?> একটি ডিম প্রায় ১৫ টাকা, হালি ৫৫ টাকা | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

একটি ডিম প্রায় ১৫ টাকা, হালি ৫৫ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

একটি ডিম প্রায় ১৫ টাকা, হালি ৫৫ টাকা

দেশের বাজারে ডিমের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। বর্তমানে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন খুচরা বাজারে প্রতিটি ডিমের জন্য ক্রেতাদের প্রায় ১৫ টাকা গুনতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে এক হালি ডিম কিনতে গেলে গুণতে হচ্ছে ৫৫ টাকা পর্যন্ত, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের জন্য বড় ধরনের আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছে।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ডিমের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পেছনে সরবরাহ সংকট এবং সিন্ডিকেটের কারসাজি কাজ করছে। অথচ দেশের বাইরে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন ও জনবান্ধব। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বিশেষ করে কলকাতায় প্রতি ডজন ডিমের দাম রাখা হচ্ছে মাত্র ১১৫ টাকা।

এই হিসাব অনুযায়ী ভারতে একটি ডিমের খুচরা মূল্য ১০ টাকার অনেক নিচে অবস্থান করছে। এমনকি পাকিস্তানের বাজারেও ডিমের দাম এই সীমার মধ্যেই রয়েছে বলে জানা গেছে। অথচ তুলনামূলকভাবে ছোট অর্থনীতির দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে আমিষের এই সহজলভ্য উৎসের দাম রেকর্ড গড়েছে।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজার থেকেই চড়া দামে ডিম কিনতে হচ্ছে তাদের। উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এবং বিভিন্ন অজুহাতে দাম বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, বাজারে কঠোর মনিটরিং বা তদারকি না থাকায় সিন্ডিকেট ইচ্ছেমতো দাম নির্ধারণ করছে।

পুষ্টির অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে পরিচিত ডিমের দাম এভাবে নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণ ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে বাজার নিয়ন্ত্রণ না করলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ১ হাজার কোটি টাকার ঋণ, সর্বোচ্চ ১০ লাখ যেভাবে পাবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ১ হাজার কোটি টাকার ঋণ, সর্বোচ্চ ১০ লাখ যেভাবে পাবেন

অর্থনীতি ডেস্ক: বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে গমনকারী বাংলাদেশিদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ভাষা শিক্ষায় সহায়তার জন্য এক হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ প্রি-ফাইন্যান্স স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিচালিত এই তহবিল থেকে বিদেশগামী কর্মীরা কোনো ধরনের জামানত ছাড়াই সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। মূলত দক্ষ কর্মী তৈরির মাধ্যমে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বেগবান করার লক্ষ্যেই এই যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, সম্পূর্ণ তহবিলটি ২০০ কোটি টাকা করে মোট পাঁচটি সমান কিস্তিতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংককে প্রদান করা হবে। আগের কিস্তির অর্থ যথাযথভাবে খরচ হয়েছে কি না তা যাচাই করার পরই কেবল পরবর্তী কিস্তির অর্থ ছাড় করা হবে। এই ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ শতাংশ এবং এর প্রাথমিক মেয়াদ তিন বছর, যেখানে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ডও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে প্রয়োজন সাপেক্ষে এই ঋণের মেয়াদ বাড়িয়ে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত করা যাবে।

এই বিশেষ ঋণের আওতায় প্রার্থীরা বিদেশ যাওয়ার আগে কিংবা দেশটিতে পৌঁছানোর পর ভাষা ও কাজের দক্ষতার প্রশিক্ষণের টিউশন ফি পরিশোধ করতে পারবেন। এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে থাকা ও খাওয়ার খরচও এই ঋণের মাধ্যমেই মেটানো সম্ভব হবে, তবে যাতায়াতের জন্য বিমানের টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে এই অর্থ ব্যবহার করা যাবে না। কেবল বৈধ উপায়ে কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যেতে ইচ্ছুক নাগরিকরাই এই সুবিধার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন, তবে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে বিদেশগামী শিক্ষার্থীরা এই ঋণের আওতাভুক্ত নন।

ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়ায় কোনো জটিলতা এড়াতে প্রার্থীর বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা, যোগ্যতার সনদ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের অফার লেটার জমা দিতে হবে। সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল করা হয়েছে, ফলে ঘরে বসেই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন এবং অনলাইনে এর অগ্রগতি ট্র্যাক করতে পারবেন। ইতোমধ্যে এই কর্মসূচির আওতায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মীকে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে এবং অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে দুই স্তরের কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা বজায় রাখা হয়েছে।


পেঁয়াজের দামে ঊর্ধ্বগতি
আবারও শতক হাঁকালো খুচরা বাজারে!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি, ২০২৪

আবারও শতক হাঁকালো খুচরা বাজারে!

