?> ‘প্রধানমন্ত্রী আম্বানি’ স্টারলিংক নিয়ে মুকেশকে খোঁচা ইলন মাস্কের | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

‘প্রধানমন্ত্রী আম্বানি’ স্টারলিংক নিয়ে মুকেশকে খোঁচা ইলন মাস্কের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

‘প্রধানমন্ত্রী আম্বানি’ স্টারলিংক নিয়ে মুকেশকে খোঁচা ইলন মাস্কের

ডেস্ক রিপোর্ট: ভারতের বাজারে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংকের প্রবেশাধিকারের অনুমতি প্রদানে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। দেশটির শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানিকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া এক ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যে তিনি তাকে একপ্রকার কটাক্ষ করেন। মূলত ভারতের টেলিকম খাতের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতেই স্টারলিংকের পথ আটকে রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এই মার্কিন ধনকুবের।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক পোস্টে মাস্ক অত্যন্ত খোঁচা দিয়ে লেখেন যে, ভারতের প্রকৃত ক্ষমতাধর ব্যক্তি আসলে মুকেশ আম্বানি, যা বুঝতে না পারার জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করছেন। একই সঙ্গে ভারতীয় বাজারে মুক্ত প্রতিযোগিতার সুযোগ সৃষ্টির জোরালো আহ্বান জানান তিনি। তার অভিযোগ, সাধারণ মানুষের কল্যাণের চেয়ে নিজেদের ব্যবসায়িক আধিপত্য ধরে রাখতেই রিলায়েন্স কর্তৃপক্ষ বেশি আগ্রহী।

স্পেসএক্সের পরিচালনাধীন স্টারলিংক দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে ভারতের বাজারে প্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মাস্কের দাবি অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় ১৬৫টিরও বেশি দেশে তাদের সেবা চালু থাকলেও কেবল ভারতেই নানা জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে। অথচ ভারতীয় আইন ও সরকারি নীতিমালা মেনেই তারা সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চেষ্টা করছেন বলে জানান তিনি।

স্টারলিংকের পক্ষে বলা হচ্ছে যে, এই সেবা চালু হলে দেশের দূরবর্তী ও দুর্গম এলাকার মানুষ উচ্চগতির ইন্টারনেটের আওতায় আসবে। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় প্রচলিত নেটওয়ার্ক ভেঙে পড়লেও স্যাটেলাইট ইন্টারনেট জীবন রক্ষাকারী যোগাযোগ সচল রাখতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে। তবে ভারত সরকার এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে জানিয়েছে যে, স্টারলিংকের প্রতি কোনো ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে না এবং সব প্রতিষ্ঠানকে একই নিয়মের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।

ভারতের মোবাইল ও ব্রডব্যান্ড বাজারের সিংহভাগ অংশীদারিত্ব রয়েছে রিলায়েন্স জিও এবং ভারতী এয়ারটেলের হাতে। ফলে এই বাজারে স্টারলিংকের মতো প্রভাবশালী বিদেশি প্রতিষ্ঠানের আগমন রুখতে ব্যবসায়িক স্বার্থ কাজ করছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। তবে সরকারি সূত্র জানিয়েছে, লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়াটি চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত ছাড়পত্র সাপেক্ষে খুব শীঘ্রই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

দুস্থদের অনুদানের তালিকায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীসহ বিত্তবান নেতাদের নাম, এমপি বলছেন তাঁরা পাওয়ার যোগ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দুস্থদের অনুদানের তালিকায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীসহ বিত্তবান নেতাদের নাম, এমপি বলছেন তাঁরা পাওয়ার যোগ্য

নাটোর-৪ আসনে দুস্থ ও অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দ করা সরকারি অনুদানের অর্থ দলীয় নেতা-কর্মী এবং বিত্তবানদের মধ্যে বিতরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম উপজেলায় এই অর্থ দেওয়া হয়েছিল। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও দরিদ্র মানুষ এই সহায়তার প্রধান দাবিদার হলেও, প্রকৃত দুস্থদের বাদ দিয়ে সচ্ছল ব্যক্তিদের এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তালিকাটিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের নামও রয়েছে। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এই ধরনের বিশেষ অর্থ পাওয়ার কথা কেবল চরম দুর্দিনে থাকা হতদরিদ্র মানুষের। এ ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে এবং প্রকৃত দুস্থদের বাদ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বড়াইগ্রাম উপজেলায় জোনাইল ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুস সালাম ফকিরের নামেও অনুদানের অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছিল। তবে তিনি ও বড়াইগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহিদুল হাসান বিপুল দাবি করেছেন যে তাঁরা এই বরাদ্দের বিষয়ে কিছুই জানতেন না এবং কোনো অর্থ নেননি। অন্যদিকে, নগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি তরাত মণ্ডল ও গুরুদাসপুর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব আরিফুল ইসলাম রবিউলসহ বেশ কয়েকজন নেতা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে টাকা তোলার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁদের কেউ কেউ দাবি করেছেন, এটি কার অনুদান ছিল তা তাঁরা জানতেন না, বরং সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহায়তা ভেবে টাকা তুলেছিলেন। ফলে সরকারি ত্রাণ বিতরণের এই প্রক্রিয়ায় চরম অনিয়ম ও জবাবদিহিতার ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

গত ২২ সেপ্টেম্বর বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ৯৮ জন উপকারভোগীর মধ্যে এই অনুদানের অর্থ বিতরণ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজ ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ওই অনুষ্ঠানে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ১২টি পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হলেও বাকি ৮৬ জনের তালিকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। একইভাবে গুরুদাসপুর উপজেলাতেও ৭০ জন ব্যক্তির প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে সরকারি অনুদান দেওয়া হয়। সেখানেও বিত্তবান ও রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যক্তিরা এই সুবিধা ভোগ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

