?> ৩০ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণের বোঝা | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

৩০ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণের বোঝা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

৩০ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণের বোঝা

অর্থনীতি ডেস্ক: বেসরকারি খাতের আইএফআইসি ব্যাংকে খেলাপি ঋণের বোঝা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সাম্প্রতিক এক তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের স্থিতি ২৯ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে, যা মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় ৬৫ শতাংশ। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হলেও খেলাপি ঋণ কমানোর ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি অর্জিত হয়নি। বরং গত দুই মাসের ব্যবধানে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ আরও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যাংকের সার্বিক আর্থিক সূচকগুলোর অবনতি ঘটায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক কার্যক্রমের ওপর।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিগত সরকারের আমলে এই ব্যাংকটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। সে সময় বিভিন্ন বেনামি ও প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে বড় অঙ্কের ঋণ বিতরণ করা হয়েছিল, যার একটি বড় অংশই এখন খেলাপি হয়ে পড়েছে। বর্তমান পর্ষদ দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন করে কোনো বড় ঋণ বিতরণ করা না হলেও পুরনো ঋণগুলোর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় সেগুলো খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। এর মধ্যে বেক্সিমকো গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, সিকদার গ্রুপসহ বেশ কিছু প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানের নামে নেওয়া হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ ফেরত আসেনি। ফলে ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ক্রমাগত স্ফীত হচ্ছে।

অস্বাভাবিকভাবে খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকটিকে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন সংরক্ষণেও বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে ব্যাংকটির মূলধন কাঠামোর ওপর, যার ফলে তৈরি হয়েছে তীব্র মূলধন ঘাটতি। নিয়মিত সুদ আয় না হওয়া এবং খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশন রাখতে গিয়ে ব্যাংকটি বর্তমানে বড় অঙ্কের পরিচালন লোকসানের মুখোমুখি হয়েছে। অতীতে নানা অনিয়ম ও বিশেষ সুবিধা নেওয়ার কারণে প্রকৃত চিত্র দীর্ঘদিন লুকিয়ে রাখা হলেও পরবর্তীতে বিশেষ নিরীক্ষায় এসব জালিয়াতি ও বেনামি ঋণের তথ্য বেরিয়ে আসে।

ব্যাংকটির এমন নাজুক পরিস্থিতিতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং আর্থিক খাতের বিশৃঙ্খলা রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যেই সেখানে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। তবে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ও শীর্ষ নির্বাহীদের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ বা সফল ঋণ আদায়ের দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। অধিকাংশ ঋণখেলাপি ব্যক্তি পলাতক কিংবা কারাবন্দী থাকায় আইনি প্রক্রিয়াতেও কাঙ্ক্ষিত গতি আসছে না। যদিও এই সময়ের মধ্যে ব্যাংকটির আমানত কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে, তবুও পাহাড়সমান খেলাপি ঋণ ও মূলধন ঘাটতির কারণে আইএফআইসি ব্যাংকের আর্থিক স্থায়িত্ব নিয়ে গভীর শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়েছে ৫৭%

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়েছে ৫৭%

অর্থনীতি ডেস্ক: চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই দেশের আর্থিক খাতে সঞ্চয়পত্র বিক্রির ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্প্রতি প্রকাশিত একটি হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। অর্থবছরের প্রথম দুই মাস অর্থাৎ জুলাই ও আগস্টে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই দুই মাসে সাধারণ মানুষ সঞ্চয়পত্রে মোট ২ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন।

আগের অর্থবছরের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, সঞ্চয়পত্রের বিক্রি এবার এক লাফে অনেকটাই বেড়ে গেছে। আগের অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে নিট বিক্রির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা। অর্থাৎ তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এক বছরের ব্যবধানে এই খাতে বিক্রি ৮৯১ কোটি টাকা বা প্রায় ৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানেও সঞ্চয়পত্রের প্রতি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের শুধু জুলাই মাসেই সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৫৯ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের জুলাই মাসে যার পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা, যা প্রায় ৫৯ শতাংশ বেশি। যদিও আগস্ট মাসে এসে বিক্রির গতি কিছুটা শ্লথ হয় এবং নিট বিক্রি দাঁড়ায় ৪০৩ কোটি টাকায়। তবে আগের অর্থবছরের একই মাসের ২৭৮ কোটি টাকার তুলনামূলক হিসাবে আগস্টেও বিক্রি প্রায় ৪৫ শতাংশ বেশি ছিল।

অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকিং খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে নিরাপদ বিনিয়োগের সুযোগ সীমিত থাকায় মানুষ সঞ্চয়পত্রকে বেছে নিচ্ছেন। ব্যাংকিং খাতের চলমান অনিশ্চয়তা এবং আমানতের সুদহারের তুলনায় সঞ্চয়পত্রের মুনাফা বেশ আকর্ষণীয় হওয়ায় এর চাহিদা বাড়ছে। এছাড়া উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের সঞ্চয় করার ক্ষমতা কিছুটা কমলেও, সীমিত সেই জমানো অর্থের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই গ্রাহকরা এই সরকারি খাতের দিকে ঝুঁকছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে মুজেরী এই বিষয়ে জানান যে, দেশের ব্যাংকিং খাত এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীলতা অর্জন করতে পারেনি। এই আস্থার ঘাটতি ও অনিশ্চয়তার কারণে আমানতকারীরা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ নিরাপদে রাখতে চান। সঞ্চয়পত্রে মূলধন হারানোর কোনো ঝুঁকি না থাকা এবং তুলনামূলক ভালো মুনাফা পাওয়ায় সাধারণ মানুষ আবারও এই খাতে বিনিয়োগে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন বলে তিনি মনে করেন।


বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের উদীয়মান শিল্পখাতে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের ধারা অব্যাহত রয়েছে। এর অংশ হিসেবে দেশের মাটিতে জনপ্রিয় অটোমোবাইল ব্র্যান্ড টয়োটার গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপনের আনুষ্ঠানিক আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয়, যা দেশের মোটরশিল্পের প্রসারে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, বর্তমান সরকার দেশে একটি প্রকৃত বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। দেশি কিংবা বিদেশি—যেকোনো বৈধ বিনিয়োগকারীর জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা এবং সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর এমন ইতিবাচক মনোভাব ও সহযোগিতার আশ্বাসে সন্তোষ প্রকাশ করেছে বিদেশি প্রতিনিধিদলটি। তারা মনে করছেন, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাজার এবং সরকারের অনুকূল নীতিমালার কারণে গাড়ি সংযোজন বা উৎপাদন কারখানা স্থাপন অত্যন্ত লাভজনক হতে পারে। কারখানাটি বাস্তবায়িত হলে এটি দেশের অটোমোবাইল খাতে বড় ধরনের কর্মসংস্থান এবং প্রযুক্তির স্থানান্তর ঘটাতে সহায়তা করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, টয়োটার মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের বিনিয়োগ প্রস্তাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অন্যান্য বড় বিনিয়োগকারীরাও বাংলাদেশে বিনিয়োগে নতুন করে উৎসাহিত হবেন। সরকারের নীতিগত সহায়তা অব্যাহত থাকলে অচিরেই এই মেগা প্রকল্পের বিষয়ে আরও সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


সোনার দাম আরও কমলো, ভরি ২৫১১৮৪ টাকা

প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সোনার দাম আরও কমলো, ভরি ২৫১১৮৪ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম আরও কিছুটা কমানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম কমানো হয়েছে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গতকাল রাতে ঘোষণা দিয়ে আজ থেকে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমানো হয় ১ হাজার ৯২৫ টাকা। রাতের সিদ্ধান্তের পর সকাল হতেই এখন দাম আরও কমানোর সিদ্ধান্ত আসলো।

এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৬ হাজার ২৯৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা।

এর আগে গতকাল ঘোষণা দিয়ে আজ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৯২৫ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৫৭ হাজার ৭৭৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৮৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৫২ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৬৩৩ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৩৪১ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৬৯ টাকা। আজ সকাল ১০টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।

সোনার দাম কমানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ২৯০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।