বান্দরবানের পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে এখন পেকে উঠেছে জুমের ধান। পাহাড়ের ঢালু জমিতে দলবদ্ধভাবে এই ফসল কাটার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় জুমিয়ারা। ঐতিহ্যবাহী এই চাষাবাদ ও ফসল তোলার উৎসবে তাঁদের সঙ্গে হাত লাগিয়েছেন স্বজন ও প্রতিবেশীরাও।
পাহাড়ের এই ঐতিহ্যবাহী চাষপদ্ধতির আওতায় কেবল ধানই ফলানো হয়নি, বরং একই জমিতে উৎপাদিত হয়েছে কলা, ভুট্টা, মারফা, চিনার ও তিলের মতো হরেক রকমের ফসল। সাধারণত সেপ্টেম্বর মাস থেকে শুরু করে অক্টোবর পর্যন্ত জুমের ধান কাটা, মাড়াই এবং তা রোদে শুকানোর কাজ চলে।
কৃষকরা পাহাড়ের অস্থায়ী জুমঘর থেকে ধান ভালোভাবে শুকিয়ে নেওয়ার পর তা নিজেদের মূল বাড়িতে নিয়ে যান। এরপর বছরের শেষ দিক থেকে শুরু করে শীতকাল পর্যন্ত পাহাড়ের প্রতিটি ঘরে ঘরে আনন্দঘন পরিবেশে পালিত হয় ঐতিহ্যবাহী জুম ধানের নবান্ন উৎসব।
সম্প্রতি বান্দরবান-থানচি সড়কের টংকাবতী ইউনিয়নের নতুন রমজুপাড়া এলাকায় এমন চিত্র ক্যামেরাবন্দী করা হয়েছে। পাহাড়ি জনপদের এই কৃষিকাজ ও উৎসব স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার এক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।








