?> সার ডিলার সংক্রান্ত সংশোধিত নীতিমালা প্রকাশ | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

ট্রাম্পের চাপে ১০ কোটি ব্যারেল জ্বালানি তেল ছাড়বে জি-৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর, ২০২৬

ট্রাম্পের চাপে ১০ কোটি ব্যারেল জ্বালানি তেল ছাড়বে জি-৭

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপের মুখে জরুরি মজুত থেকে বড় অংকের জ্বালানি তেল বাজারে ছাড়তে সম্মত হয়েছে শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি-৭। সম্প্রতি জোটভুক্ত দেশগুলোর নীতিনির্ধারকরা এই বিষয়ে একটি যৌথ ঐকমত্যে পৌঁছেছেন, যার মাধ্যমে বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে মোট ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে, যা বিশ্ববাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া এই চুক্তির আওতায় জি-৭ভুক্ত দেশগুলো নিজেদের জ্বালানি তেল রপ্তানি অব্যাহত রাখার বিষয়েও সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর ওপর দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের সংরক্ষিত ভাণ্ডার থেকে তেল ছেড়ে দেওয়ার জন্য প্রবল চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছিল। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে ইউরোপ যদি এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি তেল রপ্তানির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ইউরোপীয় দেশগুলোতে ডিজেলের তীব্র সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা ছিল, কারণ বর্তমান সময়ে তারা মার্কিন ডিজেলের আমদানির ওপর যথেষ্ট পরিমাণে নির্ভরশীল। মার্কিন নীতিনির্ধারকদের এই কৌশলী অবস্থানের ফলেই ইউরোপীয় অংশীদাররা জরুরি ভিত্তিতে তেলের মজুত ছাড়ার এই জোরালো সিদ্ধান্তে উপনীত হতে বাধ্য হয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই আকস্মিক ও কঠোর কূটনৈতিক তৎপরতার পেছনে মূলত রাজনৈতিক স্বার্থ এবং আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের হিসাব-নিকাশ কাজ করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইরান সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় মার্কিন ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের ঠিক আগে আগে জ্বালানির এই ঊর্ধ্বমুখী বাজারদর যেকোনো মূল্যে নিয়ন্ত্রণে আনতে সচেষ্ট রয়েছেন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইতিপূর্বে গত মার্চ মাসে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার তত্ত্বাবধানে প্রায় ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও, তেলের দাম ভোটারদের নাগালের মধ্যে রাখতে ট্রাম্প প্রশাসন নতুন করে এই বিশেষ চাপ সৃষ্টি করে।

জি-৭ জোটের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে তেলের এই বিশাল মজুত ছাড়ার প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হবে এবং আগামী চার মাস ধরে তা অব্যাহত থাকবে। পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে আগামী কুড়ি দিনের মধ্যেই জোটের দেশগুলো উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ডিজেল বাজারে সরবরাহ করবে। তবে ১০ কোটি ব্যারেল মোট জ্বালানির মধ্যে ঠিক কী পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এবং কী পরিমাণ পরিশোধিত ডিজেল থাকবে, সে বিষয়ে বিবৃতিতে সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। পরিস্থিতি বিবেচনায় ভবিষ্যতে আরও অতিরিক্ত ডিজেল ছাড়ার প্রয়োজন পড়লে তা নিয়ে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার কাঠামোর আওতায় খুব শীঘ্রই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

মূলত নিজ দেশের ভোটারদের মধ্যে জনপ্রিয়তা ধরে রাখা এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় সামাল দেওয়ার কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখেই ডোনাল্ড ট্রাম্প এই কঠোর জ্বালানি নীতি গ্রহণ করেছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত রয়টার্স ও ইপসোসের এক জনমত জরিপে দেখা গেছে যে মার্কিন রাষ্ট্রপতির জনসমর্থন নেমে এসেছে মাত্র বত্রিশ শতাংশে, যা তার রাজনৈতিক জীবনের সর্বনিম্ন রেকর্ড। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের ব্যর্থতার কারণে মাত্র সতেরো শতাংশ সাধারণ নাগরিক তার বর্তমান ভূমিকার প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। এই রাজনৈতিক নাজুক পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতেই মূলত জ্বালানির দাম কমানোর এই মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন হোয়াইট হাউসের কর্ণধার।


বাংলাদেশসহ ১১ দেশের মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে দিল্লিতে বৈঠক, যুক্ত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশসহ ১১ দেশের মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে দিল্লিতে বৈঠক, যুক্ত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন রাষ্ট্রে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও মিশনপ্রধানদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভারতে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর এই সম্মেলনের আয়োজন করেন। এই সম্মেলনে বাংলাদেশসহ মোট ১১টি দেশের মার্কিন কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা সরাসরি অংশ নেন, যা আঞ্চলিক কূটনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

এই সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয় এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়। সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য ঢাকার মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন নির্ধারিত সময়ের আগেই দিল্লি সফর করেন। এছাড়াও এই আয়োজনে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কূটনীতিকদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, উজবেকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় নিয়োজিত মার্কিন দূতদের সঙ্গে কথা বলার অভিজ্ঞতাকে দারুণ বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি দেশের স্বার্থরক্ষায় নিয়োজিত কূটনীতিকদের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন তিনি।

এদিকে কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠকের মাধ্যমে মধ্য এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে মার্কিন ভূ-রাজনৈতিক কৌশল আরও জোরদার করার প্রক্রিয়া চলছে। এর অংশ হিসেবে আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে উজবেকিস্তান সফরের পরিকল্পনা রয়েছে মার্কো রুবিওর। ওই সফরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে একটি বড় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল থাকার কথা রয়েছে, যা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।


মেটার নতুন এআই এজেন্টের মাধ্যমে ইন্টারনেট–দুনিয়ায় বিশৃঙ্খলার শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

মেটার নতুন এআই এজেন্টের মাধ্যমে ইন্টারনেট–দুনিয়ায় বিশৃঙ্খলার শঙ্কা

প্রযুক্তি ডেস্ক: প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটা সম্প্রতি একটি নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এজেন্ট বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে, যা নিয়ে প্রযুক্তি বিশ্বে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে। মিউজ নামের এই এআই এজেন্টটি মানুষের বিভিন্ন জটিল কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এই প্রযুক্তির অতিরিক্ত স্বয়ংক্রিয় কার্যক্ষমতা এবং এর নিয়ন্ত্রণহীন ব্যবহার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

ম্যাসাচুসেট্টির স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি বা এমআইটির সহযোগী অধ্যাপক রমেশ ভাস্কার এই এআই এজেন্টের কার্যক্ষমতাকে একটি নিয়ন্ত্রণহীন গাড়ির সঙ্গে তুলনা করেছেন। তাঁর মতে, এ ধরনের স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে উন্মুক্ত করা হয়, তবে তা পুরো ইন্টারনেট ব্যবস্থায় চরম বিশৃঙ্খলা ও অপ্রত্যাশিত জটিলতা তৈরি করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, মেটার এই এজেন্টটি মানুষের সরাসরি তদারকি ছাড়া ইন্টারনেটজুড়ে বিভিন্ন নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বড় ধরনের সাইবার ঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে অনলাইন ডেটার নিরাপত্তা, ভুয়া তথ্যের বিস্তার এবং স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমের অপব্যবহারের মতো বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির যুগে এআই এজেন্টের ব্যবহার যেমন কাজের গতি বাড়াচ্ছে, তেমনি এর নৈতিক ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছে। এমআইটি গবেষকদের এই সতর্কবার্তার পর মেটা কর্র্তৃপক্ষ তাদের এই এআই মডেলটির সুরক্ষা বলয় কতটা শক্তিশালী তা নিয়ে নতুন করে ভাববে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।