?> রাষ্ট্রপতি থেকে হুইপ, আলোচনায় যারা | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

রাষ্ট্রপতি থেকে হুইপ, আলোচনায় যারা

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রাষ্ট্রপতি থেকে হুইপ, আলোচনায় যারা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করেছে তারেক রহমানের বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। মন্ত্রিসভা গঠিত হলেও এখনও রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, সংসদ উপনেতা, চিফ হুইপ ও হুইপ পদে কারা বসছেন তা নিয়ে দলটির ভেতরে চলছে আলোচনা। রাষ্ট্রপতির আহ্বানে আগামী ১২ মার্চ বসছে সংসদ অধিবেশন। 

দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, মন্ত্রিসভা গঠনের পর এবার সংসদীয় কাঠামো পুনর্বিন্যাসে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি।

রাষ্ট্রপতি পদে চার শীর্ষ নেতার কথা উঠছে

রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির বেশ কয়েকজন শীর্ষ পর্যায়ের নেতা। তারা হলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমান।

অনেকে বলছেন, রাজনীতিতে আরও চমক দেখাতে পারেন তারেক রহমান। সে ক্ষেত্রে দেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি হিসেবে সেলিমা রহমানের নাম সামনে আসতে পারে। নারী নেতৃত্বকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে বসিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইতিবাচক বার্তা দেওয়ার কৌশল থাকতে পারে দলীয় প্রধানের।

তবে রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় রাজনীতির বাইরের কাউকে আনার সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে যাচ্ছে না। আলোচনায় রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ ও সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহর নামও। এছাড়া সাবেক সচিব বা অবসরপ্রাপ্ত কোনো সেনাপ্রধানের নামও আলোচনায় ঘুরপাক খাচ্ছে।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে বিএনপি জোট।

সংবিধান অনুযায়ী, সরকারি ফলাফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ অধিবেশন আহ্বানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে গেলো রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আগামী ১২ মার্চ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। সেই অধিবেশনেই স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন। ওই অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

সংবিধান ও জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী, পূর্ববর্তী সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার কথা। বিগত সংসদদের স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের অবর্তমানে সংসদ অধিবেশন কিভাবে শুরু হবে বা প্রথম অধিবেশনে কে সভাপতিত্ব করবেন, সেটি নিয়েও নানা আলোচনা চলছে। তবে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে কোনো জ্যেষ্ঠ নেতাও সভাপতিত্ব করতে পারেন।

এদিকে, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান এম ওসমান ফারুক ও ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।

আর ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ও আশরাফ উদ্দিন নিজানের নাম শোনা যাচ্ছে।

বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে উপরাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতিও রয়েছে। পাশাপাশি দুই কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় সরকারদলীয় সদস্য ব্যতীত অন্য দল থেকেও একজন ডেপুটি স্পিকার মনোনয়নের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

সংসদ উপনেতা, চিফ হুইপ ও হুইপ হতে পারেন কারা?

সংসদ উপনেতা হিসেবে আলোচনায় রয়েছে স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নাম। চিফ হুইপ পদে সম্ভাব্যদের তালিকায় রয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু, ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবদীন ফারুক ও ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মনির নাম।

হুইপ পদে আলোচনায় আছেন নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, সিলেট-৬ আসন থেকে নির্বাচিত এমরান আহমেদ চৌধুরী, সম্প্রতি বিএনপিতে যোগ দেওয়া ড. রেজা কিবরিয়া, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম।

দলীয় একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, পর্যায়ক্রমে সংসদীয় কাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের স্থান দেওয়া হবে।

বিএনপির প্রচার দলের সভাপতি মাহফুজ কবির মুক্তা বলেছেন, দল একেক করে সৎ, যোগ্য ও পরীক্ষিত ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করবে। কেননা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মিছিলের শেষ মানুষটিও মূল্যায়িত হবে।

