?> অর্থনীতির গতি আরও কমেছে, পাঁচ কারণে উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

অর্থনীতির গতি আরও কমেছে, পাঁচ কারণে উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতির গতি আরও কমেছে, পাঁচ কারণে উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি আরও মন্থর হয়েছে এবং এর মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে শিল্প উৎপাদন খাতের ব্যবসার সংকোচন। সম্প্রতি প্রকাশিত পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স বা পিএমআইয়ের মূল্যায়নে এই তথ্য উঠে এসেছে, যা যৌথভাবে তৈরি করেছে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ। গবেষণায় দেখা গেছে যে, পণ্যের নতুন ক্রয়াদেশ, কাঁচামালের মজুত এবং আমদানি কমে যাওয়ায় গত মাসে শিল্প খাতের পাশাপাশি সেবা ও নির্মাণ খাতও দুর্বল পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে। একমাত্র কৃষি খাতটি ইতিবাচক ধারায় থাকলেও সামগ্রিক অর্থনীতির গতি বাড়াতে তা পর্যাপ্ত প্রমাণিত হয়নি।

অর্থনীতির প্রধান খাতগুলোর চারশটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীদের মতামতের ওপর ভিত্তি করে প্রতি মাসে পিএমআই সূচক তৈরি করা হয়। সাধারণত ৫০ পয়েন্টকে অর্থনীতির সম্প্রসারণ বা সংকোচনের সীমানা হিসেবে ধরা হয়, যেখানে সূচক এর নিচে নামলে সংকোচন বোঝায়। গত মাসে এই সূচকের মান কমে ৪৮ দশমিক ৬ পয়েন্টে নেমে এসেছে, যা আগের মাসে ছিল ৪৯ দশমিক ৯ পয়েন্ট। এর মাধ্যমে গত দুই বছর ধরে চলমান অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও উত্থান-পতনের চিত্রটি আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে ব্যবসায়ীদের কাছে।

দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং এর পেছনে প্রধানত পাঁচটি কারণকে দায়ী করেছেন। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, কাঁচামাল ও পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়া, সাধারণ মানুষের দুর্বল ক্রয়ক্ষমতা, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের তীব্র ঘাটতি এবং ব্যাংকঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা জটিলতা ব্যবসায়িক পরিবেশকে কঠিন করে তুলেছে। উদ্যোক্তারা মনে করছেন, চলমান অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে এবং এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে উৎপাদন আরও ব্যাহত হতে পারে।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে, উৎপাদন খাতের পিএমআই উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৪৪ দশমিক ৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে যা সার্বিক সূচক পতনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া নির্মাণ খাত নতুন করে সংকোচনের মুখে পড়ে ৪৮ দশমিক ৫ পয়েন্টে নেমেছে এবং সেবা খাত টানা দুই মাস ধরে নেতিবাচক ধারায় রয়েছে। তবে এর বিপরীতে কৃষি খাত দীর্ঘদিন ধরে সম্প্রসারণের ধারা ধরে রেখেছে যদিও সেখানেও বৃদ্ধির গতি কিছুটা মন্থর হয়েছে। পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ জানিয়েছেন যে, অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে হলে অবিলম্বে নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যয়চাপ কমানো এবং অর্থায়নের সুযোগ সহজ করা জরুরি।

এলপিজি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: তথ্য উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

এলপিজি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: তথ্য উপদেষ্টা

অর্থনীতি ডেস্ক: তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি এবং অটো গ্যাস নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছেন সরকারের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলরা। সম্প্রতি সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরার সময় এই কঠোর বার্তার কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। দেশের জ্বালানি বাজারে চলা অস্থিরতা এবং পণ্যের মূল্য নিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর করতেই এই কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তথ্য উপদেষ্টা জানান, বাজারে জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রয় নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই দেশের সব জেলার জেলা প্রশাসকদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরিষ্কার নির্দেশনা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। খুচরা বিক্রেতারা নির্ধারিত দামের বেশি আদায় করলে বা কারসাজি করলে প্রশাসন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

