?> আইএফআইসিতে বেঙ্গল গ্রুপের খেলাপি ১,৫৬০ কোটি টাকা | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

আইএফআইসিতে বেঙ্গল গ্রুপের খেলাপি ১,৫৬০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

আইএফআইসিতে বেঙ্গল গ্রুপের খেলাপি ১,৫৬০ কোটি টাকা

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে পরিচিত মুখ আবুল খায়ের লিটুর নেতৃত্বাধীন বেঙ্গল গ্রুপের ছয়টি অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের নামে বেসরকারি আইএফআইসি ব্যাংকে বিশাল অংকের খেলাপি ঋণ জমা হয়েছে। ব্যাংকটির অভ্যন্তরীণ নথি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা এবং এর সঙ্গে রয়েছে প্রায় ৬৯ কোটি টাকার বেশি স্থগিত সুদ। সব মিলিয়ে ব্যাংকটির কাছে এই শিল্পগোষ্ঠীর আটকে থাকা মোট অর্থের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৬৩০ কোটি টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। দীর্ঘদিন ধরে কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ না করায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আইএফআইসি ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বেঙ্গল গ্রুপের যেসব প্রতিষ্ঠানের ঋণ খেলাপি হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ভেসটেল ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্কস, বেঙ্গল কমিউনিকেশন এবং প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক। এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের কাছেই ব্যাংকের পাওনা ১ হাজার ২৭৫ কোটি টাকার বেশি। এছাড়া বায়ার মিডিয়া, সুইটস অব বেঙ্গল এবং বেটার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর নামেও শত শত কোটি টাকার ঋণ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিভিন্ন সময়ে মোট প্রায় ১ হাজার ১৯২ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছিল, যার বিপরীতে সুদ জমে হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ঋণ বিতরণের সময় গ্রাহকের আর্থিক সক্ষমতা ও যথাযথ জামানত মূল্যায়ন না করার কারণে এই ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বিগত সরকারের সময়ে আর্থিক খাতের প্রভাবশালী মহলের প্রভাবে এসব ঋণ অনুমোদন করা হয়েছিল, যেখানে যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের ঘাটতি ছিল। এর বিপরীতে জামানত হিসেবে মাত্র ৫২৩ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে, যা মোট ঋণের তুলনায় যথেষ্ট কম। বর্তমান পরিস্থিতিতে বেঙ্গল গ্রুপ বিশেষ ব্যবস্থায় ঋণ পুনঃতফসিলের জন্য আবেদন করেছে এবং নিয়ম অনুযায়ী ডাউনপেমেন্ট পরিশোধ সাপেক্ষে তা বিবেচনা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, বেঙ্গল গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু দাবি করেছেন যে ব্যাংকের দেখানো হিসাবের চেয়ে তাদের প্রকৃত দায় অনেক কম। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মূল ঋণের পরিমাণ ছিল ৭৫০ কোটি টাকার মতো এবং তারা ইতিমধ্যে ১ হাজার ১৫০ কোটি টাকার বেশি অর্থ পরিশোধ করেছেন। তবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জমা পড়া সেই টাকা মূল ঋণের বিপরীতে সমন্বয় না করে সুদের খাতে কেটে নেওয়ায় চক্রবৃদ্ধি হারে দায় বেড়ে গেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। পাশাপাশি, রাজনৈতিক প্রতিকূলতার কারণে দীর্ঘদিন ব্যবসা করতে না পারার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত জামানত থাকার পরও ব্যবসা পরিচালনায় নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছিল।

১০ ও ৩০ কাউন্ট সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের নির্দেশ

প্রকাশিত: ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

১০ ও ৩০ কাউন্ট সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের নির্দেশ

দেশীয় স্পিনিং শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা, রপ্তানি খাতে মূল্য সংযোজন বাড়ানো এবং এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

পাশাপাশি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে বিল অব এন্ট্রিতে কটন ইয়ার্নের কাউন্ট স্পষ্টভাবে উল্লেখ নিশ্চিত করতে এবং এইচএস কোডের অপব্যবহাররোধে কঠোর নজরদারির নির্দেশনা দিয়েছে। মন্ত্রণালয় মনে করে, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে দেশীয় টেক্সটাইল শিল্প সুরক্ষিত হবে এবং এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় বাংলাদেশের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী হবে।

গত ১২ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিবউটিও সেল-২ থেকে এক চিঠিতে এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) আহ্বানের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে শিল্পের সুরক্ষা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশীয় সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কাস্টমস ট্যারিফের এইচএস হেডিং ৫২.০৫, ৫২.০৬ ও ৫২.০৭-এর আওতায় ১০ ও ৩০ কাউন্টের সুতায় বন্ড সুবিধা থাকায় গত কয়েক বছরে আমদানি অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে এসব এইচএস হেডিংয়ের আওতায় সুতা আমদানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৬ হাজার মেট্রিক টন, যার মূল্য ছিল প্রায় ১ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমদানি বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৪১ হাজার মেট্রিক টনে এবং মূল্য ছাড়িয়ে যায় প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম দিকের প্রবণতাও ঊর্ধ্বমুখী, যেখানে আমদানির পরিমাণ ও মূল্য দুটিই উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বন্ড সুবিধা বন্ধের ব্যাখ্যায় চিঠিতে বলা হয়েছে, বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্ত বা স্বল্প শুল্কে আমদানি করা নিম্ন কাউন্টের সুতা দেশীয় বাজারে তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হচ্ছে, ফলে স্থানীয় স্পিনিং মিলগুলো প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। বর্তমানে দেশীয় স্পিনিং মিলগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও বাস্তবে তারা মাত্র ৬০ শতাংশ সক্ষমতা ব্যবহার করে উৎপাদন চালাচ্ছে, যা শিল্পটির আর্থিক টেকসই অবস্থানকে দুর্বল করে দিচ্ছে।

