?> আমরা সরকারও মানছি না, রাজপথও ছাড়ছি না: মান্না | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

আমরা সরকারও মানছি না, রাজপথও ছাড়ছি না: মান্না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

আমরা সরকারও মানছি না, রাজপথও ছাড়ছি না: মান্না

বার্তাবেলা ডেস্ক: সরকার দ্রব্যমূল্য কমাতে পারবে না বলে দাবি করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মৌচাক মোড়ে ‘গণতন্ত্রের পক্ষে গণস্বাক্ষর’ কর্মসূচিতে এ কথা বলেন তিনি।

মান্না বলেন, এই সরকার দ্রব্যমূল্য কমাতে পারবে না। কারণ এরাই সিন্ডিকেট, আর সিন্ডিকেটই সরকার।

তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে। দেশের জনগণকে এই সরকারের হাত থেকে মুক্ত করেই আমরা ফিরবো। ঢাকা মহানগরের সব থানা থেকে শুরু করে সারাদেশে আমরা জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য গণস্বাক্ষর কর্মসূচি চালিয়ে যাবো। পাশাপাশি শেখ হাসিনা সরকারের অবৈধ ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করার কর্মসূচিও থাকবে।

তিনি জানান, ১৬ ফেব্রুয়ারি গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল হবে। ১৫-১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, ফার্মগেট, খামারবাড়ি এবং ২৩-২৪ তারিখে খিলগাঁওয়ে নাগরিক ঐক্যের গণস্বাক্ষর কর্মসূচি হবে। ২০-২২ ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবসের কর্মসূচি থাকবে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, এর মানে বার্তা পরিষ্কার, আমরা তোমাকে মানছি না, রাজপথ ছাড়ছি না। তোমাকে যেতে হবে।

মান্নার সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সারসহ নেতারা।

মান্না বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৫ বছরে লুটপাট করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করেছে। ব্যাংক ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে ডলার নেই, টাকা নেই। সরকারের কাছেও টাকা নেই।

দেশের ৫৬ জেলার ৭৭ উপজেলায় একযোগে কৃষক কার্ড কার্যক্রম শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর, ২০২৬

দেশের ৫৬ জেলার ৭৭ উপজেলায় একযোগে কৃষক কার্ড কার্যক্রম শুরু

সম্প্রতি দেশের ৫৬ জেলার ৭৭ উপজেলায় একযোগে কৃষক কার্ড কর্মসূচির পাইলট পর্যায়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। ফেনীর ফুলগাজীতে প্রধান অতিথি হিসেবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মাধ্যমে ৭৭টি কৃষি ব্লকের এক লাখের বেশি কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। একই সঙ্গে কৃষি উপকরণ কেনার জন্য প্রতিটি কৃষকের ব্যাংক হিসাবে এককালীন আড়াই হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের সব কৃষককে পর্যায়ক্রমে এই কার্ডের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই এই কার্যক্রম শুরু করে। এর আগে প্রাক-পাইলট পর্যায়ে ২০ হাজারেরও বেশি কৃষককে কার্ড ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতি বছরের জুলাই মাসে এই কর্মসূচির পাইলটিং শুরু হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলার উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা যুক্ত ছিলেন। ফেনীর মূল আয়োজনের সঙ্গে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, বগুড়া, যশোর, ভোলা, মুন্সিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জসহ বিভিন্ন অঞ্চলের উপজেলাগুলো সরাসরি সংযুক্ত ছিল। সরাসরি ব্যাংক হিসাবে এই অর্থ জমা হওয়ায় কৃষকদের কাছে সহজে সরকারি সহায়তা পৌঁছে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের ৬৪ জেলার সব উপজেলা ও ব্লকের প্রায় দুই কোটি ৪০ লাখ কৃষককে ধাপে ধাপে এই কার্ড দেওয়া হবে। চলতি বছরেই অন্তত ৪৩ লাখ কৃষককে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে বর্তমানে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ ও ব্যাংক হিসাব খোলার কাজ চলমান রয়েছে।


