?> মতপার্থক্য থাকলেও যেন মতবিভেদ না হয়: তারেক রহমান | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

মতপার্থক্য থাকলেও যেন মতবিভেদ না হয়: তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

মতপার্থক্য থাকলেও যেন মতবিভেদ না হয়: তারেক রহমান

মতপার্থক্য থাকলেও যেন মতবিভেদ না হয়—সে জন্য আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের তাগিদ দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় ৫ আগস্টের আগে ফিরে তাকানোর সুযোগ নেই। যে কোনো মূল্যে দেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় রাখতে হবে।

জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়ে নিজের ও বিএনপির পরিকল্পনার কিছু অংশ তুলে ধরেন বিএনপি চেয়ারম্যান। দেশকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে মতবিরোধের বাজে দৃষ্টান্ত দেখেছে দেশ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশ গণতন্ত্রের দিকে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে না পারলে সব অর্জন ধ্বংস হয়ে যাবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি বিজয়ী হলে নারী, কৃষক, প্রবাসী, তরুণসহ সব নাগরিকের জীবনমান উন্নয়নে নানান পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। দেশ পুনর্গঠনে গণমাধ্যমকর্মীরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির নেতার মধ্যে ছিলেন—মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান, স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম), আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস এবং গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন, যুগ্ম মহাসচিব ড. হুমায়ূন কবির, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন, বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দীন অসীম এবং চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।

গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক ও বিএনপির উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য কবি আব্দুল হাই শিকদার, আমাদের সময় পত্রিকার সাবেক নির্বাহী সম্পাদক এহসান মাহমুদ, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এডিটর ইনাম আহমেদ, দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মাহাবুবুল আলম, রয়টার্সের সিনিয়র সাংবাদিক রুমা পল, মানবজমিন পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান, জাগো নিউজ ২৪ ডটকম-এর সম্পাদক কে এম জিয়াউল হক, ডেইলি স্টারের সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম এবং নাগরিক টিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক দ্বীপ আজাদ।

এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সম্পাদক ও সাংবাদিকসহ আনুমানিক ৩০০ থেকে ৩৫০ জন গণমাধ্যমকর্মী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে গুদামে পর্যাপ্ত সার মজুত থাকলেও অতিরিক্ত দামে কিনতে হচ্ছে কৃষকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর, ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে গুদামে পর্যাপ্ত সার মজুত থাকলেও অতিরিক্ত দামে কিনতে হচ্ছে কৃষকদের

ঠাকুরগাঁওয়ের মাদারগঞ্জে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) সার গুদামে ধারণক্ষমতার চেয়েও অতিরিক্ত সার মজুত রয়েছে। গুদামটির ধারণক্ষমতা দুই হাজার একশ টন হলেও বর্তমানে সেখানে প্রায় সাত হাজার টন সার রাখা হয়েছে। এর বাইরেও সারবোঝাই ৫৮টি ট্রাক গুদামের বাইরে দিনের পর দিন দাঁড়িয়ে আছে। গুদামে এত সার থাকার পরও কৃষকদের চড়া দামে সার কিনতে বাধ্য হতে হচ্ছে।

মাদারগঞ্জ বিএডিসি সার গুদামের সহকারী হিসাব কর্মকর্তা মো. রাহাত জানান, গুদামে টিএসপি, এমওপি ও ডিএপি সার প্রচুর পরিমাণে মজুত রয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ডিলারদের মধ্যে বরাদ্দের বিভাজন না করায় গুদামের সামনের ট্রাকগুলো খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাজেদুল ইসলাম দাবি করেন, ডিলারদের কাছে আগের বরাদ্দের সার পর্যাপ্ত রয়েছে এবং তা কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে।

তবে কৃষি বিভাগের এই দাবির সঙ্গে মিল নেই ডিলার ও কৃষকদের বক্তব্যে। সদর উপজেলার ডিলার রাজিউর রহমান জানান, মাঠের চাহিদার তুলনায় তাদের বরাদ্দ একেবারেই অপ্রতুল। এদিকে সদর উপজেলার কৃষক মামুনুর রশীদ ও মনসুর আলী অভিযোগ করেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে খোলাবাজার থেকে তাদের সার কিনতে হচ্ছে। কৃষক ইউসুফ আলী জানান, চাহিদার তুলনায় সামান্য সার পেলেও বাকি সার কোথায় যাচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ঠাকুরগাঁও সুশাসনের জন্য নাগরিক কমিটির সভাপতি আব্দুল লতিফ জানান, একদিকে গুদাম ও ট্রাকে বিপুল পরিমাণ সার রয়েছে, অন্যদিকে মাঠে কৃষকেরা প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না। সারের সামগ্রিক মজুতের চেয়ে কৃষকের হাতে সঠিক সময়ে ও সঠিক মূল্যে সার পৌঁছানোই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।


শেরপুরের গারো পাহাড়ের পাদদেশে আমন ধানের সবুজ সমারোহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

