?> এক মন্দিরেই ১০১ প্রতিমা, ৪ যুগের কাহিনিতে সাজছে ব্যতিক্রমী পূজামণ্ডপ | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

এক মন্দিরেই ১০১ প্রতিমা, ৪ যুগের কাহিনিতে সাজছে ব্যতিক্রমী পূজামণ্ডপ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

এক মন্দিরেই ১০১ প্রতিমা, ৪ যুগের কাহিনিতে সাজছে ব্যতিক্রমী পূজামণ্ডপ

জাতীয় ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে যশোর শহরতলির চাঁচড়া বর্মণপাড়া শ্রীহরি মন্দিরে নেওয়া হয়েছে এক অভূতপূর্ব উদ্যোগ। এই মন্দিরের এক ছাদের নিচে তৈরি করা হয়েছে মোট ১০১টি ছোট-বড় প্রতিমা, যা চার যুগের ধর্মীয় ও পৌরাণিক উপাখ্যানের এক অপূর্ব সমাহার তুলে ধরেছে। সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর ও কলি—এই চার যুগের নানা রূপ ও চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে মৃৎশিল্পীরা টানা দুই মাস ধরে নিপুণ হাতে কাজ করেছেন। মণ্ডপটিতে সরস্বতী, শিব, রাধা-কৃষ্ণ, রাম-সীতা, হনুমান থেকে শুরু করে নানা দেব-দেবী ও পৌরাণিক চরিত্রের দেখা মিলবে। কাঁচা মাটির কাঠামোয় প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর এখন শেষ মুহূর্তের রঙের কাজ চলছে, যা দেখতে উৎসবের আগেই দূরদূরান্ত থেকে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা ভিড় জমাচ্ছেন।

মন্দির কর্তৃপক্ষের এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো সনাতন ধর্মের নতুন প্রজন্মকে তাদের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ধর্মীয় ঐতিহ্য সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেওয়া। বর্মণপাড়া গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিমুল বর্মণ জানান, বর্তমান বিশ্বজুড়ে চলমান অশান্তির মাঝে শান্তির বার্তা পৌঁছে দিতেই এই থিম নির্বাচন করা হয়েছে। সনাতন ধর্মের চার যুগে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যেভাবে বিভিন্ন রূপে অবতীর্ণ হয়েছেন, সেই ভাবটিই এখানে প্রতিমার রূপান্তরের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা শিপ্রা বর্মন ও দীপঙ্কর বর্মন জানান, নিজেদের গ্রামে এমন একটি বর্ণিল আয়োজন দেখতে পাওয়ার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এবার পূরণ হয়েছে, যা নতুন প্রজন্মকে আমাদের ইতিহাস শিখতে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করছে।

চাঁচড়ার এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের পাশাপাশি জেলার আটটি উপজেলায় এবার মোট ৭৪৩টি মন্দির ও মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হতে যাচ্ছে। পূজা উদযাপন পরিষদ যশোরের সভাপতি দীপঙ্কর দাস রতন জানান, গত বছরের তুলনায় এবার ২৮টি বেশি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। উৎসবের শৃঙ্খলা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখতে মণ্ডপগুলোতে ডিজে বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে কেবল ভক্তিগীতি বাজানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি মন্দিরের সুরক্ষায় হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নাগরিকদের নিয়ে বিশেষ সম্প্রীতি কমিটি গঠন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

উৎসবের দিনগুলোতে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, কোনো ধরনের ঝুঁকি বা আশঙ্কার অবকাশ নেই এবং সম্পূর্ণ শঙ্কাহীন পরিবেশে ভক্তরা যাতে নির্বিঘ্নে পূজা উদ্‌যাপন করতে পারেন, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে যশোরের প্রতিটি পূজা মণ্ডপে এখন সাজসাজ রব বিরাজ করছে এবং কারিগর ও আয়োজকরা তাদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার অন্তিম মহড়ায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ফ্লাইদুবাইয়ের সহকারী পাইলট ‘কুঠার’ দিয়ে প্রধান পাইলটকে আঘাত করেন: আরব আমিরাত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ অক্টোবর, ২০২৬

