?> গ্রামাঞ্চলে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার করার তাগিদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

গ্রামাঞ্চলে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার করার তাগিদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গ্রামাঞ্চলে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার করার তাগিদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের

গ্রামাঞ্চলের মানুষের মধ্যে জলাতঙ্ক রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজধানী ঢাকার ফার্মগেটে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই আহ্বান জানানো হয়। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এবং এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। অনুষ্ঠানে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয় একসাথে আরও শক্তিশালী জলাতঙ্কমুক্ত বিশ্ব গড়ি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন যে শহরাঞ্চলের তুলনায় প্রান্তিক বা গ্রামপর্যায়ের মানুষের মাঝে জলাতঙ্ক রোগ নিয়ে সচেতনতা যথেষ্ট কম রয়েছে। সঠিক সময়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও সচেতনতা তৈরি করা গেলে এই মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়া এবং মৃত্যুর হার অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব। এ জন্য টিকাদান কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করা এবং রোগ দেখা দিলে দ্রুত কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। এছাড়া শহরাঞ্চলের পাশাপাশি সারা দেশে আগের মতো কার্যক্রম পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উল্লেখ করেন যে জনগণের জনস্বার্থ ও কল্যাণ নিশ্চিত করতেই সরকারের সব কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। মানুষ বর্তমানে কেবল খাদ্যনিরাপত্তা নয় বরং তারা যে প্রাণীটি খাদ্য হিসেবে খাচ্ছে সেটি রোগমুক্ত ও নিরাপদ কি না সে বিষয়েও সচেতন হচ্ছে। প্রাণীর রোগ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ের সঙ্গে মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলে তিনি মন্তব্য করেন। তাই জনস্বাস্থ্য ও প্রাণিস্বাস্থ্যকে একসাথে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মো. রেজাউল আমিন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট পরিচালকগণ এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধিদপ্তরের উপপরিচালক ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের পরিচালক। এর আগে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের সামনে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করা হয় যেখানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

পাবনার ফরিদপুরে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির দায়ে দুই কসাইয়ের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর, ২০২৬

পাবনার ফরিদপুরে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির দায়ে দুই কসাইয়ের কারাদণ্ড

পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে পরিবহনের সময় হাতেনাতে আটক হয়েছেন দুই কসাই। সম্প্রতি পুলিশ নিয়মিত তল্লাশির অংশ হিসেবে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামিয়ে এই পচা ও রোগাক্রান্ত মাংস উদ্ধার করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন লঙ্ঘন ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে ফেলার দায়ে তাদের উভয়কে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার বেড়হাউলিয়া পূর্বপাড়া কাশেমের বটতলা এলাকায় চেকপোস্টে তল্লাশি চলছিল। এ সময় সাঁথিয়াগামী একটি অটোরিকশার ভেতর থেকে পলিথিনে মোড়ানো প্রায় চার মণ ওজনের চামড়া ছাড়ানো গরুর খণ্ডিত দেহাংশ জব্দ করা হয়। পরে অটোরিকশায় থাকা দুই যাত্রীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা কসাইয়ের পেশার কথা স্বীকার করেন।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন সাঁথিয়া উপজেলার রবিন প্রামাণিক ও মোলাই মাণিক ওরফে বাবর আলী। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গুড়া উপজেলার একটি গ্রাম থেকে ৪০ হাজার টাকায় তারা অসুস্থ গরুটি কিনেছিলেন। পরে সেটি জবাই করে মাংস বিক্রির জন্য সাঁথিয়া পৌর এলাকায় নিজেদের দোকানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, যার সপক্ষে তাদের কাছে কোনো বৈধ কাগজপত্র ছিল না।

ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনজুরুল হাসান মাসুদ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং জব্দকৃত মাংসসহ তাদের পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইমামা বানিন সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের প্রত্যেককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে এমন আইনি পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি ও ফলপ্রসূ বলে মনে করা হচ্ছে।


আরব আমিরাত
রমজান মাসে কর্মীদের চাপমুক্ত রাখতে কমছে কর্মঘণ্টা!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ মার্চ, ২০২৪

রমজান মাসে কর্মীদের চাপমুক্ত রাখতে কমছে কর্মঘণ্টা!