শেরপুরের গারো পাহাড়ের পাদদেশে আমন ধানের সবুজ সমারোহ

শেরপুরের শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের পাদদেশ এখন আমন ধানের সবুজে সেজে উঠেছে। পড়ন্ত বিকেলে কুয়াশায় ঢাকা পাহাড়ের অদূরে সমতল ভূমি ও টিলাজুড়ে শুধু সবুজ ধানখেত দেখা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক এক দিনে এই এলাকার কর্ণঝোড়া, হালচাটি, ঝুলগাঁও, বালিজুড়ী ও রাংটিয়াসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল ঘুরে প্রকৃতির এমন নান্দনিক দৃশ্য চোখে পড়েছে।

চলতি মৌসুমে এই তিন উপজেলায় মোট ৭ হাজার ৭৫৭ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে শ্রীবরদীতে ৩ হাজার ৫০১ হেক্টর, ঝিনাইগাতীতে ২ হাজার১৪০ হেক্টর এবং নালিতাবাড়ীতে ২ হাজার ১১৬ হেক্টর জমি চাষের আওতায় এসেছে। ৩০ থেকে ৩৫ দিন আগে রোপণ করা গাছগুলোতে এখনো শিষ না আসলেও নিয়মিত বৃষ্টি ও পরিচর্যার কারণে ধানগাছগুলো বেশ শক্ত হয়ে উঠছে।

হালচাটি গ্রামের কিষানি শেফালি মাংমা জানান যে মাসখানেক আগে চারা রোপণের পর সময়মতো বৃষ্টি পাওয়ায় গাছগুলো ভালো হয়েছে। বড় গজনী এলাকার কিষানি শান্তা চিচাম ধারদেনা করে ৬০ শতাংশ জমিতে ধান লাগিয়েছেন এবং গাছের বাড়ন্ত অবস্থা দেখে ভালো ফলনের আশা করছেন। শেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, পাহাড়ি এলাকার কৃষকেরা একটু দেরিতে চারা রোপণ করায় ধানও পরে কাটতে হয় এবং নিয়মিত সার ও সেচ দেওয়ায় ফসল ভালো হয়েছে।

পাহাড়ের ঢাল ও মেঠো পথের পাশের এই সবুজ ধানখেত ঘিরে কৃষকদের মনে একধরনের স্বপ্ন তৈরি হয়েছে। তবে কয়েক সপ্তাহ পর ধান পাকার সময় পাহাড় থেকে বন্য হাতির পাল নেমে আসার পুরোনো দুশ্চিন্তাও রয়েছে কৃষকদের মনে। সমস্ত শঙ্কা মাথায় রেখেই তাই তাঁরা পরম যত্নে জমির আগাছা পরিষ্কার ও পরিচর্যা চালিয়ে যাচ্ছেন।


কৃষি খাতের তিন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে নতুন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

কৃষি খাতের তিন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে নতুন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ

কৃষি ডেস্ক: কৃষি খাতের সবচেয়ে বড় প্রকল্প 'পার্টনার'সহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক পদে বড় ধরনের রদবদল আনা হয়েছে। মাঠপর্যায়ে কাজের গতি বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে জোরালো গতি আনার লক্ষ্যেই এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-২ শাখা থেকে এই সংক্রান্ত পদায়ন ও দায়িত্ব রদবদলের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মনিরুজ্জামান ওই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স অর্থাৎ 'পার্টনার' প্রকল্পের নতুন প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ড. সাখাওয়াত হোসেন শরীফ। তিনি এতদিন খামারবাড়ির পরিকল্পনা ও আইসিটি উইংয়ের উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং এই পদে তিনি বিদায়ী পিডি আবুল কালাম আজাদের স্থলাভিষিক্ত হলেন। এছাড়া 'আধুনিক টিস্যু কালচার ল্যাবরেটরি কাম হর্টিকালচার সেন্টার স্থাপন ও উন্নয়ন' প্রকল্পের নতুন পিডি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. আবুল বাসার মিয়া। তিনি গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত উপপরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং বিদায়ী পিডি তালহা জুবায়ের মাশরুরের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে, 'মসলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ' শীর্ষক প্রথম সংশোধিত প্রকল্পের নতুন পিডি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মো. মাসুদুর রহমানকে। তিনি এতদিন চর প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পে সংযুক্ত অতিরিক্ত উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং বিদায়ী পিডি রাসেল আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অর্থায়নে পরিচালিত সাশ্রয়ী কোল্ড স্টোরেজ প্রযুক্তি ও ফার্মার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ-সংশ্লিষ্ট দুটি প্রকল্পের অতিরিক্ত দায়িত্বেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এসব প্রকল্পের অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে তালহা জুবাইরকে অব্যাহতি দিয়ে টিস্যু কালচার প্রকল্পের নতুন পিডি মো. আবুল বাসার মিয়াকে এই বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কৃষি খাতের এই রদবদল সরকারের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে কৃষিপ্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং গবেষণালব্ধ অর্জিত সুফল সাধারণ কৃষকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নতুন এই নেতৃত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর কার্যকারিতা বাড়াতে এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই পরিবর্তন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে নতুন এই কর্মকর্তারা দ্রুত দায়িত্ব বুঝে নেবেন।