছে। সেডের চেয়ারপারসন খুশী কবির বলেন যে চা-শ্রমিকেরা বাগানের ভেতরেই বসবাস করেন বিধায় যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাদের সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তানজিমউদ্দিন খান এবং বিলসের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদও কমিটিতে শ্রমিক বা শ্রম মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি না থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

চা-শ্রমিক খায়রুন আকতার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে তিনি নিজেকে কৃষিশ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিতে রাজি নন এবং কেবল মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে এমন বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। হোসেন জিল্লুর রহমান আরও উল্লেখ করেন যে বর্তমান রাজস্ব সংকটে মালিকদের দায় সরকারের কাঁধে চাপানো এবং দেশীয় বিশেষজ্ঞদের বাদ দিয়ে বিদেশি পরামর্শকের ওপর নির্ভরতা হতাশাজনক। চা কেবল একটি অর্থকরী ফসল নয়, এর একটি সমৃদ্ধ ঐতিহ্যগত মূল্য রয়েছে এবং তা উপেক্ষা করে চরিত্র পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত দেশের জন্য ক্ষতিকর হবে।


পেঁয়াজের দামে ঊর্ধ্বগতি
আবারও শতক হাঁকালো খুচরা বাজারে!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি, ২০২৪

আবারও শতক হাঁকালো খুচরা বাজারে!

ভারত রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর গত নভেম্বর-ডিসেম্বরে দেশের বাজারে হু হু করে বেড়ে যায় পেঁয়াজের দাম। নতুন বছরে জানুয়ারির শুরুতে মুড়ি কাটা পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় দামও কেজিপ্রতি নেমে আসে ৮০ টাকায়। তবে আবারও নতুন করে বাজারে পেঁয়াজের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। খুচরা বাজারে দাম বাড়তে বাড়তে আবারও শতক হাঁকিয়েছে পেঁয়াজের কেজি।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দামবৃদ্ধির এ চিত্র দেখা গেছে। এসব বাজারের বেশিরভাগ দোকানেই নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে। পুরনো পেঁয়াজের কেজি ৯০ টাকা।

দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে রামপুরা বাজারে বিক্রেতা এনামূল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, মুড়ি কাটা শেষ, নতুন হালি পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়তে কিছুদিন সময় লাগবে।

তিনি বলেন, মোকামে দাম বেড়েছে। পাবনায় প্রতি মণ পেঁয়াজ ৩২০০ থেকে ৩৪০০ টাকা কেনা পড়ছে। যা আগের থেকে ৪০০ টাকা বেশি। মূলত গতকাল থেকেই এমন দাম বেড়েছে।

এদিকে, পাবনায় স্থানীয় বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেখানকার মোকামগুলোতে পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করেছে। কয়েকদিন আগে সেখানে বিভিন্ন হাটে পাইকারিতে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হতো ৬০-৭০ টাকায়। সাঁথিয়া উপজেলার করমজা চতুর হাটসহ বিভিন্ন হাটে একই পেঁয়াজ এখন ৭৫-৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আগাম পেঁয়াজের উৎপাদন শেষ হয়ে আসার কারণে গত তিনদিনে পাবনার বিভিন্ন উৎপাদন সংশ্লিষ্ট এলাকায় পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

কৃষক ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে এখন আগাম বা মুড়ি কাটা জাতের পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। মাস দেড়েক আগে এই পেঁয়াজ হাটে উঠেছে। সুজানগর ও সাঁথিয়া উপজেলার কৃষকেরা যে মুড়ি কাটা জাতের পেঁয়াজের আবাদ করেছিলেন, তার বেশিরভাগই এরই মধ্যে তোলা হয়ে গেছে। ফলে বাজারে এই জাতের পেঁয়াজের সরবরাহ কমতে শুরু করেছে। এ কারণে মুড়ি কাটা পেঁয়াজের দাম বাড়ছে।

কৃষকেরা জানিয়েছেন, মাসখানেকের মধ্যেই প্রধান জাত হালি কাটা পেঁয়াজ বাজারে উঠতে শুরু করবে। তখন দাম আবার কমে আসবে।


রাজশাহীতে হিমাগারে নির্ধারিত ভাড়ায় আলু সংরক্ষণের দাবি ব্যবসায়ীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজশাহীতে হিমাগারে নির্ধারিত ভাড়ায় আলু সংরক্ষণের দাবি ব্যবসায়ীদের

রাজশাহীতে প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণের জন্য জেলা প্রশাসন ৫ টাকা ৭৫ পয়সা ভাড়া নির্ধারণ করলেও অধিকাংশ হিমাগার তা মানছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি পবা উপজেলার তকিপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন আলু ব্যবসায়ীরা। রাজশাহী জেলা আলু ও কাঁচামাল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে হিমাগার মালিকদের প্রতি এই নির্ধারিত ভাড়া দ্রুত কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইফতেখারুল ইসলাম ডনি এবং এ সময় সংগঠনের সভাপতি মো. আহাদ আলীসহ স্থানীয় চাষি ও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘদিন ধরে চাষি ও ব্যবসায়ীরা হিমাগারভাড়া কমানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন এবং এর ধারাবাহিকতায় গত ২৬ জুলাই গঠিত জেলা কমিটি প্রতি কেজি ৫ টাকা ২০ পয়সা ভাড়া নির্ধারণের সুপারিশ করে। পরবর্তীতে ৩১ আগস্ট কৃষি বিপণন অধিদপ্তর সারা দেশের জন্য ভাড়া ৬ টাকা নির্ধারণ করলেও রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা স্থানীয় কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যান। ভাড়াসংক্রান্ত এই বিরোধের জেরে সম্প্রতি পবার একটি হিমাগারে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং এতে সমিতির সভাপতিসহ কয়েকজন আহত হন। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে গত জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় প্রতি কেজি আলুর সংরক্ষণ ভাড়া ৫ টাকা ৭৫ পয়সা চূড়ান্ত করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ইফতেখারুল ইসলাম জানান, জেলা প্রশাসনের চিঠি পাওয়ার পর কিছু হিমাগার নতুন ভাড়া নেওয়া শুরু করলেও জেলার প্রায় ৪০টি হিমাগারের বেশির ভাগেই তা এখনো কার্যকর হয়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ নিয়মের ব্যত্যয় ঘটানো হিমাগার মালিক বা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এদিকে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, সভার সিদ্ধান্ত ও কার্যবিবরণী সংশ্লিষ্ট সবার কাছে পাঠানো হয়েছে এবং খুব দ্রুতই এই ভাড়া কার্যকর হবে বলে তিনি আশা করছেন। তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে রাজশাহী জেলা কোল্ডস্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি।

নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর না হওয়ায় সাধারণ আলুচাষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। উৎপাদন খরচের সঙ্গে হিমাগারভাড়ার সামঞ্জস্য না থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে প্রায়ই উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে যা কৃষি অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় জেলা প্রশাসনের নির্দেশ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।