ভারতীয় হাইকমিশনে দেওয়া বিএনপির স্মারকলিপিতে যা আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

ভারতীয় হাইকমিশনে দেওয়া বিএনপির স্মারকলিপিতে যা আছে

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বরাবর স্মারক লিপি দিয়েছে বিএনপির ৩ অঙ্গ সংগঠন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। রোববার (৮ ডিসেম্বর) ভারতীয় হাইকমিশনে এ স্মারকলিপি দিয়ে আসেন ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

বিএনপির তিন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দলে ছিলেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির। এই ছয় নেতার স্বাক্ষর আছে স্মারকলিপিতে।

স্মারক লিপিতে বিষয় হিসেবে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক অবন্ধুসুলভ ঘটনাবলী নিয়ে গভীর উদ্বেগ

স্মারক লিপিতে লেখা আছে, ‘আমরা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল, জাতীয়তাবাদী স্বোচ্ছাসেবক দল ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এই মর্মে গভীর উদ্বেগ ও বিস্ময় প্রকাশ করছি যে, দুনিয়া কাঁপানো ছাত্র-জনতার অভাবনীয় তুমুল আন্দোলনে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা আপনার দেশে পালিয়ে যাওয়ার পর আপনারা তাকে আশ্রয় দিয়েছেন। অতঃপর আপনার দেশের অতি উগ্রবাদী নেতৃবৃন্দ এবং বিশেষ করে কতিপয় সংবাদ মাধ্যম ও মিডিয়া বাংলাদেশের এই গণশত্রু হাসিনা ওয়াজেদকে পুনরায় পুনর্বাসন এবং বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অস্থিতিশীল করবার নিমিত্তে একের পর এক অজ্ঞ-অর্বাচীনের ন্যায় কাজ করে যাচ্ছে । যাতে স্পষ্টত প্রতীয়মান হয়, আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র ভারতের বন্ধুত্ব ছিল হাসিনার সাথে, বাংলাদেশের জনগণের সাথে নয়।

হাসিনা এখন বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে হুমকি হয়ে উঠেছে। একদিকে তিনি বাংলাদেশের ভিন্ন দলমতের মানুষদের ঘরবাড়ি সম্পত্তি জ্বালিয়ে দেওয়ার হুকুম দিচ্ছেন। অপরদিকে, যারা তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাদেরকে হত্যা করার হুমকি দিচ্ছেন। ভারতের নিরাপদে আশ্রয়ে থেকে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার এই অপচেষ্টা বাংলাদেশের জনগণ ইতিবাচকভাবে নিচ্ছে না।’

এক্সিলেন্সি,

‘আপনি সম্যক অবগত আছেন যে, গত ২ ডিসেম্বর ২০২৪-এ আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে ন্যাক্কারজনক হামলা চালানো হয়েছে। নৈতিক পদস্খলনের কারণে ইসকন থেকে বহিষ্কৃত সাবেক ইসকন নেতা শ্রী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে উগ্র হিন্দুত্ববাদী হাজার হাজার মানুষ যখন রাষ্ট্রীয় মদদ ও প্রশ্রয়ে বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলা করছিল তখন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে আপনার দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

প্রাপ্ত বিবরণগুলো চূড়ান্তভাবে প্রমাণ করে যে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের প্রধান ফটক ভেঙে বিক্ষোভকারীদের প্রাঙ্গণে আক্রমণ করার সম্মতি দেওয়া হয়েছিল। এই প্রক্রিয়ায়, স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের উপস্থিতিতে, তারা জাতীয় পতাকা ভাঙচুর করে, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা করে এবং সহকারী হাইকমিশনের অভ্যন্তরে সম্পত্তিরও ক্ষতি করে। দুঃখজনকভাবে, প্রাঙ্গণ রক্ষার দায়িত্বে থাকা স্থানীয় পুলিশ সদস্যদের শুরু থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় না থাকতে দেখা গেছে। এটি কূটনৈতিক নিয়ম এবং আন্তর্জাতিক আইনের একটি গুরুতর লঙ্ঘন। একই সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিয়েনা কনভেনশন, ১৯৬১ এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এহেন ন্যাক্কারজনক বিস্ময়কর ঘটনাসমূহের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলেও আপনার সরকারের নীরবতায় বাংলাদেশের জনগণ হতাশ। আমরা পরস্পরের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বের প্রতি গভীরভাবে শ্রদ্ধাশীল। আমাদের দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি হবে সমতা, পরস্পরের প্রতি আস্থা, বিশ্বাস এবং সম্মান প্রদর্শনের ওপর।’

