?> দোয়ারাবাজারে ২০০ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন মিলনের | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

সড়ক ও শিক্ষা খাতে চমকের আশ্বাস
দোয়ারাবাজারে ২০০ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন মিলনের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে ২০২৬

দোয়ারাবাজারে ২০০ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন মিলনের

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সড়ক অবকাঠামো ও শিক্ষা খাতের আমূল পরিবর্তনে প্রায় ২০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছে। 

বুধবার (৬ মে) সকাল ১১টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক উন্নয়ন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব প্রকল্পের ঘোষণা দেন সুনামগঞ্জ-৫ (দোয়ারাবাজার-ছাতক) আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন।

​উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলতাফুর রহমান খছরুর সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মানিক মাস্টারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি বক্তব্যে উন্নয়নের বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেন।

এসময় তিনি বলেন, 'একটি জনপদের প্রকৃত মুক্তির চাবিকাঠি হলো উন্নত যোগাযোগ ও মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আমরা দোয়ারাবাজার ও ছাতকের প্রতিটি প্রান্তে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর।'

ঘোষিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সড়ক যোগাযোগ খাতে সিংহভাগ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে: ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রিটিশ পয়েন্ট থেকে বাংলাবাজার পর্যন্ত ২.৫ কিলোমিটার সড়ক। ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে দোয়ারাবাজার -বোগলা ৫ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ। বাংলাবাজার-হকনগর-বোগলা রোডে ৭ কোটি, আমবাড়ি-বদরপুর-রামপুর রোডে ৬ কোটি এবং ছাতক-সুনামগঞ্জ রোড হতে বাদে গুরেশপুর পর্যন্ত ৫ কোটি টাকার প্রকল্প। রাবার ড্যাম থেকে চকবাজার পর্যন্ত ৩.৩ কিলোমিটার সড়কের জন্য ৭ কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। এছাড়া দোহালিয়া, নরসিংপুর, প্রতাপপুর ও শ্রীপুর বাজারের সংযোগ সড়কগুলোতেও কয়েক কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসারে এমপি মিলন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ১০টি প্রতিষ্ঠানে (যথা: রাগীব রাবেয়া উচ্চ বিদ্যালয়, লিয়াকতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, বোগলা রোছমত আলী রাম সুন্দর স্কুল এন্ড কলেজ, আমবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় এবং কলাউড়া ফাজিল মাদ্রাসাসহ অন্যান্য) প্রতিটিতে দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন ভবন নির্মাণের ঘোষণা দেন। পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার সংস্কার কাজে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য ৮০ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে।

তৃণমূলের প্রাথমিক শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে নৈনগাঁও, বাঁশতলা, পশ্চিম মাছিমপুর ও জালালপুরসহ ১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন দৃষ্টিনন্দন ভবন নির্মাণের কথা জানানো হয়। এছাড়া লিয়াকতগঞ্জ ও নূরপুরসহ ১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২ কোটি টাকা করে উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ এবং ২৪টি বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি দেয়াল ও গেট নির্মাণে ৮০ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

​উন্নয়ন সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান সামছুল হক নমু এবং আলহাজ্ব আব্দুল বারী। সভায় স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সভার শেষে ঘোষিত প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দোয়ারাবাজারকে একটি আধুনিক ও উন্নত উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে কৃষকের বাড়ি থেকে ৭৬ বস্তা অবৈধ সার জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ অক্টোবর, ২০২৬

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে কৃষকের বাড়ি থেকে ৭৬ বস্তা অবৈধ সার জব্দ

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় একজন কৃষকের বাড়ি থেকে অবৈধভাবে মজুত করা ৭৬ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। গত ৫ অক্টোবর বিকেলে উপজেলার শিরতা গ্রামের কৃষক রমজানের বাড়িতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত এই অভিযানে বিপুল পরিমাণ সার উদ্ধার করা হয়।

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাশপিয়া তাসরিন এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযانের সময় ওই কৃষকের কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ডে থাকা জমির পরিমাণ যাচাই-বাছাই করা হয়। পরে কার্ডে ভুল তথ্যের পরিবর্তে তাঁর প্রকৃত জমির পরিমাণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

তদন্তে জানা যায়, কৃষক রমজানের কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ডে মাত্র ২৫ শতাংশ নিজস্ব জমি এবং চার একর পত্তন নেওয়া জমিটার কথা উল্লেখ ছিল। অথচ তিনি নিয়মের বাইরে গিয়ে বিপুল পরিমাণ সার অবৈধভাবে বাড়িতে মজুত করে রেখেছিলেন।

অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাশপিয়া তাসরিন জানান, অভিযুক্ত কৃষকের প্রকৃত জমির পরিমাণ নির্ধারণ করে কার্ডটি সংশোধন করা হয়েছে। এছাড়া অবৈধ সার মজুত করার দায়ে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।


হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুলের মনোনয়ন বাতিল

প্রকাশিত: ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুলের মনোনয়ন বাতিল

কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ইসির আপিল শুনানিতে এ সিদ্ধান্ত হয়। এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। ইসি তার আবেদন নামঞ্জুর করে। ফলে হাসনাতের মনোনয়ন বৈধই থাকছে। তবে ঋণখেলাপির অভিযোগে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন

গত ৯ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে হাসনাতের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আবেদন করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। তার আগে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আবেদন করেছিলেন হাসনাত।

এর আগে ঋণ খেলাপির অভিযোগ এনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোয়নপত্র কেন বাতিল করা হবে না, এজন্য ইসিতে আপিল করেছিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।



যেসব এলাকায় বিএনপির এমপি আছেন সেখানে সারের কোনো সংকট নেই: মীর শাহে আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যেসব এলাকায় বিএনপির এমপি আছেন সেখানে সারের কোনো সংকট নেই: মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সম্প্রতি কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, যেসব এলাকায় বিএনপির সংসদ সদস্যরা বিজয়ী হয়েছেন, সেখানে সারের কোনো ঘাটতি দেখা যায়নি। তার মতে, যেখানে জামায়াতের প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন, সেখানেই কৃত্রিমভাবে সারের সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী সংবাদকর্মীদের সামনে একটি মানচিত্র প্রদর্শন করে কুড়িগ্রাম, রংপুর, নড়াইল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলাকে লাল রঙে চিহ্নিত করে সংকটপূর্ণ এলাকা হিসেবে দেখান। তার অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক দল ও ফ্যাসিবাদের আমলের কিছু ডিলার মিলে সুপরিকল্পিতভাবে এই কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করে বিএনপিকে জনগণের সামনে হেয় ও বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এই সংকট মোকাবেলায় বর্তমান প্রশাসন ও দলীয় পর্যায় থেকে নতুন ডিলার নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগের ডিলারদের পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকে নতুন করে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে। যেসব স্থানে ডিলাররা পালিয়ে গেছেন বা নিখোঁজ রয়েছেন, সেসব শূন্য পদেও খুব দ্রুত নতুন প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ করা হবে এবং যোগ্য প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া হবে। কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন বিষয়ক সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।