ফ্লাইদুবাইয়ের সহকারী পাইলট ‘কুঠার’ দিয়ে প্রধান পাইলটকে আঘাত করেন: আরব আমিরাত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি ফ্লাইটে অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও বিপজ্জনক এক ঘটনার তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। দেশটির সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বাণিজ্যিক বিমান পরিচালনা করার সময় সহকারী পাইলটের বিরুদ্ধে প্রধান পাইলটের ওপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগ উঠেছে। এই অপ্রত্যাশিত ঘটনায় বিমানটির নিরাপত্তা নিয়ে চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল এবং তা আকাশপথে এক আতঙ্কজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাবলিক প্রসিকিউটর হামাদ সাইফ আল–শামসির বরাਤੇ জানা গেছে যে, এফজেড১০৭৩ নম্বরের ওই ফ্লাইটটি যখন আকাশে ছিল, ঠিক সেই সময়ই এই সহিংস হামলা চালানো হয়। হামলাকারী সহকারী পাইলট শুধু প্রধান পাইলটকেই আক্রমণ করেননি, বরং তিনি জোরপূর্বক উড়োজাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেওয়ারও অপচেষ্টা চালান। এতে যাত্রীদের জীবন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আকাশপথে এ ধরনের নজিরবিহীন নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছেন আমিরাতের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা। কীভাবে ককপিটের ভেতরে একজন সহকারী পাইলট এমন সহিংস হয়ে উঠলেন এবং তার কাছে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত কুঠার কীভাবে এলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাইলটদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং বিমান চলাচলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই ঘটনাটি নতুন করে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

তদন্তকারীরা এই ঘটনার নেপথ্যের কারণ উদঘাটনে নিবিড়ভাবে কাজ করছেন। অভিযুক্ত সহকারী পাইলটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে আমিরাতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বিমান খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ককপিটের ভেতরের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ বিশ্বজুড়ে এভিয়েশন খাতের নিরাপত্তা প্রোটোকলকে আরও কঠোর করার প্রয়োজনীয়তা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।


রাশিয়ায় আতশবাজি কারখানায় আগুনে মৃত্যু ১৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাশিয়ায় আতশবাজি কারখানায় আগুনে মৃত্যু ১৪

রাশিয়ার মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত একটি আতশবাজি প্রস্তুতকারক কারখানায় হঠাৎ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই অন্তত চৌদ্দজন শ্রমিকের প্রাণহানি ঘটেছে এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্র ধরে এই মর্মান্তিক খবরটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনাটি ঘটে রাশিয়ার ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলের কুব্রিনস্ক নামক একটি ছোট্ট গ্রামে। রাজধানী মস্কো থেকে প্রায় একশ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত ওই কারখানাটিতে কর্মরত অবস্থায় শ্রমিকরা এই মারাত্মক অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই বের হয়ে আসার সুযোগ পাননি।

রাশিয়ার জরুরি পরিস্থিতি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর পরই দমকল বাহিনী এবং উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও ততক্ষণে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে। উদ্ধারকারী দল পুড়ে যাওয়া কারখানাটির ভেতর থেকে হতাহতদের মরদেহগুলো উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

কীভাবে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হলো, তা খতিয়ে দেখতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কারখানায় কোনো ধরনের নিরাপত্তা ত্রুটি ছিল কি না কিংবা বিস্ফোরকসামগ্রী সংরক্ষণে অবহেলা করা হয়েছিল কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে দুর্ঘটনার আসল কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে এআইইউবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬

বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে এআইইউবি

যুক্তরাজ্যের মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশন প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংয়ে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সেরা স্থান দখল করেছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ বা এআইইউবি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উচ্চশিক্ষার মানদণ্ডে এই অর্জনের ফলে দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার পরিবেশ ও গবেষণার অগ্রগতির চিত্র আবারও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকাটি প্রকাশ করা হয়।

শিক্ষা কার্যক্রমের মান, গবেষণার পরিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গির মতো গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে এই বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিং তৈরি করা হয়েছে। এআইইউবি তাদের ধারাবাহিক একাডেমিক উৎকর্ষ, আধুনিক ল্যাব সুবিধা এবং দক্ষ পরিচালনা পর্ষদের কল্যাণে এই সূচকগুলোতে সন্তোষজনক স্কোর অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। মূলত মানসম্মত শিক্ষা প্রদান এবং শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী করে গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদী প্রচেষ্টাই তাদের এই সাফল্য এনে দিয়েছে।

এই অভাবনীয় অর্জনের পর বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের মাঝে আনন্দ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। প্রতিষ্ঠানটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই স্বীকৃতি তাদের ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে এবং আগামী দিনে শিক্ষা ও গবেষণার মান আরও উন্নত করতে তারা বদ্ধপরিকর। এছাড়া, এই সাফল্য দেশের সামগ্রিক উচ্চশিক্ষার মান বাড়াতে অন্যান্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, টাইমস হায়ার এডুকেশনের মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানের এই র‍্যাঙ্কিংয়ে স্থান পাওয়া যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যই অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শিক্ষাঙ্গনে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গ্রহণযোগ্যতা ও সুনাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশীয় সীমানা পেরিয়ে বিশ্বমানের শিক্ষা প্রদানে এআইইউবি-এর এই অগ্রযাত্রা দেশের পুরো শিক্ষাব্যবস্থার জন্যই একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে।