?> সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জে গরু চুরি রোধে রাতে চলছে পাহারা | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জে গরু চুরি রোধে রাতে চলছে পাহারা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জে গরু চুরি রোধে রাতে চলছে পাহারা

সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় সম্প্রতি গরু চুরির ঘটনা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষকদের গোয়ালঘর থেকে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রায় অর্ধশত গবাদিপশু চুরি হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতির কারণে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

চোরেরা যেন চুরি করা গরুগুলো খুব সহজে কোনো যানে করে পালিয়ে নিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসী ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা মিলে গুরুত্বপূর্ণ সব সড়ক এবং সংযোগস্থলে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা দলবদ্ধভাবে পালাক্রমে সারা রাত জেগে এসব চেকপোস্টে অবস্থান করছেন এবং চলাচলকারী সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা যানবাহনের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছেন। তাড়াশের বাসিন্দা আলী আহসান জানিয়েছেন যে গবাদিপশু রক্ষা করতেই তাঁরা সম্মিলিতভাবে এই রাত জাগার কর্মসূচি পালন করছেন।

পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এই উদ্যোগকে সফল করতে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমাম জাফর এবং রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আহসানুজ্জামান জানিয়েছেন যে পুলিশ ও জনগণের যৌথ প্রচেষ্টায় অপরাধ দমনের এই কার্যক্রম চলছে।

জেলার পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু সম্প্রতি এই পাহারা এলাকাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন এবং স্থানীয়দের উৎসাহ জোগাতে তাঁদের হাতে বাঁশি ও টর্চলাইট তুলে দিয়েছেন। পুলিশ প্রশাসনের বিশ্বাস, এই জনসচেতনতা ও চেকপোস্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে ওই দুই অঞ্চলের অপরাধপ্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।

গ্রামাঞ্চলে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার করার তাগিদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গ্রামাঞ্চলে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার করার তাগিদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের

গ্রামাঞ্চলের মানুষের মধ্যে জলাতঙ্ক রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজধানী ঢাকার ফার্মগেটে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই আহ্বান জানানো হয়। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এবং এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। অনুষ্ঠানে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয় একসাথে আরও শক্তিশালী জলাতঙ্কমুক্ত বিশ্ব গড়ি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন যে শহরাঞ্চলের তুলনায় প্রান্তিক বা গ্রামপর্যায়ের মানুষের মাঝে জলাতঙ্ক রোগ নিয়ে সচেতনতা যথেষ্ট কম রয়েছে। সঠিক সময়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও সচেতনতা তৈরি করা গেলে এই মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়া এবং মৃত্যুর হার অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব। এ জন্য টিকাদান কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করা এবং রোগ দেখা দিলে দ্রুত কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। এছাড়া শহরাঞ্চলের পাশাপাশি সারা দেশে আগের মতো কার্যক্রম পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উল্লেখ করেন যে জনগণের জনস্বার্থ ও কল্যাণ নিশ্চিত করতেই সরকারের সব কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। মানুষ বর্তমানে কেবল খাদ্যনিরাপত্তা নয় বরং তারা যে প্রাণীটি খাদ্য হিসেবে খাচ্ছে সেটি রোগমুক্ত ও নিরাপদ কি না সে বিষয়েও সচেতন হচ্ছে। প্রাণীর রোগ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ের সঙ্গে মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলে তিনি মন্তব্য করেন। তাই জনস্বাস্থ্য ও প্রাণিস্বাস্থ্যকে একসাথে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মো. রেজাউল আমিন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট পরিচালকগণ এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধিদপ্তরের উপপরিচালক ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের পরিচালক। এর আগে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের সামনে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করা হয় যেখানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।


অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে মালদ্বীপে জোরালো অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৫

অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে মালদ্বীপে জোরালো অভিযান

মালদ্বীপে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সরকারের অভিযান জোরদার করা হয়েছে। দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ১৫০৭টিরও বেশি অভিবাসন মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।

এর মধ্যে ৯৭৬টি মামলা ইমিগ্রেশন বিভাগ দিয়েছে। তবে এখনো ২৪৪টি মামলা যাচাই করা হয়নি এবং ১১৬টি মামলা তদন্তাধীন বলে জানা গেছে। এছাড়াও, ইমিগ্রেশন সংস্থার বাইরে থেকে ১৭১টি মামলা দায়ের হয়েছে।

শুধু অবৈধ অভিবাসীদের ধরপাকড় নয় বরং শহর, আবাসিক এলাকা, শিল্প গ্রাম ও কৃষি গ্রামে অবস্থানরত বিদেশিদের তথ্য সংগ্রহ করতে মাঠপর্যায়ে অভিযান চালাচ্ছে ইমিগ্রেশন বিভাগ। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্য প্রস্তুতকারী সাইটগুলোতে নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য আলাদা অপারেশনও চালু করা হয়েছে।

বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে মালদ্বীপে সব বিদেশি নাগরিকের তথ্য একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেসে সংরক্ষণ করা। আগামী তিন বছরের মধ্যে অভিবাসন সমস্যার পূর্ণ সমাধান হয়ে যাবে বলে স্থানীয় গণমাধ্যকে জানানো হয়েছে।


প্রাণিচিকিৎসকের কাছে যাচ্ছেন? যাওয়ার আগে কিছু বিষয় জেনে রাখুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রাণিচিকিৎসকের কাছে যাচ্ছেন? যাওয়ার আগে কিছু বিষয় জেনে রাখুন

পরিবারের প্রিয় সদস্যের মতো পোষা প্রাণীটিকেও মাঝে মাঝে অসুস্থতার কারণে প্রাণিচিকিৎסকের কাছে নিয়ে যেতে হয়। তবে ক্লিনিকে রওনা দেওয়ার আগে কিছু প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি, যা আপনার ও আপনার পোষা প্রাণীর উভয়কেই স্বস্তি দেবে। রাজধানীর গুলশান-বাড্ডা লিংক রোডের বিশ্বাস ভেটেরিনারি কেয়ারের প্রাণিচিকিৎসক ডা. সুশ্যাম বিশ্বাসের পরামর্শ অনুযায়ী, ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট ক্লিনিকের সেবাদানের সময়সূচি এবং অ্যাপয়েন্টমেন্টের বিষয়টি নিশ্চিত করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। এছাড়া প্রাণীর টিকার কার্ড, আগের চিকিৎসার সমস্ত কাগজপত্র এবং আনুমানিক খরচের ধারণা সঙ্গে রাখা উচিত, যাতে ক্লিনিকে গিয়ে কোনো ধরণের বিড়ম্বনায় পড়তে না হয়।

যানবাহনে যাতায়াতের সময় পোষা প্রাণী বহুদিনের চেনা হলেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক। রাস্তার হর্ন বা কোলাহলে তারা ভয় পেয়ে অস্বাভাবিক আচরণ করতে পারে, তাই বিড়াল বা ছোট আকર્সের প্রাণীর জন্য আরামদায়ক ক্যারিয়ার বা ঝুড়ি ব্যবহার করা ভালো। বড় কুকুরের ক্ষেত্রে গলায় কলার পরিয়ে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং গণপরিবহনে অন্য যাত্রীদের সুবিধার বিষয়টি মাথায় রাখা জরুরি। খরগোশ জাতীয় সংবেদনশীল প্রাণী খুব দ্রুত ভয় পায় বিধায় সেগুলোকে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে বহন করা সবচেয়ে নিরাপদ। এছাড়া পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল এবং যাত্রাপথে প্রয়োজনীয় পানি ও কাপড় সঙ্গে রাখা উচিত।

চিকিৎসাকেন্দ্রে পৌঁছানোর পর রোগ সংক্রমণ রোধে বিশেষ সতর্কতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার প্রাণীর মধ্যে কোনো সংক্রামক রোগের উপসর্গ দেখা দিলে তাকে অন্য প্রাণীদের থেকে দূরে রাখতে হবে এবং ক্লিনিকে প্রবেশের আগেই বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। ক্লিনিকের ভেতরে অন্য কোনো অপরিচিত প্রাণী স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন এবং নিজের পোষা প্রাণীটিকেও অন্যদের স্পর্শ করা নিষেধ করুন। স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে স্যানিটাইজার ব্যবহার করা এবং বাসায় ফেরার পর ব্যবহৃত ঝুড়ি, ব্যাগ ও পোশাক ভালোভাবে পরিষ্কার করে ফেলা উচিত।

চিকিৎসাকেন্দ্রে গিয়ে তাড়াহুড়ো না করে পর্যাপ্ত ধৈর্য ধারণ করা এবং শান্ত থাকা সবার জন্যই মঙ্গলজনক। প্রাণীরা কথা বলতে পারে না বলে তাদের সঠিক রোগ নির্ণয় করতে চিকিৎসকদের কিছুটা সময় লাগতে পারে, তাই চিকিৎসকের কক্ষের বাইরে অযথা তাড়া দেওয়া উচিত নয়। রক্ত পরীক্ষা, এক্স-রে বা অন্যান্য চিকিৎসার প্রক্রিয়ায় সময় লাগতে পারে বিধায় অন্যান্য সেবাপ্রার্থীদের প্রতিও সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব রাখা প্রয়োজন। কোনো বিষয়ে অসন্তুষ্টি তৈরি হলে চিৎকার বা গোলমাল না করে শান্তভাবে ক্লিনিকের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত, যাতে কোনো প্রাণী ভয় না পায়।