?> সীতাকুণ্ডে সোনালি আখে লাভের আশা, তবে মাঠপর্যায়ে কৃষি সেবায় অসন্তোষ | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

সীতাকুণ্ডে সোনালি আখে লাভের আশা, তবে মাঠপর্যায়ে কৃষি সেবায় অসন্তোষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

সীতাকুণ্ডে সোনালি আখে লাভের আশা, তবে মাঠপর্যায়ে কৃষি সেবায় অসন্তোষ

কৃষি ডেস্ক: সবজি চাষের আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে 'রং বিলাস' জাতের সোনালি আখে সোনালি ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উৎপাদিত এই আখ চাষ কৃষকদের জন্য নতুন আয়ের বড় সুযোগ তৈরি করেছে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে সীতাকুণ্ডে মোট ৯ হেক্টর জমিতে ৮১ জন কৃষক আখের সফল আবাদ করেছেন। এর মধ্যে ৫ হেক্টরে রং বিলাস, ৩ হেক্টরে স্থানীয় অন্যান্য জাত এবং ১ হেক্টরে ২০৮ জাতের আখের চাষ সম্পন্ন হয়েছে। প্রাক্কলন অনুযায়ী প্রতি হেক্টরে ৪৮ মেট্রিক টন ধরে মোট ৪৩২ মেট্রিক টন আখ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

মুরাদপুর ইউনিয়নের ঢালিপাড়া, ফকিরহাট, ইকোপার্ক এলাকা ছাড়াও বাঁশবাড়িয়া ও পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে এবার আখের ব্যাপক ফলন দেখা গেছে। কৃষকরা জানান, অন্যান্য ফসলের তুলনায় এই আখের চাষ বেশ লাভজনক হওয়ায় তারা এটিকে বিকল্প আয়ের উৎস হিসেবে বেছে নিয়েছেন। পূর্বে সবজি চাষে বড় ধরনের লোকসান গোনা কৃষক শাহজাহান ২৪ শতক জমিতে প্রায় ২ লাখ টাকা খরচ করে আখ চাষ করেছেন। তার ক্ষেতের ফসল ভালো থাকায় তিনি প্রায় ৫ লাখ টাকার আখ বিক্রির এবং সব খরচ বাদ দিয়ে অন্তত ২ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন। এছাড়া আবদুল্লাহ নামের আরেক কৃষক ২২ শতক জমিতে আখের চাষের পাশাপাশি অন্যান্য কৃষকদের আরও জমি কিনে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তিনি প্রায় ৬ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ১০ লাখ টাকার আখ বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন।

তবে ফলন ভালো হলেও আখের খেতের রোগবালাই নিয়ে কৃষকদের মধ্যে তীব্র শঙ্কা ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। চাষিদের অভিযোগ, আখে লাল পাতা ও গোড়া পচা রোগ দেখা দিলেও প্রতিকার বা সঠিক সার ব্যবস্থাপনার জন্য কোনো উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার দেখা পাওয়া যায় না। বিশেষ করে ইকোপার্কসংলগ্ন এলাকার খেতগুলো পরিদর্শন করে জরুরি পরামর্শ দেওয়ার জন্য কৃষকরা বারবার দাবি জানিয়ে আসছেন। মাঠপর্যায়ে সেবার এই ঘাটতির বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কল্পনা রহমান জানান, তাদের অফিসে ২৮টি পদের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র ১৯ জন কর্মকর্তা কর্মরত আছেন। এই ১৯ জনের মধ্যে আবার ৪ জন গুরুতর অসুস্থ থাকায় মাত্র ১৫ জন কর্মী নিয়ে বিশাল এলাকায় সেবা দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

কৃষি কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, তিনি নিজে বাঁশবাড়িয়া এলাকায় গিয়ে কৃষকদের সাথে কথা বলেছেন এবং কারিগরি পরামর্শ দিয়েছেন। তবে জনবল সংকটের কারণে ইকোপার্ক এলাকার খেতগুলোতে এখনো পরিদর্শন করা সম্ভব হয়নি এবং খুব শীঘ্রই সেখানে কর্মকর্তা পাঠানো হবে। তিনি স্পষ্ট করে জানান যে, আখ চাষের জন্য সরাসরি কোনো সরকারি সার বা কীটনাশক বিনামূল্যে বিতরণের বরাদ্দ নেই। তবে কৃষকদের আয় আরও বাড়াতে আখের ফাঁকা জায়গায় সাথি ফসল হিসেবে ডালজাতীয় ফসল ও বিলাতি ধনেপাতা চাষ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

