?> রাজধানীর বাজারে আটা ময়দা ডিম ও মাছের দাম বৃদ্ধি | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

রাজধানীর বাজারে আটা ময়দা ডিম ও মাছের দাম বৃদ্ধি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর বাজারে আটা ময়দা ডিম ও মাছের দাম বৃদ্ধি

রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনে অস্বস্তি কাটছে না। সম্প্রতি নয়াবাজার, কারওয়ান বাজার ও কেরানীগঞ্জের বউবাজার ঘুরে দেখা গেছে যে সবজির পাশাপাশি ডিম, মাছ, মুরগি, আটা, ময়দা ও ভোজ্যতেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। এর ফলে সীমিত আয়ের মানুষের দৈনন্দিন বাজার খরচ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কর-শুল্ক কমানোর সুফল খুচরা বাজারে পুরোপুরি না পৌঁছানোয় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, প্রতি কেজি খোলা আটা ৫০ টাকা এবং ময়দা ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে যা এক মাস আগে কম ছিল। ময়দার বস্তার দাম বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব বেকারি পণ্যের ওপর পড়ার উপক্রম হয়েছিল। এছাড়া ছুটির দিনে চাহিদা বাড়ায় প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃষ্টির কারণে সবজি সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন।

ডিম ও মাংসের বাজারেও দামের বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। বর্তমানে প্রতি ডজন ডিম ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে যা ছয় মাস আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ব্রয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি ও হাইব্রিড মুরগি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে গরুর মাংস ও খাসির মাংসের দাম আগের মতো অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাছের বাজারেও ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির কোনো খবর নেই কারণ রুই, কাতলা, পাঙাশ ও পাবদাসহ বিভিন্ন মাছ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় এর দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধি নাজের হোসাইন জানিয়েছেন যে কর কমানোর পরও খুচরা পর্যায়ে পণ্যের দাম না কমায় বিষয়টি সরকারের গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা ; লাগাম টানতে মাঠে নামছে ভোক্তা-অধিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ ডিসেম্বর, ২০২৩

পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা ; লাগাম টানতে মাঠে নামছে ভোক্তা-অধিকার

বার্তাবেলা: পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরই বাংলাদেশের বাজারে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। হু হু করে বাড়ানো হচ্ছে এই কৃষিপণ্যটির দাম। এ অবস্থায় বাজার নিয়ন্ত্রণে অভিযানে নামছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ভোক্তা-অধিকার জানিয়েছে, পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে ঢাকাসহ সারাদেশে অভিযান চালানো হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারত। যা গতকাল শুক্রবার থেকে কার্যকর হয়। ভারত সরকারের এ ঘোষণার পর বাংলাদেশের বাজারে রাতারাতি পেঁয়াজের দাম লাগামহীনভাবে বাড়তে শুরু করে।

সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দেশে আমদানি করা পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে ভারতের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞায় তেমন প্রভাব পড়বে না।

ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড বা বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক মহাপরিচালকের কার্যালয় বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) জানিয়েছে, নিজেদের দেশে পেঁয়াজের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে পণ্যটি রপ্তানির ওপর আগামী মার্চ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

ভোক্তা-অধিকারের বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়েছে, ৯ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কর্তৃক পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা করা হবে। ঢাকায় অধিদপ্তরের চারজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে চারটি পৃথক টিম বাজার অভিযান পরিচালনা করবে। এছাড়া দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় সারাদেশে অভিযান পরিচালনা করবে।

ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় গত ২৯ অক্টোবর টনপ্রতি পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য ৮০০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ দেওয়া হলেও সময়সীমার শেষ হওয়ার তিন সপ্তাহ আগেই নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো।

এদিকে, ভারত রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পরই দেশের বাজারে হু হু করে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। একদিনের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ১২০ টাকা। রাজধানীর খুচরা বাজারে এখন এ পেঁয়াজের কেজি ২৪০ টাকা। আর কেজিতে ৯০ টাকা বেড়ে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা। কেউ কেউ ২২০ টাকাও দাম হাঁকছেন।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর রামপুরা কাঁচাবাজার, উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা, গোদারাঘাট, উলন বাজারসহ কয়েকটি বাজারে ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।


নিষেধাজ্ঞার আগে চাঁদপুরে চড়া ইলিশের বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ অক্টোবর, ২০২৬

নিষেধাজ্ঞার আগে চাঁদপুরে চড়া ইলিশের বাজার

মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞার সময় ঘনিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে চাঁদপুরের বাজারে রুপালি ইলিশের দাম আকস্মিক বেড়ে গেছে। সম্প্রতি সদর উপজেলার বিভিন্ন মাছঘাটে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত সপ্তাহে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া এক কেজি ওজনের ইলিশের দাম বেড়ে এখন তিন হাজারে ঠেকেছে। স্থানীয় বাজারে আসা মাত্রই ক্রেতাদের ভিড়ে এসব মাছ দ্রুত বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। পাইকারি ও খুচরা বাজারে চাহিদা ব্যাপক থাকলেও সেই তুলনায় পর্যাপ্ত জোগান মিলছে না।

