?> দারিদ্র্যের ফিরে আসা: উন্নয়নের গল্পে ফাঁক কোথায় | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

দারিদ্র্যের ফিরে আসা: উন্নয়নের গল্পে ফাঁক কোথায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

দারিদ্র্যের ফিরে আসা: উন্নয়নের গল্পে ফাঁক কোথায়

অর্থনীতি ডেস্ক: বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক এই ঋণদাতা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিগত চার বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান নিম্নমুখী হয়েছে এবং সেই সঙ্গে বেড়েছে দারিদ্র্যের হার। এই সময়ের ব্যবধানে দেশের প্রায় ৮০ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে, যা দেশের সার্বিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় নেতিবাচক বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

উন্নয়নের নানা সূচকে সাফল্যের দাবি করা হলেও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে তার কোনো ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্বব্যাংকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতির কারণে সাধারণ মানুষের আয় ও সঞ্চয় মারাত্মকভাবে কমে গেছে। এর ফলে শুধু যারা নতুন করে গরিব হয়েছেন তারাই নন, বরং আরও বিশাল একটি জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার ওপর তীব্র নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের প্রায় সোয়া ছয় কোটি মানুষ চরম অর্থনৈতিক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। সামান্য কোনো অপ্রত্যাশিত সংকট, অসুস্থতা কিংবা আয়ের উৎস হারিয়ে গেলে এই বিশাল জনগোষ্ঠী যেকোনো মুহূর্তে চূড়ান্ত দারিদ্র্যের মধ্যে পতিত হতে পারে। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থান দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার পথকে আরও বেশি অনিশ্চিত করে তুলছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের অর্থনৈতিক নীতিমালায় অন্তর্ভুক্তি ও সুষম বণ্টনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে বলেই উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাচ্ছে না। ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হওয়ার কারণে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ টিকে থাকার লড়াইয়ে প্রতিনিয়ত হিমশিম খাচ্ছে। এই পরিস্থিতি উত্তরণে কার্যকর কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর পরিধি আরও বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: এক বছরে দারিদ্র্যের ফাঁদে আরও ২১ লাখ মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: এক বছরে দারিদ্র্যের ফাঁদে আরও ২১ লাখ মানুষ

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী মন্থর গতির কারণে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দারিদ্র্য ও বৈষম্যের হার। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হওয়ার পাশাপাশি গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে শিল্পোৎপাদন। এর ওপর উচ্চ মূল্যস্ফীতির ধাক্কায় সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় এবং ক্রয়ক্ষমতা ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক এই স্থবিরতার নেতিবাচক প্রভাবে গত অর্থবছরে নতুন করে প্রায় ২১ লাখ মানুষ চরম দারিদ্র্যের মধ্যে পতিত হয়েছে।

রাজধানীর বিশ্বব্যাংক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির 'বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট' প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেসমেসহ অন্যান্য শীর্ষ অর্থনীতিবিদরা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, আন্তর্জাতিক দারিদ্র্যসীমার হিসাবে গত অর্থবছরে দারিদ্র্যের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জাতীয় পর্যায়েও এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আগামী অর্থবছরগুলোতেও এই প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

বিনিয়োগের বেহাল দশা এবং শিল্প খাতে স্থবিরতার কারণে সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। বেসরকারি ও সরকারি উভয় খাতেই বিনিয়োগ কমে যাওয়ার পাশাপাশি রপ্তানি বাণিজ্যেও বড় ধরনের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। গ্যাস-বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার নিচে কার্যক্রম চালাতে বাধ্য হচ্ছে, যার ফলে কোথাও কোথাও কর্মী ছাঁটাই বা উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছে। পাশাপাশি, মূল্যস্ফীতির প্রবল চাপের কারণে স্বল্প আয়ের ও দিনমজুর মানুষের প্রকৃত মজুরি ক্রমেই কমে যাচ্ছে এবং তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

দেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হিসেবে ব্যাংক খাতের ভঙ্গুর অবস্থাকে চিহ্নিত করেছে বিশ্বব্যাংক। খেলাপি ঋণের পরিমাণ রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর মূলধন পর্যাপ্ততা বিপজ্জনক পর্যায়ে নেমে গেছে। অন্যদিকে, রাজস্ব আদায়ের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ায় এবং সরকারের ব্যাংকঋণ বেড়ে যাওয়ায় বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবাহ মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। যদিও প্রবাসী আয়ে কিছুটা স্বস্তি বজায় রয়েছে, তবে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পেয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং অর্থনীতিকে টেকসই পথে ফিরিয়ে আনতে ব্যাংকিং খাত, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহ এবং জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে দ্রুত ও সাহসী সংস্কারের তাগিদ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। একই সঙ্গে, বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলোর কার্যকারিতা বাড়াতে হবে, কারণ বর্তমানে সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারগুলোর প্রায় অর্ধেকই এই সহায়তার বাইরে রয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের মতো কার্যকর উদ্যোগ এবং সঠিক ডেটাবেস ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকৃত দরিদ্রদের সুনির্দিষ্ট সহায়তা প্রদান করা সম্ভব হলে এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সহজ হবে বলে মনে করে সংস্থাটি।


রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের অবস্থা: বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানে বড় লোকসান, লাভে বিএসইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের অবস্থা: বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানে বড় লোকসান, লাভে বিএসইসি

