?> ভঙ্গুর অর্থনীতি সামলাতে দেশীয় কৌশলেই এগোচ্ছে সরকার | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

ভঙ্গুর অর্থনীতি সামলাতে দেশীয় কৌশলেই এগোচ্ছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

ভঙ্গুর অর্থনীতি সামলাতে দেশীয় কৌশলেই এগোচ্ছে সরকার

অর্থনীতি ডেস্ক: অতীত থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা পুনরুদ্ধারে নিজস্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সংস্কার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। ব্যাংকিং ও রাজস্ব খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো নিজেরাই চিহ্নিত করে স্থানীয় পরিস্থিতির সঙ্গে মানানসই বিভিন্ন কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থার শর্তের ওপর নির্ভর না করে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও নির্বাচনি ইশতেহারের ভিত্তিতে এই অভ্যন্তরীণ সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) মতো সংস্থার সহযোগিতা চাওয়া হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিক সম্মেলনে বাংলাদেশের এই সুনির্দিষ্ট অবস্থান জোরালোভাবে তুলে ধরা হবে। এই সম্মেলনে যোগ দিতে দেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরসহ সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকেরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। সম্মেলনে দেশের সংস্কার কার্যক্রম কোনো বহিরাগত চাপ নয়, বরং জনগণের ম্যান্ডেটের অংশ—এই বার্তাটি আন্তর্জাতিক মহলে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা হবে। এছাড়া সংস্কারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং বিশ্বব্যাংকের কাঠামোর সঙ্গে সরকারের রূপরেখার সমন্বয় সাধনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় কেবল বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভর না করে অর্থায়নের বহুমুখী উৎস খোঁজার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কনসেশনাল বা সহজ শর্তের ঋণের পাশাপাশি স্থানীয় বন্ড, সুকুক বন্ড এবং প্রবাসীদের ওয়েজ আর্নার স্কিমসহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ খাতকে কাজে লাগিয়ে তহবিল গঠন করা হবে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় বেসরকারি খাতের বিনিয়োগে স্থবিরতা, জিডিপির তুলনায় অত্যন্ত কম রাজস্ব আয় এবং ব্যাংকগুলোতে তীব্র তারল্য সংকটের মতো গুরুতর চ্যালেঞ্জগুলো সামনে এসেছিল। এসব সমস্যা সমাধানে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে এখন অর্থনৈতিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং গ্রাহকদের আস্থা পুনর্গঠন সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অতীতে বিভিন্ন ব্যাংকে তারল্য সংকট এবং প্রকৃত খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেশি থাকলেও বর্তমানে তা উত্তরণে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে আমানতকারীদের অর্থ উত্তোলনের নিশ্চয়তা দেওয়ায় ব্যাংকিং খাতে ধীরে ধীরে আস্থার পরিবেশ ফিরে আসছে। পাশাপাশি, বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো পুনরায় উৎপাদনে ফেরাতে বিশেষ প্রণোদনামূলক পুনঃঅর্থায়ন স্কিম চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।

সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়েছে ৫৭%

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়েছে ৫৭%

অর্থনীতি ডেস্ক: চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই দেশের আর্থিক খাতে সঞ্চয়পত্র বিক্রির ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্প্রতি প্রকাশিত একটি হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। অর্থবছরের প্রথম দুই মাস অর্থাৎ জুলাই ও আগস্টে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই দুই মাসে সাধারণ মানুষ সঞ্চয়পত্রে মোট ২ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন।

আগের অর্থবছরের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, সঞ্চয়পত্রের বিক্রি এবার এক লাফে অনেকটাই বেড়ে গেছে। আগের অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে নিট বিক্রির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা। অর্থাৎ তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এক বছরের ব্যবধানে এই খাতে বিক্রি ৮৯১ কোটি টাকা বা প্রায় ৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানেও সঞ্চয়পত্রের প্রতি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের শুধু জুলাই মাসেই সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৫৯ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের জুলাই মাসে যার পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা, যা প্রায় ৫৯ শতাংশ বেশি। যদিও আগস্ট মাসে এসে বিক্রির গতি কিছুটা শ্লথ হয় এবং নিট বিক্রি দাঁড়ায় ৪০৩ কোটি টাকায়। তবে আগের অর্থবছরের একই মাসের ২৭৮ কোটি টাকার তুলনামূলক হিসাবে আগস্টেও বিক্রি প্রায় ৪৫ শতাংশ বেশি ছিল।

অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকিং খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে নিরাপদ বিনিয়োগের সুযোগ সীমিত থাকায় মানুষ সঞ্চয়পত্রকে বেছে নিচ্ছেন। ব্যাংকিং খাতের চলমান অনিশ্চয়তা এবং আমানতের সুদহারের তুলনায় সঞ্চয়পত্রের মুনাফা বেশ আকর্ষণীয় হওয়ায় এর চাহিদা বাড়ছে। এছাড়া উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের সঞ্চয় করার ক্ষমতা কিছুটা কমলেও, সীমিত সেই জমানো অর্থের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই গ্রাহকরা এই সরকারি খাতের দিকে ঝুঁকছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে মুজেরী এই বিষয়ে জানান যে, দেশের ব্যাংকিং খাত এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীলতা অর্জন করতে পারেনি। এই আস্থার ঘাটতি ও অনিশ্চয়তার কারণে আমানতকারীরা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ নিরাপদে রাখতে চান। সঞ্চয়পত্রে মূলধন হারানোর কোনো ঝুঁকি না থাকা এবং তুলনামূলক ভালো মুনাফা পাওয়ায় সাধারণ মানুষ আবারও এই খাতে বিনিয়োগে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন বলে তিনি মনে করেন।


বৈদেশিক ঋণের অর্থ সংরক্ষণে এফসি হিসাব খোলার সুযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

বৈদেশিক ঋণের অর্থ সংরক্ষণে এফসি হিসাব খোলার সুযোগ

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক ঋণের অর্থ নিরাপদে সংরক্ষণের জন্য যোগ্য বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ সুবিধা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত একটি নতুন সার্কুলার জারি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রায় ফরেন কারেন্সি বা এফসি হিসাব খোলার পথ সুগম হলো। মূলত শিল্প খাতের আর্থিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে এবং বৈদেশিক লেনদেন প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্দেশ্যেই এই নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু প্রক্রিয়া ও শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশি অর্থায়ন গ্রহণ করতে পারবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বিডা-র ঋণ স্ক্রুটিনি কমিটি, সরাসরি কেন্দ্রীয় ব্যাংক অথবা নন-কনসেশনাল লোন সংক্রান্ত স্ট্যান্ডিং কমিটির অনুমোদন নিতে হবে। যথাযথ নিয়মের মাধ্যমেই কেবল এসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব পরিচালনার সুযোগ পাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, এই হিসাবগুলোতে জমাকৃত বৈদেশিক মুদ্রা বর্তমান আমদানি নীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত বিধিমালা মেনে ব্যবহার করা যাবে। এর মাধ্যমে শিল্পের কাঁচামাল বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির এলসি বা ঋণপত্র খোলা সহজ হবে। পাশাপাশি, বৈদেশিক ঋণের অর্থ দিয়ে বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রকৃত সেবামূল্য পরিশোধের কাজেও এই সংরক্ষিত তহবিল ব্যবহার করার সুযোগ থাকছে।

ব্যবসার সুবিধার্থে এই এফসি হিসাবের বৈদেশিক মুদ্রা প্রয়োজনবোধে টাকায় রূপান্তর করারও সুযোগ রাখা হয়েছে, যা স্থানীয় বাজার থেকে নানা ধরনের কাঁচামাল বা সেবা ক্রয়ে সহায়তা করবে। এছাড়া ব্যাংকার ও গ্রাহকের পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে হিসাবের স্থিতি অর্থের ওপর নির্ধারিত হারে সুদ বা মুনাফা অর্জিত হতে পারে। অন্যদিকে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধের বিষয়টি নিশ্চিত করতে এই হিসাবগুলোতে নির্দিষ্ট পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা জমা রাখার বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে।

ঋণ চুক্তির শর্তে যদি কিস্তি পরিশোধের জন্য অর্থ আলাদা করে সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা থাকে, তবে ঋণের পুরো মেয়াদজুড়ে এই এফসি হিসাব চালু রাখা যাবে। তবে হিসাব ব্যবস্থাপনায় সুনির্দিষ্ট নিয়ম বজায় রাখতে পরবর্তী তিনটি কিস্তি পরিশোধের জন্য যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন, তার অতিরিক্ত কোনো স্থিতি এই হিসাবে রাখা যাবে না। সার্বিক এই উদ্যোগের ফলে দেশের বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনা আরও স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।


সাতসকালে ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়লো সোনার দাম

প্রকাশিত: ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সাতসকালে ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়লো সোনার দাম

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।  

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।  

আজ শনিবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

এর আগে গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমানো হয় ৭ হাজার ৬৪০ টাকা। এই দাম কমানোর ২৪ ঘণ্টা পর একই পরিমাণ দাম বাড়ানো হলো।

এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৬ হাজার ২৪১ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা।

এর আগে গতকাল সকাল ১০টা থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪২ হাজার ৯০৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৬ হাজার ২৪১ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় এক লাখ ৭০ হাজার ৪১১ টাকা। আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।

সোনার দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।