চাঁদপুরের বহরিয়া ও হরিণা মাছঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, বাজারে মূলত সর্বোচ্চ ৫০০ গ্রাম ওজনের ছোট ইলিশের আধিক্য রয়েছে। এসব ছোট আকারের ইলিশ হালিপ্রতি তিনশ থেকে পাঁচশ টাকা এবং একটু বড়গুলো দুই হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, নদী থেকে বরফ লাগানোর আগেই তা সরাসরি ক্রেতাদের হাতে চলে যাচ্ছে এবং সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কেনাবেচা চলছে।

স্থানীয় জেলে ও ব্যবসায়ীদের ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে ঘাটে মাছের আমদানি কিছুটা কমলেও দূরদূরান্ত থেকে আসা ক্রেতাদের ভিড় সামলানো যাচ্ছে না। জেলে হান্নান গাজী ও নজরুল ইসলাম জানান, জালে ময়লা আটকে যাওয়া এবং আগস্ট মাসে পর্যাপ্ত মাছ না পাওয়ায় এ পর্যন্ত কেবল তাদের ব্যবসার খরচটুকুই উঠে এসেছে। আড়তদার মো. ইদ্রিস আলী ও বিক্রেতা জাহাঙ্গীর সৈয়াল উল্লেখ করেন, চাঁদপুরের ইলিশের দেশজোড়া সুনাম থাকায় চাহিদার তুলনায় সরবরাহ সবসময়ই কম থাকে।

আসন্ন নিষেধাজ্ঞা ও ইলিশের বংশবৃদ্ধি প্রসঙ্গে সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক জানান, আগামী আট থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট বাইশ দিন অভয়াশ্রম এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। তিনি আরও বলেন, জেলেরা এবার কম-বেশি ভালো ইলিশ পেয়েছেন এবং মা ইলিশকে নিরাপদে ডিম ছাড়ার সুযোগ দিলে শেষ পর্যন্ত জেলেরাই এর সুফল ভোগ করবেন। তবে এই আইন অমান্যকারীদের জন্য কঠোর জেল ও জরিমানার বিধান রয়েছে।


রাজশাহীতে হিমাগারে নির্ধারিত ভাড়ায় আলু সংরক্ষণের দাবি ব্যবসায়ীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজশাহীতে হিমাগারে নির্ধারিত ভাড়ায় আলু সংরক্ষণের দাবি ব্যবসায়ীদের

রাজশাহীতে প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণের জন্য জেলা প্রশাসন ৫ টাকা ৭৫ পয়সা ভাড়া নির্ধারণ করলেও অধিকাংশ হিমাগার তা মানছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি পবা উপজেলার তকিপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন আলু ব্যবসায়ীরা। রাজশাহী জেলা আলু ও কাঁচামাল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে হিমাগার মালিকদের প্রতি এই নির্ধারিত ভাড়া দ্রুত কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইফতেখারুল ইসলাম ডনি এবং এ সময় সংগঠনের সভাপতি মো. আহাদ আলীসহ স্থানীয় চাষি ও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘদিন ধরে চাষি ও ব্যবসায়ীরা হিমাগারভাড়া কমানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন এবং এর ধারাবাহিকতায় গত ২৬ জুলাই গঠিত জেলা কমিটি প্রতি কেজি ৫ টাকা ২০ পয়সা ভাড়া নির্ধারণের সুপারিশ করে। পরবর্তীতে ৩১ আগস্ট কৃষি বিপণন অধিদপ্তর সারা দেশের জন্য ভাড়া ৬ টাকা নির্ধারণ করলেও রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা স্থানীয় কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যান। ভাড়াসংক্রান্ত এই বিরোধের জেরে সম্প্রতি পবার একটি হিমাগারে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং এতে সমিতির সভাপতিসহ কয়েকজন আহত হন। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে গত জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় প্রতি কেজি আলুর সংরক্ষণ ভাড়া ৫ টাকা ৭৫ পয়সা চূড়ান্ত করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ইফতেখারুল ইসলাম জানান, জেলা প্রশাসনের চিঠি পাওয়ার পর কিছু হিমাগার নতুন ভাড়া নেওয়া শুরু করলেও জেলার প্রায় ৪০টি হিমাগারের বেশির ভাগেই তা এখনো কার্যকর হয়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ নিয়মের ব্যত্যয় ঘটানো হিমাগার মালিক বা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এদিকে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, সভার সিদ্ধান্ত ও কার্যবিবরণী সংশ্লিষ্ট সবার কাছে পাঠানো হয়েছে এবং খুব দ্রুতই এই ভাড়া কার্যকর হবে বলে তিনি আশা করছেন। তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে রাজশাহী জেলা কোল্ডস্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি।

নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর না হওয়ায় সাধারণ আলুচাষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। উৎপাদন খরচের সঙ্গে হিমাগারভাড়ার সামঞ্জস্য না থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে প্রায়ই উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে যা কৃষি অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় জেলা প্রশাসনের নির্দেশ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।