অর্থনীতি ডেস্ক: শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত সরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর বড় একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে রয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব প্রতিষ্ঠানের আয় ও ব্যয়ের হিসাব পেশ করা হয়। সংশ্লিষ্ট নথিপত্র অনুযায়ী, দেশের সিংহভাগ রাষ্ট্রায়ত্ত করপোরেশন তাদের উৎপাদনের তুলনায় ব্যয় সামাল দিতে ব্যর্থ হয়ে লোকসানের বৃত্তে আটকে আছে। স্বাধীনতার পর থেকেই মূলত অধিকাংশ সরকারি কলকারখানা এই ধরনের লোকসানের বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছে বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়। তবে সার্বিক এই হতাশাজনক চিত্রের মাঝেও কিছু প্রতিষ্ঠান লাভের ধারা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।

সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আর্থিক হিসাব পর্যালোচনায় দেখা যায়, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন বা বিএসএফআইসি সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এই সংস্থার অধীন পরিচালিত বিভিন্ন চিনিকল এবং অন্যান্য ইউনিট মিলিয়ে করোত্তর বা কর পরিশোধের পরের মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৭৭ কোটি টাকা। একই অর্থবছরে সংস্থাটির মোট আয়ের তুলনায় ব্যয়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল, যা তাদের আর্থিক সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। চলমান অডিট হিসাব অনুযায়ী, শুধু চিনিকলগুলোর পক্ষ থেকেই বিশাল অংকের এই লোকসান বহন করতে হয়েছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের আরেকটি বড় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন বা বিসিআইসিও একই ধরনের আর্থিক দুরবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক হিসাব বছরগুলোতে এই সংস্থার নিট লোকসানের পরিমাণ কয়েকশ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। পূর্ববর্তী অর্থবছরগুলোর তুলনায় তাদের লোকসানের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সার্বিকভাবে সরকারি শিল্প খাতের ব্যবস্থাপনার ওপর প্রশ্ন তুলছে। লাগাতার এই লোকসান এবং ক্রমবর্ধমান ব্যাংকঋণের চাপে প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে গভীর শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে।

তবে এসব নেতিবাচক খবরের মধ্যেও কিছুটা আশার আলো দেখিয়েছে বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন বা বিএসইসি। আলোচ্য অর্থবছরে এই সংস্থাটি লোকসানের ধারা ভেঙে মুনাফা অর্জন করতে পেরেছে। তাদের মোট আয় ব্যয়ের ব্যবধানে ইতিবাচক মুনাফা অর্জিত হওয়ায় সংসদীয় বৈঠকে এটিকে একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ হিসেবে দেখা হয়েছে। এদিকে, সরকারি এই শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে এই শোচনীয় অবস্থা থেকে উদ্ধার করা যায় কিংবা কোনো বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে লাভজনক করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে নীতিনির্ধারক ও সংসদ সদস্যরা গভীরভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।


২২ ব্যাংকের পুঞ্জীভূত লোকসান আড়াই লাখ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর, ২০২৬

২২ ব্যাংকের পুঞ্জীভূত লোকসান আড়াই লাখ কোটি টাকা

দেশের আর্থিক খাতের চরম সংকটের চিত্র উঠে এসেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিবেদনে। বর্তমানে দেশের মোট ২২টি ব্যাংক মারাত্মক লোকসানের মুখে রয়েছে এবং এগুলোর পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকার বেশি। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ব্যাংক খাতের এই বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হয়। বৈঠকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং সার্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ওপর কঠোর গুরুত্বারোপ করেন কমিটির সদস্যরা।

মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে লোকসানে থাকা ব্যাংকগুলোর বিস্তারিত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চারটি বাণিজ্যিক ব্যাংক, দুটি বিশেষায়িত ব্যাংক, ১৫টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং একটি বিদেশি ব্যাংক। উচ্চ মাত্রার খেলাপি ঋণ, প্রয়োজনীয় প্রভিশন সংরক্ষণ করতে না পারা, তীব্র মূলধন ঘাটতি এবং দুর্বল সম্পদমানের কারণেই ব্যাংকগুলোর উপার্জনের সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর ফলে অনেক ব্যাংক পরিচালন পর্যায়ে মুনাফা অর্জন করলেও শেষ পর্যন্ত নিট ক্ষতির মুখে পড়ছে।

তীব্র তারল্যসংকট সামাল দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এগিয়ে এসেছে এবং সংকটগ্রস্ত ব্যাংকগুলোকে বিশেষ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সংকট উত্তরণে চলতি বছর সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ১২টি ব্যাংককে জরুরি সহায়তা বা ডিমান্ড লোন হিসেবে প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা প্রদান করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংকসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে বেশি আর্থিক সহায়তা পেয়েছে। তবে খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, ব্যাংক খাতের এই তরল সম্পদের বণ্টন সব জায়গায় সমান নয়, বরং অনেক ইসলামী ও প্রচলিত ধারায় বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে।

এদিকে ব্যাংক খাতের অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে উচ্চ খেলাপি ঋণের পরিমাণ। সাম্প্রতিক তথ্যে দেখা গেছে, খেলাপি ঋণের উচ্চহার নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা উদ্যোগ নিলেও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। এই উচ্চ হার কমাতে এবং খেলাপি ঋণ আদায়ে প্রতিবন্ধকতা দূর করতে ব্যাংকগুলোকে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ব্যাংকের সংখ্যা কমানো এবং উচ্চ আদালতে আটকে থাকা হাজার হাজার ঋণ মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আলাদা বেঞ্চ গঠনের জোরালো দাবি জানিয়েছেন সংসদীয় কমিটির সদস্যরা।