?> দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই: মির্জা ফখরুল | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব বলেছেন- দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই। নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে যেতে চাই। আপনারা নির্ভয়ে ভোট দিতে যাবেন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় সালন্দর ইউনিয়নে বরুনাগাঁও মাদরাসা মাঠে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে স্থানীয় ভোটারদের কাছে বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন মির্জা ফখরুল। ভোটাররা বিগত আমলে জুলুম নিপিড়ন ও জমি দখলের কথা জানান।
এর প্রেক্ষিতে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের জন্য এর আগেও পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালে কাজ করেছি। সংসদে গিয়েও কাজ করেছি। আমাকে আপনারা দীর্ঘদিন ধরে চেনেন। আমার নতুন করে পরিচয় দেবার কিছু নেই। আমার গোটা পরিবারকে আপনারা চেনেন। বাবা-দাদার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি, আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না। আপনাদের সব সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবো। আপনারা অভিযোগ করেছেন এখানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্বৃত্তদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এগুলো আর থাকবে না। আমার দলের কেউ দুর্বৃত্তায়নে জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেব।
তিনি আরও বলেন, দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই, নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে যেতে চাই। আপনারা নির্ভয়ে ভোট দিতে যাবেন। তারেক রহমান সঠিকভাবে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে পারবেন। যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য অতিতে আমরা কাজ করেছি, আগামিতেও করবো।।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষকরা সহজেই সার পাবে, সার সংকট থাকবে না। পরিবারের মা বোনরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। সে কার্ড দিয়ে তারা ন্যায্য মূল্যে নিত্যপণ্য কিনতে পারবেন এবং সে কার্ড দিয়ে চিকিৎসা সেবা পাবেন। এ কার্ড হবে মা বোনদের জন্য অস্ত্র।

গাইবান্ধায় অবৈধ সার উদ্ধারে গিয়ে কৃষি কর্মকর্তা ও সাংবাদিক অবরুদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গাইবান্ধায় অবৈধ সার উদ্ধারে গিয়ে কৃষি কর্মকর্তা ও সাংবাদিক অবরুদ্ধ

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি বন্দরে অবৈধভাবে সার মজুত রাখার অভিযোগে পরিচালিত অভিযানে বাধার মুখে পড়েন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। সম্প্রতি রাতে কামারজানি ইউনিয়নের এই বন্দরে কীটনাশক ব্যবসায়ী সানোয়ার মুন্সীর গুদামে অভিযানটি চালানো হয়। গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আসাদুজ্জামান ও সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাকিবুল আলমের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ওই গুদাম থেকে ১৫০ বস্তা অবৈধ ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে গুদামে বিপুল পরিমাণ সার অবৈধভাবে মজুত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। সার মজুতের বৈধ কাগজপত্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে গুদাম মালিকের ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে স্থানীয় কয়েকজন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তারা অভিযان দলের কাজে বাধা সৃষ্টি করেন এবং উপস্থিত সাংবাদিকদের ওপর হামলার চেষ্টা চালান। এতে সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া পাঁচজন সাংবাদিক লাঞ্ছিত ও অবরুদ্ধ হন এবং কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারাও বাধার মুখে পড়েন।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকা সাংবাদিক ও কৃষি কর্মকর্তারা মুক্ত হন। পরে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয় এবং আইনভঙ্গের দায়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

গাইবান্ধা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি নাজমুস শাহাদত ফাইন জানান, সাময়িক এই গোলযোগের পর বর্তমানে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক রয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায়ের পর জব্দকৃত ১৫০ বস্তা ইউরিয়া সার বাজোপ্ত করা হয় এবং অবৈধ মজুতদারের গুদামটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। কৃষি খাতের শৃঙ্খলা রক্ষা ও অবৈধ মজুতদারির বিরুদ্ধে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সাগর কলার চাষ করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন কৃষক হাফিজুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সাগর কলার চাষ করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন কৃষক হাফিজুর রহমান

কৃষি ডেস্ক: ফরিদপুরের বোয়ালমারী সদর ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে রঙিন সাগর ও চাপা-সবরি জাতের কলার চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন কৃষক হাফিজুর রহমান সরদার। প্রায় চার একর জমিতে গড়ে ওঠা তার এই বাগানে ছোট আকৃতির গাছে ঝুলছে বড় বড় কলার কাঁদি। মাছচাষ এবং ফিলিপাইন জাতের আখের পর এবার নতুন কিছু করার চিন্তা থেকে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেন তিনি।

