?> খাদ্য নিরাপত্তায় ৩০ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

খাদ্য নিরাপত্তায় ৩০ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

খাদ্য নিরাপত্তায় ৩০ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

দেশের সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং কৃষকদের সার সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ সরকার। সম্প্রতি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) মধ্যে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্ট’ বা জরুরি খাদ্য নিরাপত্তা সহায়তা প্রকল্পের আওতায় এই অর্থায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে, যার মোট পরিমাণ প্রায় ৩০ কোটি মার্কিন ডলার বা ২১ কোটি ৯২ লাখ এসডিআর। সরকারের পক্ষ থেকে ইআরডি সচিব মো এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর এই চুক্তিতে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব করেন।

প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো প্রধান খাদ্যশস্য বোরো ধান রোপণ মৌসুমে দেশের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় সারের সরবরাহ নিশ্চিত করা। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি কমবে এবং সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তা বহুগুণ সুসংহত হবে। আগামী ২০২৬ সালের জুলাই মাস থেকে শুরু হয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত এক বছর মেয়াদে এই প্রকল্পটি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হবে। অর্থ বিভাগের সরাসরি তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন যৌথভাবে এই কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

চুক্তির আর্থিক শর্ত অনুযায়ী, উত্তোলিত ঋণের অর্থের ওপর বার্ষিক দেড় শতাংশ হারে সুদ প্রযোজ্য হবে। এছাড়া অনুত্তোলিত অর্থের ওপর সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ হারে প্রতিশ্রুতি ফি ধার্য থাকলেও, বিগত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও তা মওকুফ রেখেছে বিশ্বব্যাংক। দীর্ঘমেয়াদি এই ঋণ পরিশোধের জন্য পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ মোট পঁচিশ বছর সময় পাবে বাংলাদেশ। এর ফলে দেশের ওপর তাৎক্ষণিক আর্থিক চাপ কম পড়বে এবং কৃষি খাতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও ভর্তুকি কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য যে, বিশ্বব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বহুপক্ষীয় উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে। দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জ্বালানি খাত, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং সামাজিক খাতের বিভিন্ন প্রকল্পে সংস্থাটি নিয়মিত আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে থাকে। নতুন এই ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যকার দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট নীতির্ধারকরা। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে এই ধরনের সহায়তা দেশের কৃষি উৎপাদন বজায় রাখতে এবং অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ডিমের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ডিমের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

ডিমের বাজারে কৃত্রিম সংকট, অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ও অতিরিক্ত মুনাফা পরিহার করার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সম্প্রতি সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ডিমের উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই আহ্বান জানান। সাধারণ মানুষের কাছে ডিম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য হওয়ায় এর দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়লে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর সরাসরি চাপ সৃষ্টি হয়। উৎপাদক থেকে খুচরা পর্যায় পর্যন্ত সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে যৌক্তিক মুনাফা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের তাগিদ দেন তিনি।

সভায় ব্যবসায়ীরা জানান যে সাম্প্রতিক সময়ে ভুট্টা ও সয়াবিনসহ পোলট্রি খাদ্যের বিভিন্ন উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রতি ডিমের উৎপাদন ব্যয় প্রায় ১১ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে উৎপাদক পর্যায়ে প্রতি ডিমের গড় বিক্রয়মূল্য ৭ টাকা ৯১ পয়সা থাকলেও সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে প্রায় ১১ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়ায়। বছরের একটি বড় সময় উৎপাদন খরচের নিচে ডিম বিক্রি করতে হলেও দাম বাড়ার সময়টিই সাধারণত বেশি আলোচনায় আসে। উৎপাদক থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে সাধারণত দেড় থেকে দুই টাকা পর্যন্ত মূল্য সংযোজন হয়ে থাকে বলে তারা উল্লেখ করেন।

মৌসুমি দামের ওঠানামা কমাতে অতিরিক্ত উৎপাদনের সময় এক থেকে দেড় মাস ডিম সংরক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি পোলট্রি খাদ্যের উপকরণের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, করের চাপ কমানো, পরিবহন ও বাজারজাতকরণের প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং তথ্য প্রকাশের সুপারিশ করেন তারা। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ডিমের দাম কমে আসবে বলে ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মন্ত্রীর মতে, ব্যবসার নামে অস্বাভাবিক মুনাফা করা কিংবা সরবরাহ ব্যবস্থায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজার অস্থিতিশীল করার কোনো সুযোগ নেই।

ব্যবসায়ীদের উত্থাপিত যৌক্তিক সমস্যা ও সুপারিশগুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তবে বাজারে কোনো পক্ষ যেন সুযোগ নিয়ে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো উৎপাদকদের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি, ব্যবসায়ীদের যৌক্তিক মুনাফা এবং ভোক্তাদের সহনীয় দামে ডিম কেনা নিশ্চিত করা। বাজারে কৃত্রিম সংকট বা অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো তা পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।


চা খাতকে কেবল কৃষিপণ্য হিসেবে গণ্য করার সুপারিশ আত্মঘাতী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

