?> এলপি গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে কীভাবে? | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

এলপি গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে কীভাবে?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

এলপি গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে কীভাবে?

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির সরবরাহ শৃঙ্খলে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের এক অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে। উৎপাদক থেকে শুরু করে খুচরা বিক্রেতা পর্যন্ত প্রতিটি স্তরেই নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি অর্থ আদায়ের প্রবণতা রয়েছে। আর ব্যবসায়ীদের এই অতিরিক্ত মুনাফা লোটার মানসিকতাই বাজারে চলমান গ্যাস সংকটের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

বাস্তব পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সাপ্লাই চেইনের একেবারে গোড়া থেকে শুরু করে শেষ প্রান্ত পর্যন্ত আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দাম বাড়ানোর মহোৎসব চলছে। অথচ সরকারের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট দাম বেঁধে দেওয়া হলেও মাঠপর্যায়ে তার কোনো কার্যকারিতা দেখা যায় না। সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর তদারকি না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়িয়ে সাধারণ ভোক্তাদের পকেট কাটছেন।

নিয়মিত তদারকি ও কঠোর নজরদারির অভাবে এই চক্র দিন দিন আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে চড়া মূল্যে গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছেন, যা তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এলপিজির দাম বাড়িয়ে দেওয়ার এই অপচেষ্টা বন্ধে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।

এই অনিয়ম রোধ করা না গেলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও চরম আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই সরবরাহ শৃঙ্খলের প্রতিটি স্তরে কঠোর প্রশাসনিক নজরদারি নিশ্চিত করার পাশাপাশি অনৈতিক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তবেই এলপি গ্যাসের বাজার স্থিতিশীল হবে এবং ভোক্তারা নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস কিনতে সক্ষম হবেন।

আইএমএফের নতুন ঋণ ৪৫০ কোটি ডলার, চুক্তি হতে পারে ডিসেম্বরে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

আইএমএফের নতুন ঋণ ৪৫০ কোটি ডলার, চুক্তি হতে পারে ডিসেম্বরে

অর্থনীতি ডেস্ক: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের কাছ থেকে নতুন ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়া অনেকটাই এগিয়ে গেছে। সংস্থাটির সঙ্গে সরকারের ৪৫০ কোটি মার্কিন ডলারের একটি নতুন ঋণ প্যাকেজ নিয়ে আলোচনা চলছে। এই ঋণ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

এর আগে চলতি বছরের মে মাস থেকেই আইএমএফের সঙ্গে এই নতুন ঋণ সহায়তা নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়। ওই সময় থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ভার্চুয়াল ও সরাসরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে ঋণের পরিমাণ এবং এর সুনির্দিষ্ট শর্তাবলী নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়েছে বলে জানা গেছে।

নতুন এই ঋণ কর্মসূচি পেতে হলে আইএমএফের কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে বাংলাদেশকে। এর মধ্যে অর্থনৈতিক সংস্কার, রাজস্ব বৃদ্ধি এবং আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার মতো বিষয়গুলো প্রধানত রয়েছে। এসব শর্ত বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়েই বর্তমানে দুই পক্ষ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে।

সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এই ঋণ চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরবে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে লেনদেনের ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হবে।


১৯ ব্যাংকের কার্ড, এটিএম ও ডিজিটাল সেবা ব্যাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

১৯ ব্যাংকের কার্ড, এটিএম ও ডিজিটাল সেবা ব্যাহত

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের অন্যতম প্রধান আর্থিক নেটওয়ার্ক কিউ-ক্যাশের আওতাধীন প্রায় ১৯টি ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংকিং কার্যক্রমে সাময়িক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এই ব্যাংকগুলোর গ্রাহকরা এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন, পয়েন্ট অব সেল বা পিওএস টার্মিনাল ব্যবহার, ই-কমার্স লেনদেন, কিউআর কোড স্ক্যান এবং এনপিএসবি ট্রান্সফারের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলো থেকে সাময়িকভাবে বঞ্চিত হচ্ছেন। ব্যাংকিং খাতের আধুনিকায়ন এবং মূল সিস্টেম মাইগ্রেশনের কারণে এই যান্ত্রিক জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর জারিকৃত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রযুক্তিগত এই রক্ষণাবেক্ষণ এবং সিস্টেম আপডেটের কার্যক্রমটি শুরু হয়েছিল গত ৪ অক্টোবর রাত নয়টায় এবং তা আগামী ১০ অক্টোবর দুপুর বারোটা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। তবে প্রতিষ্ঠান ভেদে এই সেবা বিঘ্নিত হওয়ার সময়সীমা ভিন্ন হতে পারে, যা কোথাও কয়েক ঘণ্টা আবার কোথাও কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হচ্ছে। একই সময়ে বড় সংখ্যক ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা বন্ধ থাকায় সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা দুশ্চিন্তা ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ছুটির দিন বা জরুরি মুহূর্তে নগদ অর্থের প্রয়োজন মেটানো এবং অনলাইন কেনাকাটা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন সেবাগ্রহীতারা।

গ্রাহকদের এই উদ্বেগ ও ভোগান্তির বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলো নিয়ম মেনে এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানিয়ে এই রুটিন রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের কাজ পরিচালনা করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রতিটি ব্যাংক নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী এই সময়সীমা নির্ধারণ করেছে এবং কাকতালীয়ভাবেই ১৯টি ব্যাংকের সিস্টেম আপগ্রেডের সময়কাল এক বিন্দুতে মিলে গেছে। গ্রাহকরা যেন কোনো ধরনের আকস্মিক বিপত্তির মুখে না পড়েন, সে জন্য আগে থেকেই এসএমএস ও নোটিশের মাধ্যমে তাদের সতর্ক করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।

ডিজিটাল লেনদেন ও কার্ডভিত্তিক সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও এই সময়ে ব্যাংকগুলোর নিজস্ব শাখার কাউন্টারভিত্তিক স্বাভাবিক কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর নিজস্ব নীতিমালা ও সময়সূচি অনুযায়ী চলমান থাকবে। সিস্টেম মাইগ্রেশন এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়ন কাজ সম্পূর্ণ হওয়া মাত্রই সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে আশ্বস্ত করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকল গ্রাহকের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।


মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ অক্টোবর, ২০২৬

মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে: অর্থমন্ত্রী

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারক মহলে নানা আলোচনা চলছে। সম্প্রতি এক বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান যে, চলমান মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মানুষের কষ্ট লাঘব এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অর্থমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, রাষ্ট্রীয় কোষাগারে সাধারণ মানুষের দেওয়া করের অর্থের সঠিক ও সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করাই বর্তমান প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য। জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ যেন কোনোভাবেই অপচয় না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে। প্রতিটি টাকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকারের মূল অগ্রাধিকার হলো জনকল্যাণমূলক খাতের বরাদ্দ সঠিকভাবে কাজে লাগানো। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষা করা এখন সময়ের দাবি। এই লক্ষ্য অর্জনে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অর্থনৈতিক খাতের এই নীতিগত অবস্থান বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে মনিটরিং আরও জোরদার করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সাধারণ মানুষের ওপর থেকে মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে সরকারের এসব উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে সুফল বয়ে আনবে বলে নীতিনির্ধারকরা আশা প্রকাশ করছেন। সার্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের এই দৃঢ় অবস্থান জনমনে স্বস্তি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।