?> মানিকগঞ্জে সার নিতে গিয়ে গুদামে কৃষকদের ভিড়, পরে পুলিশের নিরাপত্তায় বিতরণ | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

মানিকগঞ্জে সার নিতে গিয়ে গুদামে কৃষকদের ভিড়, পরে পুলিশের নিরাপত্তায় বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

মানিকগঞ্জে সার নিতে গিয়ে গুদামে কৃষকদের ভিড়, পরে পুলিশের নিরাপত্তায় বিতরণ

কৃষি ডেস্ক: মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার কলিয়া বাজারে মেসার্স রাজ্জাক অ্যান্ড কোং-এর সার গুদামে সার সংগ্রহকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। নির্দিষ্ট সময়ে সার পাওয়ার আশায় শত শত কৃষক গুদামের সামনে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করতে থাকেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় তীব্র আকার ধারণ করলে কয়েকজন কৃষক আকস্মিক গুদামের ভেতরে প্রবেশ করেন। এতে সেখানে সাময়িকভাবে চরম উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খল পরিবেশের তৈরি হয়।

স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা কৃষকদের দীর্ঘ অপেক্ষার একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়। এই ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ছুটে যান দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি প্রবীর বিশ্বাস এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোল লুৎফে আল মুঈজ। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেখানে পুলিশ সদস্যরাও দ্রুত উপস্থিত হন।

ভুক্তভোগী কৃষক মজিদ জানান, সকাল থেকেই তারা সার নেওয়ার জন্য গুদামে উপস্থিত ছিলেন এবং একসঙ্গে অনেক মানুষের ভিড় জমে যাওয়ায় জটিলতা তৈরি হয়। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ায় তারা নিরাপদে ও স্বস্তিতে সার সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছেন। আরেক কৃষক বারেক উল্লেখ করেন যে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে শৃঙ্খলা ফিরে আসে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. লুৎফে আল মুঈজ জানান, সংশ্লিষ্ট সার ডিলার আব্দুর রাজ্জাক বিভিন্ন ধরনের মোট ৭০৬ বস্তা সার উত্তোলন করেছিলেন। তবে একসঙ্গে অনেক নারী ও পুরুষ কৃষক হাজির হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া ডিলারের জন্য বেশ কঠিন হয়ে পড়েছিল। ডিলার আব্দুর রাজ্জাক জানান, প্রশাসনের সহযোগিতায় পরবর্তীতে গ্রাম পুলিশের সহায়তায় নারী ও পুরুষদের আলাদা লাইনে দাঁড় করিয়ে শৃঙ্খলা বজায় রাখা হয়।

সহকারী কমিশনার ভূমি প্রবীর বিশ্বাস বলেন যে এমন আকস্মিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে তা তাদের ধারণার বাইরে ছিল। তবে এই ঘটনার পর থেকে সার বিতরণের প্রতিটি স্থানে ডিলারদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। পরবর্তীতে প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্মিলিত উদ্যোগে সম্পূর্ণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কৃষকদের মাঝে সার বিতরণ সম্পন্ন করা হয়।

শনিবার বিএনপির কালো পতাকা মিছিল: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪

শনিবার বিএনপির কালো পতাকা মিছিল: রিজভী

দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, ডামি নির্বাচনে অবৈধ সংসদ বাতিলের এক দফা দাবিতে শনিবার (২৭ জানুয়ারি) কালো পতাকা মিছিল করবে বিএনপি। বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোও এ মিছিল করবে।

শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) বিএনপির প্রস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শনিবার দুপুর ২টায় নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কর্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল শুরু করবে বিএনপি। মিছিলে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য ও সিনিয়র নেতারা। এছাড়া দলটির অঙ্গ, সহযোগী ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা অংশ নেবেন।

অন্যদিকে, দুপুর সাড়ে ১২টায় বিজয় নগর পানির ট্যাংক সামনে থেকে মিছিল শুরু করবে ১২ দলীয় জোট। বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব সামনে থেকে শুরু করবে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট।

বিকেল সাড়ে ৩টায় মতিঝিল নটরডেম কলেজ উল্টো দিকে গণফোরাম চত্বর থেকে শুরু করবে গণফোরাম ও পিপলস পার্টি। বেলা ১১টা বিজয় নগর পানির ট্যাংক সামনে থেকে শুরু করবে এলডিপি। বিকেল সাড়ে ৩টায় বিজয় নগর দলীয় কার্য়ালয় সংবাদ সম্মলেন করবে এবি পার্টি।


দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বাম্পার ফলন হলেও ধানের দামে কৃষকের হতাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বাম্পার ফলন হলেও ধানের দামে কৃষকের হতাশা

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় সম্প্রতি আগাম জাতের আমন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। মাঠে মাঠে নতুন ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় কৃষক, শ্রমিক ও কৃষাণীরা। তবে বাম্পার ফলন সত্ত্বেও ধানের বাজারদর উৎপাদন খরচের তুলনায় কম হওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি নেই। প্রতি বিঘায় খরচ উঠিয়েও লোকসানের মুখে পড়ছেন তাঁরা।

কৃষকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সার, বীজ, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিকের মজুরিসহ সব ধরনের উৎপাদন খরচ এবার বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে বাজারে প্রতি মণ ধান ৭৫০ থেকে ৯০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে প্রতি বিঘায় ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা খরচ হলেও ধান বিক্রি করে মিলছে মাত্র ১৫ থেকে ১৯ হাজার টাকা। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে এই উপজেলায় ১৮ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে যার মধ্যে ১ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের আবাদ হয়েছে।

স্বল্প সময়ে ধান পাকার কারণে একই জমিতে আলু, ভুট্টা ও শীতকালীন সবজি চাষ করতে কৃষকেরা আগাম আমন চাষে আগ্রহী হন। তবে প্রথম ফসল হিসেবে ধানের দাম কম থাকায় পরবর্তী ফসলে বিনিয়োগ করতে গিয়ে তাঁরা আর্থিক চাপে পড়েছেন। দাদপুর গ্রামের কৃষক বিদ্যুৎ রহমান জানান, বিঘাপ্রতি খরচ বেশি হলেও বর্তমান বাজারদরে ধান বিক্রি করে তাঁকে লোকসান গুনতে হচ্ছে। একই ধরনের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন আলাদীপুর ইউনিয়নের কৃষক সেলিম হোসেন ও শিবনগর ইউনিয়নের কৃষক হাফিজুর রহমান।

ধান ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের মতে, বাজারে আগাম জাতের হাইব্রিড ধান ওঠার পর থেকেই দাম নিম্নমুখী রয়েছে এবং গত দেড় সপ্তাহে প্রতি মণে দাম ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। চাল কল মালিক সমিতির নেতা মঞ্জিল মোরশেদ জানান, আমদানির কারণে স্থানীয় চালের চাহিদা কমা এবং এর প্রভাব আমন মৌসুমে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা শাহানুর রহমান জানান, উৎপাদন ব্যয় কমাতে কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করা হলেও বাজারদর নিয়ন্ত্রণ করা কৃষি বিভাগের এখতিয়ারে নেই।


চরাঞ্চল ও লবণাক্ত জমিতে তুলা চাষ বাড়ানোর নির্দেশ কৃষিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

চরাঞ্চল ও লবণাক্ত জমিতে তুলা চাষ বাড়ানোর নির্দেশ কৃষিমন্ত্রীর

কৃষি ডেস্ক: প্রধান ফসলি জমিতে কোনো ধরনের প্রভাব না ফেলে দেশের চরাঞ্চল, উপকূলীয় লবণাক্ত এলাকা ও অনাবাদি জমিতে তুলা চাষ সম্প্রসারণের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। সম্প্রতি রাজধানীর ফার্মগেটের তুলা ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত তুলা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই নির্দেশ দেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, তুলা চাষে সরকারের তরফ থেকে আর্থিক সহায়তার কোনো কমতি থাকবে না এবং উন্নয়ন কাজের জন্য মন্ত্রণালয়ে দুই হাজার কোটি টাকার বেশি তহবিল প্রস্তুত রয়েছে। খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে ধান, গম বা ভুট্টার মতো প্রধান খাদ্যশস্যের জমিতে তুলা চাষ করা থেকে বিরত থাকার ওপর বিশেষ জোর দেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে দেশের তুলা চাষের ইতিহাস স্মরণ করে কৃষিমন্ত্রী জানান যে, ১৯৮০ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রথম দেশে শক্তিশালীভাবে তুলা উন্নয়নের সূচনা করেছিলেন। বিপুল পরিমাণ তুলা আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানোর বিকল্প নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন। নিজের অতীতের রপ্তানি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি জানান যে, বিশ্ববাজারে কেমিক্যালমুক্ত বা ভেজিটেবল ডাই ট্যাগযুক্ত শিশুদের পোশাকের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। প্রাকৃতিক রঙিন তুলার বাণিজ্যিক সম্ভাবনা যাচাইয়ের জন্য সুতা কলের মালিক ও তুলা উন্নয়ন বোর্ডের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে পাঁচ লাখ বেল তুলা উৎপাদনের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য অর্জনে একটি স্বচ্ছ মহাপরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী। কোন জেলার কোন প্লটে কোন কৃষক কতটুকু জমিতে তুলা চাষ করছেন, তার একটি নিখুঁত ও বিস্তারিত তথ্যভান্ডার মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার তাগিদ দেন তিনি। চাষিদের তালিকা স্বচ্ছ থাকলে গবেষণা ও উৎপাদনে প্রয়োজনীয় তহবিলের কোনো ঘাটতি হবে না বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। এছাড়া তুলা চাষের পাশাপাশি সাথী ফসল হিসেবে হলুদ চাষের ধারণার প্রশংসা করে এই উদ্যোগগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে কৃষি সচিব মো. সেলিম খান, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল আমিন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রহিমসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। দেশের সার্বিক কল্যাণ এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই প্রতিটি সরকারি পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন কৃষিমন্ত্রী। কৃষিপণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমেই দেশের অর্থনীতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।