?> নির্মাণ-উৎপাদন খাতে মন্দা কাটছে না, স্বস্তি কৃষিতে | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

নির্মাণ-উৎপাদন খাতে মন্দা কাটছে না, স্বস্তি কৃষিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

নির্মাণ-উৎপাদন খাতে মন্দা কাটছে না, স্বস্তি কৃষিতে

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে মন্দার আবহ কাটছে না এবং সম্প্রতি প্রকাশিত পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স বা পিএমআই প্রতিবেদনে এর স্পষ্ট চিত্র ফুটে উঠেছে। মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ঢাকা এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ যৌথভাবে দেশের এই অর্থনৈতিক সূচকটি প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে সার্বিক পিএমআই কমে ৪৮.৬ পয়েন্টে নেমে এসেছে, যা আগের মাসে ছিল ৪৯.৯ পয়েন্ট। এর মধ্য দিয়ে টানা দুই মাস এই সূচক হ্রাসের ঘটনা ঘটল, যা দেশের অর্থনীতির মূলধারায় একধরনের সংকোচনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

অর্থনীতির অন্যতম বড় দুটি চালিকাশক্তি অর্থাৎ উৎপাদন এবং নির্মাণ খাত দীর্ঘদিন ধরে গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং এ অবস্থা থেকে উত্তরণের কোনো লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না। সেপ্টেম্বরে উৎপাদন খাতের পিএমআই ২.৬ পয়েন্ট কমে ৪৪.৮-এ ঠেকেছে, যেখানে নতুন অর্ডার থেকে শুরু করে কাঁচামাল আমদানি ও মজুত—সব সূচকই নিম্নমুখী। অন্যদিকে, আবাসন ও অবকাঠামো খাতের মূল চালিকাশক্তি নির্মাণ খাতও আগস্টের সামান্য উন্নতির পর ফের সংকোচনে চলে গেছে এবং এর সূচক কমে দাঁড়িয়েছে ৪৮.৫ পয়েন্টে। কাঁচামালের উচ্চ মূল্য, সরবরাহ শৃঙ্খলে জটিলতা এবং নতুন বিনিয়োগের ঘাটতি এই খাতগুলোকে ক্রমাগত পিছিয়ে দিচ্ছে।

শিল্প খাতের এই হতাশার মাঝেও একমাত্র আশার আলো হয়ে দাঁড়িয়েছে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির মেরুদণ্ড ও খাদ্য নিরাপত্তার প্রতীক কৃষি খাত। প্রতিকূল পরিস্থিতি ও নানামুখী অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও কৃষি খাতে ধারাবাহিক সম্প্রসারণ ও স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কৃষি খাতের পিএমআই ৫৫.২ পয়েন্টে অবস্থান করছে এবং টানা তেরো মাস ধরে এই খাতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। অন্য খাতগুলো যখন চরম মন্দার কবলে, তখন কৃষির এই শক্তিশালী অবস্থান দেশের সামগ্রিক খাদ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং অর্থনীতিতে বড় ধরনের স্বস্তি আনতে প্রধান ভূমিকা পালন করছে।

এদিকে ব্যবসায়ীরা ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে মিশ্র ও সতর্ক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন এবং জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও ব্যাংকঋণ প্রাপ্তির জটিলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ মনে করেন, উৎপাদন ও সেবা খাতের দুর্বলতা কাটাতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধি, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং ব্যয় সংকোচনের কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের গতি বাড়াতে নীতিনির্ধারকদের দ্রুত ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।

স্বাভাবিক হচ্ছে ৩০ ব্যাংকের এটিএম ও কার্ড সেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

স্বাভাবিক হচ্ছে ৩০ ব্যাংকের এটিএম ও কার্ড সেবা

অর্থনীতি ডেস্ক: কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্কের কারিগরি ত্রুটি সফলভাবে সমাধান হওয়ায় দেশের প্রায় ৩০টি ব্যাংকের এটিএম বুথ এবং কার্ডভিত্তিক লেনদেন সেবা পুনরায় চালু হয়েছে। এর ফলে গ্রাহকরা এখন থেকে আগের মতো নির্বিঘ্নে এটিএম থেকে নগদ টাকা উত্তোলন, পয়েন্ট অব সেলস বা পিওএস এবং ই-কমার্স লেনদেন সম্পন্ন করতে পারছেন। নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের এসএমএস বা খুদে বার্তার মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা পুরোপুরি সচল হওয়ার সুসংবাদটি নিশ্চিত করেছে। ব্যাংক এশিয়া সহ বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে যে তাদের এটিএম ও কিউআরভিত্তিক সব সেবা এখন পুরোপুরি কার্যকর রয়েছে।