‘স্বার্বভৌম কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের সামিল। ভারতের সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহ বাংলাদেশের জনগণের প্রতি অবজ্ঞা স্বরূপ বলে আমরা চাই ভারত সরকার ভারতীয় মিডিয়া আউটলেটগুলোকে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের মাধ্যমে ভারতীয় সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার আদর্শ প্রচার করতে পরামর্শ দেবে।’

আমরা আশা করি, ‘বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, অপতথ্য বন্ধ করতে ভারতীয় সরকার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

‘দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য দেশগুলোর মধ্যে একটি স্থিতিশীল, পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ অংশীদারত্ব অপরিহার্য। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জাতিসংঘের সনদের নীতির উপর ভিত্তি করে সকল সদস্যের সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমাদের দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

আমাদের পক্ষ থেকে এই স্মারকলিপির মাধ্যমে আপনাকে অবগত করছি এবং অনুরোধ জানাচ্ছি যে, ‘জাতীয়তাবাদী যুবদল, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অবস্থান ও মতামত ভারতীয় সরকারের নিকট পৌঁছে দেওয়ার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’


কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে রোপা আমন খেতে ইঁদুরের উপদ্রব ও কৃষকের আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে রোপা আমন খেতে ইঁদুরের উপদ্রব ও কৃষকের আশঙ্কা

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় সম্প্রতি রোপা আমন ধানখেতে ইঁদুরের ব্যাপক উপদ্রব দেখা দিয়েছে। ইঁদুরগুলো ধানগাছের গোড়া কেটে ফেলায় স্থানীয় কৃষকেরা দারুণ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে খেতের অধিকাংশ ধানগাছ থোড় হওয়ার পর্যায়ে রয়েছে এবং অল্পদিনের মধ্যে শিষ বের হওয়ার কথা। ঠিক এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই হানায় কৃষকদের বাম্পার ফলনের আশা হুমকির মুখে পড়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ছয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌর এলাকায় ৮ হাজার ২৫১ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ করা হয়েছে। এখান থেকে ৩৩ হাজার থেকে ৩৭ হাজার মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এই লক্ষ্য অর্জিত হলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত ধান অন্যত্র বিক্রির সুযোগ থাকত। তবে ইঁদুরের আক্রমণে সেই সম্ভাবনা এখন ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

ভুক্তভোগী কৃষকেরা জানিয়েছেন, ইঁদুরের আক্রমণ থেকে বাঁচতে তারা বাজার থেকে নিজ উদ্যোগে বিষটোপ ব্যবহার করেও কোনো সুফল পাচ্ছেন না। গোবিন্দপুর গ্রামের কৃষক সোহরাব উদ্দিন ও জিনারী ইউনিয়নের কৃষক মো. রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন যে, তাঁদের জমির ধান ইঁদুর নষ্ট করে দিলেও কৃষি অফিস থেকে কোনো সহায়তা বা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে না।

কৃষকদের এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শেখ মোহাম্মদ মহসিন বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁর মতে, ধান রোপণের সময় কৃষকেরা সঠিক নিয়ম না মেনে খেত ঝোপঝাড়পূর্ণ রাখায় ইঁদুরের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। সঠিক দূরত্ব বজায় রেখে চারা লাগানো, জমি পরিষ্কার রাখা এবং পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে তিনি জানান।