ভারত রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর গত নভেম্বর-ডিসেম্বরে দেশের বাজারে হু হু করে বেড়ে যায় পেঁয়াজের দাম। নতুন বছরে জানুয়ারির শুরুতে মুড়ি কাটা পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় দামও কেজিপ্রতি নেমে আসে ৮০ টাকায়। তবে আবারও নতুন করে বাজারে পেঁয়াজের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। খুচরা বাজারে দাম বাড়তে বাড়তে আবারও শতক হাঁকিয়েছে পেঁয়াজের কেজি।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দামবৃদ্ধির এ চিত্র দেখা গেছে। এসব বাজারের বেশিরভাগ দোকানেই নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে। পুরনো পেঁয়াজের কেজি ৯০ টাকা।

দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে রামপুরা বাজারে বিক্রেতা এনামূল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, মুড়ি কাটা শেষ, নতুন হালি পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়তে কিছুদিন সময় লাগবে।

তিনি বলেন, মোকামে দাম বেড়েছে। পাবনায় প্রতি মণ পেঁয়াজ ৩২০০ থেকে ৩৪০০ টাকা কেনা পড়ছে। যা আগের থেকে ৪০০ টাকা বেশি। মূলত গতকাল থেকেই এমন দাম বেড়েছে।

এদিকে, পাবনায় স্থানীয় বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেখানকার মোকামগুলোতে পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করেছে। কয়েকদিন আগে সেখানে বিভিন্ন হাটে পাইকারিতে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হতো ৬০-৭০ টাকায়। সাঁথিয়া উপজেলার করমজা চতুর হাটসহ বিভিন্ন হাটে একই পেঁয়াজ এখন ৭৫-৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আগাম পেঁয়াজের উৎপাদন শেষ হয়ে আসার কারণে গত তিনদিনে পাবনার বিভিন্ন উৎপাদন সংশ্লিষ্ট এলাকায় পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

কৃষক ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে এখন আগাম বা মুড়ি কাটা জাতের পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। মাস দেড়েক আগে এই পেঁয়াজ হাটে উঠেছে। সুজানগর ও সাঁথিয়া উপজেলার কৃষকেরা যে মুড়ি কাটা জাতের পেঁয়াজের আবাদ করেছিলেন, তার বেশিরভাগই এরই মধ্যে তোলা হয়ে গেছে। ফলে বাজারে এই জাতের পেঁয়াজের সরবরাহ কমতে শুরু করেছে। এ কারণে মুড়ি কাটা পেঁয়াজের দাম বাড়ছে।

কৃষকেরা জানিয়েছেন, মাসখানেকের মধ্যেই প্রধান জাত হালি কাটা পেঁয়াজ বাজারে উঠতে শুরু করবে। তখন দাম আবার কমে আসবে।


রাজশাহীতে হিমাগারে নির্ধারিত ভাড়ায় আলু সংরক্ষণের দাবি ব্যবসায়ীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজশাহীতে হিমাগারে নির্ধারিত ভাড়ায় আলু সংরক্ষণের দাবি ব্যবসায়ীদের

রাজশাহীতে প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণের জন্য জেলা প্রশাসন ৫ টাকা ৭৫ পয়সা ভাড়া নির্ধারণ করলেও অধিকাংশ হিমাগার তা মানছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি পবা উপজেলার তকিপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন আলু ব্যবসায়ীরা। রাজশাহী জেলা আলু ও কাঁচামাল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে হিমাগার মালিকদের প্রতি এই নির্ধারিত ভাড়া দ্রুত কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইফতেখারুল ইসলাম ডনি এবং এ সময় সংগঠনের সভাপতি মো. আহাদ আলীসহ স্থানীয় চাষি ও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘদিন ধরে চাষি ও ব্যবসায়ীরা হিমাগারভাড়া কমানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন এবং এর ধারাবাহিকতায় গত ২৬ জুলাই গঠিত জেলা কমিটি প্রতি কেজি ৫ টাকা ২০ পয়সা ভাড়া নির্ধারণের সুপারিশ করে। পরবর্তীতে ৩১ আগস্ট কৃষি বিপণন অধিদপ্তর সারা দেশের জন্য ভাড়া ৬ টাকা নির্ধারণ করলেও রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা স্থানীয় কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যান। ভাড়াসংক্রান্ত এই বিরোধের জেরে সম্প্রতি পবার একটি হিমাগারে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং এতে সমিতির সভাপতিসহ কয়েকজন আহত হন। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে গত জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় প্রতি কেজি আলুর সংরক্ষণ ভাড়া ৫ টাকা ৭৫ পয়সা চূড়ান্ত করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ইফতেখারুল ইসলাম জানান, জেলা প্রশাসনের চিঠি পাওয়ার পর কিছু হিমাগার নতুন ভাড়া নেওয়া শুরু করলেও জেলার প্রায় ৪০টি হিমাগারের বেশির ভাগেই তা এখনো কার্যকর হয়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ নিয়মের ব্যত্যয় ঘটানো হিমাগার মালিক বা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এদিকে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, সভার সিদ্ধান্ত ও কার্যবিবরণী সংশ্লিষ্ট সবার কাছে পাঠানো হয়েছে এবং খুব দ্রুতই এই ভাড়া কার্যকর হবে বলে তিনি আশা করছেন। তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে রাজশাহী জেলা কোল্ডস্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি।

নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর না হওয়ায় সাধারণ আলুচাষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। উৎপাদন খরচের সঙ্গে হিমাগারভাড়ার সামঞ্জস্য না থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে প্রায়ই উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে যা কৃষি অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় জেলা প্রশাসনের নির্দেশ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।