?> ১৮৩৭ টাকার এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২৫০০ টাকায় | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

১৮৩৭ টাকার এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২৫০০ টাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

১৮৩৭ টাকার এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২৫০০ টাকায়

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির সরবরাহ ও মূল্য নিয়ে গত কিছুদিন ধরে তীব্র অস্থিরতা চলছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি প্রতি ১২ কেজি ওজনের একটি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও বাজারে এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারি এই দর কার্যকর না হওয়ায় সাধারণ গ্রাহকদের বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। অনেক ক্রেতাকে নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে কয়েকশ টাকা বেশি দিয়ে আড়াই হাজার টাকায় পর্যন্ত সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে বাজারের এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।

সরবরাহব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আমদানিকারক ও অপারেটর কোম্পানি থেকে শুরু করে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম রাখা হচ্ছে। রাজধানীর হাতিরপুল ও মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকার খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সরবরাহ সংকটের কারণে তাদেরকেই বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারি বাজারেই তাদের ক্রয়মূল্য দুই হাজার টাকার বেশি পড়ে যাওয়ায় খুচরা পর্যায়ে তা আড়াই হাজার টাকার কাছাকাছি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী খুচরা বিক্রেতা ও ডিলারদের জন্য সুনির্দিষ্ট মুনাফার হার নির্ধারিত থাকলেও বাস্তবে তা কেউ মানছেন না। রাজধানীর বাইরে মুন্সীগঞ্জেও একই চিত্র দেখা গেছে, যেখানে স্থানীয় বিক্রেতারা ডিলারদের কাছ থেকে চড়া দামে গ্যাস সংগ্রহ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ব্যবসা সংশ্লিষ্টদের অভিযোগের তীর মূলত আমদানিকারক ও অপারেটর কোম্পানিগুলোর দিকে। দেশে প্রায় ২০ হাজার ডিলার থাকলেও অপারেটররা তাদের কাছে নির্ধারিত ১ হাজার ৭৪২ টাকার পরিবর্তে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম চাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গ্রিন এলপিজির মতো দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীরাও নির্দিষ্ট সময়ে সিলিন্ডার না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন এবং তাদের গাড়িসহ বিভিন্ন চালান আটকে থাকায় পরিবহন খরচ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতি তুলে ধরে এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতি সম্প্রতি বিইআরসির কাছে লিখিত চিঠি দিয়েছে। চিঠিতে অপারেটরদের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত দাম আদায়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য তুলে ধরে বলা হয়েছে যে, নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রি করতে গেলে ডিলারদের বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের মুখে পড়তে হবে।

এদিকে দেশে এলপিজির চাহিদার প্রায় পুরোটাই বেসরকারি খাতের আমদানিকারকদের ওপর নির্ভরশীল হলেও সাম্প্রতিক সময়ে আমদানির পরিমাণ স্বাভাবিক থাকার পরও কেন এই কৃত্রিম সংকট তৈরি হলো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। লাইসেন্সপ্রাপ্ত ৩২ থেকে ৩৩টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ১০ থেকে ১২টি কোম্পানি নিয়মিত আমদানি কার্যক্রম চালাচ্ছে। কোথাও কোথাও আমদানিকারকরা গ্যাস মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের সংগঠন ও ডিলারদের দাবি, সরকার যদি কার্যকর তদারকির মাধ্যমে সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক করে এবং যেসব কোম্পানি গ্যাস দিতে পারছে না তাদের সহায়তা দেয়, তবেই কেবল বাজারে স্বস্তি ফিরে আসবে এবং গ্রাহকরা ন্যায্যমূল্যে রান্নার জ্বালানি কিনতে পারবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তি, হুমকি বিনিয়োগ বন্ধের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তি, হুমকি বিনিয়োগ বন্ধের

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে প্রস্তাবিত একটি সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্প নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির স্টেট ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে পাঠানো এক ই-মেইল বার্তায় এই প্রকল্পের কার্যক্রম অবিলম্বে স্থগিত করার জোর দাবি জানানো হয়েছে। অন্যথায় বাংলাদেশে ভবিষ্যতে কোনো মার্কিন প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করবে না বলেও কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ডেটা সেন্টার নির্মাণ এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, যা এই আপত্তির কারণে বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পাঠানো ওই মেইলটিতে মেটাকোর সাবকম লিমিটেডের প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবির কাছে চাওয়া ঋণ প্রস্তাবের নথিপত্র সংযুক্ত করা হয়েছিল। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা লরা এন্ডারসন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের ইকোনমিক মিনিস্টার ফজলে রাব্বির কাছে এই বার্তা পাঠান। পরবর্তীতে সেই মেইল তৎকালীন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর কাছে ফরোয়ার্ড করা হয় এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও এডিবির প্রতিনিধিদেরও তা অবহিত করা হয়।

মার্কিন আপত্তির প্রধান কারণ হিসেবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাঝুঁকি এবং প্রযুক্তিগত নির্ভরযোগ্যতার বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে। এই প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এইচএমএন টেকনোলজিস বা হুয়াওয়ে মেরিন নেটওয়ার্কসকে যুক্তরাষ্ট্র অনিরাপদ বা 'আনট্রাস্টেড' হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের নিষিদ্ধ তালিকার পাশাপাশি ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতিবেদনেও প্রতিষ্ঠানটিকে সাইবার গোয়েন্দা তৎপরতার সঙ্গে যুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই অবকাঠামো নির্মাণে চীনা প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য চুরির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন।