তালিকায় নাম থাকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলেও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আমিনুর রশীদ জানিয়েছেন, এটি সংসদ সদস্যের বিশেষ বরাদ্দ হওয়ায় এর তালিকা ও যাচাই-বাছাইয়ের কাজটি সংসদ সদস্য নিজেই করেছেন। এ বিষয়ে নাটোর জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এ কে এম শাহা আলম মোল্লা স্পষ্ট করেছেন যে, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী কেবল প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দুস্থ ও অসহায় মানুষই এ সহায়তার প্রকৃত হকদার। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজ দাবি করেছেন যে, দলের ভেতরেও অনেক অসহায় মানুষ রয়েছেন এবং সবকিছু ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করেই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, যাঁদের নাম তালিকায় রয়েছে কিন্তু টাকা তুলবেন না, সেই অর্থ পরবর্তীতে প্রকৃত দুস্থদের মাঝে বণ্টন করা হবে।


মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা হবে নির্মোহ ও নির্ভুল: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা হবে নির্মোহ ও নির্ভুল: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ এবং শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের একটি নির্ভুল তালিকা প্রস্তুত করতে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ইতিহাসের কোনো দায় বা বিভ্রান্তি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাঁধে চাপাতে চায় না রাষ্ট্র। স্বাধীনতার ইতিহাস দেশের মানুষের আত্মপরিচয়ের প্রতীক হওয়ায় এই তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সততা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা হচ্ছে। দলীয় বিবেচনা বা আবেগের ঊর্ধ্বে উঠে কেবল তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে এই ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে বলে জানানো হয়।

সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা শেষে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এই তথ্য জানান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, প্রকৃত কোনো মুক্তিযোদ্ধা যেন কোনোভাবেই তালিকা থেকে বাদ না পড়েন এবং ভুয়া কোনো ব্যক্তি যেন এর সুযোগ না নিতে পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। বর্তমানে তালিকাভুক্ত দুই লাখ তিন হাজার মুক্তিযোদ্ধার তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং অতীতের মতো যাতে কোনো অনিয়ম না হয়, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও জানান যে, স্বাধীনতার এত বছর পরও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নতুন আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া চলতে থাকা কাঙ্ক্ষিত নয় এবং খুব শীঘ্রই এই সময়সীমা বন্ধ করা হবে। নির্ধারিত আগামী ৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের পর নতুন করে আর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। ইতোমধ্যে জমা পড়া আবেদনগুলো নিবিড় তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যথাযথ যাচাইয়ের মাধ্যমেই কেবল চূড়ান্ত করা হবে। অতীতে এই খাতকে ঘিরে নানা বিতর্ক ও অনিয়মের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন যে, সেই নেতিবাচক ধারা থেকে বেরিয়ে এসে মন্ত্রণালয় এখন একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

উক্ত মতবিনিময় সভায় দেশের বরেণ্য গবেষক, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে মূল্যবান মতামত তুলে ধরেন। অধ্যাপক আবু সাইয়েদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজসহ সভায় অংশ নেওয়া বিশিষ্টজনেরা তালিকা প্রণয়নের কৌশল ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, সবার সম্মিলিত পরামর্শ ও নিরপেক্ষ মূল্যায়নের মাধ্যমে খুব শীঘ্রই দেশের মানুষ একটি নির্মোহ ও সর্বজনগ্রাহ্য মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ তালিকা হাতে পাবে।


বিদ্যালয়ের পুকুরে মাছ ধরার উৎসব, মিলল ১০ মণ নিষিদ্ধ পিরানহা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিদ্যালয়ের পুকুরে মাছ ধরার উৎসব, মিলল ১০ মণ নিষিদ্ধ পিরানহা

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের পুকুরে টিকিটের বিনিময়ে মাছ শিকারের উৎসব আয়োজনের খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মাছ শিকারিরা জনপ্রতি ১২ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটে এই উৎসবে অংশ নেন। কিন্তু বড়শিতে মাংসাশী ও ক্ষতিকর পিরানহা মাছ ধরা পড়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে অভিযান চালায় স্থানীয় প্রশাসন।

অভিযান পরিচালনা করেন হালুয়াঘাট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমেদ। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুকুর থেকে প্রায় ১০ মণ নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ করা হয়। পরে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য হুমকি বিবেচনা করে জব্দকৃত এসব মাছ মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়। একই সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে এই মাছ ধরার উৎসব স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

জানা গেছে, স্থানীয় দুই ব্যক্তি তিন বছরের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ থেকে পুকুরটি লিজ নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেওয়ায় একজন সরে দাঁড়ান এবং অন্যজন একা পুকুরটি পরিচালনা করতে থাকেন। তিনিই মূলত আর্থিক লাভের আশায় এই বড়শি দিয়ে মাছ ধরার অবৈধ আয়োজন করেছিলেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুকুরটির লিজ চুক্তি বাতিলের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে।

মাছ শিকার করতে আসা ব্যক্তিরা জানান, টিকিটের মাধ্যমে মাছ ধরার কথা থাকলেও পিরানহা পাওয়ার পর প্রশাসন অভিযান চালায়। এতে তাদের মাছ ধরার সরঞ্জাম ও খাবার নষ্ট হয়েছে। লিজগ্রহীতা পক্ষের পক্ষ থেকে টিকিটের কিছু অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা বলা হলেও অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে সাড়া পাওয়া যায়নি। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা দায়িত্ব নেওয়ার আগেই পুকুরটি লিজ দেওয়া হয়েছিল এবং প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পুকুরে অবশিষ্ট থাকা অন্য মাছগুলোও দ্রুত সেচে ফেলে দেওয়া হবে।