রাষ্ট্রপতি থেকে হুইপ পর্যন্ত বিভিন্ন পদে নিয়োগ নিয়ে দলীয় আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স জাগো নিউজকে বলেন, ‘এটি রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের বিষয়। এ ধরনের সিদ্ধান্ত দলের সর্বোচ্চ ফোরাম থেকেই নেওয়া হবে। বর্তমানে গণমাধ্যমে যে আলোচনা বা নাম ভেসে বেড়াচ্ছে, সেগুলো মূলত অনুমাননির্ভর। তবে জনগণের প্রত্যাশা আছে—অতীত অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার আলোকে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। আমরা চাই, সেই জনপ্রত্যাশা যেন পূরণ হয়।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘এই পদগুলো ঠিক করবেন জাতীয় সংসদের মাননীয় সংসদ নেতা। আর আমি বা আমরা জানতে পারলো আপনাদের জানাবো।’

শাহরাস্তিতে অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্যে দ্রুত বিলীন হচ্ছে উর্বর আবাদি জমি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

শাহরাস্তিতে অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্যে দ্রুত বিলীন হচ্ছে উর্বর আবাদি জমি

কৃষি ডেস্ক: চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় প্রশাসনের বিভিন্ন উদ্যোগ ও আইন সত্ত্বেও অসাধু চক্রের কারণে কৃষিজমি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শীত মৌসুমে ভেকু এবং বর্ষাকালে ড্রেজার ব্যবহার করে রাতের আঁধারে আবাদি জমির উর্বর ওপরের অংশ বা টপসয়েল কেটে নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ডাকাতিয়া নদীর দুই পাড়সহ উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নেই এই অবৈধভাবে মাটি কাটার প্রবণতা চরম আকার ধারণ করেছে। স্থানীয় ইটভাটাগুলোতে মাটি সরবরাহের পাশাপাশি পুকুর ভরাট ও বাসাবাড়ি নির্মাণের কাজেও এই কৃষিজমির মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে। অধিক মুনাফার লোভে অনেক জমির মালিক তাদের জমির ৩ থেকে ৪ ফুট গভীরের উর্বর অংশ বিক্রি করে দিচ্ছেন।

শাহরাস্তি অঞ্চলের কৃষকরা এই পরিস্থিতির কারণে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং তাদের উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। কৃষকদের মতে, জমির উর্বরতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে ইরি-বোরো ধানের সেচ কার্যক্রমেও বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হচ্ছে। খিলা খাল ও রাগৈ বিল খাল সেচ প্রকল্পের পরিচালকদের আশঙ্কা, অবাধে মাটি কাটার ফলে আবাদি জমির পরিমাণ আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এই উপজেলায় মোট ১১ হাজার ৮৫ হেক্টর আবাদি জমি রয়েছে। তবে মাটি কাটার ফলে তিন ফসলি জমি ক্রমান্বয়ে দুই বা এক ফসলি জমিতে পরিণত হচ্ছে এবং বহু জমি একেবারে অনাবাদি হয়ে পড়ছে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সরওয়ার জানান, জমির টপসয়েল কেটে নেওয়ার ফলে জমির উর্বরতা শক্তি ও ফসল উৎপাদন ক্ষমতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। আরেক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার দাস উল্লেখ করেন যে, কোনো জমির টপসয়েল কাটা হলে তার পার্শ্ববর্তী জমির উৎপাদন ও সেচ ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাজ্জাদুর রহমান জানান, দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও নিরাপদ রাখতে কৃষিজমি সংরক্ষণের বিকল্প নেই এবং কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের নিয়মিত সচেতন করা হচ্ছে।

অবৈধ মাটি কাটার এই কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সম্প্রতি প্রশাসন অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ড্রেজার মেশিন জব্দ এবং পাইপলাইন ধ্বংস করেছে। সহকারী কমিশনার ভূমি সামছুজ্জামান জানান, টপসয়েল রক্ষায় গত এক মাসে ১৫টি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায় ও ড্রেজার ধ্বংস করা হয়েছে এবং এই অভিযান চলবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা খাতুন জানিয়েছেন, খবর পাওয়া মাত্রই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে এবং সভা-সেমিনারের মাধ্যমে জনগণকে মাটি কাটার কুফল সম্পর্কে সচেতন করা হচ্ছে।