পবিত্র রমজান মাসে বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য কাজের সময় কমানোর ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির মানবসম্পদ ও এমিরেটাইজেশন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রমজান মাসে কাজের সময় দুই ঘণ্টা কমানো হবে।

খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রমজান মাস উপলক্ষে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কাজের ধরন অনুসারে নির্দিষ্ট সময় কমানোর বিকল্প রয়েছে। পাশাপাশি যে কাজ ঘরে বসে করা যায় সেগুলোর বিষয়ে নমনীয় হওয়ার পরিকল্পনাও তাদের আছে।

আমিরাতের বেসরকারি খাতের কর্মীরা সাধারণত দিনে আট থেকে নয় ঘণ্টা কাজ করে। রমজান মাসে এই সময় দৈনিক দুই ঘণ্টা করে কমানো হবে। কমানোর পর এই সময়সূচির বাইরে কেউ অতিরিক্ত কাজ করলে তা ওভারটাইম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এর জন্য কর্মীরা অতিরিক্ত মজুরি পাবেন।

দুবাই ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিস ডিপার্টমেন্টের (আইএসিএডি) প্রকাশিত হিজরি ক্যালেন্ডার অনুসারে, রমজান সম্ভবত ১২ মার্চ (মঙ্গলবার) থেকে শুরু হবে।

পবিত্র মাসে সিয়াম সাধনার পাশাপাশি ধর্মীয় সংস্কৃতি অনুশীলনে মুসলিমদের অংশগ্রহণের সুবিধার্থে কর্মঘণ্টা কমানো রোজাদার ও যারা রোজা থাকে না, উভয় কর্মীর জন্য প্রযোজ্য।

ফেডারেল অথরিটি ফর গভর্নমেন্ট হিউম্যান রিসোর্সেস (এফএএইচআর) ফেডারেল কর্তৃপক্ষের কর্মচারীদের জন্য পবিত্র রমজান মাসে অফিসিয়াল কাজের সময় নির্ধারণ করে একটি সার্কুলার জারি করেছে।


ফিডের কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধিতে দিশেহারা দেশের পোলট্রি খামারিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর, ২০২৬

ফিডের কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধিতে দিশেহারা দেশের পোলট্রি খামারিরা

পোলট্রি ফিডের প্রয়োজনীয় কাঁচামালের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় তীব্র অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছেন দেশের খামারিরা। ভুট্টা, রাইস ব্রান, সরিষার খৈল ও সয়াবিন মিলসহ প্রায় প্রতিটি উপাদানের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ বহুগুণ বেড়ে গেছে। স্থানীয় বাজারের অস্থিরতা, আমদানিনির্ভরতা এবং ডলারের বিনিময় হারের প্রভাবে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ফিড তৈরির প্রধান উপাদান ভুট্টার দাম কেজিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। একই সঙ্গে ডিওআরবি, চালের কুঁড়া ও সয়াবিন মিলের দামও চড়া থাকায় ফিড উৎপাদনের সামগ্রিক ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। খামারিরা জানাচ্ছেন, এক বস্তা খাবারের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খরচও বেড়েছে, অথচ সে তুলনায় বাজারে মুরগির পাইকারি দাম উল্টো কমে গেছে।

উৎপাদন খরচ সামলাতে না পেরে অনেক খামারি মুরগির খাদ্য কমিয়ে দিয়েছেন, যার ফলে পোলট্রির কাঙ্ক্ষিত ওজন না পেয়ে উল্টো লোকসান গুনতে হচ্ছে। এই অবস্থায় বাধ্য হয়ে অনেক ক্ষুদ্র খামারি তাদের খামার বন্ধ করে দেওয়ার উপক্রম হয়েছেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ফিডের বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পোলট্রি খাত দীর্ঘমেয়াদী বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কাঁচামালের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্ক কমানোর দাবি জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। পাশাপাশি, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানিয়েছে যে পুষ্টির মান বজায় রেখে কম খরচে বিকল্প খাদ্যের ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কৌশল নির্ধারণের কাজ চলছে।