?> শাহরাস্তিতে অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্যে দ্রুত বিলীন হচ্ছে উর্বর আবাদি জমি | সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News সীমান্তকণ্ঠ | Simanthokantho । ব্রেকিং নিউজ । সর্বশেষ খবর । আজকের খবর বাংলাদেশ । বাংলা নিউজ । Breaking News, Latest News, Bangladesh News
শেয়ার বাজার

শাহরাস্তিতে অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্যে দ্রুত বিলীন হচ্ছে উর্বর আবাদি জমি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

শাহরাস্তিতে অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্যে দ্রুত বিলীন হচ্ছে উর্বর আবাদি জমি

কৃষি ডেস্ক: চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় প্রশাসনের বিভিন্ন উদ্যোগ ও আইন সত্ত্বেও অসাধু চক্রের কারণে কৃষিজমি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শীত মৌসুমে ভেকু এবং বর্ষাকালে ড্রেজার ব্যবহার করে রাতের আঁধারে আবাদি জমির উর্বর ওপরের অংশ বা টপসয়েল কেটে নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ডাকাতিয়া নদীর দুই পাড়সহ উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নেই এই অবৈধভাবে মাটি কাটার প্রবণতা চরম আকার ধারণ করেছে। স্থানীয় ইটভাটাগুলোতে মাটি সরবরাহের পাশাপাশি পুকুর ভরাট ও বাসাবাড়ি নির্মাণের কাজেও এই কৃষিজমির মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে। অধিক মুনাফার লোভে অনেক জমির মালিক তাদের জমির ৩ থেকে ৪ ফুট গভীরের উর্বর অংশ বিক্রি করে দিচ্ছেন।

শাহরাস্তি অঞ্চলের কৃষকরা এই পরিস্থিতির কারণে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং তাদের উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। কৃষকদের মতে, জমির উর্বরতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে ইরি-বোরো ধানের সেচ কার্যক্রমেও বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হচ্ছে। খিলা খাল ও রাগৈ বিল খাল সেচ প্রকল্পের পরিচালকদের আশঙ্কা, অবাধে মাটি কাটার ফলে আবাদি জমির পরিমাণ আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এই উপজেলায় মোট ১১ হাজার ৮৫ হেক্টর আবাদি জমি রয়েছে। তবে মাটি কাটার ফলে তিন ফসলি জমি ক্রমান্বয়ে দুই বা এক ফসলি জমিতে পরিণত হচ্ছে এবং বহু জমি একেবারে অনাবাদি হয়ে পড়ছে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সরওয়ার জানান, জমির টপসয়েল কেটে নেওয়ার ফলে জমির উর্বরতা শক্তি ও ফসল উৎপাদন ক্ষমতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। আরেক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার দাস উল্লেখ করেন যে, কোনো জমির টপসয়েল কাটা হলে তার পার্শ্ববর্তী জমির উৎপাদন ও সেচ ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাজ্জাদুর রহমান জানান, দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও নিরাপদ রাখতে কৃষিজমি সংরক্ষণের বিকল্প নেই এবং কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের নিয়মিত সচেতন করা হচ্ছে।

অবৈধ মাটি কাটার এই কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সম্প্রতি প্রশাসন অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ড্রেজার মেশিন জব্দ এবং পাইপলাইন ধ্বংস করেছে। সহকারী কমিশনার ভূমি সামছুজ্জামান জানান, টপসয়েল রক্ষায় গত এক মাসে ১৫টি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায় ও ড্রেজার ধ্বংস করা হয়েছে এবং এই অভিযান চলবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা খাতুন জানিয়েছেন, খবর পাওয়া মাত্রই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে এবং সভা-সেমিনারের মাধ্যমে জনগণকে মাটি কাটার কুফল সম্পর্কে সচেতন করা হচ্ছে।

ফরিদপুরের দুর্গম পদ্মার চরে বজ্রপাত রোধে ৫০০ তালবীজ রোপণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ অক্টোবর, ২০২৬

ফরিদপুরের দুর্গম পদ্মার চরে বজ্রপাত রোধে ৫০০ তালবীজ রোপণ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পদ্মানদীবেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চলে পরিবেশ রক্ষা ও বজ্রপাত নিরোধের লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি জেলা পরিষদের সার্বিক সহযোগিতায় এবং পরিবেশ উন্নয়ন ফোরামের আয়োজনে দিয়ারা নারকেলবাড়িয়া ইউনিয়নে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়। এই আয়োজনের অংশ হিসেবে চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বিপুল সংখ্যক তালবীজ রোপণ ও ফলদ চারা বিতরণ করা হয়।

উদ্যোগটির আওতায় সম্প্রতি দিনব্যাপী সদরপুর উপজেলার দিয়ারা নারকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের হাওলাদার কান্দি মাদ্রাসা ঘাট থেকে নুর উদ্দিন সরদার কান্দি পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ৫০০টি তালবীজ রোপণ করা হয়। এর পাশাপাশি স্থানীয় একটি মহিলা মাদ্রাসা মাঠে ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ২০০টি ফলদ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। দুর্গম এই চরাঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশের সুরক্ষা ও জলবায়ুর নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচিতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। দিয়ারা নারকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন সরদার এবং পরিবেশ উন্নয়ন ফোরাম ফরিদপুরের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনিরসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এই আয়োজনে অংশ নেন।