নওগাঁর বদলগাছীতে সার নিতে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে ভোগান্তিতে কৃষকেরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নওগাঁর বদলগাছীতে সার নিতে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে ভোগান্তিতে কৃষকেরা

আউশ ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ শেষ হওয়ার পর বর্তমানে আমন ধান রোপণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কৃষকেরা। কিন্তু এই প্রস্তুতিমূলক সময়েই চাহিদা অনুযায়ী সার সংগ্রহ করতে গিয়ে ডিলারের দোকানে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তাঁরা। একটি দোকানে ইউরিয়া সার পাওয়া গেলেও একই স্থানে ডিএপি কিংবা এমওপি সার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করার জন্য কৃষকদের বাধ্য হয়ে একাধিক দোকানে ছোটাছুটি করতে হচ্ছে।

সম্প্রতি উপজেলার সদর ইউনিয়নের শাওন ট্রেডার্স ও আলম ট্রেডার্স নামের দোকানে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সার নেওয়ার জন্য কৃষকদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকেই তাঁদের চাহিদামতো সার হাতে পাচ্ছেন না। এতে জমি প্রস্তুত ও ধান রোপণের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাঁদের অপূরণীয় সময় নষ্ট হচ্ছে। কৃষক দেলোয়ার হোসেন, আব্দুল আলিম, শমসের আলী ও মোস্তফা জানান, একসঙ্গে সব সার না পাওয়ায় তাঁদের এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরতে হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এই উপজেলায় মোট ১০টি বিসিআইসি ডিলার, ১৯টি বিএডিসি ডিলার এবং ৭২টি খুচরা সার বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে। চলতি মাসে এই উপজেলায় ইউরিয়া ৩১২ মেট্রিক টন, টিএসপি ১৮৮ মেট্রিক টন, ডিএপি ৩৩৩ মেট্রিক টন এবং এমওপি ২৮০ মেট্রিক টন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে কৃষকদের অভিযোগ রয়েছে যে, কোথাও কোথাও সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দামে সার বিক্রির ঘটনাও ঘটেছে। ডিলার শাওন ট্রেডার্সের মালিক মো. শামসুল হক ও আলম ট্রেডার্সের মালিক মাসুদ করিম জানিয়েছেন, একসঙ্গে সব ধরনের সার বরাদ্দ না পাওয়ায় এবং ইউরিয়ার চাহিদা বেশি থাকায় এই দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে।

সার সংকটের কথা অস্বীকার করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মেহেদী হাসান জানান, এলাকায় সারের কোনো ঘাটতি নেই এবং দীর্ঘ লাইনের বিষয়টি কৃষি বিভাগের নিবিড় নজরদারিতে রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি উল্লেখ করেন, কৃষকদের দুর্ভোগ কমাতে সাপাহার উপজেলা থেকে অতিরিক্ত ৭০ মেট্রিক টন সার সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি কৃষকদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি ডিলারের ওপর নজরদারি বৃদ্ধি এবং কৃষি বিভাগের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে সার বিতরণের নির্দেশ দিয়েছেন।


বোরহানউদ্দিনে সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, নীতিমালার ব্যত্যয়ের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

বোরহানউদ্দিনে সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, নীতিমালার ব্যত্যয়ের অভিযোগ

জাতীয় ডেস্ক: ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের তালুকদার হাট বাজার এলাকায় নতুন সার ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত ডিলারদের তালিকায় ‘ভাই ভাই ট্রেডার্স’-এর স্বত্বাধিকারী লোকমান হোসেনকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে স্থানীয়দের দাবি, তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা বা ভোটার নন এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে ইতোমধ্যেই একাধিক ডিলারশিপ রয়েছে। এই নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে সাধারণ কৃষকদের মাঝে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