চা খাতকে কেবল কৃষিপণ্য হিসেবে গণ্য করার সুপারিশ আত্মঘাতী

কৃষি ডেস্ক: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের টাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে চা-কে কেবল কৃষিপণ্য হিসেবে ঘোষণার সুপারিশকে আত্মঘাতী ও সরকারের নীতির সঙ্গে স্ববিরোধিতা বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান। সম্প্রতি জাতীয় প্রেসকাবে আয়োজিত এক পরামর্শ সভায় তিনি এই সুপারিশ পুনর্বিবেচনার জোরালো আহ্বান জানান। পিপিআরসি, সেড এবং বিআরসি যৌথভাবে চা-শিল্পের পুনর্গঠন ও চা-শ্রমিকদের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব শীর্ষক এই সভার আয়োজন করে।

আলোচনা সভায় বক্তারা জানান, চলতি বছরের জুলাই মাসে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের টাস্কফোর্স চা-বাগানগুলোর ঋণ সুবিধা ও ভ্যাট কমানোর পাশাপাশি চা-কে কৃষিপণ্য হিসেবে গণ্য করার ১০টি সুপারিশ প্রদান করে। হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, চা মূলত কৃষি ও শিল্পের এক মিলিত রূপ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী এর একটি নির্দিষ্ট অংশ কৃষি ও শিল্প উভয় খাতের সঙ্গেই যুক্ত। সব কোম্পানিকে এক পাল্লায় না মেপে পুরো খাতের টেকসই বিকাশ ও উৎপাদনশীলতার ঘাটতি দূর করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে সেডের পরিচালক ফিলিপ গাইন জানান, চা-শিল্প পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় শ্রমিক বা ট্রেড ইউনিয়নের কোনো প্রতিনিধিত্ব রাখা হয়নি এবং কেবল মালিকপক্ষের সংগঠনকে যুক্ত করা হয়েছে। সেডের চেয়ারপারসন খুশী কবির বলেন যে চা-শ্রমিকেরা বাগানের ভেতরেই বসবাস করেন বিধায় যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাদের সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তানজিমউদ্দিন খান এবং বিলসের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদও কমিটিতে শ্রমিক বা শ্রম মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি না থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

চা-শ্রমিক খায়রুন আকতার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে তিনি নিজেকে কৃষিশ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিতে রাজি নন এবং কেবল মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে এমন বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। হোসেন জিল্লুর রহমান আরও উল্লেখ করেন যে বর্তমান রাজস্ব সংকটে মালিকদের দায় সরকারের কাঁধে চাপানো এবং দেশীয় বিশেষজ্ঞদের বাদ দিয়ে বিদেশি পরামর্শকের ওপর নির্ভরতা হতাশাজনক। চা কেবল একটি অর্থকরী ফসল নয়, এর একটি সমৃদ্ধ ঐতিহ্যগত মূল্য রয়েছে এবং তা উপেক্ষা করে চরিত্র পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত দেশের জন্য ক্ষতিকর হবে।


বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ১ হাজার কোটি টাকার ঋণ, সর্বোচ্চ ১০ লাখ যেভাবে পাবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ১ হাজার কোটি টাকার ঋণ, সর্বোচ্চ ১০ লাখ যেভাবে পাবেন

অর্থনীতি ডেস্ক: বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে গমনকারী বাংলাদেশিদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ভাষা শিক্ষায় সহায়তার জন্য এক হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ প্রি-ফাইন্যান্স স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিচালিত এই তহবিল থেকে বিদেশগামী কর্মীরা কোনো ধরনের জামানত ছাড়াই সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। মূলত দক্ষ কর্মী তৈরির মাধ্যমে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বেগবান করার লক্ষ্যেই এই যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, সম্পূর্ণ তহবিলটি ২০০ কোটি টাকা করে মোট পাঁচটি সমান কিস্তিতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংককে প্রদান করা হবে। আগের কিস্তির অর্থ যথাযথভাবে খরচ হয়েছে কি না তা যাচাই করার পরই কেবল পরবর্তী কিস্তির অর্থ ছাড় করা হবে। এই ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ শতাংশ এবং এর প্রাথমিক মেয়াদ তিন বছর, যেখানে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ডও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে প্রয়োজন সাপেক্ষে এই ঋণের মেয়াদ বাড়িয়ে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত করা যাবে।

এই বিশেষ ঋণের আওতায় প্রার্থীরা বিদেশ যাওয়ার আগে কিংবা দেশটিতে পৌঁছানোর পর ভাষা ও কাজের দক্ষতার প্রশিক্ষণের টিউশন ফি পরিশোধ করতে পারবেন। এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে থাকা ও খাওয়ার খরচও এই ঋণের মাধ্যমেই মেটানো সম্ভব হবে, তবে যাতায়াতের জন্য বিমানের টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে এই অর্থ ব্যবহার করা যাবে না। কেবল বৈধ উপায়ে কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যেতে ইচ্ছুক নাগরিকরাই এই সুবিধার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন, তবে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে বিদেশগামী শিক্ষার্থীরা এই ঋণের আওতাভুক্ত নন।

ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়ায় কোনো জটিলতা এড়াতে প্রার্থীর বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা, যোগ্যতার সনদ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের অফার লেটার জমা দিতে হবে। সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল করা হয়েছে, ফলে ঘরে বসেই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন এবং অনলাইনে এর অগ্রগতি ট্র্যাক করতে পারবেন। ইতোমধ্যে এই কর্মসূচির আওতায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মীকে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে এবং অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে দুই স্তরের কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা বজায় রাখা হয়েছে।