কেশবপুরে প্রশাসনের অভিযানে অবৈধ জাল ও বেড়া অপসারণে রক্ষা পেল ছয়শ বিঘা ধানখেত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কেশবপুরে প্রশাসনের অভিযানে অবৈধ জাল ও বেড়া অপসারণে রক্ষা পেল ছয়শ বিঘা ধানখেত

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় মাছ শিকারিদের দেওয়া অবৈধ বাঁশ ও জালের বাধা অপসারণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সম্প্রতি উপজেলার পদ্মবিল ও মর্শিনা বিলের সংযোগস্থলে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন হওয়ায় প্রায় ছয়শ বিঘা জমির আমন ধান পানিতে ডুবে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।

স্থানীয় কৃষি অফিস ও কৃষক সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি টানা বৃষ্টিতে উপজেলার সাতবাড়িয়া, কড়িয়াখালী, বেগমপুর, জাহানপুর ও পদ্মবিলের বিস্তীর্ণ এলাকার আমন খেত তলিয়ে যায়। বিলের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ কোমরপুরের কাটা খালে কয়েকজন মাছ শিকারি অবৈধভাবে বাঁশের বেড়া ও জাল দিয়ে পানিপ্রবাহ আটকে দিয়েছিলেন। ফলে পানি নামতে না পেরে কৃষকদের কষ্টের ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছিল।

কৃষকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের নিয়ে সেখানে অভিযান চালান। কাটা খালের সংযোগস্থল থেকে অবৈধ বেড়া ও জাল সরিয়ে দেওয়ার ফলে দ্রুত পানি নিষ্কাশন শুরু হয় এবং তলিয়ে যাওয়া খেতগুলো পুনরায় ভেসে ওঠে। এ সময় সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে প্রায় চার হাজার মিটার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, তাদের অনেকেরই কয়েক বিঘা করে জমির আমন ধান পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল এবং পানি সরানোর কোনো উপায় ছিল না। প্রশাসনের সময়োপযোগী হস্তক্ষেপে এই অবৈধ অবকাঠামো অপসারণ করায় কৃষকদের কষ্টের ফসল শেষ পর্যন্ত রক্ষা পেল।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শুভংকর মোড়ল ও মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাস উভয়েই জানান, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করায় আমন ধানের আর কোনো বড় ধরনের ক্ষতি হবে না। প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের এমন তৎপরতায় কৃষকেরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নজরদারি অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।


দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব বলেছেন- দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই। নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে যেতে চাই। আপনারা নির্ভয়ে ভোট দিতে যাবেন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় সালন্দর ইউনিয়নে বরুনাগাঁও মাদরাসা মাঠে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে স্থানীয় ভোটারদের কাছে বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন মির্জা ফখরুল। ভোটাররা বিগত আমলে জুলুম নিপিড়ন ও জমি দখলের কথা জানান।
এর প্রেক্ষিতে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের জন্য এর আগেও পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালে কাজ করেছি। সংসদে গিয়েও কাজ করেছি। আমাকে আপনারা দীর্ঘদিন ধরে চেনেন। আমার নতুন করে পরিচয় দেবার কিছু নেই। আমার গোটা পরিবারকে আপনারা চেনেন। বাবা-দাদার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি, আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না। আপনাদের সব সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবো। আপনারা অভিযোগ করেছেন এখানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্বৃত্তদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এগুলো আর থাকবে না। আমার দলের কেউ দুর্বৃত্তায়নে জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেব।
তিনি আরও বলেন, দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই, নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে যেতে চাই। আপনারা নির্ভয়ে ভোট দিতে যাবেন। তারেক রহমান সঠিকভাবে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে পারবেন। যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য অতিতে আমরা কাজ করেছি, আগামিতেও করবো।।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষকরা সহজেই সার পাবে, সার সংকট থাকবে না। পরিবারের মা বোনরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। সে কার্ড দিয়ে তারা ন্যায্য মূল্যে নিত্যপণ্য কিনতে পারবেন এবং সে কার্ড দিয়ে চিকিৎসা সেবা পাবেন। এ কার্ড হবে মা বোনদের জন্য অস্ত্র।