?> বিদেশি বীজনির্ভরতা কাটাতে কৃষিতে নতুন পরিকল্পনা | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

বিদেশি বীজনির্ভরতা কাটাতে কৃষিতে নতুন পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

বিদেশি বীজনির্ভরতা কাটাতে কৃষিতে নতুন পরিকল্পনা

অর্থনীতি ডেস্ক: একসময় দেশের সোনালি আঁশ হিসেবে পরিচিত পাটের সোনালী ঐতিহ্য নানা ভুল নীতি ও পরিকল্পনার অভাবে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। বর্তমানে দেশের পাট উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় বীজের প্রায় পুরোটাই আমদানিনির্ভর, যার সিংহভাগ আসে প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে। দেশের মোট চাহিদার প্রায় ৮৫ শতাংশ পাট বীজ বিদেশ থেকে আসায় স্থানীয় বাজারে প্রায়ই অস্থিরতা এবং কৃত্রিম সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়। এ অবস্থার পরিবর্তনে এবং কৃষিকে স্বাবলম্বী করতে সরকার সম্প্রতি দেশীয় বীজ উৎপাদন বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, দেশে বার্ষিক পাট বীজের চাহিদা প্রায় ছয় হাজার চারশ টন, যার বড় অংশই পূরণ করতে হয় আমদানির মাধ্যমে। এর মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন ও স্থানীয় কৃষকদের অবদান মাত্র এক হাজার তিনশ টন। এই বিদেশনির্ভরতা কাটিয়ে উঠতে সার্কের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের জলবায়ুর সঙ্গে মানানসই উন্নত জাতের হাইব্রিড বীজ উৎপাদন এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা পারস্পরিকভাবে বিনিময় করা।

আমদানির ওপর থেকে এই চাপ কমাতে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন কর্মসূচির পাশাপাশি দেশেই পাট বীজ বাড়ানোর যুগান্তকারী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবদুর রহিম জানিয়েছেন, কৃষিকে পুরোপুরি স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে এবং বিদেশের ওপর নির্ভরতা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে কাজ চলছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে ভারতের চেয়েও ভালো মানের পাট ও গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ দেশেই উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে কৃষকদের স্বস্তি দেবে।

ফসলের উৎপাদন বাড়াতে গিয়ে জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক ও কীটনাশকের যত্রতত্র ব্যবহার রোধেও কঠোর পদক্ষেপ হাতে নেওয়া হয়েছে। মাটির প্রাকৃতিক গুণাগুণ ও উর্বরতা ফিরিয়ে আনতে ডলোচুন প্রয়োগ এবং ইউরিয়া সারের বিকল্প হিসেবে জৈব সার তৈরিতে ধঞ্চে চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এছাড়া ক্ষতিকর পোকামাকড় দমনে ক্ষতিকর বিষাক্ত কীটনাশকের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ফেরোমোন ও হলুদ আঠালো ফাঁদ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো ও মিষ্টির বিকল্প হিসেবে স্টেভিয়া পাতার বাণিজ্যিক চাষ সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে এই কার্যক্রমে।

তবে এসব বহুমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। আন্তর্জাতিক বীজ সরবরাহকারী ও বহুজাতিক রাসায়নিক কোম্পানিগুলোর বাণিজ্যিক প্রভাব ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য মোকাবিলা করতে পারলে তবেই এসব উদ্যোগ সফল হবে। কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম মনে করেন, মাঠপর্যায়ে যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে উৎপাদন খরচ কমানো গেলে কৃষক ও ভোক্তা উভয় পক্ষই ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন।

যশোরে বাড়তি উৎপাদন খরচে আমন চাষ নিয়ে কৃষকদের দুশ্চিন্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর, ২০২৬

যশোরে বাড়তি উৎপাদন খরচে আমন চাষ নিয়ে কৃষকদের দুশ্চিন্তা

কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে আমন ধান চাষের খরচ সামলানো নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন যশোরের কৃষকরা। সাম্প্রতিক সময়ে ডিজেল, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় গত বছরের তুলনায় এবার বিঘাপ্রতি উৎপাদন খরচ প্রায় দুই থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ বাজারে উৎপাদিত ধানের দাম তুলনামূলক কম থাকায় কৃষকদের মাথায় হাত পড়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে এই চিত্র উঠে এসেছে।

কৃষকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বছর এক বিঘা জমিতে আমন আবাদ করতে সব মিলিয়ে ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল, যা এবার বেড়ে ১৮ থেকে ২১ হাজার টাকায় দাঁড়াচ্ছে। ডিজেলের দাম দুই দফায় বাড়ায় ট্রাক্টরে জমি চাষের খরচ প্রতি ধাপে বেড়েছে। পাশাপাশি, খুচরা বাজারে সরকারনির্ধারিত দামের চেয়ে চড়া মূল্যে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন চাষিরা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দিনমজুরের মজুরি বৃদ্ধি এবং কীটনাশকের বাড়তি দাম, যা কৃষির সামগ্রিক ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

যশোর সদর উপজেলার কৃষক অলিয়ার রহমান অতিরিক্ত দামে সার কেনার কষ্টের কথা জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি টাকা দিয়ে টিএসপি, এমওপি ও ইউরিয়া সার কিনতে হয়েছে তাকে, যা ধান চাষ করে টিকিয়ে রাখা দুরূহ করে তুলেছে। ভায়না গ্রামের আরেক কৃষক তোফাজ্জেল মোল্যা জানান, মাত্রাতিরিক্ত খরচের কারণে বাধ্য হয়ে চাষাবাদ ছেড়ে দেওয়া ছাড়া কৃষকদের আর কোনো উপায় দেখছি না তারা।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলায় এবার বিশাল জমিতে আমন ধান আবাদ করা হয়েছে এবং ফলন তোলার সময় ধান বিক্রির যে বাজারদর পাওয়া যায়, তাতে উৎপাদনের খরচ তোলা নিয়েই শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মো. জাহিদুল ইসলাম বিশ্বাস জানান, ডিজেল ও সার বেশি দামে কিনতে হওয়ায় উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। তিনি মনে করেন, আমনের এই বাড়তি খরচ পুষিয়ে নেওয়ার একমাত্র উপায় হতে পারে বাজারে ধানের দাম বাড়ানো, অন্যথায় কৃষকরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন।