পরিবেশ উন্নয়ন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির জানান যে প্রতি বছর বজ্রপাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং চরাঞ্চলের মানুষও এই মারাত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছে। তাই চরাঞ্চলে তালগাছের সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই ঝুঁকি কমানোর জন্য তারা তালবীজ রোপণ করছেন।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন সরদার উল্লেখ করেন যে জলবায়ুর পরিবর্তন মোকাবিলা এবং বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতেই এই দুর্গম চরাঞ্চলে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। তিনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে সবাইকে বেশি করে গাছ লাগানোর পাশাপাশি রোপণকৃত গাছগুলোর সঠিক পরিচর্যা করার আহ্বান জানান।


বাইরের কারও ইন্ধনে চলছে জাপাকে দুর্বল করার চেষ্টা: চুন্নু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

বাইরের কারও ইন্ধনে চলছে জাপাকে দুর্বল করার চেষ্টা: চুন্নু

বার্তাবেলা ডেস্ক: বাইরের কারও ইন্ধনে জাতীয় পার্টিকে দুর্বল করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

নির্বাচনে ভরাডুবি, অনিয়মসহ নানা অভিযোগে জাপার পরাজিত প্রার্থীরা যখন মহাসচিব ও চেয়ারম্যানকে দায়ী করছেন তখন এ আশঙ্কার কথা জানান চুন্নু। এর আগে রোববার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে বিশেষ সভা করেন জাপার পরাজিত প্রার্থীরা। সেখানে নির্বাচনে ভরাডুবির জন্য জাপা মহাসচিব ও চেয়ারম্যানকে দায়ী করেন তারা।

সোমবার (১৫ জানুয়ারি) এ প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে গণমাধ্যমকে চুন্নু বলেন, ‘নির্বাচনে কাঙ্ক্ষিত ফল পাইনি। সেই বিষয়ে আমার ও চেয়ারম্যানের মধ্যে দায়দায়িত্ব আছে। সেই দায়দায়িত্ব নিয়ে আমরা কথা বলতে পারতাম। আমরা ঘরের মধ্যে আলোচনা করতে পারতাম। ফোরামে আলোচনা করতে পারতাম, কিন্তু যেটা করছে সেটা আমার মনে হয় বাইরে থেকে কারও ইন্ধন আছে। পার্টিকে দুর্বল করার জন্য, কারও ইন্ধন আছে। না হলে এ ধরনের কথা বলার কোনো যুক্তি নেই। কারা ইন্ধন দিচ্ছে এটা এখনই বলতে পারবো না। এটা এখনই বলা মুশকিল, অনুমানের ওপর বলছি।’

ভোটে জাপাকে কেউ অর্থ দেয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ আমাদের ভোট করতে টাকা দেয়নি। ব্যবসায়ীরাও দেয়নি। কেউ একটা পয়সা দিয়েছে, অসম্ভব।

চুন্নু বলেন, আমরা পরাজিত প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম। তার আগেই তারা ফরাসি বিপ্লবের মতো বিপ্লব আরম্ভ করে দিয়েছে।

দলের ভাঙনের গুঞ্জন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ তিনবার চারবার ভাঙছে। বিএনপিও অনেক বার ভাঙছে এটা চলমান প্রক্রিয়া। একটা দল ট্রেনের মতো যাচ্ছে। সেখান থেকে কোনো কোনো যাত্রী নেমে যায়, নতুন যাত্রী ওঠে। এটা কোনো বিষয় নয়। দল ভাঙছে না, কোন জেলার সভাপতি সেক্রেটারি আসছে, প্রেসিডিয়াম মেম্বার সংখ্যাগরিষ্ঠ কেউ বিবৃতি দেয়নি। নির্বাহী সদস্যরাও বিবৃতি দেয়নি। সাংগঠনিক ভাঙা একটা প্রক্রিয়া। কতিপয় প্রার্থী যারা ভেবেছে আমরা টাকা পেয়েছি, ওদের টাকা দেইনি। এটাই কারণ, অন্য কোনো কারণ নেই। এখানে ভাঙা ভাঙির কোনো বিষয় নেই।



ভোলার লালমোহনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬

ভোলার লালমোহনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন

সম্প্রতি ভোলার লালমোহনে কৃষকদের মাঝে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ বিতরণ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। করব কাজ গড়ব দেশ সবার জন্য বাংলাদেশ এই স্লোগান সামনে রেখে উপজেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে আয়лোজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কার্যক্রমটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উপজেলার অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই উদ্বোধনী কার্যক্রমে প্রথম ধাপে নির্দিষ্ট কিছু এলাকার কৃষকদের হাতে কার্ড তুলে দেওয়া হয়।

জলবায়ুসহিষ্ণু আধুনিক ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রান্তিক চাষিদের জীবনমান উন্নত করার উদ্দেশ্যে সরকার এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রথম পর্যায়ে লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডের দুই হাজার দুইশো আঠারো জন কৃষকের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে পরবর্তীতে এই কার্যক্রমের আওতায় লালমোহন উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের কৃষকদেরও এই কার্ড প্রদান করা হবে। কৃষকদের হাতে কার্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণও সহায়তা হিসেবে তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ভোলা জেলার প্রশাসক ডা. শামীম রহমান ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক খাইরুল ইসলাম মল্লিকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক এবং সহকারী কমিশনার ভূমি মো. রেজওয়ানুল হকও এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুলসহ পৌরসভা শাখার নেতৃবৃন্দও এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। স্থানীয় সাংবাদিক ও এলাকার প্রান্তিক কৃষকদের সরব উপস্থিতিতে পুরো অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

এই কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি চালুর ফলে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকরা সহজেই সরকারি সহায়তা ও আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সব ওয়ার্ডে এই কার্ড বিতরণ শেষ হলে কৃষিমুখী কার্যক্রমে গতি আসবে এবং সামগ্রিক কৃষি খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।