তালুকদার হাট বাজার এলাকার সাধারণ কৃষকদের অভিযোগ, ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থানীয় বাসিন্দাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়নি। দেউলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক আব্দুর রব গণমাধ্যমকে জানান যে, লোকমান হোসেন ওই এলাকার ভোটার না হওয়ায় ভবিষ্যতে সার সরবরাহ এবং স্থানীয় বাজার ব্যবস্থাপনায় নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে। একই এলাকার অন্য এক কৃষক লিটন দাবি করেন যে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্পষ্ট অনিয়ম হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ডিলারের পরিবারের অন্য সদস্যদের নামেও সার ব্যবসার লাইসেন্স রয়েছে। এই বিষয়ে কৃষকদের কাছে একটি কথোপকথনের অডিও রেকর্ডও রয়েছে বলে তারা সাংবাদিকদের জানান।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিরাও এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। দেউলা ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কামরুন্নেছা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, লোকমান হোসেন ওই এলাকার ভোটার বা স্থায়ী বাসিন্দা নন এবং কীভাবে তিনি এই ডিলারশিপ পেলেন তা খতিয়ে দেখতে সরকারি নথিপত্র যাচাই করা প্রয়োজন। এদিকে, অভিযুক্ত ব্যবসায়ী লোকমান হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর তিনি ফোন কেটে দেন, যার ফলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এই নিয়োগ নিয়ে ভিন্ন সুর শোনা গেছে। বোরহানউদ্দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোবিন্দ কুমার মণ্ডল স্বীকার করেছেন যে, সংশ্লিষ্ট ডিলার ওই এলাকার ভোটার বা স্থায়ী বাসিন্দা নন বিষয়টি তার জানা ছিল এবং তিনি যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্যদের এ বিষয়ে সতর্কও করেছিলেন। তবে কমিটির সদস্যরা সেই অনুযায়ী কোনো ব্যবস্থা নেননি। অন্যদিকে, জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও ভোলার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

সব ধরনের অভিযোগ ও বিতর্ক উড়িয়ে দিয়ে কৃষি মন্ত্রণালয় দাবি করেছে যে, সম্পূর্ণ নীতিমালা অনুসরণ করেই এই নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। কৃষি সচিব জানিয়েছেন, ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতি কিংবা রাজনৈতিক সুপারিশের সুযোগ রাখা হয়নি। উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সারা দেশে ইউনিয়নভিত্তিক নতুন সার ডিলারদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। স্থানীয় কৃষকরা মনে করছেন, প্রশাসন যদি পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে তদারকি করে, তবে সার বিতরণ কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়ানো সম্ভব হবে।


রংপুরে ইউটিউব দেখে বাড়ছে লাভজনক বাণিজ্যিক আঙুর চাষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর, ২০২৬

রংপুরে ইউটিউব দেখে বাড়ছে লাভজনক বাণিজ্যিক আঙুর চাষ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও দেখে রংপুরে ধীরে ধীরে বাড়ছে বাণিজ্যিক আঙুর চাষ। বসতভিটা ও পতিত জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হলেও ভালো ফলন পাওয়ায় কৃষকরা এখন বড় পরিসরে বাগান করছেন। আমদানিনির্ভর এই ফলের স্থানীয় উৎপাদন বাড়ায় বাজারে তৈরি হয়েছে নতুন এক অর্থনৈতিক সম্ভাবনা।

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার কৃষক তাওহীদ মিয়া মেজবাউদ্দিন সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রথমে সাড়ে আট শতক জমিতে আঙুর চাষ শুরু করেছিলেন। এরপর সাফল্য পেয়ে তিনি বাগানের পরিধি বাড়িয়ে বর্তমানে ৫৫ শতকে আবাদ করছেন এবং তার বাগানে প্রায় ২৫ জাতের আঙুর রয়েছে। এছাড়া মিঠাপুকুর উপজেলার কৃষক মিজানুর রহমানও পঁচিশ শতক জমিতে আঙুর চাষ করে বাজারে বিক্রি শুরু করেছেন। চলতি মৌসুমে রংপুর কৃষি অঞ্চলের পাঁচ জেলায় প্রায় সাড়ে তিন হেক্টর জমিতে আঙুরের আবাদ হয়েছে।

উদ্যোক্তা তাওহীদ মিয়া জানান, চুয়াডাঙ্গা থেকে চারা সংগ্রহ করে বাগান শুরু করার পর তিনি নিজেই নার্সারিতে চারা উৎপাদন শুরু করেন। তার নার্সারিতে বর্তমানে প্রায় দশ লাখ টাকার চারা রয়েছে এবং উৎপাদিত আঙুর বিক্রি করে তিনি কয়েক লাখ টাকা আয় করেছেন। স্থানীয় দোকান মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাজী তানবীর হোসেন আশরাফী মনে করেন, কৃষকদের উৎসাহিত করা গেলে স্থানীয় উৎপাদন দিয়ে চাহিদা মেটানো সম্ভব।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, আঙুর চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ, রোগবালাই দমন ও সার-সেচ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। তবে উৎপাদিত ফল সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এই সম্ভাবনাময় খাতের যথাযথ প্রসারে কৃষকের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হতে পারে।