বোরহানউদ্দিনে সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, নীতিমালার ব্যত্যয়ের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

বোরহানউদ্দিনে সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, নীতিমালার ব্যত্যয়ের অভিযোগ

জাতীয় ডেস্ক: ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের তালুকদার হাট বাজার এলাকায় নতুন সার ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত ডিলারদের তালিকায় ‘ভাই ভাই ট্রেডার্স’-এর স্বত্বাধিকারী লোকমান হোসেনকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে স্থানীয়দের দাবি, তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা বা ভোটার নন এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে ইতোমধ্যেই একাধিক ডিলারশিপ রয়েছে। এই নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে সাধারণ কৃষকদের মাঝে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

তালুকদার হাট বাজার এলাকার সাধারণ কৃষকদের অভিযোগ, ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থানীয় বাসিন্দাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়নি। দেউলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক আব্দুর রব গণমাধ্যমকে জানান যে, লোকমান হোসেন ওই এলাকার ভোটার না হওয়ায় ভবিষ্যতে সার সরবরাহ এবং স্থানীয় বাজার ব্যবস্থাপনায় নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে। একই এলাকার অন্য এক কৃষক লিটন দাবি করেন যে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্পষ্ট অনিয়ম হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ডিলারের পরিবারের অন্য সদস্যদের নামেও সার ব্যবসার লাইসেন্স রয়েছে। এই বিষয়ে কৃষকদের কাছে একটি কথোপকথনের অডিও রেকর্ডও রয়েছে বলে তারা সাংবাদিকদের জানান।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিরাও এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। দেউলা ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কামরুন্নেছা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, লোকমান হোসেন ওই এলাকার ভোটার বা স্থায়ী বাসিন্দা নন এবং কীভাবে তিনি এই ডিলারশিপ পেলেন তা খতিয়ে দেখতে সরকারি নথিপত্র যাচাই করা প্রয়োজন। এদিকে, অভিযুক্ত ব্যবসায়ী লোকমান হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর তিনি ফোন কেটে দেন, যার ফলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এই নিয়োগ নিয়ে ভিন্ন সুর শোনা গেছে। বোরহানউদ্দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোবিন্দ কুমার মণ্ডল স্বীকার করেছেন যে, সংশ্লিষ্ট ডিলার ওই এলাকার ভোটার বা স্থায়ী বাসিন্দা নন বিষয়টি তার জানা ছিল এবং তিনি যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্যদের এ বিষয়ে সতর্কও করেছিলেন। তবে কমিটির সদস্যরা সেই অনুযায়ী কোনো ব্যবস্থা নেননি। অন্যদিকে, জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও ভোলার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

সব ধরনের অভিযোগ ও বিতর্ক উড়িয়ে দিয়ে কৃষি মন্ত্রণালয় দাবি করেছে যে, সম্পূর্ণ নীতিমালা অনুসরণ করেই এই নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। কৃষি সচিব জানিয়েছেন, ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতি কিংবা রাজনৈতিক সুপারিশের সুযোগ রাখা হয়নি। উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সারা দেশে ইউনিয়নভিত্তিক নতুন সার ডিলারদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। স্থানীয় কৃষকরা মনে করছেন, প্রশাসন যদি পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে তদারকি করে, তবে সার বিতরণ কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়ানো সম্ভব হবে।


আমরা সরকারও মানছি না, রাজপথও ছাড়ছি না: মান্না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

আমরা সরকারও মানছি না, রাজপথও ছাড়ছি না: মান্না

বার্তাবেলা ডেস্ক: সরকার দ্রব্যমূল্য কমাতে পারবে না বলে দাবি করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মৌচাক মোড়ে ‘গণতন্ত্রের পক্ষে গণস্বাক্ষর’ কর্মসূচিতে এ কথা বলেন তিনি।

মান্না বলেন, এই সরকার দ্রব্যমূল্য কমাতে পারবে না। কারণ এরাই সিন্ডিকেট, আর সিন্ডিকেটই সরকার।

তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে। দেশের জনগণকে এই সরকারের হাত থেকে মুক্ত করেই আমরা ফিরবো। ঢাকা মহানগরের সব থানা থেকে শুরু করে সারাদেশে আমরা জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য গণস্বাক্ষর কর্মসূচি চালিয়ে যাবো। পাশাপাশি শেখ হাসিনা সরকারের অবৈধ ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করার কর্মসূচিও থাকবে।

তিনি জানান, ১৬ ফেব্রুয়ারি গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল হবে। ১৫-১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, ফার্মগেট, খামারবাড়ি এবং ২৩-২৪ তারিখে খিলগাঁওয়ে নাগরিক ঐক্যের গণস্বাক্ষর কর্মসূচি হবে। ২০-২২ ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবসের কর্মসূচি থাকবে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, এর মানে বার্তা পরিষ্কার, আমরা তোমাকে মানছি না, রাজপথ ছাড়ছি না। তোমাকে যেতে হবে।

মান্নার সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সারসহ নেতারা।

মান্না বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৫ বছরে লুটপাট করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করেছে। ব্যাংক ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে ডলার নেই, টাকা নেই। সরকারের কাছেও টাকা নেই।