স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে জমি লিজ নিয়ে পরিত্যক্ত অংশ পরিষ্কার করে চাষের উপযোগী করেন এই কৃষক। গত বছরের আশ্বিন মাসে রোপণ করা প্রায় ১ হাজার ৭০০ কলাগাছের অধিকাংশে এখন পরিপক্ব ফল এসেছে। বাগান তৈরিতে আড়াই লাখ টাকা খরচ হলেও তিনি প্রায় আট থেকে নয় লাখ টাকার কলা বিক্রির আশা করছেন।

বর্তমানে তার বাগান থেকে প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ কাঁদি রঙিন সাগর কলা বিক্রি হচ্ছে, যার পাইকারি দর ছয়শ থেকে আটশ টাকা। এছাড়া কলার পাশাপাশি গাছের গোড়ায় জন্ম নেওয়া চারা প্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন তিনি। নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে ১০ মাস পর গাছে ফল ধরায় তার বিনিয়োগের টাকা দ্রুত উঠে আসছে।

বোয়ালমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলভীর রহমান জানিয়েছেন, এই বাগানের বিষয়ে তারা আগে অবগত না থাকলেও প্রয়োজনে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম রকিবুল হাসান উল্লেখ করেছেন, স্থানীয়ভাবে পুষ্টিসমৃদ্ধ এমন ফলের উৎপাদন বাড়লে মানুষের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে এবং প্রশাসন থেকে তাকে সহায়তা করা হবে।


শেরপুরের গারো পাহাড়ের পাদদেশে আমন ধানের সবুজ সমারোহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

শেরপুরের গারো পাহাড়ের পাদদেশে আমন ধানের সবুজ সমারোহ

শেরপুরের শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের পাদদেশ এখন আমন ধানের সবুজে সেজে উঠেছে। পড়ন্ত বিকেলে কুয়াশায় ঢাকা পাহাড়ের অদূরে সমতল ভূমি ও টিলাজুড়ে শুধু সবুজ ধানখেত দেখা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক এক দিনে এই এলাকার কর্ণঝোড়া, হালচাটি, ঝুলগাঁও, বালিজুড়ী ও রাংটিয়াসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল ঘুরে প্রকৃতির এমন নান্দনিক দৃশ্য চোখে পড়েছে।

চলতি মৌসুমে এই তিন উপজেলায় মোট ৭ হাজার ৭৫৭ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে শ্রীবরদীতে ৩ হাজার ৫০১ হেক্টর, ঝিনাইগাতীতে ২ হাজার১৪০ হেক্টর এবং নালিতাবাড়ীতে ২ হাজার ১১৬ হেক্টর জমি চাষের আওতায় এসেছে। ৩০ থেকে ৩৫ দিন আগে রোপণ করা গাছগুলোতে এখনো শিষ না আসলেও নিয়মিত বৃষ্টি ও পরিচর্যার কারণে ধানগাছগুলো বেশ শক্ত হয়ে উঠছে।

হালচাটি গ্রামের কিষানি শেফালি মাংমা জানান যে মাসখানেক আগে চারা রোপণের পর সময়মতো বৃষ্টি পাওয়ায় গাছগুলো ভালো হয়েছে। বড় গজনী এলাকার কিষানি শান্তা চিচাম ধারদেনা করে ৬০ শতাংশ জমিতে ধান লাগিয়েছেন এবং গাছের বাড়ন্ত অবস্থা দেখে ভালো ফলনের আশা করছেন। শেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, পাহাড়ি এলাকার কৃষকেরা একটু দেরিতে চারা রোপণ করায় ধানও পরে কাটতে হয় এবং নিয়মিত সার ও সেচ দেওয়ায় ফসল ভালো হয়েছে।

পাহাড়ের ঢাল ও মেঠো পথের পাশের এই সবুজ ধানখেত ঘিরে কৃষকদের মনে একধরনের স্বপ্ন তৈরি হয়েছে। তবে কয়েক সপ্তাহ পর ধান পাকার সময় পাহাড় থেকে বন্য হাতির পাল নেমে আসার পুরোনো দুশ্চিন্তাও রয়েছে কৃষকদের মনে। সমস্ত শঙ্কা মাথায় রেখেই তাই তাঁরা পরম যত্নে জমির আগাছা পরিষ্কার ও পরিচর্যা চালিয়ে যাচ্ছেন।