অন্যদিকে, সুতা আমদানির এই প্রবণতার কারণে দেশীয় উৎপাদিত সুতার বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, এরই মধ্যে প্রায় ৫০টি স্পিনিং মিল বন্ধ হয়ে গেছে এবং আরও অনেক প্রতিষ্ঠান লোকসানের মুখে পড়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরও মিল বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, যা কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ উভয়ের জন্যই নেতিবাচক।

এছাড়া সুতা আমদানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দেশের গার্মেন্টস খাতকে ধীরে ধীরে আমদানিনির্ভর করে তুলছে। এতে দেশের টেক্সটাইল ভ্যালু চেইনের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ দুর্বল হচ্ছে এবং দীর্ঘমেয়াদে শিল্প কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বাস্তবতার কথা তুলে বলেছে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণ ঘটালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মতো প্রধান রপ্তানি বাজারে বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধা অনেকাংশে হারাতে হবে। তখন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, সেপা ও জিএসপি প্লাস সুবিধা পেতে হলে রপ্তানি পণ্যে ৪০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত স্থানীয় মূল্য সংযোজন এবং ডাবল স্টেজ ট্রান্সফরমেশন নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক হবে। আমদানি করা সুতার ওপর নির্ভরতা থাকলে এসব শর্ত পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে জানানো হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রনালয়, মনে করে বন্ড সুবিধা অব্যাহত থাকলে দেশীয় শিল্পে নতুন বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হবে এবং উৎপাদন ব্যয় ও লিড টাইম বেড়ে যাওয়ার কারণে রপ্তানি খাতের সামগ্রিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হ্রাস পাবে। বিপরীতে, নিম্ন কাউন্টের সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার করা হলে দেশীয় স্পিনিং শিল্পে ভারসাম্য ফিরে আসবে, স্থানীয় উৎপাদন বাড়বে এবং কর্মসংস্থান সুরক্ষিত হবে।


৩০ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণের বোঝা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

৩০ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণের বোঝা

অর্থনীতি ডেস্ক: বেসরকারি খাতের আইএফআইসি ব্যাংকে খেলাপি ঋণের বোঝা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সাম্প্রতিক এক তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের স্থিতি ২৯ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে, যা মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় ৬৫ শতাংশ। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হলেও খেলাপি ঋণ কমানোর ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি অর্জিত হয়নি। বরং গত দুই মাসের ব্যবধানে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ আরও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যাংকের সার্বিক আর্থিক সূচকগুলোর অবনতি ঘটায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক কার্যক্রমের ওপর।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিগত সরকারের আমলে এই ব্যাংকটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। সে সময় বিভিন্ন বেনামি ও প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে বড় অঙ্কের ঋণ বিতরণ করা হয়েছিল, যার একটি বড় অংশই এখন খেলাপি হয়ে পড়েছে। বর্তমান পর্ষদ দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন করে কোনো বড় ঋণ বিতরণ করা না হলেও পুরনো ঋণগুলোর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় সেগুলো খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। এর মধ্যে বেক্সিমকো গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, সিকদার গ্রুপসহ বেশ কিছু প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানের নামে নেওয়া হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ ফেরত আসেনি। ফলে ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ক্রমাগত স্ফীত হচ্ছে।

অস্বাভাবিকভাবে খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকটিকে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন সংরক্ষণেও বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে ব্যাংকটির মূলধন কাঠামোর ওপর, যার ফলে তৈরি হয়েছে তীব্র মূলধন ঘাটতি। নিয়মিত সুদ আয় না হওয়া এবং খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশন রাখতে গিয়ে ব্যাংকটি বর্তমানে বড় অঙ্কের পরিচালন লোকসানের মুখোমুখি হয়েছে। অতীতে নানা অনিয়ম ও বিশেষ সুবিধা নেওয়ার কারণে প্রকৃত চিত্র দীর্ঘদিন লুকিয়ে রাখা হলেও পরবর্তীতে বিশেষ নিরীক্ষায় এসব জালিয়াতি ও বেনামি ঋণের তথ্য বেরিয়ে আসে।

ব্যাংকটির এমন নাজুক পরিস্থিতিতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং আর্থিক খাতের বিশৃঙ্খলা রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যেই সেখানে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। তবে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ও শীর্ষ নির্বাহীদের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ বা সফল ঋণ আদায়ের দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। অধিকাংশ ঋণখেলাপি ব্যক্তি পলাতক কিংবা কারাবন্দী থাকায় আইনি প্রক্রিয়াতেও কাঙ্ক্ষিত গতি আসছে না। যদিও এই সময়ের মধ্যে ব্যাংকটির আমানত কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে, তবুও পাহাড়সমান খেলাপি ঋণ ও মূলধন ঘাটতির কারণে আইএফআইসি ব্যাংকের আর্থিক স্থায়িত্ব নিয়ে গভীর শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।


সোনার দাম আরও কমলো, ভরি ২৫১১৮৪ টাকা

প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সোনার দাম আরও কমলো, ভরি ২৫১১৮৪ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম আরও কিছুটা কমানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম কমানো হয়েছে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গতকাল রাতে ঘোষণা দিয়ে আজ থেকে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমানো হয় ১ হাজার ৯২৫ টাকা। রাতের সিদ্ধান্তের পর সকাল হতেই এখন দাম আরও কমানোর সিদ্ধান্ত আসলো।

এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৬ হাজার ২৯৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা।

এর আগে গতকাল ঘোষণা দিয়ে আজ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৯২৫ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৫৭ হাজার ৭৭৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৮৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৫২ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৬৩৩ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৩৪১ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৬৯ টাকা। আজ সকাল ১০টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।

সোনার দাম কমানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ২৯০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।