এর আগে কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্কের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, সিস্টেম মাইগ্রেশন এবং জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা জুড়ে এসব ব্যাংকের কার্ড ও এনপিএসবি সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। নির্ধারিত এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে সাধারণ গ্রাহকদের এটিএম থেকে অর্থ সংগ্রহ এবং বিভিন্ন ডিজিটাল কেনাকাটায় সাময়িক ভোগান্তির শিকার হতে হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো এই রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম ৪ অক্টোবর রাত থেকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চলার কথা আগেই জানিয়েছিল। তবে এই জটিলতার কারণে দেশের সামগ্রিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়েনি, বরং শুধুমাত্র কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্কের আওতাধীন ব্যাংকগুলোর নির্দিষ্ট কিছু সেবা ব্যাহত হয়েছিল।

গ্রাহকদের এই সাময়িক ভোগান্তি দ্রুত নিরসনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং কিউ-ক্যাশের মূল পরিচলনা প্রতিষ্ঠান আইটি কনসালট্যান্টস পিএলসির শীর্ষ নির্বাহীদের জরুরি তলব করে। বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তরফ থেকে পেমেন্ট স্যুইচিংসহ কার্ডের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত ডিজিটাল সেবা অবিলম্বে স্বাভাবিক করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত দলগুলো দ্রুত কাজ শেষ করে এবং নেটওয়ার্ক সচল করতে সক্ষম হয়। এর পরপরই একে একে সমস্ত ব্যাংকের এটিএম, ই-কমার্স ও কিউআর সেবা স্বাভাবিক ধারায় ফিরে আসে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্কের এই সাময়িক গোলযোগের সময়েও দেশের সার্বিক পেমেন্ট ব্যবস্থার বড় একটি অংশ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিল। জাতীয় পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ বা এনপিএসবির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ব্যাংকগুলো, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস এবং অন্যান্য অনলাইন পেমেন্ট সেবা আগের মতোই সচল ছিল। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের সরাসরি পরিচালনায় থাকা বিইএফটিএন, বিএসিপিএস এবং আরটিজিএসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্লিয়ারিং ও সেটেলমেন্ট ব্যবস্থাগুলো নির্বিঘ্নে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেছে। ফলে পুরো ব্যাংকিং খাত সচল রেখে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংকের গ্রাহক সেবা দ্রুত পুনর্বহাল করা সম্ভব হয়েছে।


সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানত তুলতে ছাড়তে হচ্ছে মুনাফা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানত তুলতে ছাড়তে হচ্ছে মুনাফা

আর্থিক সংকটে পড়া শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানতের টাকা তুলতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকেরা। ব্যাংকটি থেকে মূল টাকা এককালীন তুলতে চাইলে আমানতকারীদের মুনাফা এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি ভবিষ্যতে এই বিষয়ে কোনো ধরনের আইনি পদক্ষেপ বা মামলা করা যাবে না মর্মে একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর নেওয়া হচ্ছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