এছাড়া প্রস্তাবিত এই ক্যাবলটি পুরোনো এবং ঝুঁকিপূর্ণ একটি ট্রাংক ক্যাবলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ হতে পারে বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ অবস্থায় প্রকল্পটি এডিবির বোর্ড সভা থেকে প্রত্যাহার করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে। এই বিষয়ে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংবাদ লেখা পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


ফের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর, ২০২৬

ফের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল

বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির সংকট ও অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রির নানা অভিযোগের মধ্যেই রান্নার এই জ্বালানিটির দাম আরও এক দফা বাড়ানো হয়েছে। সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বাড়তি খরচের চাপ বাড়িয়ে বেসরকারি খাতের ১২ কেজি ওজনের প্রতিটি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে ২৫২ টাকা বাড়ানো হয়েছে। দেশের বাজারে জ্বালানি পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে।

নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে এতদিন ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৫৮৫ টাকায় বিক্রি হলেও এখন থেকে এর জন্য ভোক্তাদের গুণতে হবে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। নির্ধারিত এই নতুন দর সম্প্রতি সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে বলে বিইআরসির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। আমদানিনির্ভর এই জ্বালানি পণ্যটির মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশের গৃহস্থালি রান্নাবান্না থেকে শুরু করে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে মাসিক খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাবে।

দাম বাড়ানোর এই নতুন ঘোষণা দিয়ে বিইআরসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই মূলত দেশের বাজারে এলপিজির নতুন দাম সমন্বয় করা হয়েছে। বিশ্ববাজারে গত কিছুদিন ধরে এলপিজির প্রধান উপাদান প্রোপেন ও বিউটেনের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী থাকায় তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের আমদানিতে। মূলত বিশ্ববাজারের এই মূল্য fluctuations বা ওঠানামার ওপর ভিত্তি করেই প্রতি মাসে নিয়মিতভাবে নতুন দর নির্ধারণ করে থাকে কমিশন।

তবে খুচরা বাজারে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে সবসময় বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রির দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। এর আগে থেকেই দেশজুড়ে এলপিজির তীব্র সরবরাহ সংকট এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের নানা অভিযোগ করে আসছিলেন সাধারণ ক্রেতারা। নতুন করে সিলিন্ডারের দাম আরও ২৫২ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের দৈনন্দিন বাজেটে বড় ধরনের টানাপোড়েন তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানত তুলতে ছাড়তে হচ্ছে মুনাফা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানত তুলতে ছাড়তে হচ্ছে মুনাফা

আর্থিক সংকটে পড়া শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানতের টাকা তুলতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকেরা। ব্যাংকটি থেকে মূল টাকা এককালীন তুলতে চাইলে আমানতকারীদের মুনাফা এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি ভবিষ্যতে এই বিষয়ে কোনো ধরনের আইনি পদক্ষেপ বা মামলা করা যাবে না মর্মে একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর নেওয়া হচ্ছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

তীব্র আর্থিক অনিয়মের জেরে অতীতে সংকটে পড়া এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংক একীভূত করার মাধ্যমে সরকারের পক্ষ থেকে এই প্রতিষ্ঠানটি দাঁড় করানো হয়। গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে সরকারের উদ্যোগে আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, যারা নিজেদের জমানো মূল টাকা একসঙ্গে তুলে নিতে চান, তাদের দুই পৃষ্ঠার একটি ‘আবেদনপূর্বক অঙ্গীকারনামা’ পূরণ করতে হচ্ছে। এই অঙ্গীকারনামার শর্ত অনুযায়ী, মূল টাকা পাওয়ার পর হিসাবের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়ে যাবে এবং গ্রাহক বা তাদের উত্তরাধিকারীরা ভবিষ্যতে কোনো ধরনের দাবি বা আপিল করতে পারবেন না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে বিপুলসংখ্যক গ্রাহক ব্যাংকটি থেকে আমানত তুলে নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন এবং একটি বড় অংশ ইতিমধ্যে টাকা তুলে নিয়েছেন। এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আমানতের ওপর কোনো ধরনের হেয়ারকাট বা মুনাফা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলেও, এককালীন টাকা তোলার শর্ত হিসেবে মুনাফা ও আইনি অধিকার ছাড়ার এই নিয়ম বহাল রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে টাকা আদায় না হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে যাঁরা টাকা তুলতে চাচ্ছেন, তাঁদের মুনাফা কেটে রাখা হচ্ছে এবং সংকট কাটলে অন্যরা মুনাফাসহ টাকা ফেরত পাবেন।

এদিকে এমন শর্তযুক্ত অঙ্গীকারনামা আদায় করার ঘটনায় গ্রাহকরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং এটিকে অবৈধ ও আর্থিক ক্ষতির কারণ বলে অভিহিত করেছেন। অনেক গ্রাহক অভিযোগ করেছেন যে, প্রধান কার্যালয় থেকে নিয়ম শিথিল করার কথা বলা হলেও মাঠপর্যায়ের শাখাগুলো তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করছে না। এছাড়া টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা ও জটিলতার কারণে অনেক আমানতকারী চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সার্বिक এই পরিস্থিতিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি বিভাগীয় প্রধান ও শাখা ব্যবস্থাপকদের কাছে মেয়াদি আমানতের মুনাফার হার পুনর্নির্ধারণ এবং হিসাব যাচাই করে অর্থ পরিশোধের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা পাঠিয়েছে।