জ্বালানি খাতের স্থিতিশীলতা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, জ্বালানি সংকট পুরোপুরি কেটে গেলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ অনেকখানি বেড়ে যাবে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে অর্থনীতির চাকা আরও গতিশীল হবে এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি কাঙ্ক্ষিত মানে উন্নীত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের প্রভাব বিশ্ববাজারের পাশাপাশি দেশের জ্বালানি খাতেও কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করেছে বলে স্বীকার করেন তথ্য উপদেষ্টা। তবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের পূর্ণ ম্যান্ডেট নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক এই সংকট আরও ঘনীভূত না হলে দেশের ভেতরে জ্বালানি সমস্যা সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। সরকার সংকট উত্তরণে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং অচিরেই সুফল পাওয়া যাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।


নির্মাণ-উৎপাদন খাতে মন্দা কাটছে না, স্বস্তি কৃষিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

নির্মাণ-উৎপাদন খাতে মন্দা কাটছে না, স্বস্তি কৃষিতে

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে মন্দার আবহ কাটছে না এবং সম্প্রতি প্রকাশিত পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স বা পিএমআই প্রতিবেদনে এর স্পষ্ট চিত্র ফুটে উঠেছে। মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ঢাকা এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ যৌথভাবে দেশের এই অর্থনৈতিক সূচকটি প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে সার্বিক পিএমআই কমে ৪৮.৬ পয়েন্টে নেমে এসেছে, যা আগের মাসে ছিল ৪৯.৯ পয়েন্ট। এর মধ্য দিয়ে টানা দুই মাস এই সূচক হ্রাসের ঘটনা ঘটল, যা দেশের অর্থনীতির মূলধারায় একধরনের সংকোচনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

অর্থনীতির অন্যতম বড় দুটি চালিকাশক্তি অর্থাৎ উৎপাদন এবং নির্মাণ খাত দীর্ঘদিন ধরে গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং এ অবস্থা থেকে উত্তরণের কোনো লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না। সেপ্টেম্বরে উৎপাদন খাতের পিএমআই ২.৬ পয়েন্ট কমে ৪৪.৮-এ ঠেকেছে, যেখানে নতুন অর্ডার থেকে শুরু করে কাঁচামাল আমদানি ও মজুত—সব সূচকই নিম্নমুখী। অন্যদিকে, আবাসন ও অবকাঠামো খাতের মূল চালিকাশক্তি নির্মাণ খাতও আগস্টের সামান্য উন্নতির পর ফের সংকোচনে চলে গেছে এবং এর সূচক কমে দাঁড়িয়েছে ৪৮.৫ পয়েন্টে। কাঁচামালের উচ্চ মূল্য, সরবরাহ শৃঙ্খলে জটিলতা এবং নতুন বিনিয়োগের ঘাটতি এই খাতগুলোকে ক্রমাগত পিছিয়ে দিচ্ছে।

শিল্প খাতের এই হতাশার মাঝেও একমাত্র আশার আলো হয়ে দাঁড়িয়েছে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির মেরুদণ্ড ও খাদ্য নিরাপত্তার প্রতীক কৃষি খাত। প্রতিকূল পরিস্থিতি ও নানামুখী অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও কৃষি খাতে ধারাবাহিক সম্প্রসারণ ও স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কৃষি খাতের পিএমআই ৫৫.২ পয়েন্টে অবস্থান করছে এবং টানা তেরো মাস ধরে এই খাতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। অন্য খাতগুলো যখন চরম মন্দার কবলে, তখন কৃষির এই শক্তিশালী অবস্থান দেশের সামগ্রিক খাদ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং অর্থনীতিতে বড় ধরনের স্বস্তি আনতে প্রধান ভূমিকা পালন করছে।

এদিকে ব্যবসায়ীরা ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে মিশ্র ও সতর্ক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন এবং জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও ব্যাংকঋণ প্রাপ্তির জটিলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ মনে করেন, উৎপাদন ও সেবা খাতের দুর্বলতা কাটাতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধি, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং ব্যয় সংকোচনের কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের গতি বাড়াতে নীতিনির্ধারকদের দ্রুত ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।


সাতসকালে ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়লো সোনার দাম

প্রকাশিত: ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সাতসকালে ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়লো সোনার দাম

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।  

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।  

আজ শনিবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

এর আগে গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমানো হয় ৭ হাজার ৬৪০ টাকা। এই দাম কমানোর ২৪ ঘণ্টা পর একই পরিমাণ দাম বাড়ানো হলো।

এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৬ হাজার ২৪১ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা।

এর আগে গতকাল সকাল ১০টা থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪২ হাজার ৯০৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৬ হাজার ২৪১ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় এক লাখ ৭০ হাজার ৪১১ টাকা। আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।

সোনার দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।