তীব্র আর্থিক অনিয়মের জেরে অতীতে সংকটে পড়া এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংক একীভূত করার মাধ্যমে সরকারের পক্ষ থেকে এই প্রতিষ্ঠানটি দাঁড় করানো হয়। গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে সরকারের উদ্যোগে আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, যারা নিজেদের জমানো মূল টাকা একসঙ্গে তুলে নিতে চান, তাদের দুই পৃষ্ঠার একটি ‘আবেদনপূর্বক অঙ্গীকারনামা’ পূরণ করতে হচ্ছে। এই অঙ্গীকারনামার শর্ত অনুযায়ী, মূল টাকা পাওয়ার পর হিসাবের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়ে যাবে এবং গ্রাহক বা তাদের উত্তরাধিকারীরা ভবিষ্যতে কোনো ধরনের দাবি বা আপিল করতে পারবেন না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে বিপুলসংখ্যক গ্রাহক ব্যাংকটি থেকে আমানত তুলে নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন এবং একটি বড় অংশ ইতিমধ্যে টাকা তুলে নিয়েছেন। এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আমানতের ওপর কোনো ধরনের হেয়ারকাট বা মুনাফা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলেও, এককালীন টাকা তোলার শর্ত হিসেবে মুনাফা ও আইনি অধিকার ছাড়ার এই নিয়ম বহাল রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে টাকা আদায় না হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে যাঁরা টাকা তুলতে চাচ্ছেন, তাঁদের মুনাফা কেটে রাখা হচ্ছে এবং সংকট কাটলে অন্যরা মুনাফাসহ টাকা ফেরত পাবেন।

এদিকে এমন শর্তযুক্ত অঙ্গীকারনামা আদায় করার ঘটনায় গ্রাহকরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং এটিকে অবৈধ ও আর্থিক ক্ষতির কারণ বলে অভিহিত করেছেন। অনেক গ্রাহক অভিযোগ করেছেন যে, প্রধান কার্যালয় থেকে নিয়ম শিথিল করার কথা বলা হলেও মাঠপর্যায়ের শাখাগুলো তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করছে না। এছাড়া টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা ও জটিলতার কারণে অনেক আমানতকারী চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সার্বिक এই পরিস্থিতিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি বিভাগীয় প্রধান ও শাখা ব্যবস্থাপকদের কাছে মেয়াদি আমানতের মুনাফার হার পুনর্নির্ধারণ এবং হিসাব যাচাই করে অর্থ পরিশোধের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা পাঠিয়েছে।


গত অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪.৬ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

গত অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪.৬ শতাংশ

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশিত নতুন তথ্যে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমে ইতিবাচক গতির চিত্র উঠে এসেছে। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের চতুর্থ তথা শেষ প্রান্তিকে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত সময়সীমায় জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে চার দশমিক ৬০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে বেশ কম ছিল। অর্থনীতিতে স্বস্তি ফেরানোর মতো এই অর্জনের ফলে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক গতিপ্রকৃতিতে কিছুটা চাঞ্চল্য লক্ষ্য করা গেছে।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, চলতি মূল্যের হিসেবে আলোচ্য শেষ প্রান্তিকে দেশের মোট জিডিপির আর্থিক পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ১১ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকার বেশি। আগের অর্থবছরের ঠিক একই সময়ে এই জিডিপির পরিমাণ ছিল চৌদ্দ লাখ কোটি টাকার কিছু বেশি। মূলত বিভিন্ন খাতের সম্মিলিত অবদানের ফলেই জিডিপির এই আকার বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান সংস্থার প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আলোচিত অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির গতি বিভিন্ন মাত্রায় ওঠানামা করেছিল। বছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী থাকলেও পরবর্তীতে তা কিছুটা মন্থর হয়ে পড়েছিল। তবে বছরের শেষ প্রান্তিকে এসে প্রবৃদ্ধির এই উল্লম্ফন বার্ষিক হিসাবকে ইতিবাচক অবস্থানে নিয়ে যেতে সহায়তা করেছে। গত চার প্রান্তিকের সার্বিক হিসাব বিবেচনায় নিয়ে স্থির মূল্যে শেষ হওয়া পুরো অর্থবছরের বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে তিন দশমিক ৬৮ শতাংশ।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, শেষ প্রান্তিকে অর্থনীতির প্রধান তিন খাতের মধ্যে শিল্প ও সেবা খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। এর মধ্যে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি উল্লম্ফন দেখিয়েছে এবং এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে তা ছয় শতাংশের বেশি গিয়ে ঠেকেছে। একই সঙ্গে সেবা খাতের কার্যক্রমেও গতি ফিরেছে এবং আগের বছরের তুলনায় এর প্রবৃদ্ধির হার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। তবে সার্বিক প্রবৃদ্ধির এই ইতিবাচক ধারার বিপরীতে একমাত্র কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি সামান্য হোঁচট খেয়েছে এবং আগের বছরের তুলনায় এর হার কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।